দৌলতপুরে তিল ক্ষেতে মধু চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন মৌচাষী আনোয়ার হোসেন

শরীফুল ইসলাম ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চরাঞ্চলের বিস্তৃর্ণ মাঠজুড়ে চাষ হয়েছে তিলক্ষেত। তিলক্ষেত এখন সাদা ফুলে ফুলে ভরে রয়েছে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় রোদ বৃষ্টি আর বাতাসে দোল খাওয়া তিলক্ষেতের ফুল থেকে মধু সংগ্রহে ব্যস্ত মৌমাছির দল। সেইসাথে ফুলের মধু সংগ্রহের জন্য মৌবাক্স নিয়ে হাজির হয়েছেন মৌচাষী আনোয়ার হোসেন। তিলক্ষেতে মৌ চাষ করে সাফল্যও পেয়েছেন তিনি। দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর, চিলমারী, রামকৃষ্ণপুর ও মরিচা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের বিস্তৃর্ণ মাঠজুড়ে তিল চাষ হয়েছে। আর এসব চাষ হওয়া তিলক্ষেতের ফুলের মধু সংগ্রহে বসানো হয়েছে মৌবাক্স। তিলক্ষেতসহ অন্যান্য ফসলের ফুল থেকে মধু সংগ্রহে মৌমাছিদের পাশাপাশি ব্যস্ত মৌচাষীরাও। তিলক্ষেতের চাষ করা খাটি মধু সাশ্রয়ী মূল্যে ক্রয়ের জন্য প্রতিদিনই ছুটে আসেন মৌখামারে ক্রেতারা। কৃষি সম্প্রসারণ অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দৌলতপুরের মৌচাষী আনোয়ার হোসেন মৌখামার গড়ে তুলেছেন। সরিষা ও লিচুর পর এবার তিলক্ষেতে ৬০টি মৌবাক্স বসিয়ে মৌচাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। ১০-১৫দিন পর পর এসব মৌবাক্স থেকে ৩ থেকে ৪ মন মধু সংগ্রহ করে তা বাজারজাত করছেন তিনি। মধু’র চাহিদা বেশী থাকলেও করোনার কারনে বাজারজাতকরণে সমস্যার কথা জানানা মৌচাষী আনোয়ার হোসেন। মৌচাষের ফলে তিলসহ বিভিন্ন ফসলে ফলন বৃদ্ধির লক্ষে মধুচাষীদের মধ্যে মৌবাক্স বাক্স, মধু সংগ্রহ যন্ত্রসহ বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করছেন কৃষি বিভাগ। সেই সাথে মৌচাষে প্রশিক্ষনসহ সার্বিক সহায়তার কথার জানিয়েছে দৌলতপুর কৃষি কর্মকর্তা এ কে এম কামরুজ্জামান। তবে মৌ চাষের মাধ্যমে মধু সংগ্রহ করে দেশের চাহিদা পুরণের পাশাপাশি মধু বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে সরকারী উদ্যোগ ও সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আরো খবর...