দৌলতপুরে কর্মহীন বাউল ও যন্ত্র শিল্পিদের অর্থ সহায়তা দিলেন বরেণ্য বাউল শিল্পি ওস্তাদ শফি মন্ডল

শরীফুল ইসলাম ॥ মহামারী করোনা ভাইরাসের কারনে স্থবির হয়ে পড়েছে সারাবিশ^। এরথেকে বাংলাদেশও রেহায় পায়নি। করোনার করুনা পেতে সরাবিশে^র ন্যায় বাংলাদেশও লকডাউনের কবলে পড়েছে। তারপরও প্রতিদিনই বাড়ছে এর বিস্তার। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে কর্মজীবী সাধারণ মানুষসহ সব শ্রেণী পেশার মানুষ। এরথেকে বাদ পড়েনি কন্ঠশিল্পি ও যন্ত্রশিল্পিরাও। তালিকায় রয়েছে নির্লোভ সহজ সরল মানুষ লালন ভক্ত, অনুসারী ও সাধু-গুরুরাগণও। দেশব্যাপী লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া দিনমজুর, অস্বচ্ছল ও দরিদ্রদের মাঝে সরকারী ও বেসরকারীভাবে ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা দেওয়া হলেও এর আওতায় আসেনি এ সমাজেরই একটি অংশ। আর তারা হলেন, কন্ঠশিল্পি, যন্ত্রশিল্পি, লালন ভক্ত ও অনুসারী এবং সাধু-গুরুগণ। তাই করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া কন্ঠশিল্পি, যন্ত্রশিল্পি, লালন ভক্ত ও অনুসারী এবং সাধু-গুরুগণদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন দেশ বরেণ্য বাউল শিল্পি ওস্তাদ শফি মন্ডল। তিনি দৌলতপুরের অস্বচ্ছল ও মাহামারী করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া সাধু, বাউল শিল্পি ও যন্ত্র শিল্পিদের অর্থ সহায়তা দিয়েছেন। শুক্রবার বেলা ১১টায় উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকার নিজ বাড়ির আঙিনায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দেশ বরেন্য বাউল শিল্পি ওস্তাদ শফি মন্ডল জনপ্রতি একহাজার টাকা করে ৫০জন অস্বচ্ছল ও কর্মহীন সাধু, বাউল শিল্পি ও যন্ত্র শিল্পিদের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সোনালী খাতুন আলেয়া, ওস্তাদ শফি মন্ডলের বড় মেয়ে দৌলতপুর কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক কন্ঠশিল্পি ফারজানা ববি লিনা ও বড় জামাই ড. ফজলুল হক গার্লস কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক যন্ত্রশিল্পি মুকুল সরদার। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহা পরিচালক লিয়াকত আলী লাকি’র পক্ষে ওস্তাদ শফি মন্ডলের মাধ্যমে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া সাধু, বাউল শিল্পি ও যন্ত্র শিল্পিদের হাতে এ নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।

আরো খবর...