দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট  ইউএনও অফিসে ফাইলবন্দি

গাংনী আনসার-ভিডিপি কার্যালয়ের সংস্কারে পুকুর চুরি

গাংনী প্রতনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের সংস্কারের কাজে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ উঠ্েেছ। নামমাত্র কাজ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পুকুর চুরির মত খবর ছড়িয়ে পড়লেও সংশ্লিষ্ট মহলের টনক নড়েনি। সাংবাদিকদের লেখালেখির কারণে দুর্নীতি খুঁজতে তৎকালীন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে দিলেও আজও সেই রিপোর্ট আলোর মুখ দেখেনি। পত্রিকায় একাধিক সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি অবশেষে গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিলেও ৬ মাস যাবত ই্উএনও অফিসেই ফাইল বন্দি হয়ে পড়ে রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান যোগদানের ৬ মাস অতিবাহিত হলেও এর কোন প্রতিকার না হওয়ায় সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এর রহস্য কোথায়? তাহলে কি বলা যায়, সকলকে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে ঠিকাদার ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। তদন্ত কমিটির ব্যাপারে ঠিকাদার লাবলু জানান-‘আমি কিছুই জানি না।’  আনসার-ভিডিপির জেলা এ্যাডজুটেন্ট (কুষ্টিয়া অঞ্চল) তরফদার আলমগীর হোসেন জানান, আমার মনে হয়েছে, উক্ত  ৩ কক্ষ বিশিষ্ট টিনসেডের ঘরটি সংস্কার করতে ১৪ লক্ষ টাকার কোন প্রয়োজন ছিল না। যে কাজ করা হয়েছে সেটুকু ৫ লক্ষ টাকায় নির্মাণ করা সম্ভব। এর মধ্যে ভ্যাট-ট্যাক্স বাদ দিলেও টিনসেডের ঘর করা  দুঃসাধ্য ছিলো না। উল্লেখ্য, গাংনী উপজেলা আনসার-ভিডিপির আধা পাকা কার্যালয়ের সংস্কার ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ লক্ষ ১১ হাজার ৮৯০ টাকা। এনিয়ে তদন্ত কমিটির সদস্য পিআইও অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন জানান- সাংবাদিকদের লেখনীর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তদন্ত রিপোর্ট ইউএনও বরাবর দাখিল করা হয়েছে।  এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান সাাংবাদিকদের জানান, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। অভিযোগের রিপোর্ট তদন্ত করে প্রমাণিত হলে ঠিকাদার ও প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরো খবর...