দালাল ছাড়া ফাইল নড়েনা ঝিনাইদহ বিআরটিএ’র অফিসে

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহ বিআরটিএ’র অফিসে দালাল আর ঘুষ ছাড়া ফাইল নড়েনা। সাবেক সহকারি পরিচালক বিলাস সরকারের মৃত্যুর পর গত ১৬ সেপ্টেম্বর নতুন যোগদান করেন এস এম মাহফুজুর রহমান। তিনি যোগদানের পর থেকেই ঘুষ দূর্নীতি ও দালালের দৌরাত্ব বেড়ে গেছে দ্বিগুন পরিমানে। অফিস পরিচালিত হয় দালাল দিয়ে। অফিস সূত্রে জানা যায় মোট সাতজন ষ্টাফ এখানে নিয়মিত কাজ করেন তারা হলেন ফরহাদ উদ্দীন, মাইদুল হাসান, সাহাবুদ্দীন, রবিউল ইসলাম, জাহিদুল হাসান, মফিজ, শহিদুল ইসলাম, বাবুল আক্তার। সরজমিনে বিআরটিএ’র অফিসে গিয়ে জানা যায়, জন, মুক্তার, আনোয়ার, সামিউল, মুন্নু, ফারুকসহ নাম না জানা আরও কয়েকজন দালাল এখানে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছে, যারা কেউ অফিসের স্টাফ নয়। রেকর্ড রুমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুমে কাজ করতে দেখা যায় এদের। তারা কে কোন পোষ্টে আছে প্রশ্ন করলে বলে আমরা সবাই স্যারের লোক। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে এই অফিস স্টাফ ও দালালদের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক গ্রাহক বলেন গাড়ির রুটপার্মিট নেওয়ার জন্য গেলে ফিল্ড ম্যাকানিক্সস বাবুল আক্তার ও উমেদার আনোয়ার মিলে তার নিকট থেকে ঘুষ দাবি করেন। এছাড়া অফিসে সেবা নিতে আসা অনেকের কাছ থেকেই জানা যায় ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না এই অফিসে। ঘুষ নাদিলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয়। এবিষয়ে বিআরটিএ’র সহকারী পরিচালক এস এম মাহফুজুর রহমান জানান, আমি এখানে যোগদানের আগে থেকে এরা এই অফিসে কাজ করে আসছে। আমি  এদের অনেককে ভাল করে চিনিওনা, রেকর্ডরুমে আবর্জনার মধ্যে এরা কাজ করে অভ্যস্ত। আমার অফিসের নিয়মিত কর্মচারীরা রেকর্ড রুমে কোথায় কোন ফাইল আছে তা জানেনা তাই এসব বহিরাগত কর্মীদিয়েই কাজটি করতে হয়। তিনি আরও বলেন কেউ আমার লোক নাই সবাই আপনাদের ঝিনাইদহের লোক। ঝিনাইদহবাসী বিআরটিএ’র এসকল ঘুষ দূর্নীতি ও দালালদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।

আরো খবর...