জৈব সার প্রয়োগে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়, বিষমুক্ত খাদ্য দ্রব্য মানব দেহে মৃত্যুর ঝুঁকি কমায় 

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিত্তিপাড়ায় জৈব সারের পরীক্ষামুলক প্রদর্শনী প্লটের মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে - সুশান্ত কুমার প্রামাণিক

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিত্তিপাড়ায় জৈব সারের পরীক্ষামুলক প্রদর্শনী প্লটের মাঠ দিবস অনুষ্টিত হয়েছে। গতকাল বিকেলে সদর উপজেলার উজানগ্রাম ইউনিয়নের বিত্তিপাড়া গজনবীপুর পুর্ব পাড়া মাঠে আয়োজিত এ মাঠ দিবসে সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা কৃষি অফিসার বিষ্ণুপদ সাহা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ অফিসার সুশান্ত কুমার প্রামাণিক বলেন, সারা পৃথিবীতে আজ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত খাদ্য দ্রব্যের চাহিদা দেখা দিয়েছে। জমিতে ফলন বৃদ্ধি এবং অল্প সময়ে কয়েক প্রকার খাদ্য শষ্য উৎপাদনের জন্য জমিতে অধিক পরিমান রাসায়নিক সারের ব্যবহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে মাটির উর্বরতা যেমন কমে গেছে তেমনি ভাবে বিষযুক্ত খাদ্য দ্রব্যের কারণে মানবদেহে নানা রোগ দেখা দিচ্ছে। তিনি বলেন, কুষ্টিয়া পৌরসভার কম্পোষ্ট প্ল্যান্টে উৎপাদিত জৈব সারের পরীক্ষামুলক কম্পোষ্ট প্রদর্শনী প্লটের এই মাঠ দিবসে এসে কয়েকটি টমাটোর প্লট দেখেছি। টমোটোর সাইজ, রং আকৃতি অনেক ভালো ফলনও বেশি। তিনি আরও বলেন, জৈব সারের ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে। এ জন্য জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সব ধরণের সহযোগীতা করবে তিনি বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া পৌরসভার টাউন প্লানার রানভির আহমেদ, এসএনভির বিজনেস এ্যাডভাইজার তানভির আহমেদ চৌধুরী, কৃষিবিদ মশিউর রহমান, এরাজের বিজনেস ডিরেক্টর মোঃ ইছাহক। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকরা তাদের মতামত তুলে বক্তব্য রাখেন। সার্বিক অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা।  উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া পৌরসভা, এসএনভি ও এরাজের উদ্যোগে মানব বজ্য থেকে তৈরি জৈব সার ব্যবহার করে গজনবীপুরের কৃষক লালন ১ বিঘা ৫ কাঠা জমিতে, বাদশা ১ বিঘা ৫ কাঠা ও অফিল উদ্দিন ১০ কাঠা জমিতে টমোটো চাষ করে বেশ ফলন পেয়েছেন এবং ইতিমধ্যে বাজারে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন বলে সভায় জানিয়েছেন।

আরো খবর...