জীবন ও জীবকিার অগ্রাধকিার

॥ ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ ॥

করোনা আক্রান্ত এই আমরা বশে গোলকধাঁধার মধ্যে আছ।ি যাদরে নজি পরবিার বা আত্মীয়-পরজিন কউে করোনা আক্রান্ত হননি তাদরে কাছে করোনাভীতি অনকেটা বায়বীয়। তারা মডিয়িার নানা ‘বশিষেজ্ঞ’ র্বণনায় ভীত হচ্ছনে আবার কছিুটা ভীতমিুক্তও হচ্ছনে। এই সময়ে আমাদরে মডিয়িা কতটা দায়ত্বিশীল ভূমকিা পালন করছে তা নয়িওে প্রশ্ন রয়ছে।ে সদেনি একটি জনপ্রয়ি টভিি চ্যানলেে টক শো শুনছলিাম। আমি আসার আগইে অতথিদিরে পরচিয় র্পব হয়ে গছে।ে একজন অতথিকিে গুরুত্বর্পূণ প্রশ্ন করা হলো। যার উত্তর বশিষেজ্ঞ ডাক্তার বা চকিৎিসা বজ্ঞিানীই দতিে পারনে। আমি ভদ্রলোককে দখেে চনিতে পারনি।ি ভাবলাম তমেন কউে হবনে। একটু পরইে পরচিয় জানলাম। তনিি একজন সাংবাদকি। অতথিি মহোদয় নর্দ্বিধিায়ই বশিষেজ্ঞ মন্তব্য প্রদান করলনে। এভাবে নানা কছিু দখেশেুনে করোনা পরস্থিতিি মোকাবলিায় আমাদরে আসলে কী করণীয় তা নয়িে দ্বধিায় পড়ে গছেে এ দশেরে মানুষ। এটুকু জনেছেি করোনা প্রতরিোধে সারা দুনয়িাতইে কোনো ভ্যাকসনি বা ওষুধ আবষ্কিৃত হয়ন।ি আর এ কারণইে বোধহয় আমরা আমজনতা দুটো শব্দরে সঙ্গে পরচিতি হলাম। একটি ‘হোম কোয়ারন্টেনি’ আর অন্যটি ‘লকডাউন।’ এই দুটইি করোনার আসল প্রতষিধেক। এর যোগফল এই দাঁড়াল করোনার গ্রাস থকেে মুক্তি পতেে প্রয়োজন ঘরবন্দি থাকা। একান্ত প্রয়োজনে বাইরে এলওে স্বাস্থ্যবধিি মনে,ে মুখে মাস্ক পর,ে সামাজকি দূরত্ব বজায় রখেে দ্রুত কাজ সরেে ঘরে ফরিতে হব।ে বশিষেজ্ঞ মত,ে যে কোনো ভাইরাস তনি-চার মাসরে বশেি দাপট দখোতে পারে না। ধীরে ধীরে আক্রান্তরে সংখ্যা এবং মৃত্যু দুই কমতে থাক।ে পৃথবিীর অনকে দশে সইে সময় পার করছে।ে আবার নতুন জীবনরে হাতছানি দখেছে মানুষ। কন্তিু জীবকিা! করোনা শুধু মানুষরে জীবন নয়, র্অথনীতরি ওপরও থাবা মরেছে।ে জীবন বাঁচাতে ঘরবন্দি হলইে চলবে না, জীবকিারও প্রয়োজন। দশেরে র্অথনীতরি চাকা সচল না হলে একটি দশে টকিব-েএগোবে কমেন কর?ে তাই প্রচুর মৃত্যুর মছিলিরে পরও যুক্তরাষ্ট্ররে মতো অনকে দশেইে লকডাউন শথিলি করা হচ্ছ।ে দোকানপাট-ব্যবসা-বাণজ্যিরে দরোজা খুলছ।ে মানুষ রাস্তায় বরেোচ্ছ।ে র্অথনীতরি চাকা সচল না করলে চলবে কনে! আমাদরে দশেে করোনার আগমন ঘটছেে ওসব দশেরে চয়েে অনকে পর।ে তাই করোনা কমার সূচক এখনো নম্নিমুখী হয়ন।ি বরং বশিষেজ্ঞ মত,ে এখন আক্রান্তরে অত্যন্ত ঝুঁকপর্িূণ সময়রে দকিে যাচ্ছ।ি আমাদরে মতো দশে যখোনে ঝুঁকরি অন্ত নইে। করোনা ভাইরাস মোকাবলিার মতো চকিৎিসা ব্যবস্থার প্রস্তুতি র্দুবল। চকিৎিসক ও স্বাস্থ্যর্কমীদরে কাম্য সুরক্ষার ব্যবস্থা ভালো নয়। সবচয়েে প্রয়োজনীয় টস্টে অপ্রতুল ব্যবস্থাপনার জন্য চলছে শম্বুকগততি।ে তমেন দশেে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হাতছানি তো বাড়বইে। এই অবস্থায় জীবন এবং জীবকিা বা জীবননীতি ও র্অথনীতি দুটো অতি প্রয়োজনীয় বষিয়রে মধ্যে অগ্রাধকিার ভত্তিতিে একটকিে আগে বাছতে হয়। জীবনরে চয়েে বড় কছিু হতে পারে না। যুদ্ধরে ময়দানে বসে সৃষ্টরি চন্তিায় বভিোর থাকে না কোনো সনোপত।ি তখন একটইি চন্তিা যুদ্ধজয়। জতিতে পারলে পরে ধ্বংসস্তূপরে ওপর ফুল ফোটানো যাব।ে আমাদরেও এই মুর্হূতে একটইি চন্তিা করোনা গ্রাস থকেে মানুষকে রক্ষা করা। জীবনই যদি না থাকে তবে জীবকিা কার জন্য! জীবননীতি পরাজতি হলে র্অথনীতরি মূল্য ক!ি মুক্তযিুদ্ধরে প্রতক্রিয়িায় আমাদরে দশে তো ধ্বংসস্তূপে পরণিত হয়ছেলি। এর আগরে প্রায় দুই যুগ পশ্চমি পাকস্তিানি শাসকরা কুরে কুরে খয়েে ফাঁপা করে দয়িছেলি র্পূব পাকস্তিানরে র্অথনতৈকি কাঠামো। স্বাধীনতার পর এই ধ্বংসভূমরি ওপর দাঁড়য়িে বঙ্গবন্ধু ভরসা করছেলিনে এ দশেরে মানুষরে ওপরই। মানুষ যখন আছে র্অথনীতকিে গতশিীল করা যাবইে। সইে দশে এখন নানা রাজনতৈকি ঘাত-প্রতঘিাতরে পরও সঠকি নতেৃত্বরে দৃঢ়তায় র্অথনতৈকি সমৃদ্ধরি দকিে এগোচ্ছলি। সবকছিু যে স্বপ্নরে মতো করে এগোবে তমেন তো নয়! উত্থান-পতন তো আছইে। তনি পুরুষরে সাজানো-গোছানো গ্রাম মুর্হূতে নদীর ভাঙনে বলিীন হয়ে যতেে পার।ে তাই বলে র্সবহারা মানুষ কি গভীর হতাশায় নদীতে ঝাঁপয়িে আত্মবর্সিজন দয়ে? বরং আবার নতুনভাবে বঁেচে থাকার-এগয়িে চলার পরকিল্পনা কর।ে কারণ কঠনি বাস্তবতাকে তো অস্বীকার করা যাবে না। সময়রে বচিারে আজ করোনা সংকটরে মধ্য সময় পার করছ।ি সবচয়েে কঠনি সময় এখন। সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোরই তীব্রতার সময় চলছ।ে এমন অবস্থায় দুটো প্রধান কাজ ছলি সরকাররে। একটি জনতার লকডাউন না মানার বাস্তবতকে ববিচেনায় রখেে প্রয়োজনে কারফউি দয়িে অবোধ মানুষকে ঘরে আটকে দওেয়া। আর অন্যটি হচ্ছ,ে যত র্অথনতৈকি চাপই থাকুক সরকাররে অবধারতি র্কতব্য ববিচেনায় প্রত্যকে ঘরবন্দি মানুষরে খাদ্য নরিাপত্তা নশ্চিতি করা। খুব তো বশেি নয়Ñ দড়ে থকেে দুমাসরে মামলা। অন্তত ঈদ র্পযন্ত তো কঠনি অবস্থা পার করাই উচতি ছলি। এর মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নতুন র্অথনতৈকি পরকিল্পনাও গ্রহণ করা যতে। একটি সুখরে কথা বোরো মৌসুমে সব আশঙ্কাকে পছেনেে ফলেে কৃষক তার প্রায় শতভাগ ধান ঘরে তুলতে পরেছেনে। রাজনতৈকি ছত্রছায়ায় পালতি র্দুবৃত্তদরে নয়িন্ত্রণ করতে পারলে এই কৃষপিণ্য অনকেটা সুফল বয়ে আনতে পার।ে আমাদরে রাজনতৈকি দলগুলোর সব সময় চন্তিা আটকে থাকে ক্ষমতার দকি।ে দলরে নতোর্কমীদরে কখনো জনকল্যাণ ও দশেকল্যাণে ব্যবহাররে পরকিল্পনা কোনো পক্ষ করে না। এই সংকটে চন্তিা হতে পারে আওয়ামী লীগ সরকার দশেজুড়ে তার বশিাল রাজনতৈকি নতোর্কমীদরে ওপর আস্থা রাখতে পারলে তাদরে এবং অন্যদরেও যোগ্যতা ও সততার ভত্তিতিে কাজে লাগাতে পারনে। প্রকৃত কৃষকরে কাছ থকেে ফসল সংগ্রহ, মাছচাষদিরে কাছ থকেে মাছ, দুগ্ধ খামারদিরে কাছ থকেে দুধ সংগ্রহ করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সুস্থ বাণজ্যিকি ধারায় ব্যবহার করা কঠনি কছিু নয়। আজ বড় বড় র্গামন্টেরে মালকিরা বলছনে, যাদরে র্অডার রয়ছেে তা সময়মতো সাপ¬াই দতিে না পারলে তারা বাজার হারাবনে। এ কথাটা আমাদরে কাছে খুব স্পষ্ট নয়। হ্যাঁ হতে পারে কোনো দশে করোনামুক্ত হয়ে কারখানা চালু করছে।ে তারা কছিুটা বাড়তি সুবধিা পাবনে। কন্তিু করোনা মহামারী তো বশ্বৈকি সমস্যা। বায়ার এবং সাপ¬ায়ার সবাই ভুক্তভোগী। সংকটরে বাস্তবতা সবাই বুঝতে পারবনে। তাই এই করোনা আতঙ্করে মধ্যে শ্রমকি ও সাধারণ মানুষরে জীবন বপিন্ন করে উৎপাদন না করতে পারলে র্গামন্টেস শল্পি মুখ থুবড়ে পড়বে এমন সরলীকরণ তথ্য বশ্বিাসযোগ্য নয়। যদি তা হয় তবে বলতে হবে বশ্বিবাজারে স্বনামধন্য পোশাক রপ্তানকিারক দশেরে শল্পি মালকি ও তাদরে সংগঠন অনকেটাই অর্থব। তাদরে বশ্বৈকি বাণজ্যি- প্রশাসনকি নীতি যথষ্টে র্দুবল। কট্টর বণকি র্স্বাথরে সংজ্ঞাটি বাংলাদশেরে ক্ষত্রেে খুব খাট।ে কবেল পুঁজি বাড়াব, লভ্যাংশরে তীর র্ঊধ্বমুখে নবে। চালকিাশক্তি শ্রমকিরে যাই হোক না কনে। আর আমলা ও ব্যবসায়ী নর্ভির সরকাররে যে যে সংকট থাকে বাংলাদশেরে ক্ষত্রেে সসেব লক্ষণ খুব স্পষ্ট। এখন আমলাদরে চয়েওে ব্যবসায়ীদরে ওপর সরকাররে নর্ভিরশীলতা একটু বশে।ি কারণ একজন বড় ব্যবসায়ীর এখন নানা পরচিয় আছ।ে ব্যবসায়ী একাধারে রাজনীতকি, এমপ,ি মন্ত্রী সবকছিু। তাই বণকির্স্বাথ রক্ষায় মানুষরে জীবনকে বপিন্ন করতে কছিুমাত্র দ্বধিা হয় না। সত্যটি আরও স্পষ্ট হলো গত ৫ মে রাতে টলেভিশিনরে সংবাদ দখেতে গয়ি।ে এই বপিন্ন সময়ে স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বীকার করলনে, যখন মানুষরে লকডাউন সামাজকি দূরত্ব কঠনিভাবে মানার কথা তখন পোশাক শল্পি-কারখানাগুলো খুলে দওেয়া হলো। আর তার পরই করোনা আক্রান্তরে সংখ্য হু-হু করে বড়েে যতেে লাগল। সঙ্গত কারণইে মৃত্যুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছ।ে আরকেটি ভয়ঙ্কর কথা তনিি জানালনে। করোনা সংকটকে সামনে রখেে তা প্রতরিোধরে জন্য সরকার যে জাতীয় কমটিি করছেে তার প্রধান হচ্ছনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অথচ স্বাস্থ্যমন্ত্রী কলকারখানা খুলে দওেয়া, শপংিমল খুলে দওেয়ার সদ্ধিান্ত সর্ম্পকে কছিুই জাননে না। হয়তো বুদ্ধমিান বণকিগোষ্ঠী জাতীয় কমটিকিে বাইপাস করে উচ্চতম ক্ষমতাকে কাজে লাগয়িে আদায় করে নয়িছে।ে এই র্দুযােগে এমন গুরুত্বর্পূণ বষিয়ে সমন্বয়হীনতা মোটওে গ্রহণযোগ্য নয়। এ দশেে বশিাল বশিাল পোশাকশল্পি প্রতষ্ঠিান রয়ছে।ে তাদরে পক্ষে কি খুব কঠনি ছলি কারখানা বন্ধ রখেে দু-তনি মাস শ্রমকিদরে বসয়িে বতেন দওেয়া। কন্তিু বরাবর দখো যায় তারা শ্রমকিদরে এক পয়সা প্রণোদনা দলিে দুপয়সা সরকাররে কাছ থকেে আদায় করে ননে। যখন নানা র্দুবপিাকে ব্যবসা গলে গলে করতে থাকনে তখন হয়তো পাঁচ টাকা লাভ কমে তনি টাকা হয়ছে।ে তাই যদি না হবে যখন ব্যবসা গলে গলে করে নানা সুবধিা আদায় করতে চায় তারাই আবার একই সময়ে নতুন নতুন শল্পি প্রতষ্ঠিান গড়ে তোলনে কমেন কর?ে এবার সংকটে সরকার থকেে কম প্রণোদনা আদায় করে ননেন।ি আমাদরে তো মনে হয় বড়দরে নয়, প্রণোদনা দওেয়া উচতি ছোট ও রুগ্নশল্পি প্রতষ্ঠিানগুলোক।ে যারা ঘুরে দাঁড়াতে পার।ে সবার সমন্বতি শ্রমইে আমরা মনে করি করোনা উত্তরকালে আবার দশেরে র্অথনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারব।ে সরকাররে নীতনির্ধিারকরা জাননে মহামারী এবং র্দুভক্ষিে দশে ও জনগণ বপিন্ন হলে সরকাররে সব সহযোগী প্রতষ্ঠিানই ভঙেে পড়ব।ে এই মুর্হূতে জনগণকে রক্ষার চয়েে আর কছিু অগ্রাধকিার পতেে পারে না। কন্তিু সরকাররে পক্ষে ব্যবসায়ীদরে প্রতি নতজানুনীতি রখেে বপিন্ন মানুষকে রক্ষা করা যাবে না। আজ কলকারখানা খুলে দয়িে দশেকে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকতিে ফলেে দওেয়া হয়ছে।ে কাল নশ্চিয় গণপরবিহনও খুলে দওেয়া হব।ে কারণ পরবিহন সক্টেররে বড় বড় মালকিরাও সরকার ও সরকারি দলরে ঘনষ্ঠি। এসব কারণে এমন যনে না হয় ভবষ্যিৎ প্রতœতাত্ত্বকি ও ইতহিাসবদিদরে একটি র্দুভাগা জাতরি ইতহিাস নয়িে গবষেণা করতে হয়। লখেক ঃ অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বশ্বিবদ্যিালয়
শিষেজ্ঞ ডাক্তার বা চকিৎিসা বজ্ঞিানীই দতিে পারনে। আমি ভদ্রলোককে দখেে চনিতে পারনি।ি ভাবলাম তমেন কউে হবনে। একটু পরইে পরচিয় জানলাম। তনিি একজন সাংবাদকি। অতথিি মহোদয় নর্দ্বিধিায়ই বশিষেজ্ঞ মন্তব্য প্রদান করলনে। এভাবে নানা কছিু দখেশেুনে করোনা পরস্থিতিি মোকাবলিায় আমাদরে আসলে কী করণীয় তা নয়িে দ্বধিায় পড়ে গছেে এ দশেরে মানুষ। এটুকু জনেছেি করোনা প্রতরিোধে সারা দুনয়িাতইে কোনো ভ্যাকসনি বা ওষুধ আবষ্কিৃত হয়ন।ি আর এ কারণইে বোধহয় আমরা আমজনতা দুটো শব্দরে সঙ্গে পরচিতি হলাম। একটি ‘হোম কোয়ারন্টেনি’ আর অন্যটি ‘লকডাউন।’ এই দুটইি করোনার আসল প্রতষিধেক। এর যোগফল এই দাঁড়াল করোনার গ্রাস থকেে মুক্তি পতেে প্রয়োজন ঘরবন্দি থাকা। একান্ত প্রয়োজনে বাইরে এলওে স্বাস্থ্যবধিি মনে,ে মুখে মাস্ক পর,ে সামাজকি দূরত্ব বজায় রখেে দ্রুত কাজ সরেে ঘরে ফরিতে হব।ে বশিষেজ্ঞ মত,ে যে কোনো ভাইরাস তনি-চার মাসরে বশেি দাপট দখোতে পারে না। ধীরে ধীরে আক্রান্তরে সংখ্যা এবং মৃত্যু দুই কমতে থাক।ে পৃথবিীর অনকে দশে সইে সময় পার করছে।ে আবার নতুন জীবনরে হাতছানি দখেছে মানুষ। কন্তিু জীবকিা! করোনা শুধু মানুষরে জীবন নয়, র্অথনীতরি ওপরও থাবা মরেছে।ে জীবন বাঁচাতে ঘরবন্দি হলইে চলবে না, জীবকিারও প্রয়োজন। দশেরে র্অথনীতরি চাকা সচল না হলে একটি দশে টকিব-েএগোবে কমেন কর?ে তাই প্রচুর মৃত্যুর মছিলিরে পরও যুক্তরাষ্ট্ররে মতো অনকে দশেইে লকডাউন শথিলি করা হচ্ছ।ে দোকানপাট-ব্যবসা-বাণজ্যিরে দরোজা খুলছ।ে মানুষ রাস্তায় বরেোচ্ছ।ে র্অথনীতরি চাকা সচল না করলে চলবে কনে! আমাদরে দশেে করোনার আগমন ঘটছেে ওসব দশেরে চয়েে অনকে পর।ে তাই করোনা কমার সূচক এখনো নম্নিমুখী হয়ন।ি বরং বশিষেজ্ঞ মত,ে এখন আক্রান্তরে অত্যন্ত ঝুঁকপর্িূণ সময়রে দকিে যাচ্ছ।ি আমাদরে মতো দশে যখোনে ঝুঁকরি অন্ত নইে। করোনা ভাইরাস মোকাবলিার মতো চকিৎিসা ব্যবস্থার প্রস্তুতি র্দুবল। চকিৎিসক ও স্বাস্থ্যর্কমীদরে কাম্য সুরক্ষার ব্যবস্থা ভালো নয়। সবচয়েে প্রয়োজনীয় টস্টে অপ্রতুল ব্যবস্থাপনার জন্য চলছে শম্বুকগততি।ে তমেন দশেে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হাতছানি তো বাড়বইে। এই অবস্থায় জীবন এবং জীবকিা বা জীবননীতি ও র্অথনীতি দুটো অতি প্রয়োজনীয় বষিয়রে মধ্যে অগ্রাধকিার ভত্তিতিে একটকিে আগে বাছতে হয়। জীবনরে চয়েে বড় কছিু হতে পারে না। যুদ্ধরে ময়দানে বসে সৃষ্টরি চন্তিায় বভিোর থাকে না কোনো সনোপত।ি তখন একটইি চন্তিা যুদ্ধজয়। জতিতে পারলে পরে ধ্বংসস্তূপরে ওপর ফুল ফোটানো যাব।ে আমাদরেও এই মুর্হূতে একটইি চন্তিা করোনা গ্রাস থকেে মানুষকে রক্ষা করা। জীবনই যদি না থাকে তবে জীবকিা কার জন্য! জীবননীতি পরাজতি হলে র্অথনীতরি মূল্য ক!ি মুক্তযিুদ্ধরে প্রতক্রিয়িায় আমাদরে দশে তো ধ্বংসস্তূপে পরণিত হয়ছেলি। এর আগরে প্রায় দুই যুগ পশ্চমি পাকস্তিানি শাসকরা কুরে কুরে খয়েে ফাঁপা করে দয়িছেলি র্পূব পাকস্তিানরে র্অথনতৈকি কাঠামো। স্বাধীনতার পর এই ধ্বংসভূমরি ওপর দাঁড়য়িে বঙ্গবন্ধু ভরসা করছেলিনে এ দশেরে মানুষরে ওপরই। মানুষ যখন আছে র্অথনীতকিে গতশিীল করা যাবইে। সইে দশে এখন নানা রাজনতৈকি ঘাত-প্রতঘিাতরে পরও সঠকি নতেৃত্বরে দৃঢ়তায় র্অথনতৈকি সমৃদ্ধরি দকিে এগোচ্ছলি। সবকছিু যে স্বপ্নরে মতো করে এগোবে তমেন তো নয়! উত্থান-পতন তো আছইে। তনি পুরুষরে সাজানো-গোছানো গ্রাম মুর্হূতে নদীর ভাঙনে বলিীন হয়ে যতেে পার।ে তাই বলে র্সবহারা মানুষ কি গভীর হতাশায় নদীতে ঝাঁপয়িে আত্মবর্সিজন দয়ে? বরং আবার নতুনভাবে বঁেচে থাকার-এগয়িে চলার পরকিল্পনা কর।ে কারণ কঠনি বাস্তবতাকে তো অস্বীকার করা যাবে না। সময়রে বচিারে আজ করোনা সংকটরে মধ্য সময় পার করছ।ি সবচয়েে কঠনি সময় এখন। সংক্রমণ ও মৃত্যু দুটোরই তীব্রতার সময় চলছ।ে এমন অবস্থায় দুটো প্রধান কাজ ছলি সরকাররে। একটি জনতার লকডাউন না মানার বাস্তবতকে ববিচেনায় রখেে প্রয়োজনে কারফউি দয়িে অবোধ মানুষকে ঘরে আটকে দওেয়া। আর অন্যটি হচ্ছ,ে যত র্অথনতৈকি চাপই থাকুক সরকাররে অবধারতি র্কতব্য ববিচেনায় প্রত্যকে ঘরবন্দি মানুষরে খাদ্য নরিাপত্তা নশ্চিতি করা। খুব তো বশেি নয়Ñ দড়ে থকেে দুমাসরে মামলা। অন্তত ঈদ র্পযন্ত তো কঠনি অবস্থা পার করাই উচতি ছলি। এর মধ্যে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নতুন র্অথনতৈকি পরকিল্পনাও গ্রহণ করা যতে। একটি সুখরে কথা বোরো মৌসুমে সব আশঙ্কাকে পছেনেে ফলেে কৃষক তার প্রায় শতভাগ ধান ঘরে তুলতে পরেছেনে। রাজনতৈকি ছত্রছায়ায় পালতি র্দুবৃত্তদরে নয়িন্ত্রণ করতে পারলে এই কৃষপিণ্য অনকেটা সুফল বয়ে আনতে পার।ে আমাদরে রাজনতৈকি দলগুলোর সব সময় চন্তিা আটকে থাকে ক্ষমতার দকি।ে দলরে নতোর্কমীদরে কখনো জনকল্যাণ ও দশেকল্যাণে ব্যবহাররে পরকিল্পনা কোনো পক্ষ করে না। এই সংকটে চন্তিা হতে পারে আওয়ামী লীগ সরকার দশেজুড়ে তার বশিাল রাজনতৈকি নতোর্কমীদরে ওপর আস্থা রাখতে পারলে তাদরে এবং অন্যদরেও যোগ্যতা ও সততার ভত্তিতিে কাজে লাগাতে পারনে। প্রকৃত কৃষকরে কাছ থকেে ফসল সংগ্রহ, মাছচাষদিরে কাছ থকেে মাছ, দুগ্ধ খামারদিরে কাছ থকেে দুধ সংগ্রহ করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সুস্থ বাণজ্যিকি ধারায় ব্যবহার করা কঠনি কছিু নয়। আজ বড় বড় র্গামন্টেরে মালকিরা বলছনে, যাদরে র্অডার রয়ছেে তা সময়মতো সাপ¬াই দতিে না পারলে তারা বাজার হারাবনে। এ কথাটা আমাদরে কাছে খুব স্পষ্ট নয়। হ্যাঁ হতে পারে কোনো দশে করোনামুক্ত হয়ে কারখানা চালু করছে।ে তারা কছিুটা বাড়তি সুবধিা পাবনে। কন্তিু করোনা মহামারী তো বশ্বৈকি সমস্যা। বায়ার এবং সাপ¬ায়ার সবাই ভুক্তভোগী। সংকটরে বাস্তবতা সবাই বুঝতে পারবনে। তাই এই করোনা আতঙ্করে মধ্যে শ্রমকি ও সাধারণ মানুষরে জীবন বপিন্ন করে উৎপাদন না করতে পারলে র্গামন্টেস শল্পি মুখ থুবড়ে পড়বে এমন সরলীকরণ তথ্য বশ্বিাসযোগ্য নয়। যদি তা হয় তবে বলতে হবে বশ্বিবাজারে স্বনামধন্য পোশাক রপ্তানকিারক দশেরে শল্পি মালকি ও তাদরে সংগঠন অনকেটাই অর্থব। তাদরে বশ্বৈকি বাণজ্যি- প্রশাসনকি নীতি যথষ্টে র্দুবল। কট্টর বণকি র্স্বাথরে সংজ্ঞাটি বাংলাদশেরে ক্ষত্রেে খুব খাট।ে কবেল পুঁজি বাড়াব, লভ্যাংশরে তীর র্ঊধ্বমুখে নবে। চালকিাশক্তি শ্রমকিরে যাই হোক না কনে। আর আমলা ও ব্যবসায়ী নর্ভির সরকাররে যে যে সংকট থাকে বাংলাদশেরে ক্ষত্রেে সসেব লক্ষণ খুব স্পষ্ট। এখন আমলাদরে চয়েওে ব্যবসায়ীদরে ওপর সরকাররে নর্ভিরশীলতা একটু বশে।ি কারণ একজন বড় ব্যবসায়ীর এখন নানা পরচিয় আছ।ে ব্যবসায়ী একাধারে রাজনীতকি, এমপ,ি মন্ত্রী সবকছিু। তাই বণকির্স্বাথ রক্ষায় মানুষরে জীবনকে বপিন্ন করতে কছিুমাত্র দ্বধিা হয় না। সত্যটি আরও স্পষ্ট হলো গত ৫ মে রাতে টলেভিশিনরে সংবাদ দখেতে গয়ি।ে এই বপিন্ন সময়ে স্বয়ং স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বীকার করলনে, যখন মানুষরে লকডাউন সামাজকি দূরত্ব কঠনিভাবে মানার কথা তখন পোশাক শল্পি-কারখানাগুলো খুলে দওেয়া হলো। আর তার পরই করোনা আক্রান্তরে সংখ্য হু-হু করে বড়েে যতেে লাগল। সঙ্গত কারণইে মৃত্যুর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছ।ে আরকেটি ভয়ঙ্কর কথা তনিি জানালনে। করোনা সংকটকে সামনে রখেে তা প্রতরিোধরে জন্য সরকার যে জাতীয় কমটিি করছেে তার প্রধান হচ্ছনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। অথচ স্বাস্থ্যমন্ত্রী কলকারখানা খুলে দওেয়া, শপংিমল খুলে দওেয়ার সদ্ধিান্ত সর্ম্পকে কছিুই জাননে না। হয়তো বুদ্ধমিান বণকিগোষ্ঠী জাতীয় কমটিকিে বাইপাস করে উচ্চতম ক্ষমতাকে কাজে লাগয়িে আদায় করে নয়িছে।ে এই র্দুযােগে এমন গুরুত্বর্পূণ বষিয়ে সমন্বয়হীনতা মোটওে গ্রহণযোগ্য নয়। এ দশেে বশিাল বশিাল পোশাকশল্পি প্রতষ্ঠিান রয়ছে।ে তাদরে পক্ষে কি খুব কঠনি ছলি কারখানা বন্ধ রখেে দু-তনি মাস শ্রমকিদরে বসয়িে বতেন দওেয়া। কন্তিু বরাবর দখো যায় তারা শ্রমকিদরে এক পয়সা প্রণোদনা দলিে দুপয়সা সরকাররে কাছ থকেে আদায় করে ননে। যখন নানা র্দুবপিাকে ব্যবসা গলে গলে করতে থাকনে তখন হয়তো পাঁচ টাকা লাভ কমে তনি টাকা হয়ছে।ে তাই যদি না হবে যখন ব্যবসা গলে গলে করে নানা সুবধিা আদায় করতে চায় তারাই আবার একই সময়ে নতুন নতুন শল্পি প্রতষ্ঠিান গড়ে তোলনে কমেন কর?ে এবার সংকটে সরকার থকেে কম প্রণোদনা আদায় করে ননেন।ি আমাদরে তো মনে হয় বড়দরে নয়, প্রণোদনা দওেয়া উচতি ছোট ও রুগ্নশল্পি প্রতষ্ঠিানগুলোক।ে যারা ঘুরে দাঁড়াতে পার।ে সবার সমন্বতি শ্রমইে আমরা মনে করি করোনা উত্তরকালে আবার দশেরে র্অথনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারব।ে সরকাররে নীতনির্ধিারকরা জাননে মহামারী এবং র্দুভক্ষিে দশে ও জনগণ বপিন্ন হলে সরকাররে সব সহযোগী প্রতষ্ঠিানই ভঙেে পড়ব।ে এই মুর্হূতে জনগণকে রক্ষার চয়েে আর কছিু অগ্রাধকিার পতেে পারে না। কন্তিু সরকাররে পক্ষে ব্যবসায়ীদরে প্রতি নতজানুনীতি রখেে বপিন্ন মানুষকে রক্ষা করা যাবে না। আজ কলকারখানা খুলে দয়িে দশেকে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকতিে ফলেে দওেয়া হয়ছে।ে কাল নশ্চিয় গণপরবিহনও খুলে দওেয়া হব।ে কারণ পরবিহন সক্টেররে বড় বড় মালকিরাও সরকার ও সরকারি দলরে ঘনষ্ঠি। এসব কারণে এমন যনে না হয় ভবষ্যিৎ প্রতœতাত্ত্বকি ও ইতহিাসবদিদরে একটি র্দুভাগা জাতরি ইতহিাস নয়িে গবষেণা করতে হয়। লখেক ঃ অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বশ্বিবদ্যিালয়

আরো খবর...