চুয়াডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ কর্তৃক পুরস্কৃত হওয়ায় জনসভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা অফিস ॥ চুয়াডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ কর্তৃক ‘ভ্যাকসিন হিরো’ ও ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ পুরস্কারে ভূষিত হওয়ায় এবং মাদক, জঙ্গিবাদ ও সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা পালন করায় জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার  বিকেল ৪টায় বড়বাজার শহীদ হাসান চত্বরে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. আলী আজগার টগরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন বক্তব্য রাখেন। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সী আলমগীর হান্নানের সঞ্চালনায় জনসভায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান নান্নু, আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, চুয়াডাঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন হেলা, দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান, জীবননগর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল লতিফ অমল, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি আফজালুল হক, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নাহার কাকলি, আওয়ামী যুবলীগের সাবেক আহবায়ক আরেফিন আলম রঞ্জু ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাইমেন হাসান জোয়ার্দ্দার অনিক জনসভায় বক্তব্য রাখেন। জনসভার প্রধান অতিথি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় যারা মাঠকর্মী তাদের কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ প্রধানমন্ত্রী ভ্যাকসিন হিরো পুরস্কার এবং যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধির স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ পুরস্কার লাভ করেছেন। এক সময়ের সন্ত্রাসী জনপদ এখন শান্তির শহরে পরিণত হয়েছে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম ও আমার নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আত্মসমর্পণ করে। আগে সন্ত্রাসী ছিলো, এখন নেতা হয়েছে। আন্ডার গ্রাউন্ড, আয়ুব খান, বিএনপি-জামায়াত দেখেছি। আমি মনে করলে ব্রীজ পার হবে না। পৌরসভায় যাবে না। মিয়ারা ভাব দেখায়। ঢাকায় বসে মিটিং করছে। ঘষেটি বেগম, রায় দূর্লভ ও মীর জাফর ষড়যন্ত্র করে লাভ হবে না। আমাদের নেত্রী বলেছেন সম্মেলনের আগে ক্যাসিনো সংগঠন ভেঙ্গে দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘন্টা পরিশ্রম করেন। সাধারণ মানুষের মঙ্গল হয় সেটা ভাবেন। ষড়যন্ত্র করছো। মানুষ বুঝতে শিখেছে। ধোকাবাজি দিয়ে চলা যাবে না। দুই এমপি এক জায়গায় হয়ে চুয়াডাঙ্গার সার্বিক উন্নয়ন করবে। শেখ হাসিনার আশির্বাদ রয়েছে। স্কুল-কলেজ রাস্তাঘাট বিল্ডিং আগামী ৩ বছরের মধ্যে যেগুলো বাকী রয়েছে করা হবে।  চোর-চুটকাদের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে হবে। নিজের জমিতে পুকুর নালা করেছে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। দুদককে বলবো খোঁজ নেবেন। চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার হিসেবে নিতে হবে। গুজবে কান দেবেন না বঙ্গবন্ধু বলতেন। বিভেদ তৈরীর জন্য তারা মাঠে নামবে। আমার ও টগরেরর মধ্যে বিভেদ হবে না। আপনাদের মধ্যে বিভেদ করার চেষ্ট করবে। বিএনপি-জামায়ত দেখেছি। সোনা টানা, সুদখোর ও রিভলবার দিয়ে চাঁদাবাজী করছে। দেশ জননেত্রী শেখ হাসিনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকে আমরা বাঁচাতে পারি নাই। শেখ হাসিনাকে ১৯বার হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে। শেখ হাসিনা উন্নয়ন করেছে। অন্য কোন সরকার করে নাই। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন ছিলো বঙ্গবন্ধুর। সব ভেদাভেদ ভুলে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। মূলস্রোতের বাইরে গিয়ে কিছু করা যাবে না। বেশি বাড়াবাড়ি করেন না। ঘরের শক্র বিভিষন। চিন্তার কোন কারণ নেই।

আরো খবর...