চট্টগ্রামে ৭টি কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র

এসএসসি

ঢাকা অফিস ॥ চট্টগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ‘কেন্দ্র সচিবদের ভুলে’ কয়েকটি কেন্দ্রে ২০১৮ সালের সিলবাস অনুসারে প্রণীত প্রশ্নে ২০১৯ সালের পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ হয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীন সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ভুলের তথ্য জানিয়েছেন বোর্ড কর্মকর্তারা।

সারাদেশে শনিবার একযোগে শুরু এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের সাতটি কেন্দ্রের পাশাপাশি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি, মুন্সীগঞ্জে একটি এবং নেত্রকোনার একটি কেন্দ্রেও এই ধরনের ভুল প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়েছে। চট্টগ্রামে যে সাত কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হল নগরীর ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, পতেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ও গরীবে নেওয়াজ উচ্চ বিদ্যালয় এবং কক্সবাজারের পেকুয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, উখিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও উখিয়া পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র। এরমধ্যে ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া দেড় হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৪ জন ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেন বলে জানিয়েছে শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তারা। অন্য ছয় কেন্দ্রে কতজন পরীক্ষার্থী এই ভুলের শিকার হয়েছেন, তা জানাতে পারেনি শিক্ষা বোর্ড। ইতোমধ্যে ওই সাত কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী কেন্দ্র সচিবদের ‘শোকজ’ করা হয়েছে জানিয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান বলেন, তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এবার বাংলা পরীক্ষা ২০১৬, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের সিলেবাসের প্রশ্নপত্র অনুসারে হওয়ার কথা। এর মধ্যে সাতটি কেন্দ্রে কেন্দ্র সচিবদের ভুলে ২০১৯ সালের সিলেবাসে যাদের পরীক্ষা দেওয়ার কথা, তাদের মাঝে ২০১৮ সালের সিলেবাস অনুসারে প্রণীত প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছে।” এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “কতজন শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে এটা হয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারব। তবে এতে পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে ব্যবস্থা অবশ্যই করা হবে।” মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পরীক্ষার্থী এক ছাত্রের বাবা ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বলেন, “দেশের সবচেয়ে বড় পাবলিক পরীক্ষার ব্যবস্থাপনায় এ ধরণের গাফিলতি কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। এতে যদি পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে প্রভাব পড়ে তাহলে তার জন্য কারা দায়ী হবে?” ওই অভিভাবকের দাবি মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৭৭ জন শিক্ষার্থী ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছেন। তবে সেটি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

আরো খবর...