গাংনীতে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসি স্বামীর অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের আড়পাড়া গ্রামে স্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রবাসি স্বামীর অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার পর স্বামীকে ডিভোজ (তালাক) দিয়েছেন স্ত্রী শাহানাজ খাতুন। শাহানাজ হলেন আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসি খোকন আলীর স্ত্রী ও একই গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে। খোকন আলীর বড় ভাই একই গ্রামের আব্দুল বারীর ছেলে আব্দুল হালিম লিখিত অভিযোগে জানান, আমার ৪নং ভাই খোকন ২০১৫ ইং সালে আনুষ্ঠানিকভাবে একই গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে শাহানাজ খাতুনের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে। বিয়ের ৫ মাস পূর্বে খোকন কর্মের তাগিদে বিদেশ চলে যায় ও ছুটিতে কয়েক বার বাড়িতে এসেছিল। খোকন বিদেশ থেকে সাংসারিক ও স্ত্রী শাহানাজ খাতুনের লেখা-পড়ার টাকা পাঠায়। পাশাপাশি খোকন স্ত্রীকে সুখে-শান্তিতে রাখার জন্য স্ত্রীর শয়নকক্ষ টাইলস করেন। এছাড়াও স্ত্রীকে এপর্যন্ত ৬-৭ ভরি স্বর্ণের গহনা, শাহানাজের বাবার পাকাঘর তৈরী ও মাঠে জমি কেনার জন্য নগদ ১০ লাখ টাকা দিয়েছে। আব্দুল হালিম আরো জানান, খোকন যখন শাহানাজকে বিয়ে করে তখন শাহানাজ অষ্টম শ্রেণীতে পড়া-শোনা করতো। সে থেকে এ পর্যন্ত অর্থাৎ দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়া-শোনার খরচ করে আসছে স্বামী খোকন। এতো ভালোবাসার পরও খোকন বিদেশ থাকার সুযোগে রাতেই আঁধারে বাড়ির জিনিসপত্র ও অর্থ-সম্পদ নিয়ে শাহানাজ বাবার বাড়ি চলে যায়। সে সম্প্রতি বাবার বাড়িতে চলে যাওয়ার পর স্বামী খোকনকে ডিভোজ দেয়। অর্থ-সম্পদ ও বাড়ির আসবাবপত্র নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের কাছে একটি অভিযোগ দেয়া হয়েছে। তার এ কর্মকান্ডের সুষ্ঠ বিচারের দাবি জানাচ্ছি চেয়ারম্যান ও প্রশাসনের কাছে।  এ ঘটনাটি মিমাংসার বিষয়ে গাংনী থানায় কয়েক বার বসা হলেও তার সুরাহ হয়নি। এদিকে অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়ে শাহানাজ খাতুনের বাবার পরিবারের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে, শাহানাজের মা বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন এটা সাজানো নাটক। আমার মেয়েকে তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন জ্বালা-যন্ত্রণা দেয়। একারণে সে স্বামীকে ডিভোজ দিয়েছে।

আরো খবর...