গাংনীতে সংখ্যালঘু যুবতি ধর্ষণের অভিযোগে ইটভাটা মালিক আটক 

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধানখোলা ইউনিয়নের জুগিন্দা গ্রামে বিয়ের প্রলোভন  দেখিয়ে সংখ্যালঘু (খ্রীস্টান) এক যুবতিকে ৫ বছর যাবত ধর্ষণের অভিযোগে মফিজুল ইসলাম নামের এক ইটভাটা মালিক ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত মফিজুল জুগিন্দা গ্রামের সাহাদত আলীর ছেলে। এ ঘটনায় মফিজুলকে আটক করে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মফিজুল ইসলমকে মেহেরপুর শহর থেকে  গাংনী থানা পুলিশ আটক করে। জানা যায়, ধর্ষিত ওই যুবতি বাদি হয়ে মঙ্গলবার বিকেলে গাংনী থানায় মফিজুল ইসলামের নামে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মফিজুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দারিদ্রতার কারণে মফিজুল ইসলামের ইট ভাটায় ধর্ষিতার পিতা শ্রমিক হিসেবে দীর্ঘদিন বছর যাবত কাজ করে আসছিলেন। মালিক শ্রমিকের সম্পর্কের কারণে মফিজুল ইসলাম প্রতিনিয়ত ওই যুবতির বাড়িতে যাতায়াত করতো। এক পর্যায়ে মফিজুল ওই যুবতিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ৪ বছর যাবত ধর্ষণ করে আসছিলেন। বিয়ের জন্য ধর্ষিতা যুবতি মফিজুলকে দাবি করলে সে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। একারণে ধর্ষিতা গত মঙ্গলবার গাংনী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা যার- নং ১৩, তাং- ১১/০২/২০২০ইং । গাংনী থানার ওসি ওবাইদুর রহমান জানান,মামলার পরই মফিজুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বুধবার তাকে মেহেরপুর আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আরো খবর...