গাংনীতে বিজিবি সদস্যকে স্বামী হিসাবে স্বীকৃতি পেতে স্ত্রী সেজে ভূঁয়া কাবিন নামা 

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনীতে বিজিবি সদস্যকে স্বামী হিসাবে স্বীকৃতি পেতে স্ত্রী সেজে ভূঁয়া কাবিন নামায় গোপনে বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে  নাসিমা খাতুনের বিরুদ্ধে।  মিথ্যা বিয়ের দাবি করে গাংনী থানায় তিনি লিখিত অভিযোগ করেছেন তেঁতুলবাড়ীযা গ্রামের আব্দুল¬াহর মেয়ে নাসিমা খাতুন। একই সাথে স্বামীর স্বীকৃতি পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সুযোগ সন্ধানী মেয়ে  নাসিমা খাতুন। বিজিবি’তে চাকুরীরত লিটন আলী কাজিপুর ইউনিয়নের পীরতলা গ্রামের রেজাউল হকের ছেলে। সে বর্তমানে রংপুর বিজিবিতে কর্মরত রয়েছে। বিজিবি সদস্য লিটন আলীর মা সাহারবানু জানান, আমার ছেলে কোন অপরাধের সাথে জড়িত থাকে না। নিয়ম মেনে আমার ছেলের বিয়ে দিয়েছি।  বড় ভাই আফিরুল ইসলাম জানায়,  আমি প্রবাস ফেরত হয়ে বর্তমানে বাড়ীতে রয়েছ্।ি অভিযোগকারী মেয়েটার বিয়ের ব্যাপারে কাবিন নামা দেখেছি মেয়েটির অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কাবিন নামার তথ্য মতে আমরা চুয়াডাঙ্গার আলুকদিয়া এলাকার নিকাহ রেজিষ্টার  কাজী নাসিরউদ্দীনের খোঁজ খবর নিয়ে জানতে পেরেছি যে, বিয়ের কাবিন নামা করা হয়েছে ১৩/০৫/২০১৫ ইং । কিন্তু নিকাহ রেজিষ্টার নাসিরউদ্দীন  ১২/০১/২০১৪ ইং তারিখে মারা গেছেন।  সে মতে ধারণা করা হচ্ছে যে, কাবিন নামাটি ভূয়া জাল। আমার ছোট ভাইয়ের আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে দিয়েছ্।ি নাছিমা খাতুন জানান, প্রায় ৬ বছর পূর্বে বিজিবি সদস্য লিটন আলীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার। এরপর গত ১৩/০৫/২০১৫ ইং তারিখে ঢাকার একটি কাজি অফিসে বিয়ে করি। যার কাবিন নামা ও বিয়ের ছবিসহ অসংখ্য প্রমাণাদি রয়েছে। বিয়ে করার পর থেকে ঢাকার সাভার এলাকায় চাকুরীর সুবাদে সেখানে বাসাভাড়া করে বসবাস করে আসছি। তৎকালীন সময়ে স্বামী লিটন আলী বান্দরবন জেলায় কর্মরত ছিলেন। সে ছুটি পেলেই আমার কাছে আসতো এবং একত্রে বসবাস করতাম। কিছুদিন পর গ্রামে চলে যাবে বলে সংসারিক প্রয়োজনে অন্তত ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল কিনে বিভিন্ন সময়ে পীরতলায় পাঠিয়েছি। স্বামী লিটন আলীর অনুরোধেই এতগুলো বছর বিয়ের কথা গোপন রাখা হয়। এছাড়া গত ২ মাস পূর্বে স্বামী লিটনের চাপে পড়ে ৩ মাসের একটি বাচ্চা নষ্টও করেছেন তিনি। তিনি আরো জানান কিছুদিন আগে লিটন বাড়িতে এসে বজ্রপুর গ্রামে তিনি বিয়ে করেছেন বলে জানতে পেরেছি। বিজিবি সদস্য লিটন আলী মোবাইল ফোনে জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছইু জানেন না। সব ঘটনা মিথ্যা। সত্য কোনটা জানতে চাইলে গড়িমশি শুরু করেন।

আরো খবর...