খোকসায় হাওড় নদীর বেড়িবাঁধের গাছ কেটে নিচ্ছে স্থানীয়রা

খোকসা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খোকসা সিরাজপুর হাওড় নদীর বেড়িবাধ ও পাকা রাস্তার পাশ থেকে আম কাঠালে বড়বড় গাছ  কেটে নিচ্ছে স্থানীয়রা। জানা গেছে, স্থানীয় একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সিরাজপুর হাওড় নদীর উৎস্য মুখ এলাকার বেড়িবাধ থেকে প্রায়ই গাছ কেটে বিক্রি করে আসছে। এ চক্রের নেতা কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল বারিক ওরফে আলোর নেতৃত্বে গতকাল শুক্রবার সকালে বেতবাড়িয়ার ইউনিয়নে সামনের বেড়িবাঁধ থেকে আম ও কাঁঠালের ৯টি বড়বড় গাছ কাটতে শুরু করে। গ্রামবাসী স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের জানালে বেলা ১২টার দিকে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে গাছ কাটা বন্ধ করে। একই সাথে কাটা গাছের অংশ বিশেষ উদ্ধার করে স্থানীয় যুবক সবুজের জিম্মায় রেখে আসে। তবে বন্ধ হয়নি গাছকাটা। বেড়ি বাঁধের একাধিক পয়েন্টে  গাছ কাটা চলছে বলে সূত্র গুলো দাবি করে। বেতবাড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক এক সদস্য নাম প্রকাশ করার শর্তে জানান, সিরাজপুর হাওড় নদীর দুই তীরের প্রায় ১২ কিলোমিটার বেড়ি বাঁধ ও পাকা রাস্তায় প্রায় ১৫/১৮ কোটি টাকার গাছ রয়েছে। এ সব গাছের মালিক সরকার। প্রভাবশালীরা নিবিচারের যেভাবে গাছ কাটা শুরু করেছে তাতে অল্প সময়ের মধ্যে বিশাল এলাকা মরুভুমিতে পরিনত হবে। সরকার হারাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। তারা গাছ কাটা বন্ধ ও দোষিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। কাঠ ব্যবসায়ী আব্দুল বারিক ওরফে আলো জানান মেহের আলী নামের এক ব্যক্তি তার কাছ থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকায় নিয়ে ৯টি গাছ বিক্রি করেছে। তারা ৩টি গাছ কেটেছে বলেও স্বীকার করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মেহের আলীর ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দাবি করেন, প্রকৃত পক্ষে হাওড় নদীর বেড়িবাঁধটি নদীতে ভেঙ্গে যায়। পরে গ্রামবাসী তাদের নামীয় রেকডিও জমিতে রাস্তা নির্মান করে। তারা তাদের রেকডিও জমির উপর থেকে গাছ বিক্রি করেছে। থানা পুলিশের এস আই ওয়াজেদ আলী বলেন, সরকারী  বেড়িবাঁধ ও পাকা রাস্তার পাশ থেকে কাটা গাছের অংশ জব্দ করে এক জনের জিম্মায় রাখা হয়েছে। উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেবে।

আরো খবর...