খাজানগরে নজরুল এ্যাগ্রোফুডের মালিক নজরুলকে নিয়ে মিথ্যাচার

ব্যবসায়ী মহলে ক্ষোভ

শুন্য থেকে কোটিপতি নয়, জীবন সংগ্রাম আর মেহনত করে আজ স্বাবলম্বি হয়েছি মাত্র। দেশের অন্যতম বৃহত্তম চাতালকলে পরিচালনা করছি ব্যবসা। প্রতিষ্ঠা করেছি নজরুল এ্যাগ্রোফুড নামে রাইস প্রসেসিং মিল। নিজস্ব তেমন অর্থকড়ির না থাকায় সম্পূর্ণ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর করে প্রতিষ্ঠা করি ওই মিল। মিল স্থাপনের পর থেকেই বেশ সুনামের সাথেই ব্যবসা করে আসছি। স্থানীয় মিলারদের সাথে গড়ে ওঠে সখ্যতা। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আজ সততার সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছ্।ি দীর্ঘ পথপরিক্রমায় কখনো কলঙ্ক স্পর্শ করেনি। অথচ আজ আমাকে নিয়ে মিথ্যে অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে। বানানো হচ্ছে মাদক ব্যবসায়ী। শুন্য থেকে নাকি কোটিপতি বনে গেছি অবৈধ পথে অর্থ উপার্জন করে। এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে লেখালেখি। এতে করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্নের পাশাপাশি পারিবারিকভাবেও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে। নজরুল এ্যাগ্রোফুড এর স্বত্ত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম জানান কেন এমন পরিস্থিতি তৈরী হলো তা আমার জানা নেয়। তবে কোন কুচক্রিমহল এই হীন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তা পরিস্কার। কথায় বলে কারো সুখ নাকি কারো সয়না। আমার বেলায়ও হয়েছে তাই। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় যখন পরিবার পরিজন নিয়ে আর ১০জন ব্যবসায়ীদের মত সুখে শান্তিতে ব্যবসা পরিচালনা করছি তখন একটি মহল পরিকল্পিতভাবে আমাকে এবং আমার পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ইতোপূর্বেও সেই চক্রান্ত করে ওই মহলটি। সর্বশেষ শুক্রবার আমাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। আমাকে বানানো হয় মাদক ব্যবসায়ী। আমি নাকি অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জন করেছি। কিন্তু আল্লাহকে স্বাক্ষি করে বলতে চাই জীবনে কোন অবৈধ অর্থ উপাজন করিনি। বাবা আবুল হোসেন ও তাঁর চারপূত্র সন্তানও কোনপ্রকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়নি।

এদিকে নজরুলকে নিয়ে এমন মিথ্যাচারে বিক্ষুব্ধ খাজানগর তথা দেশের অন্যতম বৃহত্তম চালকলের ব্যবসায়ী সমাজ। একজন সৎ নিষ্ঠাবান প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীকে নিয়ে এধরণের ষড়যন্ত্র কুরুচীপূর্ন মানুষের কাজ বলে মনে করেন তারা। একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীকে নিয়ে এধরনের ষড়যন্ত্র মোটেও কাম্য নয়।

 

আরো খবর...