কোয়ারেন্টাইন নীতিতে অনিয়মে নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

ঢাকা অফিস ॥ কড়াকড়িভাবে সীমান্ত বন্ধ এবং কার্যকরী কোয়ারেন্টাইন নীতির কারণে নিউজিল্যান্ড বেশ সফল্যতার সঙ্গেই করোনাভাইরাস ‘নির্মূল’ করতে সফল হয়। জুনের শুরুর দিকে দেশটিকে করোনামুক্ত ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আরডার্ন। তবে সম্প্রতি কোয়ারেন্টাইন বিধি লংঘনের একাধিক ঘটনার কারণে নিউজিল্যান্ডে নতুন করে সংক্রমণের আশঙ্কা দিয়েছে। এ নিয়ে বিতর্কে পদত্যাগ করেছেন দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেভিড ক্লার্ক।  দায়িত্বে পালনে ব্যর্থ হয়ে পদ ছাড়েন ক্লার্ক। গতকাল বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা এটি নিশ্চিত করেছেন। বিবিসি জানায়, করোনাকালে লকডাউন ভেঙে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে বিতর্কিত হন নিউজিল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেভিড ক্লার্ক। পাশাপাশি করোনাকালে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং রোগীদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে দেশটির সরকারের বিরুদ্ধে। আইসোলেশনে থাকা দুই রোগী কোনো পরীক্ষা ছাড়াই তাদের বাবা মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে যাওয়ার সুযোগ পান। পরে তাদের শরীরে কভিড-১৯ শনাক্ত হয়। এতে দেশটি নতুন করে করোনা ঝুঁকির মুখে পড়ল। পদত্যাগের বিষয়ে ডেভিড ক্লার্ক বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকার সময় যে সকল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সেগুলোর পুরো দায়ভার আমি নিচ্ছি। দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন দেড় হাজারের কিছু বেশি লোক। এর মধ্যে মারা যান মাত্র ২২ জন। করোনার প্রকোপ একেবারে কমে আসায় মে মাস থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে শুরু করে নিউজিল্যান্ডবাসী। এরপর ধাপে ধাপে জুন মাসে লকডাউন পুরোপুরি তুলে নেয়া হয়।

 

আরো খবর...