কুষ্টিয়া শহরের দত্তপাড়ায় সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ছোট ভাই কর্তৃক বড় ভাইকে হত্যার অভিযোগ

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া পৌর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের  আড়ুয়াপাড়ায় দত্তপাড়ায় বাসিন্দা মোঃ আফসার আলী মোল্লার ছেলে আলতাফ হোসেন (৫৫) কে সম্পত্তি আত্মসাতের লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ আলতাফের পরিবারের। সম্পত্তির কোন ভাগ দেবে না বলেই  ছোট ভাই আমজাদ হোসেন (৫০) বড় ভাই আলতাফ হোসেনকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করছে আলতাবের স্ত্রী ও সন্তান। বর্তমানে আলতাফের রেখে যাওয়া সমস্ত সম্পত্তি ভোগ করছে তার ছোট ভাই আমজাদ হোসেন । এমন অবস্থায় আলতাফের বিষয় সম্পত্তি স্ত্রী ও সন্তান নিজেদের ভোগ দখলে নেওয়ার জন্য ঘুরছে দ্বারে দ্বারে। কিন্তু  কোন অবস্থাতেই আলতাফের বিষয়-সম্পত্তি বুঝিয়ে দিচ্ছে না ছোট ভাই আমজাদ। আলতাফ গত ১৭ এপ্রিল মারা যান, স্ত্রী সন্তান ঢাকায় থাকার কারনে আলতাফ হোসেন মারা যাওয়ার আগে তিনি তার স্ত্রীকে মোবাইল  ফোনের মাধ্যমে বলেন আমার বাড়িতে বিষয় সম্পত্তি নিয়ে বেশ ঝামেলা চলছে আমাকে হয়তোবা তারা মেরে ফেলতে পারে। এই কথা বলার কিছুদিন পরেই বাথরুম থেকে আলতাফ হোসেনের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য তার স্ত্রী সন্তান দাবি উঠালে আত্মীয়-স্বজন তার ঘোর বিরোধিতা করে এবং এক পর্যায়ে লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে। আলতাফ হোসেনের মৃত্যুর আগে বলে যাওয়া সেই কথার সাথে এখন অনেকটাই মিল খুঁজে পাওয়া যায় বলে জানান তার স্ত্রী ও সন্তান।  আলতাফ হোসেনের পুরো বিষয় সম্পত্তি এখন ভোগ দখল করছে তার ছোট ভাই আমজাদ হোসেন। যার কানা কড়িও ভাগ দিচ্ছেনা আলতাফ হোসেনের পরিবারকে। আলতাফ  হোসেনে মৃত্যুর আগে রেখে  গেছেন কুষ্টিয়া শহরের আড়ুয়াপাড়ার দত্তপাড়ায় ২ তলা বিশিষ্ট ২টি বাড়ি ও বড়বাজারে ২ টা দোকান ও ১ টি বড় গোডাউন। আলতাফের স্ত্রী আফসানা ফেরদৌস যুঁথি (৪৮) বলেন আমাদের যায়গা জমির কোনো ভাগ না দিয়ে আমার দেবর আমজাদ  হোসেন নিজেই সব সহায় সম্পত্তি নিজে একা ভোগ করছে। আমরা আমাদের সম্পত্তি বুঝিয়ে দিতে বললে সে নানা অযুহাত দেখিয়ে ৫ মাস পার করে দিয়েছে। অন্যদিকে আলতাফের এক মাত্র সন্তান প্রত্যয় (১৭) বলেন আমাদের জায়গাগুলো বুঝিয়ে দিতে বললে আমার চাচা ও চাচার পরিবার আমাদের বিভিন্ন হুমিক দিয়ে আসছে। এমন অবস্থায় পরিবারটি পড়েছে বিপাকে। এখন পরিবারের দাবি অনতিবিলম্বে তাদের প্রাপ্য সম্পদ তাদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হোক এবং আলতাফ হোসেনের মৃত্যু স্বাভাবিক কি অস্বাভাবিক তা পুনরায় যাচাই করা হোক। এ ব্যাপারে আমজাদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি কোনো কথা বলতে চাননি, উল্টো তিনি বলেন এটি আমাদের পারিবারিক বিষয় অন্যদের মাথা ঘামানোর দরকার নেই।

আরো খবর...