কুষ্টিয়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারীর অভিযোগ

বাচ্চার পিতৃত্বের দাবিতে মামলা করবে সালমা

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সালেহ মো:  শোয়েব খানের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকাররীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্ত্রী না থাকার কারণে তিনি বাসার কাজের বুয়া সালমা (৩৫) এর সাথে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘদিন অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল। তার ওরষজাত একটি মেয়েও রয়েছে সালমার কাছে। গত মঙ্গলবার ওই কাজের বুয়া  বন কর্মকর্তার অফিসে এসে বিয়ের জন্য চাপ দিলে বন কর্মকর্তা তাকে মারপিট করে অফিসের বাইরে তাড়িয়ে দেয়। তখনই ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায়। এদিকে এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে শোয়েব খান উঠে পড়ে লাগেন।  শোয়েব খান একদল সন্ত্রাসীকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে  মেয়েটি হুমকির মুখে সরিয়ে দিয়ে নিজে আত্মগোপন করেন।

গতকাল বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুন্ডু নিজে বন কর্মকর্তার বাসায় গিয়ে ওই বাসার কেয়ারটেকারকে গেইট খুলতে বলেন কিন্তু তিনি গেইট খুলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর পুলিশ কর্মকর্তা বিকেলে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে বন কর্মকর্তার বাসায় প্রবেশ করে সালমাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। থানায় যেয়ে সালমা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সালেহ মো: শোয়েব খানের লাম্পট্যের নির্মম কাহিনী বিস্তারিত জানান। তিনি বলেন, তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে দীর্ঘদিন অবৈধ শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছে। সালমার গর্ভে শোয়েব খানের ওরষে একটি মেয়েও জন্ম নিয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত তাকে বিয়ে করেনি। সালমা বন কর্মকর্তাকে স্বামী হিসেবে পেতে চান এবং তার মেয়ের পিতৃত্বের স্বীকৃতি দাবি করেন । এ বিষয়টি নিশ্চিৎ করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সঞ্জয় কুন্ডু বলেন, সালমা বন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও ঘটনাটি যেহেতু কুষ্টিয়ার নয়, সেহেতু আমরা তাকে টাঙ্গাইলে তার নিজ এলাকায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। পাশাপাশি বন কর্মকর্তা যেহেতু সালমার অভিযোগ অস্বীকার করছেন সেহেতু মামলা করে বাচ্চার ডিএনএ টেষ্ট করালে বাচ্চাটি কার জানা যাবে। এ ঘটনায় বক্তব্য নেয়ার জন্য কুষ্টিয়া বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সালেহ মো: শোয়েব খানের মোবাইলে চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আরো খবর...