কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচী

নিজ সংবাদ ॥ সম্প্রতি বাংলাদেশে ডেঙ্গু জ্বর ভয়ংকর রুপ নিয়েছে। গত কয়েক দিনে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেও ৩২ জন রুগী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হওয়ায় কুষ্টিয়া সদর সহ আশেপাশের এলাকায়ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পরেছে। এই অবস্থায় সরকারের পাশাপাশি বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স এ্যসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখাও ধারাবাহিক ভাবে বিভিন্ন সচেতনতা মুলক কর্মসুচী হাতে নিয়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় আজ ১ আগষ্ট এক র‌্যালীর আয়োজন করা হয়েছে। র‌্যালীটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল চত্বর থেকে শুরু শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। এদিকে এর আগে গত ৩০ জুলাই বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স এ্যসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে ডাঃ লিজা নার্সিং ইনস্টিটিউটের গ্যলারীতে  সচেতনতামুলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ নয়ন মিয়া। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডাঃ এ এফ এম আমিনুল হক রতন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সবাই সচেতনতা অবলম্বন করলেই খুব সহজেই ডেঙ্গু জ্বরকে প্রতিরোধ করা সম্ভব। যেহেতু ডেঙ্গু জীবানু বহনকারী এডিস মশা আমাদের আশেপাশে জমে থাকা পানিতেই বংশ বিস্তার করে তাই প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখতে হবে। ডাবের খোলা, মাটির ভাড়, গাড়ির টায়ার, ফুলের টব, পশু/পাখির খাবার পাত্র, এসি/ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি ইত্যাদি প্রতি তিন দিন পরপর ফেলে দিতে হবে। দিনের বেলায় বিশ্রাম নেওয়ার সময় মশারি ব্যবহার করতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রুগীকে অবশ্যই সার্বক্ষনিক মশারির ভিতরে রাখতে হবে। এছাড়াও জ্বর হলে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুততার সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। আলোচনা সভা ছাড়াও  বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ওনার্স এ্যসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে আজ এক র‌্যালীর আয়োজন করা হয়েছে।

আরো খবর...