কুষ্টিয়ায় গ্রীষ্মকালীন সবজি ঝিঙা চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা

শরীফুল ইসলাম ॥ কুষ্টিয়ায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন চাষীরা। চলতি গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমে কুষ্টিয়ায় ৬ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ হয়েছে। এরমধ্যে ২৫০ হেক্টর জমিতে ঝিঙা সবজি চাষ করেছেন কৃষকরা। আর এ সবজি চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন তারা। করোনাকালীন সময়ে ঝিঙাসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে সবজির চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন সবজি বাজারে সরবরাহ করছেন তারা। চলতি গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলাসহ জেলায় বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ করেছেন কৃষকরা। এরমধ্যে ঝিঙা গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমের অন্যতম সবজি ফসল। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ঝিঙা সবজি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন তারা। ঝিঙা সবজি চাষে বিঘা প্রতি কৃষকদের খরচ হচ্ছে ১২-১৫ হাজার টাকা। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে এই সবজি বিক্রয় হচ্ছে খরচের দ্বিগুন বা তারও বেশী অর্থে, যা স্বল্প সময়ে এবং বর্ষা মৌসুমে কৃষকদের আর্থিক চাহিদার অন্যতম যোগান হিসেবে কাজ করছে। করোনাকালীন এই দুঃসময়ে ঝিঙা সবজি চাষে লাভবান হওয়া কৃষক-কৃষানীদের মুখে ফুটিয়েছে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলার কল্যানপুর এলাকার ঝিঙা চাষী আরিফুল ইসলাম।  গ্রীষ্ম ও বর্ষা কালীন সময়ে ঝিঙা সবজি চাষে ফলন ভাল হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। আর সবজি চাষে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়ার পাশাপাশি ভাল ফলনের জন্য কৃষি বিভাগ বীজ সরবরাহ, তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন কৃষকদের। এমনটাই জানিয়েছেন দৌলতপুর কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা সজিব আল মারুফ। কৃষকদের বেশী বেশী সবজি চাষে উৎসাহ ও প্রণোদনা দিলে একদিকে গ্রীষ্ম-বর্ষা মৌসুমের সবজির চাহিদা মিটবে অপরদিকে অর্থকরী ফসল সবজি চাষ করে তারা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হবে।

আরো খবর...