কুমারখালীর সান্দিয়ারায় বিল্লাল হত্যা মামলার প্রধান আসামী মামুন গ্রেফতার

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার সান্দিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তারে আওয়ামীলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত বিল্লাল হত্যা মামলার প্রধান আসামী খোরশেদ আলম মামুনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপার্দ করেছে পুলিশ। সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাসান সঙ্গীয় অফিসার এএসআই বাসার ও ফোর্সের সহায়তায় ঢাকার পশ্চিম থানাধীন উত্তরা ৭নং সেক্টরের আবাসিক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার পূর্বক মঙ্গলবার সকালে কুষ্টিয়া বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে। এনিয়ে হত্যা মামলায় মোট ১২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এতথ্য নিশ্চিত করে কুমারখালী থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, আওয়ামীলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত বিল্লাল হত্যা মামলার প্রধান আসামী মামুন সহ ১২ জনকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরো বলেন- এঘটনায় উভয় পক্ষের পৃথক দুটি ও পুলিশ বাদী আরো একটিসহ মোট তিনটি মামলা দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কে›ন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে পান্টি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সামিউর রহমান সুমন ও ডাঁসা গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা শিল্পপতি খোরশেদ আলম মামুন গ্র“পের বিরোধ চলে আসছিল। হাট বাজার, মিটিং মিছিলসহ যেকোন তুচ্ছ ঘটনায় প্রায়ই দুই গ্র“পের মুখোমুখি ও উত্তেজনা চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত ৬ জুলাই সকালে সান্দিয়ারা বাজারে দু’গ্রেেপর সমর্থকেরা দেশীয় অস্ত্র ঢাল, শর্কি, লাঠিসুটা, ইট পাটকেল, কাঁচের গুটি ও বোতল নিয়ে পুনরায় মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে সুমন গ্র“পের বিল্লাল  নামের একজন গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছালে উভয়পক্ষই পুলিশের উপর আক্রমণ শুরু করে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী দুপক্ষের সংঘর্ষ ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের প্রায় অর্ধশতাধিক সমর্থক আহত হয়। ঘটনার পরেরদিন ৭ জুলাই নিহতের ভাই হেলাল উদ্দিন বাদী একটি মামলা দায়ের করে (মামলা নং ৬, তাং ৭/০৭/২০২০ইং)।

আরো খবর...