কুমারখালীতে বলতকারের ঘটনা মিমাংসার চেষ্টা !

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্কুল ছাত্রকে (১২) বলতকারের ঘটনা মিমাংসার চেষ্টায় লিপ্ত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ অনেকেই। উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের নিতাইল পাড়া গ্রামে গত ৩ এপ্রিল এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই স্কুল ছাত্রের বাবা মো. মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে কুমারখালী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এখনো মামলা রুজু হয়নি। মামলা রুজু হওয়ার আগেই এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার পাঁয়তারা করছেন একটি মহল। মিমাংসার উদ্যোক্তাদের মধ্যে বাগুলাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন সরকার ও মেম্বার আবু দাউদের নাম শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন সরকার এই ঘটনাটি এলাকাতেই বসে মিমাংসা করে নিতে বাদী ও বিবাদী পক্ষের লোকদের সাথে যোগাযোগ করেছেন বলে স্বীকার করেছেন।  অন্যদিকে, অভিযোগকারী মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, বাগুলাট ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার দাউদ তাকে মিমাংসার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু আমি এতে রাজী হইনি, আমি বলেছি, মামলায় যে বিচার হয় আমি তা-ই  মেনে নেবো।

লিখিত অভিযোগে মো. মনিরুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে উদয় নাতুড়িয়া গ্রামের কাশেম শেখের ছেলে ইমন আলী (১৭) তাদের বাড়ি এসে তার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায়। ইমন আলী তার ছেলেকে সুকৌশলে নিজের ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক বলৎকার করেছে। এ সময় তার ছেলের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে অসুস্থ্য অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে বাঁশগ্রাম পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে মামলা হবে। অভিযোগকারীকে  (বাদী) থানায় যেতে বলা হলেও তিনি এখনো পর্যন্ত যান নাই। এ ব্যাপারে কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)  মো: জাহাঙ্গীর আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

আরো খবর...