করোনা পরীক্ষার অনুমতি পেয়েছে ৮৩ প্রতিষ্ঠান

ঢাকা অফিস ॥ করোনাভাইরাস শনাক্তে দেশের ৮৩টি প্রতিষ্ঠানকে পিসিআর পরীক্ষাগার স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গতকাল বৃহস্পতিবার করোনা বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা জানান, এই ৮৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৬টি প্রতিষ্ঠান পরীক্ষা কার্যক্রম চালালেও ৭টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এখনো করোনা পরীক্ষা করছে না। তিনি বলেন, আমাদের সরকারি পর্যায়ে পরীক্ষাগার ৩৪টি, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১১টি, ২১ বেসরকারি হাসপাতালকে ও ১৭টি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অনুমোদন দিয়েছি। ২১টি বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে ১৯টি তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছে। কেয়ার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দু’টি এখনও তাদের পরীক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে না। তাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, তারা অনুমোদন পাওয়ার পরও কেন কার্যক্রম শুরু করছে না? কেয়ার মেডিকেল কলেজ উত্তর দিয়েছে যে, মেশিন আসতে দেরি হওয়ার কারণে তারা শুরু করতে পারছে না। দ্রুতই তারা শুরু করবে। তবে শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এখনও উত্তর পাইনি। নাসিমা সুলাতানা বলেন, ১৭টি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। কার্যক্রম চালাচ্ছে ১২টি। যেগুলো অনুমোদন পাওয়ার পরও এখনও কার্যক্রম শুরু করেনি সেগুলো হলো- থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড, আলোক হেলথ কেয়ার লিমিটেড, স্টেমস হেলথ কেয়ার বিডি লিমিটেড, এটা শুধুমাত্র কাতার ভিসা আবেদনকারীদের তারা পরীক্ষা করবে। তবে তারা এখনও কাতার থেকে অনুমোদন পায়নি বলে কার্যক্রম শুরু করেনি। অথেনটিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন লিমিটেড ও এপিক হেলথ কেয়ার লিমিটেড- তারা সম্প্রতি আমাদের কাছে অনুমতি চেয়েছে, সবকিছু বিবেচনা করে দিয়েছি। তবে এখনও কার্যক্রম শুরু করেনি। তিনি জানান, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের জন্য পরীক্ষার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৫শ’ টাকা। তবে যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বাসায় গিয়েও নমুনা সংগ্রহ করতে পারবেন, সেই ক্ষেত্রে তারা অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা ফি নিতে পারবেন। বাসা থেকে নমুনা এনে পরীক্ষা করলে মোট ৪ হাজার ৫শ’ টাকা ফি নেবেন।

আরো খবর...