উদ্ভাবনী ধান প্রজনন কৌশল ট্রান্সর্ফম রাইস ব্রডিং

কৃষি প্রতবিদেক ॥ আর্ন্তজাতকি ধান গবষেণা ইনস্টটিউিটরে (ইর)ি কারগিরি সহযোগতিায় বাংলাদশে ধানগবষেণা ইনস্টটিউিট (ব্র)ি ২০১৫ সালরে ‘ট্রান্সর্ফমংি রাইস ব্রডিংি’ (টআিরব-িব্র)ি নামক প্রকল্পরে আওতায় উদ্ভাবনী ধান প্রজনন কৌশল অবলম্বনরে মাধ্যমে ধানরে জাত উদ্ভাবনে যুগান্তকারী পরর্বিতনরে সূচনা করছে।ে গত বৃহস্পতবিার ইরি এবং ব্র-িএর যৌথ উদ্যোগে ঢাকার একটি হোটলেে আয়োজতি ওই প্রকল্পরে সমাপনী র্কমশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়রে সচবি মো. নাসরিুজ্জামান ‘ট্রান্সর্ফমংি রাইস ব্রডিংি’ (টআিরব-িব্র)ি প্রকল্পকে একটি উদ্ভাবনীমূলক, আধুনকি এবং ভোক্তাবান্ধব ধানরে প্রজনন কৌশল হসিবেে অভহিতি করনে।

এই প্রকল্পরে মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টটিউিটরে (ব্র)ি ধানরে প্রজনন প্রোগ্রামরে উন্নয়ন সাধন করা। যমেন- দ্রুত বংশ বৃদ্ধি (আরজএি) কৌশলরে মাধ্যমে জাত উৎপাদন প্রক্রয়িা ত্বরান্বতি করা, তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ পদ্ধতরি অটোমশেনরে মাধ্যমে ধানরে প্রপ্রণ কৌশলে যুগপোযোগী পরর্বিতন আনা, হাইথ্রুপুট মলকিুলার র্মাকার এবং সরো প্রজনন লাইন বাছাই ও পুর্নব্যবহার করে প্রজনন ধারণার সঙ্গে সর্ম্পকতি কৌশলগুলো র্সবাধুনকিায়ন।

টআিরব-িইর-িব্রি যৌথ সহযোগতিামূলক প্রকল্পরে সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখনে আর্ন্তজাতকি ধান গবষেণা ইনস্টটিউিট (ইর)ি-বাংলাদশে প্রতনিধিি ড. হুমনাথ ভান্ডারী। বাংলাদশে ধান গবষেণা ইনস্টটিউিট (ব্র)ি মহাপরচিালক ড. মো. শাহজাহান কবীররে সভাপতত্বিে বশিষে অতথিি হসিবেে আরও উপস্থতি ছলিনে বাংলাদশে কৃষি গবষেণা কাউন্সলিরে নর্বিাহী চয়োরম্যান ড. কবীর ইকরামুল হক। এ ছাড়াও ইররি ইরগিটেডে ক্লাস্টার লডি ড. জশোয়া কব, বএিমজএিফ (বলি অ্যান্ড মলিন্ডিা গটেস ফাউন্ডশেন) সনিয়ির প্রোগ্রাম অফসিার ড. গ্যারি অ্যাটলনি, ব্ররি প্ল্যান্ট ব্রডিংি ডভিশিনরে প্রধান ড. কে এম ইফতখোর-উ-দৌলা এবং ইর-িবাংলাদশেরে রাইস ব্রডিার ড. মো. রফকিুল ইসলাম প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থতি ছলিনে।

গত চার বছরে ‘ট্রান্সর্ফমংি রাইস ব্রডিংি’ (টআিরব-িব্র)ি প্রকল্পরে উল্লখেযোগ্য সাফল্যগুলো হচ্ছ-ে প্রকল্পরে আওতায় ৬০,৫৯৪টি ফক্সিড রাইস ব্রডিংি লাইন তরৈি করা হয়ছেে এবং আরও ১০ লাখ ব্রডিংি লাইন আগামী ৪ বছররে মধ্যে তরৈি করা হব।ে আমন ও বোরো মৌসুমরে উপযোগী স্বল্প ময়োদি জাত উদ্ভাবন করা হবে  যগেুলোর ফলন হবে ৮ থকেে ১০ টন/হ.ে। এ ছাড়া ব্লাস্ট, বএিলব,ি ফলস র্স্মাট, বপিএিইচ ইত্যাদি প্রধান প্রধান রোগ ও  পোকামাকড় সহনশীল জাত, ঘাতসহনশীল জাত (যমেন: লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা, বন্যাসহষ্ণিু) জাত উদ্ভাবনরে কাজ এই প্রকল্পরে মাধ্যমে সম্পন্ন করা হব।ে এই প্রকল্পরে মাধ্যমে ১,০৯৯টি এলএসটি ব্রডিংি লাইন দশেরে বভিন্নি অঞ্চলে পরবিীক্ষণরে কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়ছে।ে লবণাক্ততা সহনশীল ২০০০ র্জামাপ্লাজম ও বড্রিংি লাইন শনাক্ত ও বাছাই করা হয়ছে।ে ঠান্ডা করা সহনশীল ১২০০ র্জামাপ্লাজম ও বড্রিংি লাইন শনাক্ত ও বাছাই করা হয়ছে।ে জলমগ্নতা ও বন্যা সহনশীল জাত উদ্ভাবনরে লক্ষ্যে ৯০০ র্জামাপ্লাজম ও বড্রিংি লাইন বাছাই করা হয়ছে।ে বভিন্নি রোগ প্রতরিোধী জাত উদ্ভাবনরে জন্য ৪২০০০ ব্রডিংি লাইন বাছাই করা হয়ছে।ে প্রমিয়িাম কোয়ালটিি জাত উদ্ভাবনরে লক্ষ্যে ১০৬০০টি ব্রডিংি লাইন বাছাই করা হয়ছে।ে ৮৩৫টি প্যারন্টে ম্যাটরেয়িাল এবং ১৫৬১০টি এলএসটি লাইনরে কউিটএিল ফঙ্গিার প্রন্টিংি সম্পন্ন করা হয়ছে।ে ব্রি উদ্ভাবতি নতুন জাতগুলোর মাঠ র্পযায়ে দ্রুত সম্প্রসারণরে লক্ষ্যে ২১টি নতুন উদ্ভাবতি জাতরে ১০০০টি পরীক্ষামূলক অভযিোজন ট্রায়াল দশেরে বভিন্নি অঞ্চলে সম্পন্ন করা হয়ছে।ে

প্রধান অতথিি কৃষি সচবি মো. নাসরিুজ্জামান বলনে, ধানরে প্রজনন পদ্ধতরি উন্নয়ন একটি উৎকৃষ্ট পদ্ধত-ি যা পছন্দসই বশৈষ্ট্যিরে সঙ্গে ধানরে জাত উন্নয়নরে জন্য প্রচলতি প্রজনন কৌশলকে স্থানান্তরতি করে আধুনকি উদ্ভাবনী পদ্ধতকিে উৎসাহতি কর।ে এই প্রকল্পরে অনন্য একটি দকি ছলি মানবসম্পদ উন্নয়ন, যা ব্রি এবং এর  দশেীয় অংশীদার সংস্থার গবষেণা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও টকেসই করছে।ে প্রকৃতপক্ষে এটি দরদ্রি কৃষকদরে জীবন ও জীবকিার মানোন্নয়নে ভূমকিা রাখব।ে তনিি বলনে, সরকার শগিগরিই ভটিামনি-এ সমৃদ্ধ গোল্ডনে রাইসরে জাত অবমুক্ত করব।ে

সভাপতরি বক্তব্যে ব্ররি মহাপরচিালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলনে, ব্রি এখন র্পযন্ত ২৪টি ঘাত সহনশীল জাতসহ ১০০টি বভিন্নি ধরনরে উফশী ধানরে জাত উদ্ভাবন করছে।ে বশ্বিরে অন্যান্য দশেরে তুলনায় বাংলাদশে ধানরে ফলনরে স্তরভত্তিকি সীমাবদ্ধতা ছাড়য়িে যতেে হলে আমাদরে কৌশলভত্তিকি প্রজনন পদ্ধতি অনুসরণ করতে হব।ে তাই, ধানে ফলনরে সীমাবদ্ধতা হ্রাসরে জন্য ধানরে প্রজনন আধুনকিীকরণ করা হয়ছে।ে টআিরব-িএর সফল প্রয়োগরে মাধ্যমে লাখ লাখ প্রজনন লাইনরে বকিাশরে মাধ্যমে একটি অবস্মিরণীয় সাফল্য লাভ করতে সক্ষম হয়ছে।ে আশা করা যায়, ধানরে জনেটেকি উন্নয়ন ঘটানোর মাধ্যমে আমাদরে জরুরি প্রয়োজন মটোতে পারে এমন আরো বশেি লবণাক্ততা, খরা এবং বন্যা সহনশীল ধানরে জাত উন্নয়নে অবদান রাখবে ব্র।ি

আরো খবর...