ইবি ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল, সভাপতি-সম্পাদকের শাস্তি ও ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ এবং অবস্থান ধর্মঘট পালন করছে নেতা-কর্মিরা

ইবি প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রলীগের বিতর্কিত কমিটি বাতিল, সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে বহিস্কারসহ তাদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মিরা। গতকাল শনিবার দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিবের পাদদেশে দলটির তিন শতাধিক নেতা-কর্মি অবস্থান নেয়। এ সময় তারা প্লাকার্ড, ব্যানার ও ফেষ্টুন প্রদর্শন করে। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান লালন বলেন,‘ ইবি প্রশাসন তাদের স্বার্থ উদ্ধার করতে ৪০ লাখ টাকার বিনিময়ে পলাশ ও রাকিব নামের দুই বিতর্কিত কর্মিকে সভাপতি ও সম্পাদক করে কমিটি করে নিয়ে আসেন। এ কমিটি প্রথম থেকেই প্রত্যাখান করেছে ছাত্রলীগের সর্বস্তুরের নেতা-কর্মিরা। তাদের ফোনালাপ ফাঁসসহ নিয়োগ বাণিজ্যের মত ঘটনায় সম্পৃক্ততা পাওয়ার পর প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এ কারনে লাগাতর আন্দোলন শুরু করা হয়েছে। আন্দোলন চলবে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত।

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মিরা অবস্থান নিয়ে নানা রকম শ্লোগান দিয়ে কমিটি বাতিলের দাবি জানায়। তারা অবলিম্বে এদের ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি করে। পাশাপাশি মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে বিতর্কিত ও নানা অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ততা থাকার পর সাবেক প্রক্টর মাহবুবর রহমানকে আহবায়ক করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তাকে কমিটি থেকে বাদ দেয়ার দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মিরা। তারা ভিসির কাছে তাদের দাবি-দাওয়া পেশ করেন।

উল্লেখ, গত বছর ভিসি প্রফেসর হারুন-উর-রশিদ আসকারীর এলাকা রংপুরে বাড়ি রবিউল ইসলামকে পলাশকে সভাপতি ও কুমারখালীতে বাড়িতে রাকিবুল ইসলাম রাকিবকে সাধারন সম্পাদক করে নাটকীয়ভাবে ইবি ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষনা দেয়া হয়। এরপর ফোনালাপ ফাঁস হয়। সেই ফোনালাপে কমিটি করতে ৪০ লাখ টাকা খরচ হয় বলে কথোপকথোনে উঠে আসে। কমিটিতে ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন নেতা-কর্মিরা বাদ পড়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে জোটবদ্ধ হয়ে সকল নেতা-কর্মি আন্দোলন চালিয়ে আসছে।

আরো খবর...