আলমডাঙ্গায় বিয়ে করার কথা বলে প্রতারণা; থানায় অভিযোগ

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গা উপজেলার গাংনী ইউনিয়নের বন্দরভিটা গ্রামের প্রতারক রাসেল, ঝুমুরকে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখিয়ে স্বামীর ঘর  ভেঙ্গে দেয়। এখন সে বিয়ে না করে প্রতারণা করছে। এ ব্যাপারে তার পিতা বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। গতকাল বিকেল ৫টার দিকে আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবিরের অফিস কক্ষে ঝুমুরের পিতা আসকার আলী মামলার কাগজ তুলে  দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবি মানবতা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক এ্যাডঃ খন্দকার  অহিদুল আলম মানি, এ্যাডঃ কাইজার হোসেন জোয়ার্দার, এ্যাডঃ জিল্লুর রহমান, এ্যাডঃ নওশের আলী, প্রেসক্লাব সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু, সম্পাদক হামিদুল ইসলাম আজম, এসআই রফিকুল ইসলাম, এসআই জামাল হোসেন প্রমুখ। এ সময়  ওসি আলমগীর কবির তাৎক্ষনিক থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই রফিকুল ইসলামকে দায়িত্ব  দেন বিষয়টি তদন্ত পুর্বক সুষ্ঠু বিচার করার জন্য। উল্লেখ্য আসকার আলী লিখিত অভিযোগে বলেন আমার মেয়ে ঝুমুর খাতুন গত দেড় বছর পুর্বে ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের গাংপাড়ার আশাদুল মালিথার  ছেলে উজ্জলের সাথে বিয়ে হয়। মেয়ে ঝুমুরের সুখের সংসার ভালই চলছিল। কিন্ত বন্দর ভিটা গ্রামের ঠান্ডুর ছেলে রাসেল আমার মেয়ে ঝুমুরকে নানা ভাবে উত্যক্ত করতো, এক পর্যায়ে মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। রাসেল আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গত ১১ জুন বিকেল ৪ টার দিকে তার স্বামীর বাড়ী থেকে নিজ বাড়ী বন্দর ভিটায় নিয়ে যায়। ঐ দিন রাসেল আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন  দেখিয়ে ধর্ষন করে। পরদিন আমার মেয়ে ঝুমুর কাবিন করে বিয়ের কথা বললে রাসেল গভীর রাতে আমার মেয়ে ঝুমুরকে তার বাড়ী থেকে বের করে  দেয়। ঝুমুরের পিতা আসকার খবর পেয়ে তার মেয়েকে বাড়ীতে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে এলকার মাতব্বরগন শালিসের কথা বলে থানায় আসতে দেয়নি। পরে আসকার আলী ও তার মেয়ে ঝুমুর আলমডাঙ্গা থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে। ঘটনার কারনে ঝুমুরের স্বামী উজ্জল গত ১৪ জুন তাকে তালাক দিয়ে দেয়। আসকার আলী জানান আমার  মেয়ের স্বামীর ঘরও গেল, এখন রাসেলও তাকে বিয়ে করছে না। অথচ তার মেয়ে ঝুমুরকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষন করেছে। এখন ঝুমুর বিচারের দাবিতে পথে পথে ঘুরছে। ওসি বিষয়টি তদন্ত পুর্বক বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন।

 

আরো খবর...