আবরার হত্যা মামলা দ্রুত বিচার  ট্রাইব্যুনালে

ঢাকা অফিস ॥ বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গতকাল বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত ফাইল অনুমোদন দিয়েছেন বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। “মামলাটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে ঢাকা দ্রুত বিচার  ট্রাইবুনাল-১ এ স্থানান্তরিত হবে।” আবরার হত্যাকান্ডের পর তার পরিবার আইনমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মামলাটি জরুরি বিবেচনা করে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি করতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। হত্যা মামলাটি দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে নিতে এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আববারের বাবা ও মামলার বাদী বরকতউল্লাহ। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে যে কোনো মামলা ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা না গেলে আরও ৪৫ দিন সময় নিতে পারে আদালত। গত বছরের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে ছাত্রলীগের কর্মীদের হাতে পিটুনিতে মারা যান আবরার। পরদিন বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় মামলা করেন। হত্যাকান্ডের পর ক্ষোভ-বিক্ষোভে বুয়েট অচল হয়ে পড়ার পর দ্রুত তদন্ত শেষ করে ১৩ নভেম্বর ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) লালবাগ জোনের পরিদর্শক মো. ওয়াহিদুজ্জামান। তদন্ত চলাকালে মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে ২১ জনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, এদের মধ্যে আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আরেকজন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আসামিদের মধ্যে পলাতক আছেন মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ নামে তিনজন। এর মধ্যে মোস্তবা রাফিদের নাম এজাহারে ছিল না। তাদের আত্মসমর্পণ করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে।

আরো খবর...