অস্ত্র মামলায় ১ জনের ১৭ বছর কারাদন্ড

কুষ্টিয়ার স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের রায়

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থানায় নিজের নিয়ন্ত্রনে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুটি ধারায় ১জনকে ১৭বছরের সশ্রম কারাদন্ডের আদশে দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়ার  স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (অ) ও ১৯ (ভ) ধারায় এক জনাকীর্ণ আদালতে আসামীর অনুপস্থিতিতে এই আদেশ প্রদান করেন। সাজাপ্রাপ্ত আসামী হলেন-পাবনা জেলার ঈশ^রর্দী উপজেলার কাঁচারীপাড়া পশ্চিম টেংরী এলাকার মৃত আব্দুস সামাদ গার্ড-এর ছেলে জাকারিয়া ওরফে পিন্টু। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ জানা যায়, সি.পি.সি-১, র‌্যাব-১২, কুষ্টিয়ার নায়েব সুবেদার নজরুল ইসলাম ২০১১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর ভেড়ামারা থানাধীন বারমাইল এলাকায় সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বিশেষ টহল করাকালীন রাত ২টায় গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পান যে, ভেড়ামারা থানাধীন শাপশা চত্বর সংলগ্ন ইমন হার্ডওয়ার এন্ড পেইন্ট সাপ্লাই এর দোকানের সামনে অবৈধ অস্ত্র ও গুলিসহ এক ব্যক্তি অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশক্রমে সংগীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়ে ভেড়ামারা থানাধীন শাপলা চত্বর সংলগ্ন ইমন হার্ডওয়ার এন্ড পেইন্ট সাপ্লাই এর  দোকানের সামনে অভিযান চালান। এসময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামী পালানোর চেষ্টা করে। সংগীয় অফিসার ও ফোর্সরা দ্রুত গাড়ী  থেকে নেমে জাকারিয়া ওরফে পিন্টুকে গ্রেফতার করে। পরে স্থানীয়দের সম্মুখে ধৃত আসামী পিন্টুর শরীর তল্লাশী করে প্যান্টের পিছনে কোমরে রাখা অবস্থায় ১টি  দেশীয় তৈরি এলজি (লোহার বাটসহ লম্বা-১৪ ইঞ্চি) ও প্যান্টের ডান পকেটে রাখা ২রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেন। এঘটনায় এসআই আব্বাস আলী বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় আসামী জাকারিয়া @ পিন্টুর বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (অ) ও ১৯ (ভ) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। থানা মামলা নং-৯, তারিখ-২১-৯-২০১১ইং। পুলিশ মামলাটি তদন্ত শেষে আদালতে চার্চশীট দাখির করলে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-২০৩/২০১১ নং মামলায় নথিভূক্ত হয়ে বিচার কাজ শুরু হয়। রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কুষ্টিয়া জজ কোর্টের (পিপি) এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী জানান, আসামী জাকারিয়া ওরফে পিন্টুর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের চার্জ গঠন পূর্বক দীর্ঘ স্বাক্ষ্য শুনানী শেষে অস্ত্র ব্যবসায় জড়িত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমানিত হওয়ায় এই রায় ঘোষনা করেন বিজ্ঞ আদালত। আসামী পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এ্যাড. আসাদুজ্জামান খান।

 

আরো খবর...