অবসরে কিউই অলরাউন্ডার এলিস

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ হয়নি গত ছয় বছর ধরে। তবে খেলে গেছেন ঘরোয়া ক্রিকেট। অবশেষে ৩৭ বছর বয়সে এসে বিদায়ের ঘোষণা দিলেন নিউ জিল্যান্ডের অ্যান্ড্রু এলিস। ইতি টানলেন ১৮ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের। ২০১২ সালে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় এলিসের। জাতীয় দলের হয়ে সবশেষ খেলেন ২০১৩ সালে। এ সময় ১৫ ওয়ানডে ও ৫ টি-টিয়েন্টি খেলেন এই অলরাউন্ডার। দুই সংস্করণ মিলিয়ে নেন ১৪ উইকেট ও রান করেন ৫৩০। জাতীয় দলে অভিষেকের ১০ বছর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট শুরু করেন পেস অলরাউন্ডার এলিস, ২০০২-০৩ মৌসুমে। ২০০৪ সালে লিস্ট ‘এ’ ও ২০০৭ সালে ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় তার। ১০৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ, ১৩৩টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ ও ১২৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এলিস। নিউ জিল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের ইতিহাসে তিন সংস্করণেই একশর বেশি ম্যাচ খেলা দ্বিতীয় ক্রিকেটার তিনি। ২০১৮ সালের ফেব্র“য়ারিতে মাঠে এলিসকে ঘিরে অদ্ভূত এক ঘটনা ঘটে। ঘরোয়া ক্রিকেটের টুর্নামেন্ট ফোর্ড ট্রফিতে এলিসের বলে সজোরে হাঁকান ব্যাটসম্যান জিত রাভাল। বোলার এলিসের মাথায় লেগেও বল উড়ে চলে যায় সীমানার বাইরে। এই ঘটনার পর নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় ‘গিয়ার’ ব্যবহার করতে দেওয়ার অনুরোধ করেন এলিস। এরপর ২০১৯ সালের নভেম্বরে এলিসকে দেখা যায় হেলমেট পরে বোলিং করতে।

আরো খবর...