অপহরনের নাটক সাজিয়ে ফেঁসে গেলেন দুই সহকর্মি

নিজ সংবাদ ॥ রিপন ও সৌহার্দ। বিক্রয় কর্মির কাজ করেন একটি টোব্যাকো কোম্পানিতে। কোম্পানির দুই লাখ টাকা আত্মসাৎ করার জন্য অপহরণ পরিকল্পনা সাজান। তবে সেই পরিকল্পনাতে ফেঁসে গেছেন দুই সহকর্মি। উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করছে কোম্পানিটির কর্মকর্তারা। ঘটনার সুত্রপাত রোববার বিকেলে। বিক্রয় কর্মি রিপন রোববার বিকেলে হন্তদন্ত হয়ে ভেড়ামারা থানায় এসে খবর দেয় টোব্যাকো কোম্পানির টাকা তুলে মটর সাইকেল যোগে বাসায় ফেরার পথে ভেড়ামারা বিদ্যুৎ স্টেশনের কাছে আসার পর একটি মাইক্রোবাস যোগে এসে সন্ত্রাসীরা তার সহকর্মি সৌহার্দকে তুলে নিয়ে গেছে। এ খবর পেয়ে পুলিশের ঘুম হারাম। তাদের একাধিক দল সড়কে তল¬াশী অভিযান শুরু করেন। এরপর রাতে এক পর্যায়ে সৌহার্দ্যকে পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর রূপপুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের কাছে সৌহার্দ জানায় একটি নীল রঙের হাইয়েচ গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। আর রাজু জানায় সাদা রঙের একটি মাইক্রো এসে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর পুলিশের সন্দেহ হয়। দুইজনকে গভীর জিজ্ঞাবাসাদে আসল কাহিনী বের হয়ে আসে। পুলিশ জানায়, কোম্পানীর দেড় লাখ টাকা আগেই তছরূপ করে দুইজন মিলে। রোববারও মার্কেট থেকে তারা ৬০ হাজার টাকা আদায় করে। এ টাকা নয়ছয় করতে দুইজন মিলে অপহরণ নাটকের পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা মোতাবেক সৌহার্দ ভেড়ামারা থেকে বাস যোগে ঈশ্বরদীতে চলে যায়। সেখানে গিয়ে সে জুতা ও মোবাইল একটি বাগানে ফেলে দেয়। আর রিপন ভেড়ামারা থানা পুলিশের কাছে এসে খবর দেয় অপহরনের। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম সবুর বলেন,‘ দুই সহকর্মি মিলে অপহরণ নাটক তৈরি করেন। তারা এমনভাবে বিষয়টি সাজিয়েছে প্রথমে বোঝার উপায় ছিল না। পরে জিজ্ঞাসাবাদে আসল কাহিনী বের হয়ে আসে। কোম্পানীর অর্থ তছরূপ করতেই তারা অপহরণ পরিকল্পনা করেছিল। প্রতারনা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে দুই বিক্রয় কর্মির বিরুদ্ধে মামলা করেছে টোব্যাকো কোম্পানিটির কর্মকর্তারা।

আরো খবর...