পাকিস্তানকে হারিয়ে শুভ সূচনা বাংলাদেশের

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ সংসদীয় বিশ্বকাপে শুভ সূচনা করলো বাংলাদেশ। বুধবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের দলটি ১৩ রানে হারিয়েছে শক্তিশালী পাকিস্তানকে। বাংলাদেশের পরবর্তী খেলা বৃহস্পতিবার দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে । গ্রুপ পর্বে প্রতি গ্রুপ থেকে ২টি দল সেমিফাইনালে যাবে। স্বাগতিক ইংল্যান্ডসহ এই ইন্টার পার্লামেন্টারি ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে মোট আটটি দেশ। বাকি দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান। দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে দলগুলো। ‘এ’ গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও আফগানিস্তান। আর বাংলাদেশ খেলবে ‘বি’ গ্রুপে। সেখনে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তান সংসদীয় ক্রিকেট দল। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয়। ৬ ওভারের অভিনব টুর্নামেন্টের ধারণাটি এসেছে ব্রিটেনের সংসদ সদস্য ক্রিস হিটন-হ্যারিসের পরিকল্পনায়। গত শীত মৌসুমে অস্ট্রেলীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে একটি ম্যাচ খেলার সময়ই এ টুর্নামেন্টের কথা ভেবেছিলেন হিটস-হ্যারিস।

উইম্বলডনের সেমিতে মুখোমুখি নাদাল-ফেদেরার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥  উইম্বলডনের সেমি-ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছেন রাফায়েল নাদাল ও রজার ফেদেরার। দীর্ঘ ১১ বছর পর আবারও এই প্রতিযোগিতার মঞ্চে দেখা হচ্ছে দুই তারকার। বুধবার সেন্টার কোর্টে জাপানের কেই নিশিকোরির কাছে প্রথম সেট হারের পর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান দ্বিতীয় বাছাই ফেদেরার। দুই ঘণ্টা ৩৬ মিনিটের লড়াইয়ে ৪-৬, ৬-১, ৬-৪, ৬-৪ গেমে জেতেন আটবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন। রেকর্ড ২০বারের গ্র্যান্ড ¯¬্যাম চ্যাম্পিয়নের অল ইংল্যান্ড ক্লাবে এটি শততম জয়, যা কোনো একটি গ্র্যান্ড ¯¬্যামে পুরুষ এককে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড। প্রতিযোগিতাটির দুবারের চ্যাম্পিয়ন নাদালের সামনে তেমন কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেননি যুক্তরাষ্ট্রের খেলোয়াড় স্যাম কুয়েরি। দুই ঘণ্টা ছয় মিনিট স্থায়ী ম্যাচে ৭-৫, ৬-২, ৬-২ গেমে জিতেন ১৮টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ী নাদাল। তৃতীয় বাছাই নাদালের সঙ্গে মুখোমুখি লড়াই প্রসঙ্গে ফেদেরার বলেন, “রাফার বিষয়ে অনেক তথ্য আমাদের কাছে আছে, ঠিক তেমনি আমার বিষয়েও তার জানা আছেৃফ্রেঞ্চ ওপেনে রাফার বিপক্ষে তার কোর্টে খেলাটা দারুণ আনন্দের এবং তার সঙ্গে এখানে খেলতে আমি রোমাঞ্চিত বোধ করছি।” সবশেষ ২০০৮ সালের ফাইনালে পাঁচ সেটের মহাকাব্যিক লড়াইয়ে জিতে উইম্বলডনে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেয়েছিলেন স্প্যানিশ তারকা। বৃষ্টিবৃঘ্নিত সেই ম্যাচ প্রায় সাত ঘণ্টা স্থায়ী হয়েছিল। নাদাল বলেন, “এটা দারুণ। ওই পরিস্থিতিতে আবারও পড়ার কথা কল্পনা করা কঠিন। উইম্বলডনে এখানে তার বিপক্ষে আবারও খেলতে আমি রোমাঞ্চিত।”এই নিয়ে ৪০তম বারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন এই দুজন। আগের ৩৯ ম্যাচের ২৪টিতে জিতে এগিয়ে আছেন ৩৩ বছর বয়সী নাদাল। বেলজিয়ামের দাভিদ গফাঁকে সরাসরি সেটে হারিয়ে সেমি-ফাইনালে উঠেছেন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সার্বিয়ার নোভাক জোকোভিচ। এক ঘণ্টা ৫৭ মিনিট স্থায়ী শেষ আটের ম্যাচে ৬-৪, ৬-০, ৬-২ গেমে জিতেন র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর খেলোয়াড় জোকোভিচ। আগামী শুক্রবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে স্পেনের রবের্তো বাউতিস্তা আগুতের মুখোমুখি হবেন চারবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন ও মোট ১৫টি গ্র্যান্ড ¯¬্যাম জয়ী জোকোভিচ। কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার গিদো পেইয়াকে ৭-৫, ৬-৪, ৩-৬, ৬-৩ গেমে হারান আগুত।

কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে ব্রাজিলের ৫ জন, নেই মেসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥  এবারের কোপা আমেরিকার সেরা একাদশে পাঁচ জন জায়গা পেয়েছে চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল দল থেকে। জায়গা হয়নি প্রতিযোগিতাটিতে রেফারিংয়ের মান নিয়ে অভিযোগ তোলা আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশনের (কনমেবল) দেশগুলোর কোচদের গড়া এই একাদশ বৃহস্পতিবার প্রকাশ করা হয়। ব্রাজিলের পাঁচ জন ছাড়া রানার্সআপ পেরুর আছেন দুই জন। আর এক জন করে আছেন আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে ও চিলির। গত রোববার রিও দে জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাইনালে পেরুকে ৩-১ গোলে হারিয়ে নবমবারের মতো কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতে ব্রাজিল। আর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে চিলিকে ২-১ গোলে হারায় আর্জেন্টিনা। ওই ম্যাচে বল দখলের এক পর্যায়ে চিলির গারি মেদেলের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি হয় মেসির। তিনি তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া না দেখালেও প্যারাগুয়ের রেফারি দুজনকেই সরাসরি লালকার্ড দেখান। ব্রাজিলের কাছে ২-০ গোলে সেমি-ফাইনালে হারের পর আর্জেন্টিনার দুটি পেনাল্টির আবেদনের ক্ষেত্রে রেফারি ভিএআর প্রযুক্তির সহায়তা না নেওয়ায় সমালোচনা করেছিলেন মেসি। ব্রাজিলে হওয়া এই টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের সীমানায় সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়া মেসি ম্যাচের পর তৃতীয় স্থানের পদক নেওয়ার জন্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যাননি। ব্রাজিলকে শিরোপা জেতাতে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা আর্জেন্টিনা অধিনায়ক ধুয়ে দেন আয়োজক এবং কনমেবলকে। ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকার আসরের সেরা একাদশে ছিলেন পাঁচ বারের বর্ষসেরা ফুটবলার মেসি। ২০১৯ কোপা আমেরিকা সেরা একাদশ: আলিসন (ব্রাজিল), দানি আলভেস (ব্রাজিল) হোসে মারিয়া হিমেনেস (উরুগুয়ে), চিয়াগো সিলভা (ব্রাজিল), মিগেল ত্রাওকো (পেরু), আর্থার (ব্রাজিল), লেয়ান্দ্রো পারেদেস (আর্জেন্টিনা), আর্তুরো ভিদাল (চিলি), হামেস রদ্রিগেস (কলম্বিয়া), পাওলো গেররেরো (পেরু), এভেরতন (ব্রাজিল)

 ভারতের বিপক্ষে জয় ওয়ানডেতে নিউ জিল্যান্ডের ‘অন্যতম সেরা’

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥  বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে জয়কে ওয়ানডেতে নিউ জিল্যান্ডের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স বলে মনে করেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেটোরি। এই জয়ে ফাইনালে কিউইরা অনেকটা আত্মবিশ্বাস পাবে বলেও মনে করেন তিনি। বুধবার রিজার্ভ ডেতে গড়ানো ম্যাচে ভারতকে ১৮ রানে হারায় নিউ জিল্যান্ড। আগামী রোববার লর্ডসের ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া বা স্বাগতিক ইংল্যান্ড। ভারতের শক্তিশালী টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলিকে শুরুতেই তুলে নেওয়া দুই পেসার ট্রেন্ট বোল্ট ও ম্যাট হেনরির প্রশংসা করেন ২০১১ বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে খেলা ভেটোরি। “খুব চাপের একটা ম্যাচে তারা অসাধারণভাবে বল করেছে। ভারতের বিপক্ষে জয়টা ওয়ানডেতে নিউ জিল্যান্ডের সর্বকালের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স।” “ট্রেন্ট বোল্ট ও ম্যাট হেনরির প্রথম স্পেল ছিল অন্যতম সেরা।” “একটা সেমি-ফাইনাল অনেক বেশি চাপ যোগ করে। তাই যখন আপনি ঐ ধরনের চাপের মধ্যে পারফর্ম করতে পারবেন.. এটা খুব ভালো।..  তারা নিখুঁতভাবে বল করল.. আর ঐ চাপের প্রভাব পড়ল ব্যাটসম্যানদের ওপর, তাই তারা উইকেটগুলো আদায় করে নিয়েছে।” টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছানো নিউ জিল্যান্ড শিরোপার লড়াইয়ে ভালো করবে বলে আত্মবিশ্বাসী ভেটোরি। “একজন নিউ জিল্যান্ড সমর্থক হিসেবে আপনি আশাবাদী হতে পারেন যে ফাইনালে তারা আবারও এমন পারফর্ম করবে।” “তবে যাই ঘটুক, এটা দারুণ একটা উপলক্ষ্য হবে। আর ব্ল্যাকক্যাপস ম্যাচটি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করতে পারে।”

খাঁচায় দেশি কৈ মাছ উৎপানের কৌশল উদ্ভাবন

কৃষি প্রতিবেদক ॥ আমাদের দেশে আবহমানকাল ধরে দেশি কৈ মাছ অভিজাত ও জনপ্রিয় হিসেবে পরিচিত। মাছটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হওয়া সত্ত্বেও ইদানিং বাজারে দেশি কৈ পাওয়া দুস্কর হয়ে পড়েছে। বাণিজ্যিকভাবে পোনার সহজলভ্যতা ও দ্রুত বর্ধনশীল হওয়ায় থাই ও ভিয়েতনাম কৈ বাজার দখল করে নিয়েছে। বিভিন্ন কারণে বিশেষ করে উন্নত মা মাছের অপ্রতুলতা, পুকুরে চাষ ও পোনা উৎপাদনের কৌশল না জানা, পানি দূষণ, নদীর নাব্য না থাকায়, অতিরিক্ত মৎস্য আহরণের ফলে প্রকৃতি থেকে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে দেশি কৈ। পাশাপাশি জলাশয়ে প্রাকৃতিক বিচরণ ও প্রজনন ক্ষেত্র বিনষ্ট হওয়া ইতোমধ্যে মাছটি বাজার থেকে হারাতে বসেছে। বিশ্ব পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থার (আইইউসিএন) পক্ষ থেকে মাছটি বিপন্নপ্রায় প্রজাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুখবর হলো, দেশি প্রজাতির কৈ মাছকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. একে শাকুর আহম্মদ ইতোমধ্যে পুকুরে খাঁচায় নিবিড় গবেষণায় মা মাছ (ব্র“ড ফিস) উৎপাদন ও কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে গুণগতমানের পোনা উৎপাদন ও খাঁচায় মাছচাষের সফলতা লাভ করছেন। এর ফলে দেশি কৈ মাছের সহজে পোনা প্রাপ্তির পথ সুগম হয়েছে। এ ব্যাপারে গবেষক শাকুর আহম্মদ বলেন, দেশি কৈ মাছ প্রজনন মৌসুমে যখন আকাশ মেঘাচ্ছন্ন এবং বৃষ্টি থাকে তখন পুকুর থেকে কানকোর সাহায্যে হামাগুড়ি দিয়ে অন্যত্র চলে যায়। এমনকি পুকুরে চারদিকে জাল দিয়ে বেড়া দিলেও সেখান থেকে চলে যায়। এই সমস্যা রোধকল্পে পুকুরে খাঁচা পদ্ধতির মাধ্যমে চাষ করে গুণগত মানসম্পন্ন মা মাছ উৎপাদনে সফলতা পেয়েছি। পরে সেখান থেকে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উন্নত প্রযুক্তির থার্মোস্ট্যাটের সাহায্যে ভ্রূণীয় অবস্থায় বিভিন্ন তাপমাত্রায় তাপ প্রয়োগ করে পোনা তৈরি এবং সেখান থেকে অধিক ডিম ফোটার হারের ওপর নির্ভর করে উন্নতমানের পোনা বাছাই করা হয়। বাছাইকৃত পোনাগুলোকে এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া বিশেষ করে বেসিলাস ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে  অ্যাকিউরিয়াম, জগ এবং পুকুরে হাপা সিস্টেমে চাষ করা হয়। এ ক্ষেত্রে পোনার মৃত্যুর হার অনেক কম এবং মাছের বৃদ্ধি লক্ষণীয়। কারণ হিসেবে বলা যায় এই ব্যাকটেরিয়াগুলো পানিতে ছেড়ে দিলে পানির গুণাগুণ বজায় রাখে, পোনা মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। তাছাড়া মাছের অন্ত্রে গিয়ে তাদের খাবার পরিপাক ও শোষণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ফলে তারা বেশি পরিমাণ খেতে পারে এবং তাদের বৃদ্ধি বেশি হয়। গবেষক আরও জানান, খাঁচার মাধ্যমে মা দেশি কৈ মাছ উৎপাদন কৌশল এটিই প্রথম। এই পদ্ধতির মাধ্যমে দেশি কৈ মাছকে সংরক্ষণ ও বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যাবে। বাংলাদেশে আমিষের চাহিদা পূরণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দেশি কৈ মাছের পোনা উৎপাদনের কোনো বিকল্প নেই। তাই গুণগত মানসম্পন্ন অধিক সংখ্যক দেশি কৈ মাছের পোনা উৎপাদন করে যদি বাংলাদেশের উন্মুক্ত জলাশয়ে বিশেষ করে হাওর এলাকায় ছাড়া যায় তাহলে সেখানকার জেলেদের জীবিকার পথ সুগম হবে।