গাংনীর ছিমুলতলা গ্রাম উন্নয়ন দলের ফলোআপ সভা

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রাইপুর ইউনিয়নের ছিমুলতলা গ্রাম উন্নয়ন দলের ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বিকেলে ফলোআপ সভার সহযোগিতা করে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ও ছিমুলতলা গ্রাম উন্নয়ন দলের অন্যতম সদস্য ছানোয়ার হোসেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ছিমুলতলা গ্রাম উন্নয়ন দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাবলু। সভাটি সঞ্চালনা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-বাংলাদেশ-এর রাইপুর ইউনিয়ন সমন্বয়কারী জিএস সাজু। ছিমুলতলা গ্রামের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আগামীতে সামাজিক মানচিত্র তৈরীর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় অনুষ্ঠিত এ ফলোআপ সভায়।

গাংনীর হাড়িয়াদহ সিডর ক্লাবের উদ্যোগে সড়ক সংস্কার

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পূর্বমালসাদহ-বারাদী সড়কের ভেঙ্গে যাওয়া স্থান সংস্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ সিডর ক্লাবের সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার করেন। হাড়িয়াদহ সিডর ক্লাবের অন্যতম সদস্য শাহরিয়ার সবুজ জানান,পূর্বমালসাদহ-বারাদী সড়ক দিয়ে দিনরাতে স্থানীয় যানবাহন ছাড়াও চুয়াডাঙ্গা, খুলনা-যশোরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ট্রাক ও অন্যান্য যোগে মালামাল নিয়ে যাতায়াত করে থাকে। সড়কটির ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি বা বড় যানবাহন চলাচলের কারণে সড়কের বেশ কিছু জায়গায় গর্বে হয়ে গেছে। কিন্তু সেটি সড়ক বিভাগ দেখেও দেখে না। তাই এ সড়কে দূর্ঘটনা যেনো না হয় সে লক্ষ্যে সিডর ক্লাব সংস্কার করছে।

ঝিনাইদহে ৩’শ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ‘স্বপ্ন সাহস প্রজ্ঞা নিয়ে আগামীর পথ চলবো, অপসংস্কৃতির বেড়াজাল ভেঙে সোনার বাংলা গড়বো’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে ৩’শ মেধাবী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে শহরের ডা. কে আহম্মদ পৌর কমিউনিটি সেন্টারে এ সংবর্ধনার আয়োজন করে ঝিনাইদহ পৌরসভা। অনুষ্ঠানের আয়োজনে সহযোগী ছিল ‘জয়বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্ত সংগঠন ঝিনাইদহের ‘কথন সাংস্কৃতিক সংসদ’ (কসাস)। এসময় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ঝিনাইদহ পৌরসভার মেয়র সাইদুল করীম মিন্টু সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানি অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান, সরকারী নুরুন্নাহার মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুল আলম, জেলা শিক্ষা অফিসার সুশান্ত কুমার দেব, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাম্মী ইসলাম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থপতি কবীর হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কসাসের সভাপতি উম্মে সায়মা জয়া, সাধারন সম্পাদক প্রতাপ আদিত্য বিশ্বাস। এর আগে  পৌরসভা চত্বর থেকে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে পৌর অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভা শেষে সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩’শ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

দুদক পরিচালক এনামুল সাময়িক বরখাস্ত

ঢাকা অফিস ॥ নারী নির্যাতনের অভিযোগে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার হওয়া পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের কাছে তদন্তের তথ্য ফাঁস করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ। এদিকে এনামুল বাসিরের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে কমিশনের সচিব মো. দিলওয়ার বখতকে। অন্য সদস্যরা হলেন মহাপরিচালক (লিগ্যাল) মো. মফিজুর রহমান ভূঞা এবং মহাপরিচালক (প্রশাসন) সাঈদ মাহবুব খান। গতকাল সোমবার বিকেলে এই কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই প্রতিবেদনে কি আছে সে তথ্য প্রকাশ করেননি দুদক চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, কমিটির কাছে এনামুল বলেছেন, তিনি ঘুষ নেননি। দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এনামুল বাসিরের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ সেটি অসদাচরণ। এতে দুদক বিব্রত নয়। ব্যক্তির দায় প্রতিষ্ঠানের নয়। দুদকের ৮৭৪ জন কর্মীর সততার নিশ্চয়তা কমিশন দিতে পারে না। এক প্রশ্নের জবাবের ইকবাল মাহমুদ বলেন, এনামুল বাসিরের সঙ্গে ডিআইজি মিজানুর রহমানের কথোপকথন নিশ্চিত হতে অডিও রেকর্ড ফরেনসিক পরীক্ষা করতে হবে। তাছাড়া মিজানুর ঘুষ দিয়েছেন প্রমাণিত হলে দুদক মামলা করবে বলে জানান তিনি। ডিআইজি মিজানুর রহমানের অবৈধ সম্পদের তদন্ত শুরু করেছিল দুদক। কিন্তু এই তদন্ত করতে গিয়ে দুদকের পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন মিজানুর রহমান। মাস ছয়েক ধরে দুজনের মধ্যে এ নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রথমে ২৫ লাখ ও পরে ১৫ লাখ টাকা দিয়েছেন মিজানুর। কিন্তু ২ জুন খন্দকার এনামুল বাসির মিজানুরকে জানান, তিনি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারের চাপে তাঁকে অব্যাহতি দিতে পারেননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিজানুর টাকাপয়সা লেনদেনের সব কথা ফাঁস করে দেন। প্রমাণ হিসেবে হাজির করেন এনামুল বাসিরের সঙ্গে কথোপকথনের একাধিক অডিও রেকর্ড। এ বিষয়ে গতকাল রোববার প্রতিবেদন প্রচার করে বেসরকারি টিভি চ্যানেল এটিএন নিউজ। এনামুল বাসির অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মিজানুর রহমান বলেছেন, তিনি খন্দকার এনামুল বাসিরকে একটা স্যামসাং ফোন কিনে দিয়েছিলেন শুধু তাঁর সঙ্গে কথা বলার জন্য। তাঁর গাড়িচালক হৃদয়ের নামে সিমটি তোলা। এতে দুজনের কথা ও খুদে বার্তা বিনিময় হয়েছে। ডিআইজি মিজানুর ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত জানুয়ারির শুরুর দিকে তাঁকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। তখন তাঁর বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। মিজানুরের বিরুদ্ধে এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) রয়েছে। গত বছরের ৩ মে অবৈধ সম্পদসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে মিজানুরকে দুদক কার্যালয়ে প্রায় সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রতিবেদনে মিজানুর রহমান ও তাঁর প্রথম স্ত্রী সোহেলিয়া আনারের আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ কোটি টাকারও বেশি সম্পদের খোঁজ পায় দুদক। মিজানুরের নামে ৪৬ লাখ ৩২ হাজার ১৯১ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৭২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫২ টাকার অসংগতিপূর্ণ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের খোঁজ পাওয়ার কথা দুদকের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। তদন্ত শুরু হওয়ার এক বছরের মাথায় দুদক পরিচালকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার এই অভিযোগ পাওয়া গেল।

পিরানহা ভর্তি পুকুরে জেনারেলকে ফেলে দিলেন কিম

ঢাকা অফিস ॥ নানারকম অদ্ভুত খবর দিয়ে আলোচনায় থাকেন উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কিম জং উন। বিশেষ করে পারমাণবিক অস্ত্র ও আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক খবর বছর জুড়েই খবরের শিরোনামে ছিল। এবার ফের আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যমে আলোচিত হলেন কিম। তবে তা পারমাণবিক অস্ত্র বিষয়ে নয়, সম্প্রতি নিজ সেনাবাহিনীর এক জেনারেলের অদ্ভুত মৃত্যুদন্ড কার্যকর করে আলোচনায় এলেন কিম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হওয়া এক জেনারেলকে পিরানহা মাছ ভর্তি এক পুকুরে ঠেলে ফেলে দেন কিম নিজেই। আর জীবন্ত সেই জেনারেলকে লুফে নেয় অ্যামাজনের ভয়ঙ্কর মাংসাশী মাছগুলো। আর ওই মাছ ছিঁড়ে খায় হতভাগ্য জেনারেলকে। সান আরও জানায়, কিমের রিংয়সিয়ং প্রাসাদের একটি পুকুর রয়েছে, যেখানে ব্রাজিল থেকে আমদানি করা কয়েকশো পিরানহা পালিত হয়। আর সেই পুকুরেই ফেলা হয় জেনারেলকে। তার আগে জেনারেলের দেহের বিভিন্ন অংশে ছুরি দিয়ে কাটা হয় যেন কিছুটা রক্ত বের হয়ে আসে। তারপর আহত জেনারেলকে সেই পুকুরে ছুঁড়ে ফেলা হয়। রক্তের ঘ্রাণ পেয়ে মুহূর্তের মধ্যে অসংখ্য পিরানহা ছুটে আসে। কি কারণে পিরানহার খাবারে পরিণত হতে হল সেই জেনারেলকে? সান জানিয়েছে, গুরুতর অভিযোগ ছিল ওই জেনারেলের বিরুদ্ধে। কিমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে তাকে গদিচ্যুত করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত সম্প্রতি আরও এক হত্যাকান্ডের ঘটনায় আলোচনায় ছিলেন কিম জং উন। কিমের নির্দেশে এক শীর্ষ কূটনীতিকসহ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চার কর্মকর্তাকে ফায়ারিং স্কোয়াডে হত্যা করা হয়। গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে তাদের হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদপত্র চোসান ইলবো।

ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে বামনগাড়ী ঈদগাহে আর্থিক অনুদান প্রদান

মিলন আলী ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হালসার বামনগাড়ী ঈদ গাহের নির্মাণ কাজের সহায়তার জন্য ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার বামনগাড়ী গ্রামের কৃতিসন্তান আমিরুল ইসলাম ব্যাংকের পক্ষ থেকে চেক প্রদান করে আর্থিকভাবে ঈদগাহের কাজে সহায়তা করেন। ঈদগাহ কমিটির সভাপতি সিদ্দিক আলী মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলী, সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, আলম মন্ডল চেকটি ঈদগাহের পক্ষ থেকে গ্রহন করেন। ব্যাংক কর্মকর্তা আমিরুল ইসলাম বলেন প্রতিবছর আমার ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই ধর্মী প্রতিষ্ঠান বামনগাড়ী ঈদগাহের জন্য আর্থিক সহায়তা অব্যহত থাকবে ইনশাল্লাহ। আরও উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য মনিরুজ্জামান ইসলাম বাবু, ঈদগাহের ইমাম মাওলানা ফরিদ উদ্দীন, নোমাজ আলী, হাজি হাসমত আলী, সাংবাদিক মিলন আলী, মাওলানা সেকেন্দার আলী, মুফতি আমানত উল্লাহ, মাওলানা নায়েম হোসেন।

দৌলতপুর সীমান্তে ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ফেনসিডিল, গাঁজা ও মদ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার ৯টার দিকে চিলমারী বিওপি’র টহল দল উপজেলার চিলমারীর ডিগ্রিরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮৬ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে। অপরদিকে জামালপুর বিওপি’র টহল দল একই দিন রাত পৌনে ১২টার দিকে সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর মাঠে অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে। এছাড়াও রবিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে চিলমারী বিওপি’র টহল দল চিলমারীর শান্তিপাড়া কবরস্থান এলাকা থেকে ৫০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করেছে। তবে উদ্ধার হওয়া এসব মাদকের সাথে জড়িত কেউ আটক হয়নি। এদিকে ভারত থেকে চুরি করে আনা একজোড়া মহিষ উদ্ধার হলে তা রামকৃষ্ণপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডলের হেফাজতে রয়েছে। আজ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তা ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে।

এ্যাড. মিয়া মহম্মদ রেজাউল হক’র মৃত্যুতে মেয়র আনোয়ার আলী’র শোক

কুষ্টিয়া জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক পিপি, এ্যাডভোকেট মিয়া মহম্মদ রেজাউল হক’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে শোকবার্তা প্রেরণ করেছেন কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলী। শোকবার্তায় মেয়র বলেন, মিয়া মহম্মদ রেজাউল হক ছিলেন প্রগতিশীল আন্দোলনের একজন নেতা। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ আইনজীবী এবং সাদা মনের মানুষ। তাঁর মৃত্যুতে আইজীবীদের মধ্যে একটি বড় শুন্যতার সৃষ্টি হলো। মেয়র আনোয়ার আলী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ভারতে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে – রাম মাধব

ঢাকা অফিস ॥ ২০৪৭ সাল পর্যন্ত ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় থেকে দেশের স্বাধীনতার ১০০ বছর উদযাপন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাম মাধব। এ দীর্ঘ সময়ে বিজেপি ক্ষমতায় থাকলে দেশের চেহারা বদলে যাবে বলেও জানান তিনি।

সপ্তাহের শুরুতে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় দলীয় এক সমাবেশে এসব কথা বলেন বিজেপি সাধারণ সম্পাদক। আগামী তিন বছরের মধ্যে ভারতে বেকার থাকবে না দাবি করে রাম মাধব বলেন, ২০২২ সালের মধ্যে মোদির নেতৃত্বে আমরা নতুন ভারত গড়বো। নতুন ভারতে কেউ গৃহহীন থাকবেন না। নরেন্দ্র  মোদি সফলভাবে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। বিজেপির ডিএনএতেই জাতীয়তাবাদ রয়েছে জানিয়ে দলটির সাধারন সম্পাদক বলেন, জাতীয়তাবাদই বিজেপির পরিচয়। ভোটের সময়েই হোক বা পরে বিজেপি মানেই জাতীয়তাবাদ এবং জাতীয়তাবাদ মানেই বিজেপি। ২০৪৭ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষপূর্তি পর্যন্ত বিজেপি ক্ষমতায় থেকে ভারতকে বিশ্বব্যাপী নতুনভাবে পরিচিত করবে বলেও দাবি করেন রাম মাধব।

বিএনপি’তে রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের অভাব রয়েছে – ড. হাছান

ঢাকা অফিস ॥ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিএনপি নেতা-কর্মীদের রাজনৈতিক সৌজন্যবোধের অভাব রয়েছে অভিযোগ করে তাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার পদক্ষেপ নিতে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। রোববার সংবাদ সম্মেলনে দেয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য সম্পর্কে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যের উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গতকাল সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, দলটির নেতা-কর্মীদের মধ্যে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের অভাব রয়েছে। বিএনপি’র পলাতক চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য রাজনৈতিক শিষ্টাচার বর্জিত বলে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুলের অভিযোগের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে সহানুভূতি জানাতে বেগম জিয়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন, অথচ কেউ তাকে বাড়ির গেট খুলে দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী রোববার সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, তারেক রহমানকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আদালতের রায় কার্যকর করতে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কাছ থেকে আমাদের সৌজন্যবোধ শিক্ষা নেয়ার কোন প্রয়োজন নেই। তিনি বিএনপি’র নেতাদের সৌজন্যবোধ শিক্ষা দিতে মির্জা ফখলের প্রতি আহবান জানান। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিনারে আমন্ত্রণ জানাতে বিএনপি প্রধান বেগম জিয়াকে ফোন করেছিলেন। দেশের জনগণ সে সময়ে বেগম জিয়ার ভাষা শুনেছেন। তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একদিন সাজা ভোগ করতেই হবে। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামীর সাজা কার্যকর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে কথাই গতকাল সুনিদিষ্ট করে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, তারেককে একদিন আদালতের রায় অনুযায়ী সাজা ভোগ করতে হবে। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এখন একটি উপহাসের ঐক্যের নাম ও আদর্শে পরিণত হয়েছে। ইতোমধ্যেই অনেক দল এই জোট ছেড়ে চলে গেছে। তিনি বিএনপি এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি সংসদকে অবৈধ বলেছেন, ফলে সংসদের একজন সদস্য হিসেবে তিনিও অবৈধ। মন্ত্রী পরে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাংবাদিকসহ দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি তাঁর দফতরে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ঘরে বসে থাকলে আন্দোলন সফল হয় না – কাদের

ঢাকা অফিস ॥ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আন্দোলনের ডাক দিয়ে ঘরে বসে থাকলে আন্দোলন সফল হয়না না। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঘরে বসে হিন্দি সিরিয়াল দেখতে থাকেন। ঘরে বসে থাকলে আন্দোলন কি সফল করা যায়?’ কাদের গতকাল সোমবার সচিবালয়ের মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। ‘পরিবেশ না থাকায় বিএনপি নেতারা এলাকায় যেতে পারেনি’ বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে সেতু মন্ত্রী বলেন, এবার এ রকম কোনো পরিবেশগত সমস্যা কোথাও ছিল না। এটা বিরোধী দলের একটা সুবিধা। ইচ্ছা করেই তারা এলাকায় যান না। আর পরিবেশের অভিযোগ তোলেন। এসব ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করেন মওদুদ আহমেদ। তিনি তো এবার এলাকায় ছিলেন। তিনি কি কোনো অভিযোগ করেছেন? ‘সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন এ সংসদ অবৈধ’ এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যে সংসদ অবৈধ, সে সংসদের সদস্য হওয়ার জন্য তিনি এত সিরিয়াস হলেন কেন? সংসদ অবৈধ হলে তিনি কি বৈধ? কোন বৈধতার সূত্রে তিনি সংসদে গেলেন?’ তিনি বলেন, সংসদ নিয়ে বিএনপির স্ব-বিরোধিতা পরিষ্কার। পার্টির মহাসচিব নির্বাচিত হয়েও শপথ নিলেন না। তার জায়গায় আবার বিএনপির জেলা সভাপতি উপ-নির্বাচন করছেন। এই নীতি নিয়ে যারা চলেন, তারা অতীতেও আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছেন, আগামীতে ব্যর্থ হবেন। এ সময় এবারের ঈদ যাত্রার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঈদ যাত্রা এবার ভালো ছিল। শুধু টাঙ্গাইলে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনার হার এবার কম ছিল। এটা আসলে সড়কের শৃঙ্খলার অভাবে হয়েছে। আমাদের স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত হত্যার বিষয়ে সরকারের কোনো দুর্বলতা নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার প্রধান এ বিষয়ে খুব কঠোর। সুতরাং এক্ষেত্রে কারো ক্ষেত্রে শৈথিল্যে দেখানোর অবকাশ নেই। ওসি এখনো ধরা পড়েনি। হয়তো শুনবেন খুব শিগগির ধরা পড়েছে এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সেতুমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে একমাত্র রাষ্ট্রপতির গাড়ি টোলবিহীন চলাচল করে। প্রধানমন্ত্রীকেও টোল দিয়ে এই সেতু অতিক্রম করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে এই সেতু দিয়ে চলাচল করা অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশের গাড়ি টোল ফ্রি করা যায় কি-না সে বিষয়টি নিয়ে ভাবা হচ্ছে। আগামী এক মাসের মধ্যে রাইড শেয়ারিং নীতিমালা অনুমোদন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের কাছে সরকার জিম্মি নয়। তাদের আন্দোলনের কারণেই সড়ক পরিবহন আইনটি কার্যকর করা যায়নি। আন্দোলনের সময় তারা ছিল ঐক্যবদ্ধ। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন আলোচনা করে এই আইনটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা করা যায়নি।

ব্যস্ততম ঈদের দিন কাটালেন মেয়র আনোয়ার আলী

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে ব্যস্ততম দিন কাটালেন কুষ্টিয়া পৌরসভার জননন্দিত মেয়র  আনোয়ার আলী। তিনি সকাল  ৮.১৫ মিনিটে আড়ুয়াপাড়া ছাখাবি মসজিদে ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ আদায় শেষে মসজিদে উপস্থিত মুসল্লিদের সাথে মোলাকাত ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর আড়ৃয়াপাড়াস্থ নিজ বাসভবনে দিনভর দলীয় নেতা-কর্মী ও পৌরবাসীর সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় দেশ ও দশের মঙ্গল কামনা করেন মেয়র আনোয়ার আলী। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কুষ্টিয়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া শহরের থানাপাড়া নিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের গত রবিবার রাত ৮টায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)। গতকাল সোমবার বাদ যোহর কুষ্টিয়া পৌরসভা জামে মসজিদে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয় এবং পৌরসভা চত্বরে গার্ড অব অনার প্রদান ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এ সময় মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের ছেলে ফয়সাল কাদের,  জেলা জাসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদেরের জামায় জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন, হাটশ হরিপুর ইউপির চেয়ারম্যান সম্পা মাহামুদ, জেলা জাসদের প্রচার সম্পাদক কারশেদ আলম, জেলা-উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দসহ পরিবারের সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ জানাজায় অংশগ্রহন করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যা, এক পুত্র, ৫ নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

ঈদযাত্রায় সড়কে ৯৫ দুর্ঘটনা নিহত ১৪২, আহত ৩২৪

ঢাকা অফিস ॥  ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪২ জন নিহত ও ৩২৪ জন আহত হয়েছেন। ৩০ মে বৃহস্পতিবার থেকে ৯ জুন রোববার পর্যন্ত ১১ দিনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে সংঘটিত ৯৫টি দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। গতকাল সোমবার নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির ঈদ যাতায়াত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনা ছাড়া সাম্প্রতিক বছরগুলোর তুলনায় এবার সড়ক ও নৌপথে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক ছিল। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে জনগণ প্রত্যাশিত সেবা পায়নি। বিভিন্ন পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, অনলাইন নিউজপোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলের তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দূরপাল্লার সড়ক-মহাসড়কে বড় ধরনের যানজট ছিল না। নৌ ও রেলপথ ছিল দুর্ঘটনামুক্ত। মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপনা ভালো থাকায় পদ্মার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল নিরবিচ্ছিন্ন ছিল। এর ফলে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগও ছিল স্বাভাবিক। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঈদ-সার্ভিসে পর্যাপ্তসংখ্যক লঞ্চ থাকায় ঢাকার সদরঘাট টার্মিনাল থেকে উপকূলীয় জেলাগুলোর সঙ্গে নৌ যোগাযোগ স্বাভাবিক ও যাত্রীভোগান্তি কম ছিল। তবে এক শ্রেণির নৌ শ্রমিক ও কর্মচারিরা ডেকের যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেছেন। অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে প্রযুক্তিগত সমস্যা ও ঈদ-যাত্রার প্রথম দিন থেকে দূরপাল্লার অনেক ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যয়ের কারণে অগণিত যাত্রী চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছে। ঈদের আগে ঢাকা-মাওয়া, ঢাকা-পাটুরিয়া ও ঢাকা-ময়মনসিংহসহ দূরপাল্লার বিভিন্ন সড়কে মাত্রাতিরিক্ত বাসভাড়া আদায় বন্ধ করা যায়নি। ঈদ-ফেরত যাত্রীদের কাছ থেকেও একইভাবে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হলেও তা বন্ধ করতে পারেনি প্রশাসন। এমনকি লঞ্চ ও ট্রেনের ছাদে যাত্রী পরিবহনও বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া ঈদের ছুটিতে রাজধানীর মধ্যে চলাচলরত বাস ও অটোরিকশাগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায় করেছে। উবার ও পাঠাও’র মতো রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রী বহনকারি কোম্পানিগুলোও ঈদ-ছুটিতে তাদের ইচ্ছেমতো ভাড়া বাড়িয়েছিল বলে প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়।

সিরাজুল হক মুসলিম হাইস্কুলের প্রয়াত প্রধান শিক্ষক ওয়ারেস হোসেন স্মরণে সভা

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া সিরাজুল হক মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের আয়োজনে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্য-অনুরাগী স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক ওয়ারেস হোসেন স্মরণে সভা গত শুক্রবার বিকাল ৪টায় সময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো: শাহ্ আজম শান্তুনুর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া পৌরসভার মেয়র আনোয়ার আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পরির্ষদের সভাপতি এ্যাড. অনুপ কুমার নন্দী, প্রধান শিক্ষক নীলিমা আক্তার, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন ড. সরোয়ার মুর্শেদ রতন, চাঁদ সুলতানা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ওয়ারেশ হোসেনের কন্যা শিরিন আখতার।

স্মরণ সভার মূখ্য আলোচক ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মিলন সরকার। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন স্কুলের শিক্ষক মওলানা মো: রফিকুল ইসলাম।

প্রাক্তন ছাত্র আতিক আল হেলাল ও কাজল তালুকদারের সম্পাদনায় প্রয়াত প্রধান শিক্ষক ওয়ারেশ হোসেনের  নামে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশিত হয়। স্মরণ সভার শুরুতে স্মারক গ্রন্থটি প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ উন্মোচন করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে পৌর মেয়র আনোয়ার আলী বলেন, কৃতি ব্যক্তিগন জন্মগ্রহন করেন কম। ওয়ারেশ হোসেনের মত সৎ ও নিষ্ঠবান শিক্ষকের বড়ই অভাব। তিনি ছিলেন একজন কঠোর প্রশাসক ও প্রতিষ্ঠানের কর্ণধর। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানেই ওয়ারেশ হোসেন এমনটিই ছিল তৎকালীন সময়ে। তিনি আরও বলেন, একজন আদর্শ শিক্ষক ছাড়া আদর্শ জাতি গড়ে উঠতে পারেনা। বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টাকার মুল্যায়ন করা হচ্ছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। এছাড়াও তার স্মৃতি বিজড়িত অনেক কথা প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন। স্মরণ সভার সভাপতি প্রফেসর ড. মো: শাহ্ আজম শান্তুনু বলেন, মহৎ প্রাণ ব্যক্তিগন কখনো মৃত্যুবরন করেন না। শিক্ষার জগতে তিনি ছিলেন একজন আলোকবর্তিকা। তিনি সমাজকে আলোকিত করতে চেয়েছিলেন। আতিক আল হেলালের উপস্থাপনায় কাজল তালুকদার স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বিশেষ অতিথিগন ওয়ারেশ হোসেনের ত্রিশ বছরের শিক্ষকতা জীবনের স্মৃতি বিজরিত অনেক কথা তুলে ধরেন উপস্থিত সকলের সামনে। প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে তৌদিুল ইসলাম জামাল, আক্তার হোসেন ফিরোজ, কে এম শাহীন রেজা, ইব্রাহিম খলিল, খাইরুল ইসলাম, কাজী সাইফুদ্দিন বাপ্পী, জুঁই খাতুন, সুমন হাসান, আব্দুস সিদ্দিক, মামুন আল মাসুদ, চৌধুরী নাজমুল পারভেজ, নাইমুদ্দিন লিটন, ইলিয়াস হোসেন, আবু আকরাম, শামীম মুসা, রমেশ চন্দ্র দত্তসহ আরোও অনেকে তাঁর স্মৃতি চারণ করে বক্তব্য রাখেন। উল্লেখ্য গত ২০ এপ্রিল বার্ধক্যজনিত কারনে সকলের প্রানপ্রিয় এই শিক্ষক মৃত্যুবরন করেন।

 

এ ম্যাচটা পন্ড হলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে বাংলাদেশের – মাশরাফি

ঢাকা অফিস ॥ বিশ্বকাপে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে আজ মঙ্গলবার শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আসরে প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের পর নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছে টাইগাররা। ফলে সেমিফাইনালে খেলার পথ বন্ধুর হয়ে গেছে। তাই লংকানদের বিপক্ষে জয়ে ফিরতে মরিয়া তারা। তবে ভাবাচ্ছে ব্রিস্টলের বৃষ্টি। বাংলাদেশ দলপতি মাশরাফি বিন মুর্তজা বলছেন, বৃষ্টিতে ম্যাচটি ভেসে গেলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, প্রথম তিন ম্যাচের একটি ভেসে গেলে অত সমস্যা হতো না। তবে এ ম্যাচটা পন্ড হলে বড় ক্ষতি হয়ে যাবে বাংলাদেশের। আশা করছি, আবহওয়া পূর্বাভাস যাই বলুক-ম্যাচটা যেন হয়। শ্রীলংকার বিপক্ষে সবশেষ তিন দেখায় জিতেছে বাংলাদেশ। নিদাহাস ট্রফিতে দুই ম্যাচে এবং এশিয়া কাপে লংকানদের হারিয়েছে টাইগাররা। তবে বিশ্বকাপে তিনবারের দেখায় একবারও জয় পায়নি তারা। এ ম্যাচে জিততে হলে তাই রেকর্ড ব্রেক করতে হবে। এক্ষেত্রে সিনিয়র-জুনিয়রদের সম্মিলিত দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের বিকল্প নেই। তবে তামিম-মাহমুদল্লাহর মতো অভিজ্ঞদের ফর্ম চিন্তায় ফেলেছে বাংলাদেশকে। এমনকি মাশরাফির কাছ থেকেও সেরাটা পাওয়া যাচ্ছে না। অধিনায়ক বলেন, গ্যারান্টি-ওয়ারান্টি দিয়ে কেউ কখনো ভালো খেলতে পারে না। দলে সিনিয়রদের দায়িত্ব বেশি থাকে। সবাই সেটা অনুভব করছে। আমি নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও খুশি নই।

 

উইন্ডিজ-দ.আফ্রিকা ম্যাচ পরিত্যক্ত

ঢাকা অফিস ॥ লম্বা সময় অপেক্ষা করেও সূর্যের আলো ফুটলো না। আকাশ ভেঙে অঝোর ধারে ঝরে গেল বৃষ্টি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলায় শেষ পর্যন্ত জয় হলো তারই! বৃষ্টির রোশানলে পড়ে পরিত্যক্ত হলো ম্যাচটি। প্রোটিয়া ইনিংসের অষ্টম ওভারে তুমুল বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অবশেষে স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া ৪টায় খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে এবারের আসরে দুটি ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেল। এর আগে পাকিস্তান ও শ্রীলংকা খেলা পন্ড হয়। এখন পর্যন্ত জয়ের মুখ দেখেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের পর ভারতের বিপক্ষেও শোচনীয় পরাজয় বরণ করে প্রোটিয়ারা। এর আগে ইংল্যান্ডের সামনেও দাঁড়াতেই পারেনি তারা। তাই সেমিফাইনাফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখতে হলে এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিল না ডু পে¬সিস বাহিনীর।টুর্নামেন্টে তাদের প্রথম জয়ের আশায় এবার জল ঢেলে দিল বৃষ্টি। আসরে দুর্দান্ত শুরু করে ক্যারিবীয়রা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেয় তারা। পরের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারলেও শ্বাসরুদ্ধকর ছিল সেই লড়াই। অল্পের জন্য হেরে যায় তারা। ওই ম্যাচে বাজে আম্পায়ারিংয়ের শিকার হন গেইল-রাসেলরা। যা নিয়ে বিতর্ক চলছেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বোলিংয়ে শুরুটা দারুণ করে উইন্ডিজ। তাদের হার মানতে হলো বৃষ্টির কাছে। সোমবার সাউদাম্পটনের রোজ বোলে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ক্যারিবীয় অধিনায়ক জেসন হোল্ডার। ফলে আগে ব্যাট করতে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে শুরুটা শুভ হয়নি প্রোটিয়াদের। দলীয় ১১ রানে শেল্ডন কটরেলের বলে ক্রিস গেইলকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন নির্ভরযোগ্য ওপেনার হাশিম আমলা। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই কটরেলের দ্বিতীয় শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন এইডেন মার্করাম। ৭.৩ ওভারে বৃষ্টি নামলে খেলা বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে ২ উইকেটে ২৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। কুইন্টন ডি কক ১৭ ও ডু পে¬সিস শূন্য রান নিয়ে ক্রিজে ছিলেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন দুই আম্পায়ার।

 

ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে মঞ্চটি

কুষ্টিয়ায় ‘স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা’ স্মৃতি স্তম্ভটির সামনে থেকে ময়লা-আবর্জনা সরাতে জেলা প্রশাসকের আল্টিমেটাম 

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি হিসেবে নির্মিত স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা স্মৃতিস্তম্ভটি এখন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। শহরের ব্যস্ততম এনএস রোডে পৌর বাজারের সামনে এটির অবস্থান। ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখায় দুর্গন্ধে মানুষ চলাচল করতে পারে না। তবে দীর্ঘদিন পরে হলেও এর সামনে থেকে ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে এটিতে আগের রুপে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন। তিনি আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামীতে এখানে ময়লা ফেললে জেল-জরিমানা করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেন জেলা প্রশাসক।

বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এটি নির্মিত হয় কয়েক যুগ আগে। এখানে যে মঞ্চটি আছে সেটি বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম, পথনাটক, শোকসভাসহ নানা অনুষ্ঠানে ব্যবহৃত হতো। এখন মঞ্চটির সামনেই সর্বক্ষণ ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখায় এটি আর ব্যবহার করা যায়না।

গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় নাগরিকরা বিষয়টি তুলে ধরে স্বাধীনতার স্মৃতিচিহৃ হিসেবে নির্মিত স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা মঞ্চটি রক্ষার দাবি করেন। এর প্রেক্ষিত বিকেলে জেলা প্রশাসক  স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা মঞ্চটি পরির্দশনে আসেন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) জহিরুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান মজনু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সহকারি কমিশনার ভূমি মোহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আজগর আলী ও মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাসির উদ্দিনসহ বাজার কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন,‘ ময়লা-আবর্জনা ফেলার মত কোন জায়গা নেই। পৌরসভা থেকে বিষয়টি দেখভাল করা হয় না। তাই ব্যবসায়ীরা স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা স্তম্ভটির সামনে ময়লা-আবজর্না ফেলে রাখে। এসব সময়মতো পৌরসভা থেকে পরিস্কার না করায় পুরো সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। সাধারন মানুষকে নাক বন্ধ করে হাঁটতে হয়।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা স্তম্ভটির সামনে আলু-পেয়াজের খোসা, মুরগীর উচ্ছিষ্টসহ পচা সবজি ফেলে রাখা হয়েছে। সেখানে গরু ও কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে। মঞ্চটির ওপর কুকুর ঘুরছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে বিভিন্ন সময় নানা অনুষ্ঠান হতো। এখন আর হয় না। এটিকে উদ্ধার করে আগের রুপে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি করেন তারা।

প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান বলেন, ডাস্টবিন থাকার পর ব্যবসায়ীরা রাতের বেলার এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখে। বিষয়টি নিয়ে সবাইকে ডেকে মিটিং করা হবে। এখন থেকে আর ময়লা ফেলা যাবে না।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জহিরুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে এখানে রাতে পুলিশের সদস্যরা থাকবে। ময়লা ফেললে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

জেলা প্রশাসক মো. আসলাম হোসেন বলেন,‘ শহরের মূল পয়েন্ট এটি। এখানে স্বাধীনতার একটি স্তম্ভ রয়েছে। একটি মঞ্চ রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন সময় অনুষ্ঠান হতো। ময়লা-আবর্জনায় ঢেকে গেছে এটি। ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে। সব ময়লা সরিয়ে নিতে হবে। এখানে আর কোন ময়লা-আবর্জনা ফেলতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে ব্যবসায়ীদের ডেকে তাদের বোঝানো হবে। না শুনলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রফিকুল ইসলাম টুকু বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় বিষয়টি তুলে ধরলেও এতদিন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। দেরিতে হলেও জেলা প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে সেটা ভাল দিক। তবে এটির সামনে থেকে ময়লা-আবর্জনা সরিয়ে সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে।’

সাংবাদিক আহমেদ রাজু’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে

দৌলতপুরে সর্বস্তরের সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাংবাদিক আহমেদ রাজুর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে দৌলতপুরে সর্বস্তরের সাংবাদিক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করেছে। রবিবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়। দৌলতপুর প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক এ্যাড. এমজি মাহমুদ মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রেসক্লাবের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক নুরুন্নবী বাবু, এটিএন নিউজের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম, দৈনিক নয়াদিগন্তের দৌলতপুর প্রতিনিধি আহাদ আলী নয়ন, আল্ল¬ারদর্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার জালাল উদ্দিন, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার ভেড়ামারা প্রতিনিধি ইসমাইল হোসেন বাবু, দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার ভেড়ামারা প্রতিনিধি শাহ জামাল, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দৌলতপুর উপজেলা শাখার সভাপতি এস মোহাম্মদ আলী বাবু, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার দৌলতপুর প্রতিনিধি এস আর সেলিম, দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার দৌলতপুর প্রতিনিধি সাইদুল আনাম, দৈনিক দেশের বানী পত্রিকার দৌলতপুর প্রতিনিধি সাইদুর রহমান ও দৌলতপুর রিপোটর্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রনি আহমেদসহ অনেকে। বক্তারা  দৈনিক সমকাল পত্রিকার দৌলতপুর প্রতিনিধি সাংবাদিক আহমেদ রাজুর ওপর হামলাকারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী, আলোচিত ফাইভ মার্ডারসহ একাধিক হত্যা মামলার আসামী ও মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী সোহেলকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নেওয়া না হলে সাবাদিকরা আরও বৃহৎ কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করেন। ঘন্টাব্যাপী চলা মানববন্ধন শেষে সন্ত্রাসী সোহেলকে গ্রেপ্তারের দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উল্লে¬খ্য, মঙ্গলবার (৪জুন) রাত সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার তারাগুনিয়া বাজারে দৌলতপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী, আলোচিত ফাইভ মার্ডারসহ একাধিক হত্যা মামলার আসামী ও মাদক ব্যবসায়ী চিহ্নিত সন্ত্রাসী সোহেল হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক রাজুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসী সোহেল সাংবাদিক রাজুকে বেধড়ক মারপিট শেষে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করলে স্থানীয়দের সহায়তায় সাংবাদিক রাজু প্রাণে বাঁচেন। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দৌলতপুর থানায় মামলা হলে ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও হামলাকারী সন্ত্রাসী সোহেল গ্রেপ্তার না হওয়ায় দৌলতপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে সর্বস্তরের সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে। একই সাথে সাংবাদিকের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় হামলাকারী সন্ত্রসী সোহেল গ্রেপ্তার না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে শতাধিক সাংবাদিক অংশ নেয়।

একাদশে ভর্তি – নির্বাচিত ১৩ লক্ষাধিক সুযোগ পায়নি প্রায় এক লাখ

ঢাকা অফিস ॥ ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কে কোন কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে, তার ফল প্রকাশ করা হয়েছে গতকাল সোমবার। প্রথম পর্যায়ে মোট ১৩ লাখ ১৮ হাজার ৮৬৬ জন শিক্ষার্থী একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এবার বৈধ আবেদন ছিল ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৮৭৬ জনের। এই হিসাবে ৯৭ হাজার ১০ জন ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পায়নি। যদিও এসব শিক্ষার্থীর পরে আবেদন করার সুযোগ আছে। এ বিষয়ে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, মূলত এসএসসি ও সমমানের ফল অনুযায়ী যাদের যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রাপ্যতা ছিল, সেখানে আবেদন না করে অন্য প্রতিষ্ঠানের আবেদন করার কারণেই এত শিক্ষার্থী এ পর্যায়ে কোনো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পায়নি। তবে দ্বিতীয় পর্যায়ে তারা আবেদন করতে পারবে এবং তারা আশা করছেন সব শিক্ষার্থীই ভর্তি হতে পারবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহায়তায় এবারও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এই ভর্তির কাজটি হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী এখন নির্বাচিত প্রার্থীরা আজ থেকে ১৮ জুনের মধ্যে ভর্তি হবে কি না, তা জানাতে হবে। যাচাই-বাছাইসহ অন্যান্য কাজ শেষে ২৭ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হবে আগামী ১ জুলাই। গত ১২ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত অনলাইনে ও মুঠোফোনে খুদে বার্তায় এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তির আবেদন নেওয়া হয়। তবে শুধু পুনর্নিরীক্ষণে যাদের ফল পরিবর্তন হয়েছে, তারা ৩ ও ৪ জুন পুনরায় ভর্তির জন্য আবেদনের সুযোগ পেয়েছে। কমপক্ষে ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হয়েছে। শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমানের ফল ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটি প্রতিষ্ঠান ভর্তির জন্য নির্বাচিত করে দেওয়া হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় ডিসি আসলাম হোসেন

কৌশলী চাঁদাবাজী বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে

আরিফ মেহমুদ ॥ কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোঃ আসলাম হোসেন বলেছেন, কে কোন দলের কার পরিচয় ভাঙ্গিয়ে কোন ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিভিন্ন নামের স্লিপ দিয়ে আবার কেউ রাস্তায় দাঁড়িয়ে লাঠি দিয়ে থামিয়ে কেউ বা নদীর মাঝে বালি বোঝায় নৌকা ব্যবহার করে নানান কৌশলে চাঁদাবাজী করছে এমন অভিযোগ অনেক। জেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রকাশ্য অপ্রকাশ্য নানান কৌশলে নিরবে চাঁদাবাজী বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। চাঁদাবাজী চলতে দেয় হবে না। যে কোন মুল্যে এসব চাঁদাবাজদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকায় কোন অপরিচিতি কিংবা সন্দেভাজন কাউকে দেখলেই আপনার নিকটস্থ পুলিশ প্রশাসনকে খবর দিন। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আপনার দেয়া ছোট্ট সংবাদটিই এক সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা থেকে দেশ তথা জাতিকে রক্ষা করবে। সচেতনতায় বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। গত রবিবার সকালে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা আইন-শৃংখলা কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, মাদক দ্রব্য সুখী সুন্দর পরিবারকে ধ্বংস করছে, দেশ তথা রাষ্ট্রে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরী করছে। আগামীর নেতৃত্বদানকারী আজকের প্রজন্মকে মাদকের ছোয়া থেকে বাইরে রাখতে বেশি বেশি করে সচেতন হতে হবে। জেলাকে মাদকের ভয়াবহতা মুক্ত করতে নিজেদের দায়িত্ববোধ থেকেই মাদকের মুল উৎপাটন ও জঙ্গী হামলা সহ সন্ত্রাস দমন করতে হবে। কোন বহনকারীকে সাজা দেয়ার আগে তার তথ্য মতে মাদকের নাটের গুরু গডফাদারকে আইনের আওতায় আনা হবে। সে যে দলেরই হোক না কেন। জেলায় মাদকের ব্যবহার কমাতে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর সহ আইনশংখলা বাহিনী নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসতে হবে। সভায় কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আলহাজ¦ রবিউল ইসলামের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খাদ্যে ভেজাল অভিযানে লঘু পাপে ব্যবসায়ীদের জরিমানার নামে গুরুদন্ড দিচ্ছে এমন বক্তব্যের জবাবে ইউএনও এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দ্যেশে জেলা প্রশাসক বলেন, মাদক নির্মুলে ও বাজার দর নিয়ন্ত্রণে যে মোবাইল কোর্টসহ অভিযান চলছে, তা আগের মতই চলবে। এক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ যেন যথার্থই হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে অহেতুক ছোট ব্যবসায়ীরা যেন বড় ধরনের জরিমানার শিকার না হয়।  মোবাইল কোর্ট অভিযানে কিছু মানুষ ক্ষুদ্ধ হলেও অভিযুক্তকে তাৎক্ষনিক সাজা প্রদান করায় দেশের অধিকাংশ মানুষই এই মোবাইল কোর্টকে গ্রহন করেছেন। মনে রাখতে হবে অভিযান চলাকালিন সময়ে নানান পরিচয় দিয়ে তোমাকে যেন তার পক্ষে ব্যবহার করতে না পারে। তিনি জেলায় পবিত্র মাহে রমজান মাসে কোন প্রকার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই সুন্দরভাবে ঈদুল ফিতরের ঈদ উৎসব পালিত হওয়ায় জেলাবাসীসহ নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ, বিজিবি আনসার সহ সকল প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে অভিনন্দন জানান।  শহরের আবাসিক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার গোডাউনে মজুদ রাখা এবং বিক্রি করা দুটোই বিপদজ্জনক। যে কোন সময় বিস্ফোরণ হয়ে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের জীবন নাশের ঘটনা। এধরনের দাহ্যদ্রব্য বেচা-বিক্রি বন্ধে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান অভিযান চালানো হবে। তিনি বলেন, জনজীবনে দূর্ভোগ সৃষ্টি করে কোন বিশৃংখলা করতে দেয়া হবে না। দূর্ভোগ সৃষ্টিকারীদের কঠোরহস্তে দমন করা হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি আপনাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনীর একার পক্ষে গোটা জেলাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব নয়। কোনভাবেই জেলায় কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেয়া হবে না। সভায় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম বলেন, জেলাকে মাদকের ভয়াবহতা মুক্ত করতে নাটের গুরু গডফাদারকে আইনের আওতায় আনা হবে। কিন্তু মাদকের চেয়ে বর্তমানে জেলায় ভয়াবহ রূপ নিয়েছে নারী নির্যাতন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে হত্যার মত অপরাধ ঘটে যাচ্ছে। বিভিন্ন চাপের মুখে এসব হত্যাকে এলাকায় আত্মহত্যা বলে চালিয়ে মিমাংশা করে নিচ্ছে। পক্ষান্তরে ঘটনা কিন্তু থেকে থাকছে না। নারী নির্যাতন বন্ধে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে তৃণমুল পর্যায়ে উঠান বৈঠক সহ অভিভাবক বৈঠক করতে হবে। এতেও যদি বন্ধ না হয় তাহলে আইনের সর্বচ্চ প্রয়োগ করা হবে। বিগত মাসের প্রতিবেদন তুলে ধরে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজাদ জাহান। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ¦ রবিউল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম জহুরুল ইসলাম, জেলা ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুল মোমেন, মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ সফিকুর রহমান খান, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন, কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মতিউর রহমান মজনু, জেলা জাসদের সভাপতি আলহাজ্ব গোলাম মহসিন, দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, কুমারখালি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিবুল ইসলাম খান, ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল মারুফ, মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম জামাল আহমেদ, জেল সুপার জাকের হোসেন, কৃষি সম্প্রসারনের উপ-পরিচালক শ্যামল কুমার বিশ^াস, কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে প্রধান শিক্ষক এফতে খাইরুল ইসলাম, ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুজ্জামান, নারী নেত্রী কবি আলম আরা জুঁই, বিআরটিএ’র ইন্সপেক্টর ওমর ফারুক, বিএফএ-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, বড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোকারম হোসেন মোয়াজ্জেম, ইসলামীয়া কলেজের অধ্যক্ষ নওয়াব আলী, পল্লীবিদ্যুতের জিএম হারুন-অর-রশিদ, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহেদুল হক, সমাজ সেবার উপ-পরিচালক রোখসানা পারভিন, জেলা তথ্য কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান, জেলা শিশু কর্মকর্তা মখলেছুর রহমান বাজার মনিটরিং অফিসার রবিউল ইসলাম প্রমুখ। সভায় এছাড়াও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ বজায় রাখা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল অব্যাহত রাখা, পল্লী বিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি প্রতিরোধ, ইভটিজিং, কুষ্টিয়া সরকারী কলেজে বহিরাগতদের উপদ্রব বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহন, যৌন হয়রানী এবং চলচ্চিত্রে অশ্লীলতা প্রতিরোধ, অবৈধ যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, মানব পাচার রোধ, বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়, ফরমালিন সনাক্তকরণে ফলের স্যাম্পল সংগ্রহকরণ ইত্যাদি বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।