গাড়ি চালকের গলায় মালা দিলেন নুসরাত

বিনোদন বাজার ॥ ভোলা কালি থেকে সাড়ে ৭ কিলোমিটার গেলে সন্দেশখালি। এখন আর সন্দেশখালি ঘাট দেখে চেনার উপায় নেই। কাচা-পাকা দেওয়াল ভরে গেছে মমতা ব্যানার্জির স্নেহধন্যা নুসরাতের নামে। নুসরাত সেখানে গেলেন ধামাখালি হয়ে। আইলায় নিশ্চিহ্ন হওয়া সুন্দরবনের সন্দেশখালি কীভাবে মাথা তুলছে, তা চাক্ষুষ করতে করতে নায়িকা প্রার্থীকে নিয়ে পাশের তুষখালি ঘাটে ভিড়ল লঞ্চ।রজনীগন্ধা, গোলাপ আর উলুধ্বনিতে মহিলারা জেটির ওপরে নুসরাতকে বরণ করে নিলেন। তুষখালি ঘাটেই দাঁড়িয়েছিল হুড খোলা জিপ। তাতে চড়ে বসলেন নুসারাত। হাত মেলালেন। অভ্যর্থনায় পাওয়া গলার মালা দিয়ে দিলেন চালকের গলায়।রাস্তার দু’পাশে বোরো ধানের শিষ ধরেছে। বিধায়ক সুকুমার মাহাতো, জেলা নেতা নারায়ণ গোস্বামী, রিঙ্কু দত্ত দে, কৃষ্ণগোপাল ব্যানার্জিকে নিয়ে পেছনে জনগ্রোতকে সঙ্গে করে নুসরাত গেলেন সভাস্থলে। চৈত্রের অবসানের খর রোদ মাথায় পুঁটিমারির মাঠ তখন মানুষে ভরা।সভায় নুসরাত বললেন, ‘এই রোদ মাথায় করে কেউ নায়িকা দেখার জন্য দাঁড়িয়ে থাকে না। আমি বুঝতে পারছি আপনারা এসেছেন মমতা ব্যানার্জির সৈনিকদের কথা শুনতে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি বসিরহাট কেন্দ্রে জিতে এখানে নুসরত অফিস করবে। সেখানে আপনাদের জন্য সবসময় দরজা খোলা থাকবে।’

বাবার গানে মডেল হলেন নূরজাহান আলীম

বিনোদন বাজার ॥ প্রয়াত কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আবদুল আলীমের কন্যা নূরজাহান আলীম ইদানীং গান নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।স্টেজ শোর পাশাপাশি নতুন গানও নিয়মিত প্রকাশ করছেন। এবার নিজের গাওয়া গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হলেন তিনি। গানটির শিরোনাম ‘ভ্রমর গাইও না গান গুন গুন’। এটি মূলত তার বাবা আবদুল আলীমের গান। তিনি গানটি নতুন সঙ্গীতায়োজনে গেয়েছেন। গানটির কথা ও সুর আবদুল লতিফের।নতুন করে সঙ্গীতায়োজন করেছেন কামরুজ্জামান সুজন। গতকাল থেকে গানটির মিউিজিক ভিডিও নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নূরজাহান আলীম বলেন, ‘বাবার গানের সঙ্গে শ্রোতারা আগে থেকেই পরিচিত। তাই নতুন করে কিছু বলার নেই। আগে থেকেই ইচ্ছা আমার বাবার গানগুলোর মধ্যে একটা একটা করে গাইব এবং মিউজিক ভিডিও করে প্রকাশ করব। সেভাবেই কাজ করছি।এ মিউজিক ভিডিওতে দর্শক আমাকে মডেল হিসেবে দেখবেন। আশা করছি মিউজিক ভিডিওটি সবার পছন্দ হবে।’ ভিডিওটি শিগগিরই একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

 

মঞ্জুর বিন সুলতানের কণ্ঠে ‘সুন্দরী তোর’

বিনোদন বাজার ॥ ‘সুন্দরী তোর মনের ঘরে আছে নাকি কেউ’ এমন সুন্দর কিছু কথা দিয়ে সাজানো মেধাবী তরুণ কণ্ঠশিল্পী মঞ্জুর বিন সুলতানের কণ্ঠে রোমান্টিক ধারার গান ‘সুন্দরী তোর’ অবমুক্ত হয়েছে ইউটিউবে।গানটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন তরুণ সঙ্গীত পরিচালক এস কে সমীর। গানের কথা ও সুর করেছেন শিল্পী নিজেই।সঙ্গীত পরিচালক এস কে সমীর বলেন, মঞ্জুর বিন সুলতানের কণ্ঠ ও গায়কি আমাকে মুগ্ধ করেছে। ওর মেধা ওকে শ্রোতাদের মনে জায়গা করে দেবে বলে আমার বিশ্বাস।মঞ্জুর বিন সুলতান বলেন, গানটি করার সময় আমি আমার হৃদয়কে ফলো করেছি। সঙ্গীত পরিচালক এস কে সমীর ভাইয়ের নির্দেশনা ফলো করে চেষ্টা করেছি আমার সবটা ঢেলে দিতে। আশা করি গানটা শ্রোতাদের ভালো লাগবে।‘সুন্দরী তোর’ গানটির মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন সাইফুল ইসলাম রোমান। এতে মডেল হয়েছেন জারা স্মৃতি ও সাইফ।এস এস মাল্টিমিডিয়া হাউজের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল এসএস মিউজিক ক্লাবের ব্যানারে রিলিজ হয়েছে গানটি।

নিশোর ‘আনএক্সপেক্টেড স্টোরি’

বিনোদন বাজার ॥ ভালোবাসা দিবসে আফরান নিশো অভিনীত ‘আনএক্সপেক্টেড সারপ্রাইজ’ নাটকটি দর্শকের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে। নাটকটির গল্প রচনা করেছিলেন এবং পরিচালনা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান হিমি। এবার এই নাটকের সিক্যুয়াল নির্মিত হয়েছে। যার নাম ‘আনএক্সপেক্টেড স্টোরি’। এই নাটকে আফরান নিশোর বিপরীতে আছেন মেহজাবিন চৌধুরী। রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন রাত ৮টা ১০ মিনিটে নাটকটি বাংলা ভিশনে প্রচার হবে। এদিকে এবারের পহেলা বৈশাখে আফরান নিশোকে আরো কয়েকটি নাটকে দেখা যাবে।

অভিনয় থেকে দূরে আনুশকা

বিনোদন বাজার ॥ বলিউডে অভিনয় ক্যারিয়ার যখন তুঙ্গে তখন অভিনয় থেকে দূরে সরে বসে আছেন আনুশকা শর্মা। গত বছর ডিসেম্বরে মুক্তি পেয়েছিল তার অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জিরো’। এই ছবিতে নায়ক ছিলেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। এরপর আর কোনো সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হতে দেখা যায়নি আনুশকাকে। কেন অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে রেখেছেন এই নায়িকা? অনেক জনপ্রিয় নায়িকাকে দেখা গেছে বিয়ের পর অভিনয় ছেড়ে সংসারে মন দিতে। আনুশকা শর্মার ক্ষেত্রেও এমন হলো কিনা রীতিমতো গুঞ্জন শুরু হয়েছে। নানারকম কানাঘুষা চলছেই। তবে এ কথা সত্য, বর্তমানে আনুশকার বেশিরভাগ সময় কাটছে স্বামী বিরাট কোহলির সঙ্গে। পাশাপাশি নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ক্লিন ¯ে¬ট ফিল্মসের ব্যানারে সিনেমা নির্মাণের ব্যাপারে বেশি মনোযোগী হয়েছেন তিনি। জানা গেছে, সামনে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ। প্রথমবারের মতো এই আসরে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন কোহলি। তাই স্বামী বিরাটকে সহযোগিতা করতে সময় দিচ্ছেন আনুশকা। ওয়ার্ল্ড কাপ টুর্নামেন্ট চলাকালীন স্টেডিয়ামেও নাকি উপস্থিত থাকবেন এ অভিনেত্রী। একটি সূত্রে জানা গেছে, আনুশকা স্টেডিয়ামে যাবেন এবং স্বামীকে সমর্থন জোগাবেন। সাধারণত খেলোয়াড় টিম বাসে তাদের স্ত্রীরা ভ্রমণ করেন। কিন্তু আনুশকা নিজে গাড়ি ভাড়া করে স্টেডিয়ামে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে গাঁটছড়া বাঁধেন বিরাট-আনুশকা।

নতুন পরিচয়ে ফিরছেন কারিনা কাপুর

বিনোদন বাজার ॥ অনেক দিন থেকে নিজের অভিনীত নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি না পেলেও সব সময়ই আলোচনায় থাকেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কারিনা কাপুর। পাপ্পারাজ্জিদের ক্যামেরা সব সময় তাকে তাড়া করে ফেরে। বিশেষ করে ছেলে তৈমুরকে নিয়ে যেখানেই যান না কেন সেখানেই হাজির হয়ে যায় কেউ না কেউ। এছাড়া টেলিভিশনের নানা অনুষ্ঠান তো আছেই।সিনেমায় ফেরার প্রস্তুতিও চলছে তার। নিয়মিত জিম করছেন। সম্প্রতি কারিনার একটি ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছিল জিম করছেন কারিণার স্বামী সাইফ আলী খান, কারিনা জিম করে দাঁড়িয়ে আছেন। আর জিমের মধ্যে খেলা করছে তাদের ছেলে তৈমুর।উল্লেখ্য, ২০০০ সালে মুক্তি পেয়েছিল কারিনা অভিনীত জে পি দত্তের ‘রিফিউজি’ সিনেমাটি। এর মাধ্যমেই বলিউডে নিজের স্থান করে নিয়েছিলেন কারিনা কাপুর খান। তারপর অনেক ছবিতে অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ বিরতি দিয়ে এবার নতুন পরিচয়ে ফিরছেন এই নায়িকা।এমন একটি কাজ করতে চলেছেন বেগম সাহেবা যা আগে কখনও করেননি। শোনা যাচ্ছে, টেলিভিশনে কাজ করতে চলেছেন কারিনা। ‘ডান্স ইন্ডিয়া ডান্স’ নামের একটি রিয়ালিটি শো-তে বিচারকের ভূমিকায় দেখা যাবে করিনাকে।

 

দেশি মাগুর চাষে বেশি লাভ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ মাগুর বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় মাছের মধ্যে অন্যতম। সুস্বাদু ও উপাদেয় এ মাছ দেশের সব শ্রেণির মানুষের কাছে অত্যন্ত লোভনীয়। কোনো পুকুরে ১ লাখ মাগুর চাষ করে সব খরচ বাদে বছরে কমপক্ষে ৫০ লক্ষাধিক টাকা আয় করা সম্ভব। মাছ ছাড়া আমাদের এক দিনও কি চলে! বাংলাদেশে মাগুর অত্যন্ত সুস্বাদুও পুষ্টিকর মাছ। বাজারে এ মাছের কদর অনেক বেশি। এ কারণেই এটি দামি ও বহুল আলোচিত এবং সমাদৃত। রোগীদের পথ্য হিসেবে মাগুরের ব্যাপক চাহিদা ও জিইয়ে রাখার মতো এ মাছ। বাড়িতে যে কোনো পাত্রে অনেক দিন পর্যন্ত জীবিত রাখা সম্ভব। বর্তমানে চাষের অভাবে এবং পানিতে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ও কেমিক্যাল নদীতে পড়ায় এ মাছের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। এখন কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে দেশি মাগুর চাষ ব্যাপক আকারে হচ্ছে। আশা করব দিন দিন এ মাছের চাষ বাড়বে এবং দেশের শিক্ষিত বেকার ভাই ও বোনেরা মিনি পুকুরে এ মাছের চাষ করে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য দূর করবে। মাগুর মাছ অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু। অধিক সংখ্যক মাছ একসঙ্গে চাষ করা যায়। স্বল্প গভীর পানিতে নিরাপদে চাষ করা সম্ভব। অন্যান্য মাছের তুলনায় এ মাছের চাহিদা ও বাজার মূল্য অনেক বেশি। অতিরিক্ত শ্বাসনালি থাকায় বাতাস থেকে অক্সিজেন নিয়ে এরা বেঁচে থাকতে পারে। যার জন্য এ মাছ জীবন্ত বাজারজাত করা সম্ভব। কৃত্রিম প্রজনন কৌশল উদ্ভাবনের ফলে পর্যাপ্ত পরিমাণে পোনা উৎপাদন করা সম্ভব।
দেশি মাগুরের বৈশিষ্ট্য ঃ অতিরিক্ত শ্বাসনালি থাকায় পানি ছাড়াও বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে। তাই মজা ও পচা পুকুর, ছোট ছোট ডোবা ইত্যাদি জলাশয়ের দূষিত পানিতেও মাগুর মাছের বেঁচে থাকতে কোনো সমস্যা হয় না। পুকুরের পানি শুকিয়ে গেলে যে প্রতিকূল পরিবেশের সৃষ্টি হয়, সে অবস্থায়ও ছোট ছোট গর্ত করে এ মাছ দিব্যি বেঁচে থাকতে পারে। পানি থেকে উত্তোলনের পর দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার কারণে জীবন্ত মাগুর বাজারজাত করা সম্ভব।
পুকুর নির্মাণ ঃ পুকুরের আয়তন ১০ শতাংশ থেকে ৩৩ শতাংশ এবং গভীরতা ৮০ থেকে ১২০ সেন্টিমিটার (৩ থেকে ৪ফুট) হওয়া বাঞ্ছনীয়। অধিক গভীরতা উৎপাদনের দিক থেকে অসুবিধাজনক। কেননা, মাগুর মাছকে শ্বাস নেয়ার জন্য সবসময় ওপরে আসতে হয়। এতে অতিরিক্ত শক্তি ক্ষয়ের কারণে মাছের বৃদ্ধি প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট বিঘœ ঘটে।
পুকুর তৈরি ঃ পাড়ের ঊর্ধ্বসীমা অবশ্যই সর্বোচ্চ বন্যার লেভেল থেকে ৩০ সেন্টিমিটার (১ফুট) ওপরে রাখা আবশ্যক। এতে বৃষ্টির সময় মাছ বুকে হেঁটে বাইরে যেতে পারবে না। তদুপরি বাইরে থেকে সাপ, ব্যাঙ ইত্যাদি মৎস্যভুক প্রাণীও পুকুর প্রবেশের কোনো সুযোগ পাবে না। এ ছাড়া পুকুরের চারদিকের পাড়ের ওপর ৩০ সেন্টিমিটার উঁচু নেটের বেড়া দেয়া বাঞ্ছনীয়।
চুন প্রয়োগ ঃ পুকুরের তলদেশ শুকিয়ে হালকাভাবে চাষ দিয়ে তলার মাটির অম্ল বা খরতা পরীক্ষা সাপেক্ষে প্রতি শতাংশে ১ থেকে ১.৫ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে। চুন প্রয়োগের পর পুকুর ১৫ সেন্টিমিটার (৬ ইঞ্চি) পরিমাণ পানি ঢুকিয়ে সপ্তাহখানেক ধরে রাখতে হবে।
জৈব সার প্রয়োগ ঃ চুন প্রয়োগের ৭ থেকে ১৫ দিন পর প্রতি শতাংশে ১০ কেজি হারে গোবর সার অথবা ৫ কেজি হারে মুরগির বিষ্ঠা ছিটিয়ে দিতে হবে।
অজৈব সার প্রয়োগ : জৈব সার প্রয়োগের সাতদিন পর পানির উচ্চতা ৬০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বজায় থাকা অবস্থায় প্রতি শতাংশে ২০০ গ্রাম ইউরিয়া, ১০০ গ্রাম টিএসপি ও ২০ গ্রাম এমওপি সার ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে, পানির রং বাদামি সবুজ, লালচে বাদামি, হালকা সবুজ, লালচে সবুজ অথবা সবুজ থাকাকালে অজৈব সার (রাসায়নিক) প্রয়োগের কোনো প্রয়োজন নেই।
পোনা মজুদ ঃ ৫ থেকে ৮ সেন্টিমিটার দৈর্ঘ্যের সুস্থ-সবল পোনা প্রতি বর্গমিটারে ৫০ থেকে ৮০টি হারে পুকুরে ছাড়া যেতে পারে। মে থেকে জুন মাস মাগুরের পোনা ছাড়ার যথার্থ সময়।
মাগুরের খাদ্য ব্যবস্থাপনা ঃ প্রাকৃতিক পরিবেশে মাগুর মূলত জলাশয়ের তলদেশের খাদ্য খেয়ে জীবনধারণ করে। প্রাকৃতিক এই খাদ্যগুলো হচ্ছে- জলাশয়ের তলার আমিষজাতীয় পচনশীল দ্রব্যাদি, প্রাণী প্লাঙ্কটন ও কেঁচোজাতীয় ক্ষুদ্রাকার প্রাণী ইত্যাদি।
সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ ঃ অধিক ঘনত্বে চাষের ক্ষেত্রে পুকুরে সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ অপরিহার্য। সহজলভ্য দেশীয় উপকরণ সমন্বয়ে মাগুর মাছের সম্পূরক খাদ্য প্রস্তুত করা যায়। এ ক্ষেত্রে চালের কুড়া ৪০ শতাংশ, তৈলবীজের খৈল ৩০ শতাংশ এবং শুঁটকি ৩০ শতাংশ একত্রে মিশিয়ে গোলাকার বল তৈরি করে মাছকে সরবরাহ করা যেতে পারে। তা ছাড়া শামুক ও ঝিনুকের মাংস মাগুরের অত্যন্ত প্রিয় খাবার। এগুলোও অবাধে খাওয়ানো যায়।
খাদ্যের প্রয়োগমাত্রা ঃ পুকুরে মজুদকৃত মাছের মোট ওজনের ৫ থেকে ১০ শতাংশ হারে দৈনিক খাদ্যের এক-চতুর্থাংশ সকালে এবং বাকি তিন-চতুর্থাংশ সন্ধ্যায় প্রয়োগ করতে হবে। একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে, উপরোক্ত প্রযুক্তি মোতাবেক পুকুরে চাষকৃত দেশি মাগুরের ওজন অনধিক ৪ থেকে ৫ মাসে ১৭৫ থেকে ২০০ গ্রামে উন্নীত করা সম্ভব।
বছরে লাভ অর্ধকোটি ঃ একজন সফল মৎস্য খামারির বাস্তব তথ্য অনুযায়ী কোনো পুকুরে ১ লাখ পোনা মাছ চাষ করলে নিম্নতম ৮৫ হাজার মাগুর টিকে থাকবে। ৬ মাসে পরে মাগুর মাছের ওজন (প্রতিটি মাছের ওজন গড়ে ১৭৫ গ্রাম হলে) ১৪৮৭৫ কেজি। বর্তমান বাজারদর প্রতি কেজি মাগুর পাইকারি বিক্রয় মূল্য ৪৫০ টাকা হিসাবে ১৪৮৭৫ কেজির দাম হবে ৬৬ লাখ ৯৩ হাজার ৭৫০ টাকা। এদিকে ১ লাখ পোনা মাছের ৬ মাসের খাদ্য খরচ সর্বোচ্চ ১৫ টন খাবার প্রয়োজন হবে। খাবারের বর্তমান বাজার মূল্য প্রতি টন খাবারের দাম ৫০ হাজার টাকা। এ হিসাবে ৮ টন খাবারের দাম পড়ে ৮ লাখ টাকা এবং শ্রমিক ও পরিবহন খরচ হবে দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। সব খরচ বাদে বছরে কমপক্ষে ৫০ লক্ষাধিক টাকা আয় করা সম্ভব।
মাগুর বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় মাছের মধ্যে অন্যতম। সুস্বাদু ও উপাদেয় এ মাছ দেশের সব শ্রেণির মানুষের কাছে অত্যন্ত লোভনীয়। রোগীর পথ্য হিসেবেও এ মাছের জনপ্রিয়তা রয়েছে। এক সময় এই মাছটিকে সহজেই প্রাকৃতিক জলাশয়ে পাওয়া যেত। কিন্তু এখন দেশি মাগুর আর তেমন পাওয়া যায় না। তাই মাছটি প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। তবে আশার কথা হলো দেশের মাছ চাষিরা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এই মাছটিকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আর এই সুস্বাদু মাছটিকে লাভজনক একটি করতে হলে সঠিক চাষপদ্ধতি সম্পর্কে জানা ও সুষ্ঠুভাবে চাষ করার কোনো বিকল্প নেই।

বেলের দাম ১৩০ মিলিয়ন ইউরো

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ হাতি মরলেও দাম লাখ টাকা! গ্যারেথ বেলের জন্য রিয়াল মাদ্রিদের বেঁধে দেয়া দাম শুনে একথাই মনে আসতে পারে অন্য ক্লাব কর্তাদের মাথায়। নইলে ছয় মৌসুমের একটাও যিনি শেষ করতে পারেননি সুস্থভাবে, এমন একজন খেলোয়াড়ের দাম কীভাবে এত হয়? ক্রেতাদের জন্য অবশ্য এর যোগ্য উত্তরও ঠিক করে রেখেছেন রিয়াল সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। দ্বিতীয় মেয়াদে জিনেদিন জিদান কোচ হয়ে আসার পর বেলকে বিক্রির সিদ্ধান্ত পাকা করে ফেলেছে রিয়াল। ওয়েলস ফরোয়ার্ডকে পেতে আগ্রহ দেখিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো ক্লাব। সুযোগ বুঝে দলবদলের বাজারে বেলের দাম চড়িয়ে দিয়েছে রিয়াল। চোটের কারণে পুরো মৌসুম পাওয়া যায় না এমন একজন খেলোয়াড়ের দাম কেন ১৩০ মিলিয়ন ইউরো? বিশেষত এক শরীরে ২২ রকমের চোটে পড়া বেল ছয় মৌসুমে ম্যাচ খেলতে পেরেছেন মাত্র ২২৭টি। চোটপ্রবণ একজন খেলোয়াড়ের দাম শুনেই তো মুখ ঘুরিয়ে নেয়া স্বাভাবিক অন্যদের জন্য! রিয়ালের যুক্তি, বড় নামের কোনো খেলোয়াড়ই এখন ১০০ মিলিয়নের নিচে পাওয়া সম্ভব নয়। নেইমারের দাম ২২২ মিলিয়ন, এমবাপ্পে ১৮০ মিলিয়ন, কুতিনহো ১৬০ মিলিয়ন ও দেম্বেলের দাম ১২০ মিলিয়ন ইউরো হলে বেলের দাম কেন কম হবে? চোট না থাকলে যথেষ্ট ভালো খেলা একজন খেলোয়াড়ের জন্য দামটাকে ন্যায্য বলেই মনে করছে রিয়াল। আরও একটা কারণে বেলের দাম চড়িয়ে রেখেছে রিয়াল। নতুন মৌসুমে পল পগবা কিংবা ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনকে নিতে চাইছে তারা। বেলকে ভালো দামে বিক্রি করতে পারলে দুই খেলোয়াড়ের একজনকে কেনার অর্থ হাতে চলে আসবে! বেলকে নিয়ে সমস্যাও আছে। সেটা হল বেতন। প্রতি মৌসুমে ওয়েলস তারকাকে ১৫ মিলিয়ন ইউরো বেতন দেয় রিয়াল। ট্যাক্সসহ খরচটা দাঁড়ায় ৩০ মিলিয়নে। একজন খেলোয়াড়কে এমন আকাশচুম্বী বেতন দেয়ার সামর্থ্য আছে হাতেগোনা চার-পাঁচটি ক্লাবের। সেই ক্লাবগুলো আগ্রহ হারিয়ে ফেললে মাঝারি মানের দলের কাছে বেলকে বিক্রি করতে বেগ পেতে হবে স্প্যানিশ জায়ান্টদের। ভেবেচিন্তে সহজ রাস্তা বের করেছে রিয়াল। বেলকে তার পুরনো ক্লাব টটেনহ্যামের কাছে ফিরিয়ে দেয়া। দাম কিছুটা কমিয়ে বেলকে ফেরত দিয়ে একই ক্লাব থেকে এরিকসেনকে চায় লস ব¬াঙ্কোসরা। এমন সিদ্ধান্তে যদিও মুখ ঘুরিয়ে আছে টটেনহ্যাম। বেলকে পাওয়ার আগ্রহ থাকলেও এরিকসেনকে ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা নেই স্পারদের।

চোট পেয়ে মাঠের বাইরে রামোস

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ পায়ের পেশিতে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন রিয়াল মাদ্রিদ অধিনায়ক সের্হিও রামোস। ক্লাবের ওয়েবসাইটে শুক্রবার এক বিজ্ঞপ্তিতে স্প্যানিশ এই ডিফেন্ডারের বাঁ পায়ে চোট পাওয়ার খবরটি জানানো হয়। ৩৩ বছর বয়সী সেন্টার-ব্যাককে কতদিন বাইরে থাকতে হতে পারে তা জানা যায়নি। তার অবস্থা পর্যালোচনা করা হবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে। লা লিগায় নিজেদের পরের ম্যাচে আগামী সোমবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় লেগানেসের মাঠে খেলবে রিয়াল। লিগের শিরোপা জয়ের আশা শেষ হয়ে যাওয়া দলটির পয়েন্ট ৩১ ম্যাচে ৬০। মৌসুমের অন্য দুটি প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও কোপা দেল রে থেকেও এরই মধ্যে ছিটকে গেছে মাদ্রিদের ক্লাবটি।

 

ওয়েস্কার বিপক্ষে বিশ্রাম পেতে পারেন মেসি

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ওয়েস্কার বিপক্ষে শনিবার হতে যাওয়া লিগ ম্যাচে লিওনেল মেসিকে বিশ্রাম দিতে পারে বার্সেলোনা। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এমন আভাস দিয়েছের কোচ এরনেস্তো ভালভেরদে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে শেষ আটের প্রথম লেগে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচের ৩১তম মিনিটে ডিফেন্ডার স্মলিংয়ের চ্যালেঞ্জে মেসির নাক দিয়ে রক্ত পড়তে দেখা যায়। এরপর সাইডলাইনে কিছুক্ষণ চিকিৎসা নিয়ে পুরো ম্যাচেই খেলেন আর্জেন্টাইন তারকা। ম্যাচ শেষে মেসির আঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ভালভেরদে। তবে স্ক্যানে খারাপ কিছু ধরা পড়েনি। লা লিগায় ৩১ ম্যাচ শেষে দ্বিতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের চেয়ে ১১ পয়েন্টে এগিয়ে আছে বার্সেলোনা। আগামী মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরতি পর্বে ঘরের মাঠে ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে কাতালান ক্লাবটি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ওয়েস্কার বিপক্ষে তাই মেসিকে বিশ্রাম দেওয়ার কথা ভাবছেন কোচ। “মেসিকে বিশ্রাম দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। (নাকে) আঘাতটা জোরে লেগেছিল। তার সঙ্গে আমি কথা বলেছি এবং তাকে বিশ্রাম দেওয়ার সম্ভাবনা আছে।” দল বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও লিগ শিরোপা নিশ্চিত বলে ধরে নিতে রাজি নন ভালভেরদে। “আগামীকালকের ম্যাচে দলে পরিবর্তন থাকতে পারে। কিন্তু আমরা ভুলে যাচ্ছি না যে চ্যাম্পিয়ন হতে এখনও আমাদের ১০ পয়েন্ট দরকার। আমরা যতই ভাবি না কেন যে শিরোপা জয় (প্রায় নিশ্চিত) হয়ে গেছে, আসলে তা হয়নি। অনেক পথ বাকি।” ৩১ ম্যাচে ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বার্সেলোনা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদের পয়েন্ট ৬২।

উইন্ডিজের নতুন ভারপ্রাপ্ত কোচ ফ্লয়েড রিফার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসার পর আভাস মিলছিল আরও অনেক পরিবর্তনের। সেসবের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বরখাস্ত করা হয়েছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাসকে। পাইবাসের বদলে নতুন ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ফ্লয়েড রিফার। সাবেক এই অধিনায়কের কোচিংয়েই আসছে বিশ্বকাপে খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাশাপাশি বরখাস্ত করা হয়েছে কোর্টনি ব্রাউনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটিকেও। নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচক সাবেক লেগ স্পিনার রবার্ট হেইন্স। সম্প্রতি ভোটের লড়াইয়ের ডেভ ক্যামেরনকে হারিয়ে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন রিকি স্কেরিট। দায়িত্ব নিয়ে তিনি শুরুতেই জাতীয় দলের কোচিং ও দল নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করেছেন। তার পরই এসেছে এসব সিদ্ধান্ত। বাংলাদেশের সাবেক কোচ পাইবাস তার ক্যারিয়ারে আরও কয়েকবার বরখাস্ত হয়েছেন নানা দলের দায়িত্ব থেকে। পাইবাসের কোচিংয়ে কিছুদিন আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভাবনীয়ভাবে সিরিজ জিতেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে তাকে সরিয়ে দেওয়া খুব বিস্ময়কর নয়। তার পরিচিতি ছিল আগের বোর্ড প্রধান ক্যামেরনের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে। গত বছর স্টুয়ার্ট ল কোচের দায়িত্ব ছাড়ার পর নতুন কোচ হিসেবে ১১ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা করেছিলেন বোর্ডের ক্রিকেট পরিচালক জিমি অ্যাডামস। সেই ১১ জনে ছিল না পাইবাসের নাম। ক্যামেরন তবু দায়িত্ব দিয়েছিলেন পাইবাসকেই। ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচের দায়িত্ব নেওয়ার আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটে নানা ভূমিকায় ছিলেন পাইবাস। সেখানেও বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন অনেক। ঘরোয়া টুর্নামেন্টে না খেললে জাতীয় দলে বিবেচনা করা হবে না বলে যে নিয়ম নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলে আসছে, সেটির পেছনেও অন্যতম ভূমিকা ছিল পাইবাসের। এই নিয়মের কারণে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মহাতারকাদের অনেকে দীর্ঘদিন ধরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বাইরে বা অনিয়মিত। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে কোচ হিসেবে দারুণ সাফল্য পেয়ে পাইবাস পরিচিতি পেয়েছিলেন। তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাকিস্তান, বাংলাদেশের কোচ হিসেবে তার বিদায় সুখকর হয়নি। কাউন্টি ক্রিকেটসহ আরও কয়েকটি দলেও মেয়াদ শেষ করতে পারেননি। এবার অবশ্য একবারে ছুঁড়ে ফেলা হয়নি তাকে, কাজ করবেন হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে। পাইবাস ভারপ্রাপ্ত কোচের দায়িত্ব পাওয়ার আগে সম্ভাব্য কোচ হিসেবে আলোচনায় ছিলেন রিফার। সেবার তাকে সাক্ষাৎকারে না ডেকেই পাইবাসকে কোচ করায় বেশ ক্ষোভও জানিয়েছিলেন। এবার তার ওপর আস্থা রাখল বোর্ড। দারুণ সম্ভাবনাময় ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯৯৭ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক রিফারের। তবে সুবিধা করতে না পেরে বাদ পড়ে যান। ২০০৯ সালে বোর্ডের সঙ্গে দ্বন্দ্বে যখন শীর্ষ ক্রিকেটাররা বিদ্রোহ করেন, তখন অধিনায়ক করে ১০ বছর পর রিফারকে ফেরানো হয় বাংলোদেশের বিপক্ষে সিরিজে। সেবারও ভালো করতে পারেননি। ওই বছরের পর আর কখনও সুযোগ পাননি। পরে নাম লেখান কোচিংয়ে। কোচ হিসেবে ঘরোয়া ক্রিকেট বেশ সাড়া জাগিয়েছেন রিফার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের কোচ হিসেবেও পেয়েছেন সাফল্য। গত বছর বাংলাদেশ সফরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের সময় তিনিই ছিলেন ভারপ্রাপ্ত কোচ। পরে পাইবাসের কাছে দায়িত্ব হারালেও এবার কোচ হিসেবে যাচ্ছেন বিশ্বকাপে। নতুন প্রধান নির্বাচক হেইন্স আপাতত দায়িত্ব পেয়েছেন তিন মাসের জন্য। ক্রিকেট পরিচালক অ্যাডামস ও কোচ রিফারের সঙ্গে মিলে তিনি নির্বাচন করবেন বিশ্বকাপের দল। বিশ্বকাপ দল নির্বাচনের অংশ হবেন অধিনায়ক জেসন হোল্ডারও। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের জন্য নতুন আলোকবর্তিকা হয়ে এসেছে এসব পরিবর্তন। বোর্ডের সঙ্গে অভিমান বা বিরোধে অবসর নেওয়া কিংবা দূরে থাকা তারকা ক্রিকেটারদের অনেকেই এখন আবার জাতীয় দলে ফিরবেন বলে আভাস মিলছে।