ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলাকারী এই সন্ত্রাসী কে?

ঢাকা  অফিস ॥ নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ৪৯ মুসলি¬কে হত্যা করেছেন অস্ট্রেলিয়ার এক শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী সন্ত্রাসী। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, একটি আধা স্বয়ংক্রিয় শটগান ও রাইফেল দিয়ে সাউথ আইল্যান্ডে আল নূর মসজিদে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন ২৮ বছর বয়সী এ যুবক।-খবর মেইল অনলাইনের। খুদে ব¬গ টুইটারে হামলাকারী নিজের পরিচয় দিয়েছেন ব্রেনটন ট্যারেন্ট নামে। তিনি নিউ সাউথ ওয়েলসের গ্রাফটন থেকে এসেছেন। এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ার সময় মসজিদের ভেতর থেকে সামাজিকমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করেন এই শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী। অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে মসজিদে হামলাকারী একজন ডানপন্থী সন্ত্রাসী। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, একজন সহিংস ডানপন্থীর এ হামলার ঘটনায় আমরা নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদের ওই হামলাকারী অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী চরমপন্থী বলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে নিশ্চিত করেছেন। শুক্রবার জুমার নামাজ চলার সময় এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জড়িত সন্দেহে এখন পর্যন্ত এক নারীসহ চার ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটকের সময় তাদের একজন সুইসাইড ভেস্ট পরা অবস্থায় ছিলেন। হত্যাকান্ড ঘটনার আগে টুইটারে ৭৩ পাতার ইশতেহার আপলোড করেছেন হামলাকারী। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী হামলার আভাস আগেই তিনি দিয়েছিলেন। ক্রাইস্টচার্চের আল নুর মসজিদে প্রাণঘাতী হামলা চালাতে যখন গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠবাদী যুবকটি তখন লোক গান ও সামরিক সঙ্গীত শুনছিলেন। এরপর একটি সরু গলিতে গাড়িটি পার্ক করে রেখে অস্ত্র নিয়ে মসজিদের দিকে এগিয়ে যান। তার গাড়ি থেকে অন্তত ছয়টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। হেঁটে হেঁটে তিনি মসজিদের সামনের দরজায় গিয়ে অবস্থান নিয়ে মুসলি¬দের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এরপর তিনি মসজিদে ঢুকে পড়েন এবং সামনে যাকে পেয়েছেন, তাকেই গুলি করে হত্যা করেছেন। প্রথমে গুলি খাওয়ার পর একব্যক্তি হামাগুড়ি দিয়ে মসজিদ থেকে বের হতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু ফের ঠান্ডা মাথায় গুলি করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। মসজিদটিতে তিনশতাধিক মুসলি¬ একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারেন। শুক্রবার উপলক্ষে জুমার নামাজ পড়তে এদিন দুই শতাধিক উপস্থিত হয়েছিলেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। বন্দুকহামলাকারী মুসলি¬দের ভিড় লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করেন। কখনো কখনো টার্গেট ধরে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এ হত্যাকান্ডের পূর্বাভাস দিয়ে ৭৩ পাতার ইশতেহারে তিনি লিখেছেন, তিনি মুসলমান এবং ধর্মত্যাগীদের ঘৃণা করেন। ধর্মত্যাগকারীদের তিনি রক্তের সঙ্গে প্রতারণাকারী হিসেবে উলে¬খ করেন। তিনি বলেন, আমি ২০১১ সালে নরওয়ের ওসলোতে ৭৭ জনকে হত্যাকারী অ্যান্ডারর্স ব্রেইভিকসহ অন্যান্য বন্দুকহামলাকারীদের কাছ থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছি। ‘ডায়লান রুফসহ আরও অনেকের লেখা আমি পড়েছি। তবে সত্যিকার অর্থে তিনি নাইট জাস্টিসিয়ার ব্রেইভিকের কাছ থেকেই হামলার উৎসাহ পেয়েছেন।’ গণহত্যার বিস্তারিত পরিকল্পনায় তিনি বলেন, অধিকাংশই দেখেন যে আমাদের ভূখন্ডকে কখনোই অনুপ্রবেশকারীদের ভূখন্ড হবে না। আমাদের মাতৃভূমি আমাদের এবং যতক্ষণ পর্যন্ত শেতাঙ্গরা জীবিত থাকবে, ততদিন তারা আমাদের ভূখন্ড বিজয় করতে পারবে না। তারা কখনোই আমাদের লোকদের জায়গা দখল করতে পারবেন না। তিনি বলেন, সংজ্ঞায়িত করলে এটি একটি সন্ত্রাসী হামলা। কিন্তু দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এটি একটি পক্ষপাতমূলক হামলা বলেই আমি মনে করি। এ হামলার ঘটনায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উগ্র সমর্থক ক্যানডিস ওউনসের কাছ থেকে অনুপ্রারিত হওয়ার কথাও জানিয়েছেন। ইশতেহারে যুবক বলেন, সার্বিকভাবে যিনি আমাকে বেশি প্রভাবিত করেছেন, তিনি হচ্ছেন ক্যানডিস ওউনস। যখনই তিনি কথা বলেন, আমি বিমোহিত হয়ে যাই।

 

গ্যাসের দাম যেন সহনীয় থাকে – নাসিম

ঢাকা অফিস ॥ বিতরণ কোম্পানিগুলো গ্যাসের দাম বাড়ানোর যে প্রস্তাব দিয়েছে, তা বিবেচনা করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চৌদ্দ দলের মুখপাত্র আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লির সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “গ্যাস একটি অমূল্য সম্পদ। সম্প্রতি গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির ব্যাপারে সরকার যে উদ্যোগ নিয়েছে এ ব্যাপারে আমি জ্বালানিমন্ত্রীকে বলব, গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি যেন একটা সহনীয় পর্যায়ে থাকে।” গ্যাসের দাম সমন্বয়ে বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির প্রস্তাবের ওপর বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চার দিনের গণশুনানি বৃহস্পতিবার শেষ হয়। আমদানি করা এলএনজির উচ্চ মূল্য সমন্বয়ে গ্যাসের দাম গড়ে ১০২ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হলেও বাস্তবতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতেই নতুন মূল্য ঠিক করা হবে বলে কমিশনের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন শুনানি শেষে আশ্বাস দেন। উন্নয়ন ধরে রাখতে গ্যাসের মূল্য যেন গ্রাহকবান্ধব থাকে- সে দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে নাসিম বলেন, “দেশ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে চলছে, এই সময়ে গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টা করপোরেশন যেন পুনর্বিবেচনা করে।”

‘স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রশ্রয় দিয়েছিলেন এরশাদও’ শামিম আহমেদের লেখা ‘শেখ হাসিনা ও ঘুরে দাঁড়ানোর বাংলাদেশ’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপক্ষে এ অনুষ্ঠানে এসে জোটসঙ্গী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের ভূমিকার সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগ নেতা নাসিম। তিনি বলেন, “ক্ষমতায় থাকতে এরশাদও একাত্তরের ঘাতক ও পঁচাত্তরের ঘাতকদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন। এই অপশক্তিকে বারবার বিএনপি-জামায়াত গোষ্ঠী সহায়তা করেছে।” সাম্প্রদায়িক শক্তিকে আর কখনও ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হবে না মন্তব্য করে নাসিম বলেন, “আওয়ামী লীগের সমালোচনা করেন, সরকারের সমালোচনা করেন, কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ওই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে সহযোগিতা করার অর্থ হল একাত্তরে যারা আমাদের স্বাধীনতাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল, লক্ষ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল তাদের সহায়তা করা।” কারাবন্দি খালেজা জিয়া বিএনপির অতীত কর্মকান্ডের ফল ভোগ করছেন মন্তব্য করে এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, “আমরা চাই না কোনো রাজনৈতিক নেতা জেল খাটুক। তারপরও বলতে বাধ্য হচ্ছি, বিএনপি অতীতে যে পাপ করেছে তার ফল হিসেবেই খালেদা জিয়া এখন জেলে।” লেখক শামিম আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা বক্তব্য দেন।

ভেড়ামারায় কাব্যকথা পরিষদের আয়োজনে স্বরচিত সাহিত্যপাঠ ও আলোচনা

আল-মাহাদী ॥ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কাব্যকথা পরিষদের আয়োজনে দিনব্যাপী স্বরচিত সাহিত্যপাঠ ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্ভাবনাময়ী লেখকদের সুযোগ সৃষ্টি করে এই স্লোগানে কাব্যকথা পরিষদ গতকাল শুক্রবার দিনব্যাপী ভেড়ামারা হার্ডিঞ্জ ব্রীজের তলদেশে স্বরচিত সাহিত্যপাঠের আয়োজন করে। ভেড়ামারার স্থানীয় উদীয়মান লেখকদের সাথে কুষ্টিয়ার জনপ্রিয় লেখকগণ উক্ত সাহিত্য পাঠের আলোচনায় যোগ দিয়েছিলেন। কুষ্টিয়া থেকে আগত লেখক ও কবি হাসান টুটুল ও শ্যামল চৌধুরী সহ ভেড়ামারা থেকে লেখক মোঃ মোজাম্মেল হক, মোঃ আসমান আলী, মোঃ মুনীর উদ্দীন, মোঃ রবজেল হোসেন,মোঃ আঃ খালেক, মোঃ শহিদুল ইসলাম (মুকুল ডাঃ), শাইজী আতিয়ার রহমান ও মোঃ আবু ওবাইদা-আল-মাহাদী প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়ার জামিন আদালতের এখতিয়ার – আইনমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে সরকারের কিছুই করার নেই বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া এতিমের টাকা চুরি করেছেন, তাই আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন। তাকে জামিন হবে কিনা সে বিষয়ে সরকারের কিছুই করার নেই। এটা সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ার। শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজের চারতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। বিএনপি নেতাদের খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার দাবির বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতারা নিজের ঘর সামলাতে পারেন না, তারা তো কত কথাই বলছেন। তাদের নিয়ে আমাদের কথা হতে পারে না। তারা খালেদা জিয়ার মামলা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন আখাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাশেম ভূইয়া, পৌর মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শামসুজ্জামান প্রমুখ।

 

দৌলতপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার নাটোরের লালপুরের গ্রীণ ভ্যালি পার্কে এ বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুর প্রেসক্লাবের আহ্বাক এ্যাড. এমজি মাহমুদ মন্টু’র নেতৃত্বে প্রেসক্লাবের সকল সদস্যগণ এ বনভোজনে অংশ নেন। সকাল সাড়ে ৮টায় বাসযোগে বনভোজনের উদ্দেশ্যে রওনা হোন সাংবাদিকবৃন্দ। দুপুরে বনভোজনের ভোজন শেষে পার্কে ঘোরাঘুরি করা হয়। এরপর নিজ গন্তব্যে ফেরার পথে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রীজের নীচে কিছু সময় কাটান সাংবাদিকবৃন্দ। বনভোজনে সাংবাদিকদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও অংশ নেন।

মানুষের জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্ত দিন – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল মানুষের জীবন বাঁচাতে সকলের প্রতি রক্ত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন । তিনি বলেন, ‘জীবন বাচানোর প্রয়োজনে প্রত্যেকের উচিত স্বেচ্ছায় রক্ত প্রদান করা।’ গতকাল শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ১০, ২৫ ও ৫০ বার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন এমন ১৭৩জন রক্তদাতাকে সনদপত্র, আইডি কার্ড, সম্মাননা ক্রেস্ট ও মেডেল দেয়া হয়। স্বেচ্ছা রক্তদাতা তারেক কুদ্দুস ও নিয়মিত রক্তগ্রহিতা থ্যালাসেমিয়া রোগী সুমাইয়া আক্তার সুমি অনুভূতি ব্যক্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন ব্যক্তি যখন মানবিক কারণে জীবন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় রক্ত দেন, তখন তিনি একটি জীবন বাচাঁন। তিনি বলেন, কোনো রকম বিদেশি সাহায্য ছাড়াই কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন বহুমুখী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলার এতিম-বঞ্চিত শিশুদের জন্যে বিদ্যালয় অন্যতম। এছাড়া কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কোয়ান্টাম মেথড মেডিটেশন কোর্সের মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রক্তদাতাদের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, ২৫ বা ৫০ বার রক্ত দিয়ে থেমে থাকবেন না। সুস্থতা সাপেক্ষে ৬০ বছর পর্যন্ত আপনারা রক্ত দিয়ে যাবেন এবং মুমূর্ষু মানুষের জীবন রক্ষায় ভূমিকা রাখবেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. নিজামউদ্দিন আহমদ জানান, দেশে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ রক্ত আসে স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের কাছ থেকে। আর ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ রক্ত আসে রোগীর আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধ-বান্ধবদের কাছ থেকে। বাকি রক্ত আসে পেশাদার রক্ত-বিক্রেতাদের কাছ থেকে, যা দূরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। রক্তদাতা ও অতিথিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অনুষ্ঠানের সভাপতি কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারী। উলে¬খ্য, ২০০০ সালে ব¬াড ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পর কোয়ান্টাম এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১০ লাখ ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহ করেছে।

বীমার টাকা পেতে যেন হয়রানি না হয় – তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ গ্রাহকদের আস্থার সঙ্কট দূর করতে এবং সচেতনতা বাড়াতে বীমা কোম্পানিগুলোর প্রতি আরও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। চট্টগ্রাম নগরীর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম চত্বরে গতকাল শুক্রবার দুই দিনব্যাপী বীমা মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার এ আহ্বান আসে। হাছান মাহমুদ বলেন, বীমা পলিসির ক্ষতিপূরণ পাওয়ার ক্ষেত্রে মানুষ হয়রানির শিকার হয়। এটা দূর করতে হবে। সবাই হয়ত হয়রানি করে না, কিন্তু কেউ কেউ করে। তাতে আস্থার সঙ্কট তৈরি হয়। “দুয়েকটি কোম্পানির জন্য পুরো সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হোক এটা চাই না। বীমার দাবি পেতে যেন হয়রানির শিকার হতে না হয়। অবশ্য বড় দাবির ক্ষেত্রে খুব বেশি হয়রানি হয় না। কারণ বড় দাবি করেন বড় কোম্পানি ও ব্যক্তি। ছোট দাবিতে বেশি সঙ্কট হয়।” সচেতনতার অভাব ও সংশয়- এই দুই কারণে বাংলাদেশের বীমা খাত এখনো ভারতের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনসচেতনতা তৈরি ও সংশয় দূর করতে অনেক কাজ বাকি। স্বাস্থ্য বীমা দেশে সীমিত আকারে আছে। অথচ উন্নত বিশ্বে তা শতভাগ। দেশে ব্যাপকভাবে স্বাস্থ্যবীমা চালু করতে হবে। “বাংলাদেশ দ্রুত শিল্পায়নের দিকে যাচ্ছে। কিন্তু শিল্প কারখানায় যারা কাজ করে তাদের জন্য কোনো বীমা করা হয় না। কারখানার শ্রমিকদের জন্য গ্র“প বীমা করা দরকার। বীমা হলে তারা দুর্ঘটনা বা মৃত্যু হলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা পাবেন।” বাংলাদেশের জিডিপিতে বীমা খাতের অবদান মাত্র ০.৬৭ শতাংশ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ভারতে এটা ৪.১ শতাংশ। আস্থার সঙ্কট দূর হলে বাংলাদেশে আগামী কয়েক বছরে এটা ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে ‘ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্টেটে’ পরিণত করতে চায়। “আমরা যে সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করতে চাই সেখানে বীমা খাত কীভাবে কাজ করবে সেই লক্ষ্যে কোম্পানির কার্যক্রম ঢেলে সাজাতে হবে।” বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী অনুষ্ঠানে বলেন, গ্রাহকের আস্থার সঙ্কট দূর করার পাশাপাশি ভাবমূর্তি গড়ে তোলায়ই তাদের ‘মিশন-ভিশন’। “আমরা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি করেছি। গত ১ বছরে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবির নিষ্পত্তি করেছি। মানুষ এখন আগ্রহ পাচ্ছে। ভালোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।” জীবন বীমা করপোরেশন চেয়ারম্যান সেলিমা আফরোজ বলেন, দেশে ১৯ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কমচারী বীমার আওতায় আসবেন। যারা বিদেশে থাকেন তাদের বীমা সেখানেও হয় না, এখানেও না।

“তাদের বীমার আওতায় আনার নীতিমালা হচ্ছে। বীমা ছাড়া কেউ বিদেশে যেতে পারবেন না। গাড়ির বীমা হয়, কিন্তু যিনি গাড়ি চালান তার কেনো বীমা হয় না। এটা বাধ্যতামূলক করতে হবে।” আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, সাধারণ ধারণা হল বীমা বড়লোকের জন্য। আসলে বীমা সাধারণ মানুষের জন্য। সবার জীবনেই ঝুঁকি আছে। “সাধারণের কাছে এখনো বীমাকে সেভাবে নিয়ে যেতে পারিনি। হাওরে শস্য বীমা ও স্বাস্থ্য বীমা জরুরি ভিত্তিতে শুরু করা উচিত। দাবি সুন্দরভাবে মেটানো হয় না বলে অভিযোগ আছে। সেগুলো মেটানোর জন্যই কর্তৃপক্ষ করা হয়েছে।” অন্যদের মধ্যে চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য গোকুল চাঁদ দাস মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ‘নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য বীমা’ স্লোগান নিয়ে চট্টগ্রামে তৃতীয়বারের এই মেলার আয়োজন করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন ও ইন্স্যুরেন্স ফোরাম এ আয়োজনে সহযোগিতা দিচ্ছে। সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে ৭৮টি বীমা কোম্পানি এবারের মেলায় অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত যে কেউ মেলায় আসতে পারবেন। মেলার ১০২টি স্টলে বীমা বিষয়ক সমস্যা ও এর সমাধান সম্পর্কে পরামর্শ মিলবে। বীমাকারীরা মেলায় বিভিন্ন পলিসি বিক্রি করবেন এবং বীমার দাবি নিষ্পত্তি করবেন। এছাড়া মেলার দুই দিনে বীমা নিয়ে বেশ কয়েকটি সেমিনার হবে। বীমা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির প্রতিনিধিরা সেখানে বক্তব্য  দেবেন। মেলা উপলক্ষে শুক্রবার একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শনিবার মেলার সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেমনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

আমি যেন না শুনি আপনারা কোচিং করাচ্ছেন – শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ শিক্ষকদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আপনারা শিক্ষার্থীদের নোট ব্যবহার ও কোচিংয়ে উৎসাহিত করবেন না। আমি যেন না শুনি আপনারা কোচিং করাচ্ছেন। প্রাইভেট কোচিং শিক্ষকদের কাজ হতে পারে না। শিক্ষাকতা পেশা ন্যায়, নৈতিকতার সঙ্গে করতে হবে। গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শরীয়তপুর সরকারি কলেজের ৪০ বছর পূর্তি ও পুনর্মিলনী উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ সরকারের আমলে ১০ বছরে শিক্ষাখাত ব্যাপক উন্নত হয়েছে। আমাদের বহু দূরে যেতে হবে। তাই সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহযোগিতা চাই। সকাল ৯টার দিকে কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এতে প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী স্মৃতিচারণ ও মতবিনিময় হয়। বিকেল ৪টা থেকে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আর ওই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভাঙবে দিনব্যাপী এ মিলনমেলা। শরীয়তপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় উদ্বোধক ছিলেন পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, শেখ হাসিনার সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার। তাই বছরের প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়া হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা অপু উকিল, জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদারসহ প্রমুখ।

কালুখালীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত

কালুখালী প্রতিনিধি ॥ গতকাল শুক্রবার রাজবাড়ীর কালুখালীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার দিবস ২০১৯ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় রতনদিয়া বাজার বণিক সমিতির কার্যালয় হতে একটি র‌্যালী বের করা হয়। র‌্যালীটি বাজারের আশপাশ রাস্তা প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে শেষ করে। র‌্যালী পরবর্তী এক আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুন নাহারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে রতনদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মেহেদী হাচিনা পারভীন নিলুফা, আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা হাওয়া খাতুন,  রতনদিয়া বাজার বণিক সমিতির সভাপতি খোন্দকার আনিসুল হক বাবু, সহ-সভাপতি আঃ রহমান, তনয় চক্রবর্তী শম্ভু প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

কুষ্টিয়ায় জাতীয় শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ৯৯ তম জন্ম বার্ষিকী পালন

কুষ্টিয়ায় ১০ ও ১১নং ওয়ার্ড জাতীয় শ্রমিকলীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৯৯তম জন্ম বার্ষিকী পালন করা হয়েছে। গতকাল কুষ্টিয়া জাতীয় শ্রমিকলীগের অফিসে  কেক কেটে জন্মবার্ষিকী পালন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ  আমজাদ আলী খান। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  জাতির মহানায়কের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায় এবং তিনি বলেন- বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আজ আমরা এই স্বাধীনতা হয়তো পেতাম না। তিনি উপস্থিত  নেতাকর্মীদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে কাজ করার পরামর্শ দেন। আমজাদ আলী আরো বলেন আমরা শ্রমিক ভাইরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বাণী সবার মাঝে  পৌঁছে দিচ্ছি।  এসময় উপস্থিত ছিলেন  জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ হামিদুল ইসলাম ও মো পলাশ মিয়া, সহ-সম্পাদক বাদশা আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন ও তরিকুল ইসলাম মিন্টু, ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক শংকর, ত্রাণ ও পূর্নবাসন সম্পাদক খমিনি আহমেদ, সদস্য আছাদুল হক খান, শহর শ্রমিক লীগের সভাপতি দেওয়ান মাছুদুর রহমান (স্বপন), যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা উজ্জ্বল, ১০নং ওয়ার্ড জাতীয় শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক সাগর ও যুগ্ম আহবায়ক মুক্তার সহ ১১ নং ওয়ার্ড জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ছালাম ও ছোভান। সাধারণ সম্পাদক সহ জাতীয় শ্রমিক লীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ঝিনাইদহে পান ব্যবসায়ী সেজে পুলিশের অভিযান, সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ লুঙ্গি পড়ে পান ব্যবসায়ী সেজে অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে ঝিনাইদহ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মহসীন হোসেন। শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। পরিদর্শক (তদন্ত) মহসীন হোসেন জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে চুরি মামলায় ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী চাঁদপুর গ্রামের যাদব আলীর ছেলে পানচাষী মমিনুল ইসলাম নিজ গ্রামে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে পান ব্যবসায়ী সেজে গ্রামের মাঠে অভিযান চালানো হয়। এসময় মাঠ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে খুলনা থানায় মামলা হয়। এ মামলায় ২ বছরের সাজা দেয় আদালত। শুক্রবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

জোর করে সিল মারার চেষ্টা হলে গুলি – রফিকুল

ঢাকা অফিস ॥ নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ভোটের সময় জোর করে সিল মারার চেষ্টা হলে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের আয়োজনে স্থানীয় সরকারি কে বি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এই নির্দেশ দেন। রফিকুল বলেন, “কেউ যদি ব্যালট ছিনতাই করে, আপনারা ঠেকানোর জন্য চেষ্টা করবেন। যদি ঠেকাতে না পারেন নির্বাচন বন্ধ করে দিবেন। আমার নির্বাচন করার দরকার নাই। যদি নির্বাচন চলার সময় কেউ জোর করে সিল মারার চেষ্টা করে, আমি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিতেছি, জাস্ট ওপেন ফায়ার। ফায়ার ওপেন করবেন। তার পরও যদি না পারেন তাহলে দরকার কী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচন চালিয়ে নেওয়ার, নির্বাচন করার? স্টপ। বন্ধ করে দেন আপনার নির্বাচন।” এছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাচনে জেলা আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বিশেষ সভায় তিনি বলেন, “গ্রহণযোগ্য আইনানুগ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কোনো রকম ব্যত্যয় ঘটলে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতঃপূর্বে ব্যত্যয় ঘটায় কিছু অফিসারকে জেলে যেতে হয়েছে। কেউ অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। “আমরা কোনো দলীয় সরকারের অধীনে নই। আমরা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কাছে দায়বদ্ধ। বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ। তাই নিজের বিবেকের তাড়নায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য সকল কর্মকর্তাকে কাজ করতে হবে।” ভোটার উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলো ভাল প্রতিনিধি মনোনয়ন দিলে এবং জনগণকে উৎসাহিত করলে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে। “ভোটকেন্দ্রে ভোটারের উপস্থিতির হার ৩ না ৩০ ভাগ হল, সেটা দেখার বিষয় না। কারণ ভোটকেন্দ্রে ভোটার টেনে আনার দায়িত্ব আমাদের না। সেটা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের কাজ।” জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, ময়মনসিংহ অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম, ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসরাত সাদমীন, ভৈরব-কুলিয়ারচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ধীরেন চন্দ্র মহাপাত্র, ভৈরব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম অনুষ্ঠানে ছিলেন।

কুমারখালীতে শেষ হলো ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের মিলনমেলা

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ ৪০তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উদযাপনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের মিলনমেলা (বিজ্ঞান মেলা) শেষ হয়েছে। গতকাল দুপুর ২টায় স্থানীয় আবুল হোসেন তরুণ অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দুইদিনের প্রাণবন্ত আয়োজনের সমাপ্ত ঘোষনা করা হয়। গত বুধবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় উপজেলা প্রশাসন ৪০তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন করা হয়। মেলায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৪টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দকৃত স্টলগুলোতে ক্ষুদে বিজ্ঞানীরা (শিক্ষার্থীরা) বিজ্ঞান বিষয়ক নানা ধরণের উদ্ভাবনী কার্যক্রম প্রদর্শন করে। মেলার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উপলক্ষে দুপুর ২টায় সহকারি কমিশনার (ভুমি) মুহাম্মদ নুর- এ আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আকুল উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: ওমর ফারুক, উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রহিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো: মশিউর রহমান, অফিসার ইনচার্জ এ, কে এম মিজানুর রহমান। এ মেলার প্রথম অধিবেশনে (সকালে) মেলায় আগত শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে মেলায় অংশ নেওয়া সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদাণের পাশাপাশি বিজয়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও মুল্যবান বই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

ঝিনাইদহে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ‘নিরাপদ মানসম্মত পণ্য’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সকালে শহরের পুরাতন ডিসি কোর্ট চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছাদেকুর রহমান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস, জেলা তথ্য অফিসার আবু বক্কর সিদ্দিক, চেম্বার অব কমার্সের সহ-সভাপতি নাসিম উদ্দিন, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা: প্রসেনজিৎ বিশ্বাস পার্থ। অনুষ্ঠানে স্বাগত রাখেন ক্যাবের সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু। সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন জেলা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। বক্তারা, ভোক্তার অধিকার রক্ষায় ব্যবসায়ীদের আরও সততার সাথে ব্যবসা করা ও ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

নাজীর আহমদ

নর ও নারী রহস্য

“আমরা হলাম জান্নাত থেকে বিতাড়িত আদমের জাত। তাই জান্নাতে পুনঃ প্রবেশের মন্ত্র শিখে নাও এবার।” আল্লাহ আদম (আঃ) কে মাটি দিয়ে সৃষ্টি করে তাতে নিজ আত্মা ফুকে দেন। এরপর ফেরেস্তাদের বলেন “তোমরা আদমকে সেজদা কর তখন ইবলিস ছাড়া সবাই সেজদা করলো। সে বললো, আমি কি তাকে সেজদা করবো যাকে আপনি কাদা মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন? আল্লাহ বললেন; তুমি এখান থেকে বের হয়ে যাও নিশ্চয় তুমি বিতাড়িত এবং তোমার উপর আমার লানত স্থায়ী হবে কর্মফল দিবস পর্যন্ত (আল কোরআন)
এরপর আদমের বাম পার্শ্বের বাঁকা হাড় থেকে হাওয়াকে সৃষ্টি করেন। আল্লাহ বলেনঃ হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের রবকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করে তা তার সঙ্গীনি সৃষ্টি করেন এবং তাদের দুজন থেকে বহু নর ও নারী ছড়িয়ে দেন। (আল কোরআন: ৪ঃ১)
এরপর আল্লাহ বলেন: হে আদম! তুমি এবং তোমার সঙ্গীনি জান্নাতে বসবাস কর এবং যা ইচ্ছা হয় খাও, কিন্তু ঐ বৃক্ষের নিকটবর্তী যেয়োনা, তাহলে তোমরা অন্যায়কারিদের দলভুক্ত হবে। কিন্তু শয়তান (ইবলিশ) তাদের কুমন্ত্রনা দিল, তারা তাদের সীমা লঙ্ঘন করলো। ঐ বৃক্ষের ফল খেল। এতে তাদের লজ্জাস্থান তাদের সামনে প্রকাশিত হল। আল্লাহ বললেন তোমরা এখান থেকে বের হয়ে যাও। তোমরা পরস্পর পরস্পরের শত্র“। তোমাদের জন্য দুনিয়া এখন স্থান। (সূরা আ’রফ)
আরও বলেছেনঃ “গোশত্ পচে দুর্গন্ধময় হয়, এর সূচনা বনি ইসরাঈল হতে। আর কোন নারী নিজ স্বামীকে প্রভাবাম্বিত কওে তাকে ক্ষতিকর কার্য্যে লিপ্ত করে এর সূচনা মা হাওয়ার ঘটনা হতে”। (বুখারী, মুসলিম, আহমদ শরীফ)
রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ “নারীদের ব্যাপারে তোমরা আমার সদুপদেশ গ্রহন কর। কেননা নারীদেরকে পাঁজরের হাড় হতে সৃষ্টি করা হয়েছে। আর পাঁজরের উপরের অংশটুকুই সর্বাধিক বাঁকা। যদি তুমি তা সোজা করতে যাও তাহলে ভেঙ্গে ফেলবে এবং আপন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা বাকাই থাকবে। অতএব নারীদের ব্যাপারে তোমরা আমার সদুপদেশ গ্রহন কর। (বুখারী শরীফ)
গোস্ত পোচে দুর্গন্ধ হয়, এর সূচনা বনিইসরাঈল হতে। (বুখারী, মুসলিম, আহ্মদ শরীফ)
রাসূল (সাঃ) বলেছেনঃ স্ত্রীলোকদের মধ্যে মঙ্গল নেই এবং তাদের দিক থেকে ধৈর্য ধারন করাও সম্ভব নয়। সৎ ব্যক্তিদের উপর তারা প্রভাব বিস্তার করে এবং অসৎ ব্যক্তিরা তাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে। আরও বলেছেন তোমরা দুনিয়া ও স্ত্রীলোককে ভয় কর। কারন, শয়তান সর্বক্ষন তোমাদেরকে জব্দ করার জন্য সুযোগ খুঁজছে। এবং পরহেজগারদের মধ্যে তার শিকার ধরবার জন্য স্ত্রীলোক অপেক্ষা অন্যকোন মজবুত ফাঁদ নেই।
রাসূল (সাঃ) এর বেশীরভাগ সহধর্মীনিগণ আমীর ও রয়ীসের ঘরে প্রতিপালিত, কেহ ছিলেন গোত্রপতির কন্যা। মা আয়েশা ও হাফসা (রাঃ) ছিলেন সম্মানিত ব্যক্তি আবু বকর ও ওমর (রাঃ) এর কন্যা। এনারা রাসূল (সাঃ) এর ঘরে এসে রুহানী শান্তি ও রাসূলের আন্তরিক ব্যবহার পেতে থাকেন ঠিকই, কিন্তু সর্বদা অভাব অনটন তাদের ঘিরে রাখতো। তারা যেহেতু মানুষ ও নারী তাই চাইলেন তাদের অবস্থার উন্নতি হউক। তাই একবার সকল স্ত্রী এক হয়ে প্রশ্ন তোলেন আমাদের অবস্থা এই কঠিন দারিদ্র ও নিঃস্বতার মধ্যে কেমন করে কাটতে পারে বলুন । সকলের প্রতি আপনার লক্ষ্য আছে, কিন্তু নিজের ঘরের প্রতি কোন লক্ষ্য নেই। আপনি আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু মাল সামালের ব্যাবস্থা করুন। এর ফলে রাসূল (সাঃ) মানসিক অশান্তিতে পরেন। কারন তার সরল জীবনযাপন বাধা প্রাপ্ত হতে যাচ্ছিল। একদিন হযরত ওমর ও আবুবকর (রাঃ) রাসূলের ঘরে গিয়ে দেখেন রাসূলের স্ত্রীগন রাসূলকে ঘিরে আছেন। রাসূল (সাঃ) বিষন্ন মনে বসে আছেন। ওমর ব্যাপার বুঝে বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! খারেজার কন্যা যদি আমার নিকট বেশি খরচ দাবি করে আমি তাকে জোরে চড় মেরে মাটিতে ফেলে দিবো। সুনে মৃদু হেসে রাসূল (সাঃ) বললেন দেখ, এরা সবাই একত্রিত হয়ে আমার কাছে খরচ দাবি করছে। শুনে আবু বকর উঠে তার মেয়েকে থাপ্পড় মারলেন ওমর ও তার মেয়েকে চড় মারলেন এবং উভয়েই বললেন, তোমরা কী এমন কিছু দাবি করছো যা রাসূলের নেই, উনারা বললেন আল্ল¬াহর শপথ আমরা আর কখোনো এমন দাবি করবোনা। এ ঘটনার পর রাসূলের স্ত্রীগন অন্য একটা বিষয়ে একত্রিত হলেন। তাহলো, রাসূল (সাঃ) আছরের নামায বাদ স্ত্রীদের কুশলাদি জানার জন্য তাদের ঘরে যেতেন। কয়েকদিন যায়নাব (রাঃ) এর ঘরে একটু বেশি সময় থাকেন। এতে অন্যন্য স্ত্রীগন ঈর্ষানি¦ত হন। মা আয়েশা (রাঃ) জিজ্ঞাসা করে জানতে পারেন, যায়নাবের ঘরে কোথা থেকে মধু এসেছে। গেলে যায়নাব তা দেন খাবার জন্য। মধু মিষ্টি ওনার প্রিয়। হিংসা ও ভালোবাসার ক্ষেত্রে পরশ্রী কাতরতায় আয়েশা ও হাফসা (রাঃ) এক হলেন এবং অন্য স্ত্রীদের দলে নিলেন। সিদ্ধান্ত হলো যায়নাবের ঘর থেকে যখন উনাদের ঘরে যাবেন তখন আমরা বলবো ইয়া রাসূলুুুল্লাহ আপনার মুখথেকে মাগাফিরের গন্ধ আসছে আপনি কি মাগাফির পান করেছেন? মাগাফির একধরনের গাছের ফলের রস। খেতে মিষ্টি কিন্তু দুর্গন্ধ। রাসূল দুর্গন্ধ ঘৃনা করতেন। উনারা সিদ্ধান্ত অনুযায়ি এ কথা বললে রাসূল বলেন। নাতো আমি মধু পান করেছি। তবুও সবাই একই কথা বলেন। এতে দুঃখ পেয়ে রাসূল বলেন মধু আমার জন্য হারাম। এতে আয়াত নাযিল হয়- হারাম না করতে।
হযরত ওমরের মেয়ে হিসাবে হযরত হাফসার মাঝেও কিছুটা কঠরতা বিদ্যমান ছিলো। তিনি কখনো কখনো রাসূলের সাথে কথা কাটাকাটি করতেন। এ প্রসঙ্গে বুখারি শরিফে বিভিন্ন ঘটনার উল্লে¬খ আছে। যেমনঃ একসময় হযরত ওমর (রাঃ) রাসূলুল্লাহর (সাঃ) এর ঘরে উপস্থিত ছিলেন তখন হফসা (রাঃ) রাসূলুল্ল¬াহর (সাঃ) এর সাথে কথা কাটাকাটি শুরু করলেন। ওমরের তা সহ্য হলো না। তিনি তৎক্ষনাৎ হাফসাকে প্রহার করতে উদ্যত হলে রাসূলুল্ল¬াহ (সাঃ) উভয়ের মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন। এতে ওমর লজ্জিত হলেন বটে কিন্তু তার রাগের উপশম হলো না। তিনি মেয়েকে লক্ষ করে বললেন, সাবধান! এমন অন্যায় কাজ যেন আর কখোনো না হয়। ওমর চলে যাওয়ার পর রাসূলুল্ল¬াহ (সাঃ) বললেন হাফসা দেখলে তো আজ তোমাকে কেমন করে বাঁচিয়ে দিলাম। এরপর থেকেই হাফার উগ্রভাব অনেকাংশে কমে যায়। (দ্রঃ মহানবী- ড.ওসমান গনি)
বিভিন্ন কারনে রাসূলুল্ল¬াহ (সাঃ) এর একান্ত ইচ্ছা ছিল মসজিদে গিয়ে নামায পড়াবার। কিন্তু অসুখ বেড়ে যাওয়ায় তিনি আবুবকর (রাঃ) কে ইমামতি করতে বলেন। হযরত আয়েশা (রাঃ) এর ইচ্ছা ছিলো রাসূলুল¬াহ (সাঃ) পড়াবেন। কারন নামায পড়ানটা ও এক ধরনের সুস্থতার লক্ষন। তাই বললেন ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আবু বকর নরম লোক। তার কন্ঠস্বর ও সুউচ্চ নয়। তিনি তিলাওয়াতের সময় কান্নাকাটি করেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) পুনরাই নামাজ পড়ানোর কথা বলেন। হযরত আয়েশা ও পুনরায় একই কথা বলেন। এবার মহানবী (সাঃ) উচু কন্ঠে বলেনঃ নিশ্চয় তোমরাই সেই নারী জাতি যারা ইউসুফকে ফুসলানোর চেষ্টা করেছিলে। আবু বকরকে বলো তিনি যেনো ইমামতি করেন। (দ্রঃ মহানবীর জীবন চরিত; ড.হায়কল)
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ভালবাসা; উদারতা ও সহিষ্ণতা উনার স্ত্রীদের এতোটা সাহসী করে দেয়। আর এসব নিয়ে নিজ সময় নষ্ট করার মতো মণ ছিলনা। কারন সবসময় ইসলাম ও অধ্যাতিকতা নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। এর মধ্যে স্ত্রী মারিয়ার গর্ভে পুত্র সন্তান ইব্রাহিম জন্মনিলে উনার স্ত্রীদের মধ্যে হিংসা চরমরুপ নেয়। রাসূল কোন স্ত্রীকে বেশি ভালবাসলে অন্যরা তা সহ্য করতেন না। কিন্তু এবার রাসূলকে কঠোর হতে হয়। তিনি বললেন তিনি একমাস তাদের থেকে আলাদা থাকবেন এতে সংশোধন না হলে তাদের পাওনা মিটিয়ে দিয়ে তাদের বিদায় করে দিবেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে নববীর কাছে একটি আলাদা ঘরে একমাস থাকেন। এতে সাহাবাগন বিশেষ করে আবু বকর ও ওমর খুব চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং কষ্ট পান। এ বিষয়ে উনাদের সতর্ক করে আয়াত নাযিল হয়। উনার স্ত্রীরাও নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হন। উনারা তওবা করেন এবং ক্ষমা চান। এত রাসূলের পারিবারিক অশান্তির সমাপ্তি ঘটে।

কালুখালীতে ট্রাক-ভ্যান দুর্ঘটনায় শিশু নিহত॥ আহত ৩

ফজলুল হক ॥ গতকাল শুক্রবার দুপুরে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া মহাসড়কে কালুখালীর পাইকারা মোড়ে বেপরোয়া ট্রাকের চাপায় ব্যাটারী চালিত ভ্যানের সংঘর্ষে ১ শিশু নিহতসহ ৩জন আহত হয়েছে। নিহত শিশু ৮মাস বয়সী মাইশা সহ তার মা এবং অন্য ২জন ভ্যান যোগে পাংশা থেকে কালুখালী নিজ বাড়ীতে আসার সময় এ দূর্ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে পাংশা হাইওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দ্রুতগতির ট্রাকটি বেপরোয়াভাবে চলায় এ ঘটনা ঘটে। ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আহত ৩ জনকে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

পুলিশের বিরুদ্ধে তদন্ত 

দৌলতপুরে এক সংবাদকর্মীর নামে মাদকের মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মেহেদী হাসান সাগর নামে এক সংবাদকর্মীর নামে মাদকের মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এ অভিযোগের ভিত্তিতে  দৌলতপুর থানার ৩ পুলিশের বিরুদ্ধে আজ শনিবার তদন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।  দৌলতপুর থানার এস আই সাইফুল ও এএসআই সাহেব আলীসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এ তদন্ত কাজ অনুষ্ঠিত হবে অভিযোগকারী সূত্র জানিয়েছে। সংবাদ কর্মী মেহেদী হাসান সাগরের অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, গত ৫ জানুয়ারী’১৯ বিকেল ৩টার দিকে মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া ছাইতিনতলা জুয়েল ফকিরের বাড়ির পেছনের মাঠে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে দৌলতপুর থানার এসআই সাইফুল ও এএসআই সাহেব আলীসহ ৩ পুলিশ। পরে সংবাদ সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে সংবাদকর্মী মেহেদী হাসান সাগরসহ ৬ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয় এবং উদ্ধার করা ৪০০ বোতল ফেনসিডিলের মধ্যে মাত্র ৭১ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখিয়ে আজমত আলীকে এ মামলায় (মামলা নং-১১/১১, তারিখ-০৬/০১/২০১৯ইং) আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। মিথ্যা মামলায় সংবাদকর্মী মেহেদী হাসান সাগরকে জড়ানোর কারনে মেহেদী হাসান সাগর ফেনসিডিল আত্মসাৎ ঘটনার সাথে জড়িত ৩ পুলিশের বিরুদ্ধে পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ ৩ পুলিশসহ অভিযোগকারীর অভিযোগটিও তদন্ত করা হবে বলে অভিযোগকারী মেহেদী হাসান সাগর সূত্রে জানাগেছে। এছাড়াও অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এস আই সাইফুল এ ঘটনার আগে ১৪ ডিসেম্বর’১৮ আজমতকে বিনা কারনে আটক করে ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে ৬ পিচ ইয়াবাসহ আদালতে সোপর্দ করে। এদিকে দৌলতপুর থানার এসআই সাইফুল ও এএসআই সাহেব আলীসহ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত হওয়ার খবর পেয়ে অভিযোগকারীর অভিযুক্তরা মেহেদী হাসান সাগরের বাড়িতে হানা দিয়ে তার স্ত্রী কাজলী খাতুনকে ভয়ভীতি দেখিয়েছে বলে মেহেদী হাসান সাগরের পরিবার সূত্রে জানাগেছে। মিথ্যা মামলায় একজন নিরাপরাধ সংবাদকর্মীর হয়রানির ঘটনায় সাংবাদিকমহল সহ সচেতন মহলে ক্ষোভ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

সভাপতি সাজ্জাউল করিম, সম্পাদক ওহিদুজ্জামান

স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ জনতা ব্যাংক কুষ্টিয়া এরিয়া কমিটি গঠন

নিজ সংবাদ ॥ স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কুষ্টিয়া জনতা ব্যাংক কুষ্টিয়া এরিয়া কমিটি গঠন করা হয়েছে। নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রামচন্দ্র রায় স্ট্রীট শাখার ম্যানেজার সাজ্জাউল করিম সুজন ও সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন চৌড়হাস বাজার শাখার সিনিয়র অফিসার ওহিদুজ্জামান চঞ্চল।

গতকাল শুক্রবার বিকেলে পুনাক ফুড পার্ক মিলনায়তনে কমিটি গঠন উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সভা থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করেন।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নতুন কমিটির সভাপতি সাজ্জাউল করিম সুজন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জনতা ব্যাংক ব্যাংকার্স পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক আশরাফ-উল-আলম ব্যাকুল। বিভাগীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলামসহ অন্যরা।

আলোচনা অনুষ্ঠান ও সবার মতামত শেষে নতুন কমিটি ঘোষনা কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা আশরাফ-উল-আলম। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি মতিয়ার রহমান, আলমগীর হোসেন, রিয়াজ উদ্দিন, এসএম নাজমূল হোসেন, আবু তাহের, যুগ্ম সাধারন সম্পাদকরা হলেন, সৈয়দ রওশন আলী, নাজমুজ সাকিব, শাহীনুর রহমান, জুলফিকার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান, জাহিদ হোসেন, ইসমাইল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আলহাজুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন, অর্থ সম্পাদক ইউসুফ আলী, সহ-অর্থ সম্পাদক মেহেদী হাসান, প্রচার সম্পাদক মুজিবুল আলম, সহ প্রচার সম্পাদক খ,ম আশেকুল ইসলাম, প্রকাশনা সম্পাদক ইমতিয়াজ মুন্না, সহ প্রকাশনা সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম, সহ ক্রীড়া সম্পাদক সামছুজ্জামান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নার্গিস খাতুন, আইন সম্পাদক আশেকুর রহমান, সহ-আইন সম্পাদক আল মাহমুদ হাসান, তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, সহ-তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাসান মুরাদ, ধর্ম সম্পাদক নির্মল কুমার পাল, কার্যকরি সদস্য নাজমূল কবির পলাশ, বদিউজ্জামান বাবুল, জিয়াউর রহমান, আবুল শরীফ ও আসাদুর রহমান। এ কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে।

 

কুমারখালীতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ নিরাপদ মানসম্মত পণ্য স্লোগানে র‌্যালি ও আলোচনা সভা আয়োজনের মধ্যদিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনের লক্ষ্যে গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসন ও বে-সরকারী সংস্থা বীজবিস্তার ফাউন্ডেশন র‌্যালি করেছে। র‌্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজীবুল ইসলাম খান। বক্তব্য রাখেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মুহাম্মদ নুর- এ আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আকুল উদ্দিন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো: ওমর ফারুক, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: জালাল উদ্দিন, নন্দলালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: নওশের আলী বিশ্বাস, বীজ বিস্তার ফাউন্ডেশনের ফিল্ড কো- অর্ডিনেটর ডলি ভদ্র, হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মজিবর রহমান, কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সাধারন সম্পাদক মো: আশরাফুল আলম হিরো, সাংবাদিক হাবীব চৌহান, জাকের আলী শুভ প্রমূখ। বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসের র‌্যালি ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী, বে-সরকারী সংস্থা বীজবিস্তার ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা ও ভোক্তা কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী বাদশার গণসংযোগ অব্যাহত

আসন্ন কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ আবু তৈয়ব বাদশা গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। শুধু তিনি নয়, তার স্ত্রীসহ সমর্থকরাও দিন-রাত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল দিনব্যাপী আবু তৈয়ব বাদশা সদর উপজেলার স্বস্তিপুর, নওপাড়া বাজার, দহকুলা বাজার, আলামপুর বাজার, শিমুলিয়া, কবুরহাট, মঙ্গলবাড়িয়া বাজার এবং শহরে আমলাপাড়ায় ব্যাপক গণসংযোগ এবং মতবিনিময় করেন। গণসংযোগ ও মতবিনিময়কালে বাদশা তার পালকি মার্কায় ভোট চান এবং দোয়াও সহযোগিতা কামনা করেন। গণসংযোগকালে বাদশা’র সাথে ছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শিক্ষায় দেশসেরা উপজেলা চেয়ারম্যানের পদকপ্রাপ্তিতে কামারুল আরেফিনকে বামনগাড়ীতে সংবর্ধনা

নিজ সংবাদ ॥ বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে পদক প্রাপ্তিতে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিনকে জমকালো সংবর্ধনা প্রদান করেছে আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের বামনগাড়ী চাকুরিজীবি পরিষদ ৷

মিরপুর উপজেলার আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের বামনগাড়ী এতিমখানা মাদরাসা মাঠে গতকাল শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৮ পাওয়ায় মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কামারুল আরেফিনকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন ‘বামনগাড়ী চাকুরিজীবি পরিষদ’ এর সভাপতি মনোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান ৷

বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাছ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলাম, মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন চেয়ারম্যান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতাহার আলী চেয়ারম্যান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক আরিফুজ্জামান আরিফ, মিরপুর উপজেলা জাসদের সহ-সভাপতি ও আমবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মিলন, আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল বারী টুটুল, পাটিকাবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইদুর রহমান বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক সফর উদ্দিন চেয়ারম্যান, মিরপুর উপজেলা কৃষকলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক  মোশারফ হোসেন মুসা, আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম মিলন চৌধুরী, আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন জাসদের সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন আহমেদ শিলু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খলিল সাবান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক দাউদ আলী  মেম্বর, প্রচার সম্পাদক হাসানুজ্জামান হাসান, আওয়ামীলীগ  নেতা মনিরুজ্জামান বাবু, আহাম্মদ আলী, তোফাজ্জেল  হোসেন ভুট্টু, হারুন অর রশিদ, বডিচিপ নেতা ডাঃ রাশেদুজ্জামান পলাশ, ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি রাকিব আহমেদ, সাধারন সম্পাদক মুকেশ কুমার, মিরপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমান জজ মালিথা, জগেস কুমার  ঘোষ, যুবলীগ নেতা তানজিল আহমেদ লিটনসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সবর্ধনা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বামনগাড়ী চাকুরীজীবি পরিষদের সহ-সভাপতি ও কুষ্টিয়া সিটি কলেজের অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মন্টু।