আমি আমার জীবনের তারকা : কারিনা

বিনোদন বাজার ॥ এখন পর্যন্ত বলিউডের শক্ত অবস্থানে আছেন কারিনা কাপুর খান। এই বিষয়ে কোনো ভিন্নমত নেই কারো। সিনেমায় তিনি অনিয়মিত হলেও তার নতুন ছবির খবর পেজ থ্রির অন্যতম খবর।সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের জীবনের বিশ্লেষণ করেন। কারিনা বলেন, ‘আমি নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে ভালোভাবে জানি। আমার আশেপাশে কে কি করছেন সেদিকে আমি ভ্রুক্ষেপ করি না। কে কোন সিনেমা করছেন বা কোন পরিচালক আর অভিনয়শিল্পী একসাথে কাজ করছেন এগুলো আমার বিষয় নয়। আমি আমার জীবনের তারকা। আমি কী পছন্দ করবো তা কেউ ঠিক করে দেবে সেটি আমি চাই না।’এদিকে বলিউড পাড়ায় শোনা যাচ্ছে ‘দাবাং’ সিনেমার তৃতীয় কিস্তির আইটেম গানে নাচবেন তিনি। এর আগে ‘দাবাং টু’তে কারিনাকে ‘ফেভিকল সে’ গানের সঙ্গে নাচতে দেখা যায়।তবে এই বিষয়ে এখনো কোনো কথা বলেননি কারিনা কাপুর বা সালমান খান। তবে অনেক বিশ্বস্ত সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। আগামী মাস থেকে শুরু হবে ছবির শুটিং। মুক্তি দেওয়া হবে আগামীবছর। এই ছবিতে সালমান খানের সাথে আবারো দেখা যাবে সোনাক্ষী সিনহাকে।

অপূর্ব’র ‘ড্রিমগার্ল’ মেহজাবীন

নোদন বাজার ॥ অপূর্ব-মেহজাবীন মানেই হিট। এই জুটি মানেই ভিন্ন রকমের গল্প, ভিন্ন রকমের চরিত্র। তাই তো অপূর্ব-মেহজাবীন মানেই দর্শকপ্রিয়তা।‘বড় ছেলে’ যারা দেখেছেন তারা নিশ্চয়ই একমত হবেন।ফের একসঙ্গে দেখা যাবে অপূর্ব-মেহজাবীনকে।সেই গল্প লিখেছেন অপূর্ব নিজেই। তারই গল্প থেকে এর চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন প্রীতি দত্ত আর পরিচালনায় আছেন বি ইউ শুভ।‘ড্রিমগার্ল’ নামের একটি টেলিছবিতে তাদের একসঙ্গে দেখা যাবে। যেখানে তিনি হাজির হবেন হিজাব ও বোরকা পরে।গল্প প্রসঙ্গে অপূর্ব জানান, একটি হাডুডু খেলাকে কেন্দ্র করে টেলিছবির গল্পটি তৈরি। ধনীর কন্যা মেহজাবীন এই খেলার ফাইনালে হাজির হন বাবার সঙ্গে। তার বাবা এই টুর্নামেন্টে অর্থয়ান করেন। খেলার দিনেই অপূর্বের সঙ্গে চোখাচোখি, এরপর প্রেম।

শাকিবের দিনের অর্ধেকটাই কাটে জিমে

বিনোদন বাজার ॥ পরিচালক মালেক আফসারী পরিচালিত নতুন ছবিতে কাজ করবেন শাকিব খান। ছবিটির জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। ছবিতে তার চরিত্রটি সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য দিনের অর্ধেক সময় নাকি জিমেই কাটাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার নাম্বার ওয়ান হিরো। আগেই জানা গেছে, শাকিব খান ও মোহাম্মাদ ইকবাল প্রযোজিত সেই ছবিতে শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন শবনম বুবলী। তবে ছবির নাম চূড়ান্ত হতে বাকি ছিল। শোনা যাচ্ছিল ছবিটির নাম ‘পাসওয়ার্ড’ হবে। অবশেষে ছবির নামও বদলেছেন নির্মাতা মালেক আফসারী। মালেক আফসারী জানান, শাকিব-বুবলী জুটির নতুন এই ছবির নাম ‘ফাইটার’। অ্যাকশন হিরো হিসেবে এই ছবিতে দেখা মিলবে শাকিব খানের। মালেক আফসারী বলেন, আমার নতুন ছবির নাম রাখা হয়েছে ‘ফাইটার’। প্রতিদিন কাজ চলছে। পেপার ওয়ার্ক শেষ। দিনে ফিল্ড ওয়ার্ক চলছে। রাতে টেবিল ওয়ার্ক হচ্ছে। শুটিং স্টার্ট হবে ১৫ ফেব্রুয়ারি। শাকিব খান রেডি হচ্ছে। দিনের অর্ধেক সময় জিমে কাটাচ্ছে। জানা গেছে, শাকিব খান ও বুবলী ছাড়াও দর্শক ছবিতে সম্রাটসহ আরো কয়েকজন অভিনয়শিল্পীকে দেখতে পাবেন। শিগগিরই তাদের চূড়ান্ত করা হবে।

প্রথমবার কাজী শুভর সুরে গাইলেন এন্ড্রু কিশোর

বিনোদন বাজার ॥ এবারই প্রথম তার সুরে গান গাইলেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ‘অগণিত তারার মাঝে খুঁজি আমি তোমায়, চাঁদ থাকে অবিরাম তোমারই পাহারায়’- এমন কথার গানটি লিখেছেন সালাম খোকন। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন রাফি মোহাম্মদ। আসছে ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে গানটি কলের গান মাল্টিমিডিয়া থেকে প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে। এ গানটি প্রসঙ্গে কাজী শুভ বলেন, ‘এন্ড্রু কিশোর দাদা প্রথমবার আমার সুরে গাইলেন। এটা আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া। তার মতো গুণী শিল্পীর সঙ্গে কাজ করে অনেক কিছুই শিখলাম। আশা করি এ শিক্ষা আমার সঙ্গীত জীবনে অনেক কাজে লাগবে।’ এ গান ছাড়াও কাজী শুভ ভালোবাসা দিবসে প্রকাশের লক্ষ্যে কয়েকটি গান নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

ক্ষমা চাইলেন রাম চরণ

বিনোদন বাজার ॥ দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক রাম চরণের সর্বশেষ সিনেমা ‘বিনয়া বিধেয়া রামা’ সিনেমাটি দর্শক পছন্দ করেনি। তাই দর্শকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন রাম চরণ। তিনি বলেছেন, আমাকে এবং আমার সিনেমাগুলোকে ভালোবাসার জন্য আমি অনেক সম্মানিত এবং কৃতজ্ঞ। ‘বিনয়া বিধাতা’ সিনেমার সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই। কোনো প্রশংসাই যথেষ্ট না প্রযোজক ডি ভি ভি দানায়ার জন্য। আমি আমার ডিস্ট্রিবিউটর এবং পরিচালকদের কাছে কৃতজ্ঞ আমাদের সিনেমায় বিশ্বাস রাখার জন্য। আমরা আপনাদের আনন্দ দেয়ার মতো একটি ফিল্ম তৈরির জন্য অনেক পরিশ্রম করেছি। দুর্ভাগ্য, আমাদের কষ্ট সফল হয়নি এবং আমরা দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। কিন্তু আপনার ভালোবাসা এবং প্রশংসা আমাকে আরো বেশি পরিশ্রম করে আরো ভালো ছবি তৈরির জন্য অনুপ্রেরণা দেয়। গত ১০ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল ভারতের তেলেগু ভাষার ছবি ‘বিনয়া বিধেয়া রামা’।

দেশের গানে অনুপমা মুক্তি

বিনোদন বাজার ॥ সঙ্গীত জীবনের দীর্ঘদিনের পথচলায় এবারই প্রথম তিনি দেশের গান গাইতে যাচ্ছেন। তার স্বামী শরীফ রাজকুমারের সুর-সঙ্গীতে ও মিলন খানের কথায় ‘অন্তর আমার লাল সবুজের প্রান্তর’ গানে কণ্ঠ দিবেন অনুপমা মুক্তি। এরই মধ্যে গানটির মিউজিক অ্যারেঞ্জম্যান্টের কাজ চলছে। শিগগিরই গানটির রেকর্ডিং শেষে মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হবে। আগামী স্বাধীনতা দিবসে গানটি প্রকাশের ইচ্ছে রয়েছে অনুপমা মুক্তির। অনুপমা মুক্তি বলেন, এর আগে রেডিও টিভিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অনেক দেশের গান গেয়েছি। কিন্তু এবারই প্রথম নিজের একটি দেশের গান হতে যাচ্ছে। আমি ভীষণভাবে কৃতজ্ঞ আমার স্বামী শরীফ রাজকুমারের কাছে। কারণ তারই ভীষণ আগ্রহে, অনুপ্রেরণায় আমার এ গানটি হতে যাচ্ছে। আমি খুব আশাবাদী গানটি নিয়ে।

 

জেনিফার লরেন্সের বিয়ে

বিনোদন বাজার ॥ অগোছালো জীবনকে গুছিয়ে আনতে বিয়ে করছেন জেনিফার লরেন্স। প্রেমিক কুক ম্যারোনির সঙ্গে কিছুদিন আগেই বাগদান সেরেছেন এই ‘হাঙ্গার গেমস’ তারকা। ধর্মমতে, পাশাপাশি থাকার শপথও নিয়েছেন দুজনে। হলিউডভিত্তিক গসিপ ম্যাগাজিন কসমোপলিটন লরেন্সের বাগদানের খবরটি ‘সারপ্রাইজ’ শিরোনাম দিয়ে প্রকাশ করেছে বুধবার। পত্রিকাটি লিখেছে, স্বল্পসময়ের জন্য পরিচিত হলেও ম্যারোনির সঙ্গেই ঘর সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লরেন্স। আর সেটি জানা গেছে লরেন্সের অনামিকায় থাকা হীরের আংটিটির সূত্র ধরে। কারণ কিছুদিন আগেও লরেন্সের আঙুলটি খালি ছিল। পরে ফক্স নিউজের কাছে অবশ্য বাগদানের কথা স্বীকার করেন লরেন্স। ম্যারোনির সঙ্গে মাত্র কয়েক মাস ধরে প্রেম করছেন লরেন্স। এর আগে মাদার সিনেমায় কাজ করার সময় ছবিটির পরিচালক ড্যারেন অ্যারোনফস্কির সঙ্গে প্রেমে জড়িয়েছিলেন তিনি। ‘ব্ল্যাক সোয়ান’ নির্মাতা ছাড়াও আরো চারজনের নাম রয়েছে লরেন্সের প্রেমিকের তালিকায়। তাই ‘স্বামী’ হিসেবে ম্যারোনির জিতে যাওয়ায় অবাক হয়েছেন অনেকে। এমনকি লরেন্সের ভক্তরাও ঘটনাটিকে ‘আশাতীত’ বলে বর্ণনা করেছেন।

বহুমুখী পাট পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ টেকসই, পচনশীল ও পরিবেশবান্ধব পাট পণ্যের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় পাট পণ্যের উৎপাদন কম। এ কারণে বহুমুখী পাট পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর ডেমরায় স্থাপন করা হবে পাট পণ্য উৎপাদনের কারখানা। মসৃণ কাপড়সহ বহুমুখী পাট পণ্য উৎপাদিত হবে এই কারখানায়। দেশ-বিদেশে গৃহস্থালি ও দাফতরিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী এসব পণ্য রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে দারিদ্র্য কমানো এবং টেকসই উন্নয়নের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনেও সরকারকে সহায়তা করবে এই কারখানা। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কারখানা স্থাপনে ‘বহুমুখী পাট পণ্য উৎপাদন ফ্যাক্টরি স্থাপন, ডেমরা, ঢাকা’ নামে একটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। এটি বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ১৮৩ কোটি টাকা। অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২০ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি)। পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, প্রস্তাব পাওয়ার পর ২০১৮ সালের ১ মার্চ প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় কিছু শর্ত সাপেক্ষে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হতে পারে। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক তন্তু হলো পাট। প্রকৃতির আশীর্বাদপুষ্ট বাংলাদেশে প্রচুর পাট উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। পাট মূলত বহুমুখী ও পুনর্ব্যবহারের উপযোগী, টেকসই, দূষণমুক্ত, পচনশীল, নিরাপদ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকিমুক্ত এবং পরিবেশবান্ধব তন্তু। এসব কারণে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাজারে বহুমুখী পাট পণ্যের চাহিদা দিন দিন সম্প্রসারিত হচ্ছে। ফলে পাটজাত পণ্য রফতানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এর আগে, ২০১৪ সালের ১২ অক্টোবর বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় পরিদর্শনের সময় বিজেএমসিকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ২০১৬ সালের ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত বিজেএমসির অধীন জুট মিলে বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদনের জন্য পৃথক ইউনিট স্থাপন বিষয়ে আলোচনা সভায় প্রস্তাবিত প্রকল্পটি প্রণয়নের নির্দেশনা দেয়া হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, উদ্যোগী মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার ডেমরায় অবস্থিত করিম জুট মিলের অব্যবহৃত জায়গায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে ২০১৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নীতিগত অনুমোদন দেন। বর্তমানে প্রকল্পটিতে উৎপাদিত মসৃণ কাপড় দ্বারা বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদন ও রফতানি করা হবে, পাশাপাশি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি পাটপণ্য প্রস্তুতকারীরাও প্রকল্পে উৎপাদিত কাপড় দিয়ে বিভিন্ন নক্সার দৈনন্দিন ব্যবহারের উপযোগী পাটপণ্য তৈরি করতে পারবে। এসব পণ্য দেশের বাজারে বিক্রির পাশাপাশি বিদেশেও রফতানি করা যাবে। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রস্তাবিত প্রকল্পটির আওতায় বছরে ১ হাজার ৮৯০ টন পাটের মসৃণ সুতা ও ১ হাজার ৮৫০ টন পাটের মসৃণ কাপড়সহ বছরে বিভিন্ন আকার ও নক্সার লাখ পিস পাটের ব্যাগ ও অন্যান্য বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সদস্য জুয়েনা আজিজ পরিকল্পনা কমিশনের মতামত দিতে গিয়ে বলেন, প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য ডেমরায় বিজেএমসির করিম জুট মিলের অব্যবহৃত জায়গায় বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপন করে পরিবেশবান্ধব বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, দারিদ্র্যবিমোচনসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মিলের খালি জায়গার সদ্ব্যবহার করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পাট খাতে কর্মরত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তরাও উপকৃত হবেন এবং এ খাতের প্রসার হবে।

লিডের পথে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ পারভেজ হোসেন, তৌহিদ হৃদয় ও আকবর আলীর ফিফটিতে প্রথম যুব টেস্টে চালকের আসনে বসেছে বাংলাদেশ। বোলাররা ইংল্যান্ডকে তিনশ রানের নিচে থামানোর পর দলকে লিডের পথে রেখেছেন ব্যাটসম্যানরা। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে স্বাগতিকদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৬৬ রান। অধিনায়ক আকবর ৫৬ ও শাহাদাত হোসেন জুনিয়র শূন্য রানে ব্যাট করছেন। বাংলাদেশ মাত্র ১৪ রানে পিছিয়ে আছে। শুরুতেই তানজিদ হাসানকে হারায় বাংলাদেশ। দ্বিতীয় উইকেটে অমিত হাসানের সঙ্গে ৯৩ রানের জুটিতে দলকে দৃঢ় ভিতের ওপর দাঁড় করান পারভেজ। ধীরে কিন্তু দৃঢ়ভাবে এগোনো জুটি ভাঙে রান আউটে। তিন চারে ৪৯ রান করে ফিরে যান অমিত। হৃদয়ের সঙ্গে ৪১ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন পারভেজ। টপ অর্ডার এই ব্যাটসম্যানের ১৪৮ বলে খেলা ৬২ রানের ইনিংস গড়া ৭ চার ও দুই ছক্কায়। বেশিক্ষণ টিকেননি মিডল অর্ডারের অন্যতম ভরসা শামিম হোসেন। পঞ্চম উইকেটে হৃদয়ের সঙ্গে কিপার ব্যাটসম্যান আকবরের ৮৯ রানের জুটিতে আড়াইশ ছাড়ায় স্বাগতিকদের সংগ্রহ। আর কোনো ক্ষতি ছাড়াই দিন কাটিয়ে দেওয়ার আশা জাগিয়েছিলেন তারা। কিন্তু দিনের মাত্র ৭ বল বাকি থাকতে ফিরে যান হৃদয়। ৮ চার ও ১ ছক্কায় ১৩৮ বলে ৫৬ রান করেন তিনি। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেওয়া আকবর খেলছেন ৫৬ রানে। তার ৬৯ বলের ইনিংস গড়া ৮ চার ও এক ছক্কায়। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে শুক্রবার ৮ উইকেটে ২৬১ রান নিয়ে দিন শুরু করা ইংল্যান্ড গুটিয়ে যায় ২৮০ রানে। ৪ রান করা অ্যাডাম ফিঞ্চকে বোল্ড করে নিজের তৃতীয় উইকেট নেন মিনহাজুর রহমান। রানের খাতা খোলার আগেই রান আউট হয়ে যান জ্যাক মোরলে। ২৬ রানে অপরাজিত থাকেন ড্যান মোজলি।  সংক্ষিপ্ত স্কোর: ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ ১ম ইনিংস: (আগের দিন ২৬১/৮) ৯৪.২ ওভারে ২৮০ (মোজলি ২৬*, ফিঞ্চ ৪, মোরলে ০; রুহেল ৪/৭১, গালিব ২/৬৮, হৃদয় ০/২৯, রাকিবুল ০/৩৪, শামিম ০/১৬, মিনহাজুর ৩/৩৭, শাহাদাত জুনিয়র ০/৭)। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ১ম ইনিংস: ৮৩ ওভারে ২৬৬/৫ (তানজিদ ৪, অমিত ৪৯, পারভেজ ৬২, হৃদয় ৬১, শামিম ১২, আকবর ৫৬*, শাহাদাত জুনিয়র ০*; ফিঞ্চ ১/২২, বল্ডারসন ১/২৫, কাদরি ১/৮৯, হলম্যান ০/৩৮, মোরলে ০/৬৬, হিল ০/৪, গোল্ডসওয়ার্থি ১/৩)।

আগেই নিউ জিল্যান্ড যাচ্ছেন মুমিনুল-সাদমান

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ টেস্ট দলের ক্রিকেটারদের যাওয়ার কথা ছিল আরও কদিন পর। কিন্তু ওয়ানডে দলকে সঙ্গ দিতে দুজনকে যেতে হচ্ছে আগেই। শুক্রবার সকালে নিউ জিল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম। টেস্ট দলের এই দুই জনের সঙ্গে যাচ্ছেন ওয়ানডে স্কোয়াডে থাকা শফিউল ইসলাম ও মোহাম্মদ মিঠুন। ওয়ানডে স্কোয়াডের প্রথম ভাগ এর মধ্যেই পৌঁছে গেছে নিউ জিল্যান্ডে। সেই দলে আছেন বিপিএলের সেরা চারে থাকতে না পারা দলগুলির ৮ ক্রিকেটার। মুমিনুল-সাদমানকে আগে যেতে হচ্ছে মূলত প্রস্তুতি ওয়ানডের জন্য। রোববার একদিনের প্রস্তুতি ম্যাচটি হবে লিঙ্কনে। বুধবার দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে হেরে যাওয়া রংপুর রাইডার্সের শফিউল ও মিঠুন দলে যোগ দিলেও মোট ক্রিকেটার হয় ১০ জন। প্রস্তুতি ম্যাচের একাদশ গড়াই দায়। টেস্ট দলের মুমিনুল ও সাদমানকে তাই নেওয়া হচ্ছে আগে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ওয়ানডে দল চেলে যাবে প্রথম ওয়ানডের ভেন্যু নেপিয়ারে। মুমিনুল ও সাদমান ক্রাইস্টচার্চে থেকে অনুশীলন করবেন। ১৫ ফেব্র“য়ারি ঢাকা ছাড়বে টেস্ট দলে থাকা অন্যরা। ওয়ানডে সিরিজ শেষ হবে ২০ ফেব্র“য়ারি। ততদিন ক্রাইস্টচার্চে থেকে অনুশীলন করবে টেস্ট দলের ক্রিকেটাররা। ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা, সহ-অধিনায়ক সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, রুবেল হোসেন ও মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ঢাকা ছাড়বেন শনিবার। তারা দলের সঙ্গে যোগ দেবেন সরাসরি নেপিয়ারে। ওয়ানডের বাংলাদেশ দল: মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, লিটন কুমার দাস, সাকিব আল হাসান (সহ অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, নাঈম হাসান, শফিউল ইসলাম, সাব্বির রহমান।

 

 

রোহিতের ব্যাটে সমতায় ভারত

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ ক্রুনাল পান্ডিয়ার দুর্দান্ত বোলিং নিউ জিল্যান্ডকে আটকে রাখল মাঝারি স্কোরে। রোহিত শর্মার ঝড়ো ফিফটি দলকে এনে দিল ভালো শুরু। আগের ম্যাচে রেকর্ড ব্যবধানে হারের ধাক্কা সামলে বড় জয়ে সমতায় ফিরল ভারত। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নিউ জিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ভারত। তিন ম্যাচ সিরিজে এখন ১-১ সমতা। অকল্যান্ডে শুক্রবার ক্রুনালের বাঁহাতি স্পিনে শুরুর দিকেই ভোগায় নিউ জিল্যান্ডকে। ২০ ওভারে তোলে তারা ১৫৮ রান। ভারত অনায়াসে জেতে ৭ বল বাকি রেখে। টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা কিউইরা তৃতীয় ওভারে হারায় টিম সাইফার্টকে। আগের ম্যাচে বিস্ফোরক ইনিংস খেলা ওপেনার এ দিন একটি করে চার ও ছক্কায় ১২ রান করে ফেরেন ভুবনেশ্বর কুমারের বলে। কলিন মানরো ও কেন উইলিয়ামসন চেষ্টা করছিলেন জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেওয়ায়। তখনই দৃশ্যপটে আবির্ভাব ক্রুনালের। পাওয়ার প্লের মধ্যে বোলিংয়ে এসেও বাঁহাতি স্পিনার এক ওভারে ফেরান মানরো ও ড্যারিল মিচেলকে। মিচেলের উইকেটটি অবশ্য জন্ম দিয়ে তুমুল বিতর্কের। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দেওয়ার পর রিভিউ নেন মিচেল। প্রথম রিপ্লেতেই ধরা পড়ে বল ব্যাটে লেগেছে বেশ জোরে, হটস্পটেও ধরা পড়ে স্পষ্টভাবে। কিন্তু বিস্ময়করভাবে রিয়াল টাইম স্নিকোতে ধরা পড়েনি কিছু। রিপ্লে ও হটস্পটে যদিও যথেষ্ট ছিল ব্যাটে লাগার প্রমাণ, তবু স্নিকো দেখে তৃতীয় আম্পায়ার আউটের ঘোষণাই রেখে দেন। ব্যাটসম্যান মিচেল, উইকেটে থাকা অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন প্রতিবাদ করেন তখনই। আলোচনা চলে কিছুক্ষণ। কিন্তু আম্পায়ারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর মিচেলের মাঠ না ছেড়ে উপায় ছিল না। ক্রুনাল খানিক পর ফিরিয়ে দেন ১৭ বলে ২০ রান করা উইলিয়ামসনকেও। অষ্টম ওভারে নিউ জিল্যান্ডের রান তখন ৪ উইকেটে ৫০। ধুঁকতে থাকা দলকে উদ্ধার করেন কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ও রস টেইলর। প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটিতে ৪ ছক্কায় ২৮ বলে ৫০ করেন ডি গ্র্যান্ডহোম। ৩৬ বলে ৪২ করে টেইলর হন রান আউট। শেষ দিকে বাঁহাতি পেসার খলিল আহমেদের জোড়া উইকেটে দ্রুত রান তুলতে পারেনি কিউইরা। ছোটো মাঠ ও ব্যাটিং উইকেটে ১৫৯ রানের লক্ষ্য খুব চ্যালেঞ্জিং ছিল না। ভারতের ব্যাটিংয়ে সেটি প্রমাণও হয়ে যায়। রোহিত ও শিখর ধাওয়ান উদ্বোধনী জুটিতে তোলেন ৭৯ রান। রোহিত ছিলেন বেশি আগ্রাসী। ২৯ বলে ৫০ রান করে ভারতের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক আউটও হন আগে। দলের জয়ের পথে এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি দেখা পান দুটি মাইলফলকের। মার্টিন গাপটিলকে (২ হাজার ২৭২) পেছনে ফেলে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এখন রোহিতের (২ হাজার ২৮৮)। এ দিনের ৪ ছক্কায় তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ছুঁয়েছেন টি-টোয়েন্টিতে ছক্কার সেঞ্চুরি। তার ১০২ ছক্কার চেয়ে বেশি ছক্কা আছে গাপটিল (১০৩) ও ক্রিস গেইলের (১০৩)। লকি ফার্গুসনের গোলার মতো এক বাউন্সার পরে ধাওয়ানকে ফিরিয়েছে ৩০ রানে। তবে ভারতের জিততে সমস্যা হয়নি। তিনে নেমে ২৮ বলে ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছেন রিশাভ পান্ত। মহেন্দ্র সিং ধোনি ১৭ বলে ২০ করে আরও একবার ফিরেছেন দলের জয় সঙ্গে নিয়ে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: নিউ জিল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৫৮/৮ (সাইফার্ট ১২, মানরো ১২, উইলিয়ামসন ২০, মিচেল ১, টেইলর ৪২, ডি গ্র্যান্ডহোম ৫০, স্যান্টনার ৭*, কুগেলাইন ২, সাউদি ৩*; ভুবেনশ্বর ১/২৯, খলিল ২/২৭, হার্দিক ১/৩৬, ক্রুনাল ৩/২৮, চেহেল ০/৩৭)। ভারত: ১৮.৫ ওভারে ১৬২/৩ (রোহিত ৫০, ধাওয়ান ৩০, পান্ত ৪০*, শঙ্কর ১৪, ধোনি ২০*; সাউদি ০/৩৪, কুগেলাইন ০/৩২, ফার্গুসন ১/৩১, স্যান্টনার ০/১৬, সোধি ১/৩১, মিচেল ১/১৫)। ফল: ভারত ৭ উইকেটে জয়ী। সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা। ম্যান অব দা ম্যাচ: ক্রুনাল পান্ডিয়া।

 

নতুন ভূমিকায় পন্টিং

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ দুটি বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ী অধিনায়ক। ছিলেন আরও একটি করে বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ হওয়া দলে। সব মিলিয়ে ৫টি বিশ্বকাপ খেলেছেন রিকি পন্টিং। বিশ্বকাপে যাচ্ছেন এবারও। তবে নতুন ভূমিকায়। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে সাবেক অধিনায়ককে সহকারী কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার সহকারী কোচের দায়িত্ব থেকে ডেভিড সেকার পদত্যাগ করার পরদিনই এলো পন্টিংকে নেয়ার ঘোষণা। সেকার মূলত ছিলেন বোলিং কোচ। ব্যাটিং গ্রেট পন্টিং মূলত দেখবেন ব্যাটিংয়ের দিকটিই। পাশাপাশি দলের কৌশল, ম্যাচ পরিকল্পনা, এসব নিয়ে সাহায্য করবেন প্রধান কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গারকে। অস্ট্রেলিয়ার মূল ব্যাটিং কোচ গ্রায়েম হিকও থাকছেন। তবে পন্টিং নিয়োগ পাওয়ার পর হিকের দায়িত্ব হবে বিশ্বকাপের পরপরই শুরু হতে যাওয়া অ্যাশেজের জন্য অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যানদের প্রস্তুত করে তোলা। পন্টিং এর আগে বিভিন্ন সময়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি দলে উপদেষ্টা কিংবা ব্যাটিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য। পূর্ণকালীন দায়িত্ব পেয়ে রোমাঞ্চিত এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার। “এ বছরের বিশ্বকাপের জন্য কোচিং গ্রুপের অংশ হতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। আগে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে সংক্ষিপ্ত মেয়াদের কাজগুলিও আমি দারুণ উপভোগ করেছি। তবে বিশ্বকাপ মানে পুরো ভিন্ন এক ব্যাপার।” “নির্বাচকদের হাতে থাকা ক্রিকেটারদের সামর্থ্যে আমার আস্থা অগাধ। আমি জানি, এবারের বিশ্বকাপে আমাদেরকে হারানো অন্য যেকোনো দলের মতোই কঠিন হবে।”

ঝিনাইদহের ৪ ইউনিয়নে ১৯ যুবকের নিখোঁজ পরিবারে বোবা কান্না

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ঝিনাইদহের চারটি ইউনিয়নের ১৯ জন যুবক ৬ বছর ধরে নিখোঁজ। এর মধ্যে সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল্লার ছেলে আব্দুল হামিদ, মৃত তোফাজ্জেলের ছেলে লাবলু রহমান জিতু ও আবুল কাসেমের ছেলে আরাফাত। একই ইউনিয়নের গাড়ামারা গ্রামের গোলাম রসূলের ছেলে রিপন, গোলাম মোস্তফা দুলালের ছেলে ফরিদ হোসেন, ইদ্রিস আলির ছেলে আবু বকর, শহর আলির ছেলে নাজমুল হক, নাছির উদ্দিনের ছেলে লালচাঁদ, বসির উদ্দিনের ছেলে মাসুদ রানা মচু, শাহী উদ্দিনের ছেলে আলমগীর ও লুৎফর রহমানের ছেলে অলিয়ার রহমান, ফুরসন্দি ইউনিয়নের মিয়াকুন্ডু গ্রামের সাহেব আলী মন্ডলের ছেলে ইউনুছ আলী, জলিল জোরদারের ছেলে বাচ্ছু জোয়ারদার, ময়েন উদ্দিন জোয়াদ্দারের ছেলে বিপুল জোয়াদ্দার ও আতিয়ার রহমান বিশ্বাসের ছেলে ওলিয়ার রহমান, ঘোড়শাল ইউনিয়নের পিরোজপুর গ্রামের বিশারত মন্ডলের দুই ছেলে তারিক মন্ডল ও উলফাত মন্ডল ও দিপু বিশ্বাসের ছেলে শহিদুল ইসলাম ও মধুহাটী ইউনিয়নের মহামায়া গ্রামের জালাল উদ্দীন। নিখোঁজ এ সব যুবকরা কোথায় আছে পরিবারের কেও জানে না। দালালদের খপ্পরে পরে সগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে এ সব যুবক নিখোঁজ হয়। কেও সাগরের বুকে ট্রলারে চেপে শুধু এটুকুই বলেছে “আমি মালায়েশিয়া যাচ্ছি অমুক দালালের কাছে টাকা পাঠাও”। এমন নিখোঁজ এক যুবক ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হালিধানি ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ। তার মা হাজেরা বেগম সন্তানের জন্য ৬ বছর পথ চেয়ে বসে আছে। মসজিদ ও মাজারে কত মানত করেছে। রোজা ও নফল নামাজ পড়েছে। কিন্তু বুকের ধন হামিদ আজো ফিরে আসেনি। বুক চাপড়ে আহাজারী করতে করতে হাজেরা বেগম বলেন আকার (চুলা) আগুন নিভে যায়, কিন্তুু বুকের আগুন নেভে না। হামিদের স্ত্রী লিপি খাতুন জানান, আমার কোলের মেয়ে জামিলার বয়স যখন এক বছর তখন স্বামী এক বিকালে হলিধানি বাজারে যাওয়ার নাম করে বের হয়, আর ফিরে আসেনি। ১৪/১৫ দিন পর একটি অচেনা নাম্বর থেকে মোবাইলের মাধ্যমে জানায় যে আমি মালয়েশিয়া চলে যাচ্ছি, জাহাজে উঠেছি পরে কথা হবে। মালায়েশিয়া গেলে টাকা দিতে হবে। এই বলে মোবাইল কেটে দেয়। যে সে বেঁচে আছে না মরে গেছে সেটাও জানি না। আমার ছোট মেয়ে জামিলার বয়স এখন ৬ বছর। হামিদের ৩ মেয়ে পিতার ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন, মাস ও বছর পার করে দিচ্ছে। কিন্তু প্রতিক্ষার যেন শেষ হচ্ছে না। একই গ্রামের নিখোঁজ লাবলুর পিতা ছেলের শোকে দুই বছর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তার ২ মেয়ে। পাশের বাড়ির নিখোঁজ আরাফাতের স্ত্রী হালিমা খাতুন জানায় তারও ৩ মেয়ে পিতার ছবি বুকে আঁকড়ে ধরে কান্নাকাটি করে। পানি পথে মালয়েশিয়া গিয়ে ফিরে আসা রামচন্দ্রপুর গ্রামের আব্দুল মতিন নির্মম অভিজ্ঞতা বর্ননা করে বলেন ট্রলারে যাওয়ার সময় দালালেরা ঠিক মত খাবার দেয় না। কেও অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে জীবিত সাগরে ফেলে দেয়। আবার কারো কারো থাইল্যান্ডের জঙ্গলে মুমুর্ষ অবস্থায় পুতে রাখে। এটা তিনি নিজে চোখে দেখেছেন। ঝিনাইদহ জেলা জুড়ে আরও অনেক যুবক মালয়েশিয়া পানি পথে যাওয়ার সময় নিখোঁজ থাকতে পারেন এমন আশংকাও রয়েছে। এসব পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গাড়ামারা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে আতিয়ার দালাল এদের অবৈধ পথে নিয়ে যেতে উৎসাহিত করে। ক্ষতিগ্রস্থরা আতিয়ারের নামে মামলা করলেও সে জামিনে মুক্ত হয়ে মলয়েশিয়ায় চলে গেছে। এই ৮ জনের মধ্যে দালাল আতিয়ারের ভাই ওলিয়ারও নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ঘোড়শাল ও ফুরসন্দি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে নিখোঁজ থাকা ৭ যুবকের কাছ থেকে তেতুলবাড়িয়া গ্রামের শামছুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে সবের আলী দালাল ও ঝিনাইদহ শহরের পবোহাটি গ্রামের মৃত মকবুল হোসেনের ছেলে আফাঙ্গির দালাল মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ সব দালালরা থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জেলে নিখোঁজ যুবকদের আটক থাকার মিথ্যা তথ্য দিয়ে কয়েক দফা টাকা হাতিয়ে নেয় ওই সব পরিবারের কাছ থেকে। অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়ার সময় নিখোঁজ থাকার কারণে আইন আদালতেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো তেমন কোন সুবিধা পায়নি। বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক সবিতা রানী জানান, যারা বৈধভাবে বিদেশে যান কেবল তাদের তথ্য তাদের কাছে থাকেন। অবৈধভাবে কেও গেলে বা মৃত্যুর শিকার হলে আমরা তাদের আইনগত সহায়তা দিতে পারিনা। আবার তাদের কোন তথ্যও আমাদের কাছে থাকে না। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার তথ্য প্রমান দিয়ে অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

বিশ্বব্যাংকের সমালোচক মালপাসকেই ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট করছেন ট্রাম্প

ঢাকা অফিস ॥ বিশ্বব্যাংকের কর্মকান্ডের সমালোচক ডেভিড মালপাসকেই ব্যাংকটির প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মালপাস যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা। তিনি বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট হলে বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোয় ঋণ প্রবাহ কমিয়ে আনতে ব্যাংক চাপে পড়তে পারে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের এ মনোনয়ন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। কারণ, বিশ্বব্যাংকের সমালোচক মালপাস দায়িত্ব পেলে ব্যাংকের ভূমিকা কমানোর চেষ্টা করবেন বলে অনেকেই উদ্বিগ্ন। তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান মালপাস হবেন ‘প্রবৃদ্ধি-পন্থি এক সংস্কারক’। ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে মালপাসের প্রশংসায় ট্রাম্প বলেন, “মালপাস দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বব্যাংকের কাজের জবাবদিহি করানো নিয়ে জোর গলায় কথা বলে এসেছেন।” মালপাস বিশ্বব্যাংকের ডলার কার্যকরভাবে এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে ব্যয় করে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি দেশের মূল্যবোধ রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন বলেই ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেন। ট্রাম্পের অনুগত মালপাস ২০১৬ সালে নির্বাচনী প্রচারের সময় প্রেসিডেন্টের ঊর্ধ্বতন অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। ২০১৭ সালের অগাস্ট থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মালপাস বিশ্ব ব্যাংকের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মত প্রতিষ্ঠানেরও সমালোচনা করে এসেছেন। বিশেষ করে চীনকে ঋণ দেওয়া নিয়ে ব্যাংকের সমালোচনা করেছেন তিনি। তার মতে, চীন ধনী। তাই তাদের এত ঋণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অন্যান্য দেশগুলোতে ঋণ দেওয়া নিয়েও মালপাস কঠোর সমালোচনা করেছেন। অন্য কোনো দেশ মালপাসের বিপরীতে আর কোনো প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করবে কি-না তা এখনো স্পষ্ট নয়। ১৮৯ সদস্যের বিশ্বব্যাংক ১৪ মার্চ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট পদের জন্য নাম নেবে। পরে  সাক্ষাৎকারের জন্য তিনজন প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হবে। বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম তার পদ ছাড়ার কথা জানানোর পর থেকেই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হবেন তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

ভেড়ামারার ইউএনও সোহেল মারুফের সাথে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের সৌজন্য সাক্ষাৎ

আল-মাহাদী ॥ মানব সেবা এবং দূর্নীতি ও নানা ধরনের অপকর্ম রোধে এক ধাপ এগিয়ে লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ। গতকাল সকাল ১১ টায় লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের পক্ষ থেকে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং লাল কার্ড বই ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানায় কুষ্টিয়া জেলা লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘের সভাপতি এবং দৈনিক সরেজমিন বার্তার কুষ্টিয়া প্রতিনিধি মোঃ মিলন আলী, সাধারন সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, লাল সবুজের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রসেনজিত রায়, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক স্বাধীন আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক মোজাহিদ, সদস্য তুষার হোসেন, রকিবুল ইসলাম রকিব এবং কলকাতা টিভির দৌলতপুর প্রতিনিধি সোহানুর রহমান সোহানসহ প্রমূখ। উক্ত আলোচনায় ভেড়ামারার নানা সমস্যা চিহ্নিতকরন ও তার প্রতিকারের জন্য সকল কাজে সহায়তা করার আশ্বাস দেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ।

হারকিউলিস লাগিয়ে হত্যা ভালো কাজ নয় – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, হারকিউলিসের নাম করে ধর্ষণ মামলার আসামিদের কারা হত্যা করছে, সেই রহস্য সরকার উদঘাটন করতে চায়। গতকাল শুক্রবার ঢাকার লালমাটিয়ার একটি স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর এমন বক্তব্য আসে। তিনি বলেন, কোনো হত্যাকান্ডই সরকার কিংবা রাষ্ট্রের কাম্য নয়। এই হারকিউলিস লাগিয়ে যাঁরা হত্যা করছেন, আমি মনে করি, তারাও ভালো কাজ করছেন না। আইনের হাতে তাদের সোপর্দ করা উচিত ছিল। গত এক মাসের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ মামলার অন্তত তিন আসামির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের গলায় বাঁধা চিরকুটে লেখা ছিল- ‘ধর্ষণের অপরাধেই’ তাদের এ পরিণতি। এর মধ্যে ঝালকাঠির ভান্ডারিয়ার এক আসামির লাশের সঙ্গে চিরকুটে লেখা ছিল- ধর্ষকের পরিণতি ইহাই। ধর্ষকরা সাবধান। হারকিউলিস। কে বা কারা এসব হত্যাকান্ড ঘটাচ্ছে, সে বিষয়ে কিছুই বলতে পারছে না পুলিশ। তবে গ্রিক পুরানের বীর হারকিউলিসের নাম চিরকুটে আসার পর বিষয়টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও আলোচিত হচ্ছে। মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল এ ঘটনাকে ‘অশুভ লক্ষণ’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছেন, রাষ্ট্র এ ধরনের কর্মকান্ড বন্ধ করতে না পারলে জনগণের মধ্যে বিচার ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা সৃষ্টি হতে পারে। আর জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজি রিয়াজুল হক বলেছেন, আইন হাতে তুলে নেয়ার এখতিয়ার কারও নেই। এই হারকিউলিস কোথা থেকে এল- তা খুঁজে বের করা পুলিশ বা রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব। গতকাল শুক্রবার লালমাটিয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এভাররোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও মুক্তিযুদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকরা কথিত সেই হারকিউলিসের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মন্ত্রী বলেন, ধর্ষকদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত। তবে তাদের এভাবে হত্যা করা আইনসম্মত হচ্ছে না। যে দুই একটি ঘটনা ঘটেছে, সেগুলো আমরা দেখছি। তদন্ত করে এর রহস্যটা আমরা উদঘাটন করব। ‘সুন্দর বাংলাদেশ’ গড়তে মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সবার সহযোগিতা চেয়ে মন্ত্রী বলেন, স্কুল, কলেজ, মাদরাসা শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, সংবাদকর্মীসহ সমাজের সকল শ্রেণির মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে। তাহলেই সমাজ থেকে মাদক নির্মূল সম্ভব হবে। অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য নুরুন্নবি চৌধুরী শাওন এবং বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

টেলিভিশনের সুরক্ষায় সম্প্রচার নীতিমালা ও আইন হবে – তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ টেলিভিশনের সুরক্ষায় সম্প্রচার নীতিমালা ও আইন হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল শুক্রবার সকালে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র বাংলাদেশের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে অনুষ্ঠিত হয় দিনব্যাপী সম্প্রচার সম্মেলন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, টেলিভিশনের সুরক্ষায় সম্প্রচার নীতিমালা ও আইন হবে। দেশ গঠনে টেলিভিশনের মালিক ও সম্প্রচার সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে বলেও জানান তিনি। তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডের যখন প্রজ্ঞাপন জারি হবে, একই সঙ্গে মন্ত্রিসভা যে সম্প্রচার নীতিমালা অনুমোদন করেছে, সেটিকে আইনে রূপান্তর করতে হবে। সেটি করার পর এই মাধ্যমে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁদের আইনগতভাবে সুরক্ষা দেওয়াটা আমাদের পক্ষে সম্ভবপর হবে। আমি জানি যে, অনেক টেলিভিশন চ্যানেলে কয়েক মাস ধরে বেতন বাকি। সেখানে সংকট আছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইচ্ছারও ঘাটতি আছে। বেতন-ভাতার কারণে তারা যাতে অসুবিধায় না থাকেন, সেদিকে আমরা সবাই সম্মিলিতভাবে দৃষ্টিপাত করব। অনুষ্ঠানে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্রের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক সংগঠনের কার্যক্রমসহ নানা দিক তুলে ধরেন। মূলত সদস্যদের কল্যাণমূলক কাজ ও ঝুঁকি মোকাবিলা, পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানো, অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং গবেষণা ও নীতি সহায়তা দেওয়াই হবে এই সংগঠনের কাজ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ডাউনলিংক করা বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিনা অনুমতিতে বিদেশি বিজ্ঞাপন প্রচার আইনত অপরাধ। এটি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার। নতুন সরকার গঠনের পরপরই মন্ত্রিপরিষদের প্রথম সভায় নবম ওয়েজ বোর্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে উলে¬খ করে মন্ত্রী বলেন, প্রথম বৈঠকে নতুন করে কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী সেটির অনুমোদন দিয়েছেন। নবম ওয়েজ বোর্ডের ভেতরে সম্প্রচার সাংবাদিকদের বেতনের ক্ষেত্রে আলাদা নীতিমালা করার কথা বলা আছে। টেলিভিশনগুলোতে যেন সঠিক সময়ে বেতন হয়, সে বিষয়ে মালিকদের নজর দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের যাত্রা শুরু হয়েছে। ১৯৯৬ সালে যখন তিনি প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন তখন প্রথম প্রাইভেট চ্যানেল যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ৪৪টির মধ্যে ৩০টিরও বেশি বেসরকারি টিভি সম্প্রচারে আছে। এটি পশ্চিমবঙ্গ থেকেও বেশি। গত দশ বছরে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিকাশ হয়েছে উলে¬খ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজ গণমাধ্যম যথেষ্ট স্বাধীনভাবে কাজ করছে। গণমাধ্যমকর্মীদের সুরক্ষায় একাধিক নীতিমালা করা হয়েছে। পরে ‘সম্প্রচার শিল্প: সম্ভাবনা ও সংকট’ প্রতিপাদ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সাংবাদিক মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় এতে অংশ নেন সাবেক সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, মোজাম্মেল বাবু, রুবানা হক, শাকিল আহমেদসহ অন্যরা। গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত সক্ষমতা বাড়ানোসহ কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও সংশি¬ষ্ট বিষয়ে কাজ করতে যাত্রা শুরু করেছে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার। বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত কর্মীদের কাজের নিরাপত্তা, ঝুঁকি মোকাবিলাসহ গবেষণা ও নীতি সহায়তায় কাজ করবে এই কেন্দ্রটি। সম্প্রচার মাধ্যমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাংবাদিকরা তাদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-ছাত্র কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে নবগঠিত ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের প্রথম সম্প্রচার সম্মেলন ও কেন্দ্র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ প্রত্যাশার কথা জানান। তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের সভাপতি রেজওয়ানুল হক, সদস্যসচিব শাকিল আহমেদ, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজাসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। স্পিকার তার বক্তৃতায় আরও বলেন, কল্যাণমূলক ও ঝুঁকি মোকাবিলা, পেশাগত ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানো, গবেষণা ও নীতি সহায়তা লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে সম্প্রচার সাংবাদিক কেন্দ্র যেন কার্যকরভাবে এগিয়ে যেতে পারে, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা ফেরানোর দাবিতে শাহবাগে অবস্থান

ঢাকা অফিস ॥ সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালসহ সাত দফা দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ’। সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালসহ সাত দফা দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ’। সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালসহ ছয় দফা দাবিতে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের একটি সংগঠন। তারা ঘোষণা দিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্বাস ছাড়া এই অবস্থান থেকে তারা সরবেন না। ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম (চাকরিপ্রত্যাশী ও বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ)’ ব্যানারে হাজারখানেক চাকরি প্রত্যাশী শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের সামনে মানববন্ধন করেন। ওই কর্মসূচি শেষে শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।  ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই মোড় দিয়ে চার দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত সাড়ে ৮টার দিকেও কয়েকশ আন্দোলনকারী শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায় রাজাকারের ঠাঁই নাই’, ‘একাত্তরের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘কোটা কোটা কোটা চাই, ৩০ পার্সেন্ট কোটা চাই’ শে¬াগান দিতে দেখা যায়। সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালসহ সাত দফা দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ’। সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালসহ সাত দফা দাবিতে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে সড়ক অবরোধ করে ‘মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম সমন্বয় পরিষদ’।

ছয় দফা দাবি

১. জাতির পিতা ও তার পরিবারসহ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের ‘অবমাননাকারীদের’ বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা। ২. সরকারি চাকুরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহাল, সংরক্ষণ, বিশেষ কমিশন গঠন করে প্রিলিমিনারি থেকেই শতভাগ কোটা বাস্তবায়ন এবং স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সংরক্ষিত পদগুলে বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে পূরণ করা। ৩. রাজাকারসহ স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা, তাদের বংশধরদের সরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি ও নিয়োগের অযোগ্য ঘোষণা করা এবং চাকরিতে যারা আছে, তাদের চাকুরিচ্যুত করা। ৪. মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও পারিবারিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে তার প্রয়োগ নিশ্চিত করা। ৫. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী সকল অপ্রপ্রচার বন্ধ করা, কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে ‘স্ব-ঘোষিত রাজাকার’ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনে হামলায় জড়িতরাসহ ‘অরাজকতা সৃষ্টিকারী স্বাধীনতাবিরোধীদের’ বিরুদ্ধে দ্রুত আইনুনাগ ব্যবস্থা নেওয়া। ৬. সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজম্মের বয়সসীমা আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি করা। গতবছর পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত ছিল। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ বরাদ্দ ছিল। ওই পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের একটি অংশের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি করে দেয় সরকার। কমিটি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে কোটা বাতিল করে পুরোপুরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের সুপারিশ করলে গত বছরের ৩ অক্টোবর মন্ত্রিসভা তাতে সম্মতি দেয়। পরদিন প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি সংশোধন করে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এরপর ৪০তম বিসিএসের নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও কোটা না রাখার সিদ্ধান্ত নেয় পিএসসি। ওই পরিপত্র জারির পর অগাস্টে ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ ব্যানারে শাহবাগে অবস্থান নিয়ে টানা ছয় দিন বিক্ষোভ করেন একদল চাকরিপ্রার্থী।

 

পবিত্র ওমরাহ পালন করতে গেলেন কালুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম

ফজলুল হক ॥ রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও কালুখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সফল সভাপতি কাজী সাইফুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সৌদি আরবে যান। সেখানে তিনি পবিত্র ওমরাহ পালন করে আগামী ১৩ তারিখে বাংলাদেশে ফেরার কথা রয়েছে। এ বিষয়ে গত বুধবার সন্ধ্যায় তার নিজ অফিসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, বিশ্ব মানবতার মুক্তির দুত যার সৃষ্টি না হলে এই পৃথিবী সৃষ্টি হতো না সেই মহান ব্যক্তি সৃষ্টিকুলের সেরা হযরত মুহাম্মদ (স) এর রওজা মোবারক জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে মক্কা শরীফে গমন করবো। তিনি বলেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত  মানুষ সেবার মাধ্যমে  সকলের সার্বিক সহযোগীতা নিয়ে পথ চলতে চাই। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন  আমি যেন ভালোভাবে আবার আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পারি এবং আল্লাহ্ যেন আমাকে আপনাদের পাশে থেকে  সেবা করার সুযোগ দেন। সর্বপরি তিনি কালুখালী উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মঙ্গল কামনা করেন এবং নিজে ও তার পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করেন।

প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে সরকার – পলক

ঢাকা অফিস ॥ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার। পাশাপাশি প্রযুক্তি নির্ভর দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনেও সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। গতকাল শুক্রবার সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন আয়োজিত জেলার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও ভাষা প্রশিক্ষণ ল্যাবের শিক্ষক, ইউডিসি উদ্যোক্তা এবং ইনফো সরকার ৩য় পর্যায় প্রকল্প সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি। পলক বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে ১৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য কক্সবাজার হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ করা হবে। যেখানে প্রায় ৫ হাজার তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিয়াম ফাউন্ডেশনের অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংসদ সদস্য জাফর আলম, তথ্য ও যেগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রকল্প পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বক্তব্য রাখেন। এ সময় পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাসহ সংশি¬ষ্ট বিষয়ের জেলার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়ন পরিষদের তিন শতাধিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে কক্সবাজার সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন পরিদর্শন করেন তথ্য ও যেগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী। এ সময় কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কক্সবাজার জেলার ৩৫টি এলাকায় ৭৪টি ফ্রি ওয়াই-ফাই জোন বাস্তবায়নের চুক্তি সাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংশি¬ষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মিরপুর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী কাশেম জোয়ার্দ্দারে ভোট প্রার্থনা অব্যাহত

মিরপুর অফিস ॥ গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে মিরপুর উপজেলার আমলা ও মালিহাদ ইউনিয়নের জনগণের সাথে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করলেন ভাইস  চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আবুল কাশেম  জোয়ার্দ্দার। তিনি প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শুক্রবারেও নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। সকাল থেকে  তিনি আমলা ও মালিহাদ ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। ছুটে চলেছেন  ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। কুশল বিনিয়ম করছে সকল শ্রেণি- পেশার মানুষের সঙ্গে। জুম্মার নামাজ আদায় করেন মালিহাদ মসজিদে, নামাজ আদায়ের পরে মুসুল্লিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সকলের কাছে দোয়া চান। অনেক ভোটার বলেন উপজেলার সকল  শ্রেণির জনগণ নিয়ে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ভাইস  চেয়ারম্যান পদে লড়বেন তিনি, আমরাও আশাবাদী তার উপর যে তিনি এলাকার জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরন করবেন। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় ইতিমধ্যেই তিনি গনসংযোগ করে সাধারণ জনগণের সাথে মিশে মানুষের মন জয় করেছেন এবং জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছেন। নির্বাচনী প্রচারনাকালে সফরসঙ্গী ছিলেন মিরপুর উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম বিশ্বাস, সহ-সভাপতি মীর আবু সাজ্জাদ সাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক  সোহাগ আহম্মেদ, দৌলতপুর উপজেলা যুবলীগ যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক ইবনে নান্নু, জেলা ছাত্রলীগ কুষ্টিয়ার প্রচার সম্পাদক এ এইচ এম সজীব, সহ-সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস, রহিদুল সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।