ক্ষমতা ভোগের বিষয় নয়, জনসেবার -প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ রাজনীতি দেশের মানুষের জন্য, নিজের জন্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘ক্ষমতাটা ভোগ করার বিষয় না, জনসেবার বিষয়’। গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। কাজী ফিরোজ রশিদ সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘মানুষের কী ভালো, কী মন্দ, সেটা জানার চেষ্টা করি। মানুষের সমস্যাগুলো সমাধানেরও চেষ্টা করি। আমি মনে করি, জনগণ আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। এটা আমাদের কর্তব্য। কাজেই সেটাকে আমি কর্তব্য হিসেবেই নিয়েছি’। দেশটাকে জানাও একান্তভাবে প্রয়োজন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ কারণেই চেষ্টা করে থাকি, কীভাবে মানুষের জন্য একটু কল্যাণকর কাজ করতে পারি’। সামাজিক সচেতনতার সৃষ্টির মাধ্যমে মাদকমুক্ত দেশ ও সমাজ গড়ে তোলার ওপর সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় কেউ যাতে মাদকাসক্ত না হয়, সে ব্যাপারে সচেষ্ট থাকতে হবে। অন্য যারা জনপ্রতিনিধি রয়েছেন তাদেরও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সচেষ্ট থাকতে হবে। মাদক ব্যবহার, বিক্রি বা বহন করা এগুলো যে অপরাধ, জনগণ এ ব্যাপারে এখন যথেষ্ট সচেতন। তিনি বলেন, সরকার যাদেরকে আত্মসমর্পণ করাচ্ছে (মাদক ব্যবসায়ী), তাদের চিকিৎসা ও কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে মাদক থেকে দূরে রাখার পদক্ষেপ নিয়েছি। মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে যারা আত্মসমর্পণ করছে তাদের সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা অন্য কোনো ব্যবসায় নিয়োজিত হয়ে ভালোভাবে চলতে পারে। এভাবে তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। কারণ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশে আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশব্যাপী আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, সন্ত্রাস দমন, চাঁদাবাজি রোধ এবং জঙ্গিবাদ দমনে ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে আমরা সর্বদা তৎপর। ইতিমধ্যে জঙ্গিবাদ দমনের সফলতা বিশ্বে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। কাজী ফিরোজ রশীদের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা আরও বলেন, যেখানে যেখানে মাদক চোরাচালান হয়, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চোরাচালান বন্ধে সরকার পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মাদক পরিবহন ও চোরাচালানের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির (মৃত্যুদন্ড) বিধান রাখা হয়েছে। প্রতিটি জেলায় মাদক নিরাময়কেন্দ্র স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কাজী ফিরোজ রশীদের আরেক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা বলেন, বিশ্বের সব দেশেই ট্রাফিক সমস্যা আছে। লন্ডন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় দেশেরও এ সমস্যা রয়েছে। কারণ জনসংখ্যা বাড়ছে, মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় গাড়ি ব্যবহারের সংখ্যাও বাড়ছে। তিনি বলেন, ঢাকার যানজট নিরসনে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা ও ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করার পরিকল্পনা সরকার নিয়েছে। এটা চালু হলে যানজট নিরসন আরও কার্যকর হবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার উদাত্ত আহ্বান জানান। দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম মহানগরের যানজট নিরসনে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

ডায়াবেটিক সচেতনতা দিবস উপলক্ষে আজ কুষ্টিয়ায় আলোচনা সভা

জনসাধারণকে ডায়াবেটিক রোগ সম্পর্কে সজাগ থাকার জন্য ডায়াবেটিক সচেতনতা দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতির উদ্যোগে আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ডায়াবেটিক হাসপাতালের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখবেন কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার এস এম তানভীর আরাফাত, পিপিএম (বার)। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রখ্যাত হৃদ রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন প্রফেসর ডাঃ এস আর খান। বিশেষ অতিথি থাকবেন সিভিল সার্জন ডাঃ রওশন আরা বেগম। উক্ত অনুষ্ঠানে সকলকে উপস্থিত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন কুষ্টিয়া ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান লাল্টু ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ভারতের নতুন হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি ঢাকায় আসছেন কাল

ঢাকা অফিস ॥ ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাস ঢাকায় আসছেন আগামীকাল শুক্রবার। তিনি বিদায়ী হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার স্থলাভিষিক্ত হবেন। দিলি¬র কূটনৈতিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। তিনি ঢাকা থেকে গত ৭ জানুয়ারি বিদায় নিয়েছেন। শ্রিংলা এখন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে শ্রিংলা বিদায় নেওয়ার আগেই ঢাকায় দেশটির নতুন হাইকমিশনার হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়, রিভা গাঙ্গুলি দাসকে। রিভা গাঙ্গুলি আগামি পহেলা মার্চ ঢাকায় আসছেন। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্পর্ক কাউন্সিলের (আইসিসিআর) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন রিভা গাঙ্গুলি দাস। তিনি দিলি¬ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৮৬ সালে ভারতের পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগদানের আগে তিনি দিলি¬ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক পদে অধ্যাপনাও করেছেন। আইসিসিআরের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি নিউইয়র্কে ভারতের কনসাল জেনারেল পদে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বিভিন্ন মিশনে তিনি কাজ করছেন। রিভা গাঙ্গুলি এর আগে ঢাকায় আইসিসিআর-এ ও কাজ করেছেন। সে হিসেবে বাংলাদেশে তার কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হবে – ড. মঈন

ঢাকা অফিস ॥ মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অব্যাহত দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, যে আন্দোলনের কথা আপনারা বলছেন, সেই আন্দোলন করতে হবে ঠান্ডা মাথায়। দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আগামীতে তার নেতৃত্বে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করা হবে। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার স্বাধীনতা হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। ড. মঈন খান বলেন, আজ যে আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছে- এতে আমি বিশেষভাবে সন্তুষ্ট। আত্ম-সমালোচনা অবশ্যই আমাদের প্রয়োজন। আমরা ভুল করলে অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। তবে বাস্তবতার কথা বলতে গেলে- আমরা রাস্তায় গিয়ে পাঁচ/সাতজন মানুষ কথা বলতে পারি? সেই অবস্থা নেই। এই যে বাস্তবতা, সেটা আমাদের প্রত্যেককেই বুঝতে হবে।’ তিনি বলেন, বায়ান্নের ভাষা আন্দোলন ও ঊনষত্তরের আন্দোলনের সঙ্গে আজকের আন্দোলনের গুণগত ফারাক থাকতে হবে। যদি সেই ফারাক না থাকে, তাহলে এই আন্দোলন সফল হবে না। হুট করে রাস্তায় নেমে দুটো শে¬াগান দিলাম, গুলি খেয়ে প্রাণ হারালাম। তাতে কিছুই হবে না। এই সরকার আমাদের ছাড়বে না। এই সরকারকে কাবু করতে হলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করতে হবে। ড. মঈন খান বলেন, আজকের এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের উপায় মাত্র একটি। আর তা হচ্ছে- শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এভাবে এই সরকারকে বিদায় দিতে হবে। আর আপনারা যে আন্দোলনের কথা বলছেন, সেই আন্দোলন করতে হবে ঠান্ডা মাথায়। বাস্তবধর্মী পরিকল্পনার ভিত্তিতে। বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, এখন বাংলাদেশের ভ্যালুজ সিস্টেম হচ্ছে- বিত্ত, বৈভব ও সম্পদ। এখানে মানবাধিকার নেই, গণতন্ত্র নেই, আইনের শাসন নেই। এখানে দৈনন্দিন কার্যক্রম হচ্ছে খুন আর রাহাজানি। তিনি বলেন, মানুষকে তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে কেউ চিরদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না, পারবেও না। পৃথিবীর ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, কেউ টিকে থাকতে পারেনি। বাঙলার মানুষ বুঝতে পেরেছিল-পাকিস্তানি অবকাঠামোর মধ্যে কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র থাকতে পারে না। সেই কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল। আয়োজক ফোরামের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন নাগরিক ঐক্যর আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহম্মদ রহমাতুল¬াহ, নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

কৃষকদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ঢাকা অফিস ॥ বিএনপির অঙ্গ সংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত করে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির পর দলটির সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠনে ভেঙে দেওয়া হল জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ২১ বছর আগের কমিটি। ১৫৩ সদস্যের নতুন যে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে, তাতে আহ্বায়ক করা হয়েছে শামসুজ্জামান দুদুকে। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের এই সদস্য কৃষক দলের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব হয়েছেন কৃষি হাসান জাফির তুহিন। তিনি ‘এগ্রিকালচারিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব)’ এর সদস্য সচিব ছিলেন। ১৫৩ সদস্যের কমিটির মধ্যে যুগ্ম আহ্বায়ক ১২ জন এবং সদস্য ১৩৯ জন। গতকাল বুধবার বিএনপির প্যাডে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কৃষক দলের আহ্বায়ক কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, নতুন আহ্বায়ক কমিটি তিন মাসের মধ্যে সম্মেলন ও কাউন্সিল করে পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করবে। সর্বশেষ ১৯৯৮ সালের ১৬ মে কৃষক দলের কমিটি হয়েছিল। ওই কমিটিতে সভাপতি ছিলেন ফেনীর সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম তারা (বর্তমানে প্রয়াত)। তারা আওয়ামী লীগে যোগ দিলে কিছু দিন মজিবুর রহমান মোল¬া ভারপ্র্প্তা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুর পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল গঠন করেন। এর প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক ছিলেন বিচারপতি আবদুস সাত্তার। পরে আবদুল মান্নান ভুঁইয়া (বিএনপি মহাসচিব) কৃষক দলের সভাপতি হন।

 

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুক প্রতিনিধিদের বৈঠক বাংলাদেশের আইন ও সংস্কৃতি মানার প্রতিশ্রতি

ঢাকা অফিস ॥ স্পেনের বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে গতকাল বুধবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সঙ্গে ফেসবুক প্রতিনিধিদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে কনটেন্ট প্রকাশের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আইনি কাঠামো ও সংস্কৃতি মেনে চলার প্রতিশ্র“তি ব্যক্ত করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া বাংলাদেশে ফেসবুকের অফিস খোলা এবং বাংলা ভাষার সঠিক অনুবাদ ও প্রয়োগের বিষয়টি গুরুত্ব দেবে ফেসবুক। বৈঠকে আহ্বান জানালে এসব প্রতিশ্র“তি আসে বলে জানিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মন্ত্রী বাংলাদেশে পর্নোগ্রাফি, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, প্রোপাজ্ঞান্ডাসহ নানাবিধ নিরাপত্তা বিষয়ে বাংলাদেশের রেগুলেশন মেনে নিরাপদ ফেসবুক ব্যবহারের ব্যবস্থা করার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশ, আমাদের সমাজ, আমাদের নাগরিকদের ফেসবুকের নিরাপদ ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে। মোস্তাফা জব্বার বাংলাদেশের আইন, আবহমান বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি, মূল্যবোধ এবং নিয়মনীতি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে আইন আছে, সেই আইন মোতাবেক ফেসবুককে কনটেন্ট এবং অন্যান্য বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ওই বৈঠকে নানা বিষয়ে আলোচনার মধ্যে নাগরিক সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় প্রত্যয়ের বিষয়টিও প্রাধান্য পায়। বৈঠকে ফেসবুকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ফেসবুকের গে¬াবাল পলিসি সলিউশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্জ অ্যালান এবং সাউথ এশিয়ার হেড অব পলিসি অশ্বিনি রানা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ কন্টেন্ট প্রকাশে তাদের গে¬াবাল স্ট্যান্ডার্ডের বিষয়টি তুলে ধরেন। বৈঠকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশের আইনি কাঠামো ও সংস্কৃতি মেনে চলার প্রতিশ্র“তি ব্যক্ত করেছে। এ সময় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ উলে¬খ করে তাদের সিস্টেম হতে পর্নোগ্রাফি সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলছে, এটি ভবিষ্যতেও চলবে। ফেসবুক কন্টেন্ট বিষয়ে বিদ্যমান যেকোনো সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য বাংলাদেশে অফিস খোলার বিষয়ে মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করে বলেন, রেসপন্স টাইমের বিষয়ে ফেসবুক যে দীর্ঘসূত্রিতা নেয় সেটিকে ইমিডিয়েট রেসপন্স টাইমে আনতে হবে। মন্ত্রী উলে¬খ করেন, সরকার কখনও চায় না ইন্টারনেট বন্ধ করতে। বাংলাদেশের ৯৫ ভাগ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষও বাংলাদেশে তাদের অফিস খোলার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়ার কথা উলে¬খ করেছেন বৈঠকে। ফেসবুককে সঠিকভাবে বাংলা ভাষায় অনুবাদ এবং প্রয়োগ করতে বলে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানিয়েছেন, ফেসবুক যদি এই সক্ষমতা অর্জন করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা চায়, সে লক্ষ্যে শেখ হাসিনার সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা করবে। মন্ত্রী বলেন, ফেসবুকে বাংলা ভাষা ব্যবহারে কিছু সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করতে হবে। বাংলা ভাষাভাষী মানুষ যেন ফেসবুকে বাংলা পড়তে কোনো অসুবিধার মধ্যে না পড়েন। মন্ত্রীর প্রস্তাবে অনুবাদসহ বাংলার ভাষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলে জানান ফেইসবুকের গে¬াবাল পলিসি সলিউশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিচার্জ অ্যালান। বার্সেলোনায় ২৫-২৮ ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত চারদিনব্যাপী এ কংগ্রেসে মন্ত্রী ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলের অপর সদস্যরা হলেন- ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মহিবুর রহমান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক, টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. শাহাব উদ্দিন, টেলিযোগাযোগ বিভাগের উপসচিব ঊর্মি তামান্না, মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. তাসকিনুর রহমান, বিটিআরসির উপ-পরিচালক খালেদ ফয়সাল এবং মো. সোহেল রানা।

 

মুসা বিন শমসেরের মুদ্রাপাচার মামলার প্রতিবেদন ৩১ মার্চ

ঢাকা অফিস ॥ মুসা বিন শমসেরের (প্রিন্স মুসা) বিরুদ্ধে মুদ্রাপাচারের অভিযোগে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের দায়ের করা মামলায় প্রতিবেদন দেননি তদন্তকারী কর্মকর্তা। গতকাল বুধবার এ মামলায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিলো। তদন্তকারী কর্মকর্তা মুসা বিন শমসেরের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন না দেওয়ায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আগামি ৩১ মার্চ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ধার্য করেন। গত ২৮ জানুয়ারি একই আদালত ২৭ ফেব্র“য়ারি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তাকে। তিনি প্রতিবেদন না দেওয়ায় নতুন তারিখ ধার্য হলো। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) মো. জাকির হোসেন রাজধানীর গুলশান থানায় মুদ্রাপাচার প্রতিরোধ আইনে প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে ওই মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ২১ মার্চ প্রিন্স মুসার ছেলের শ্বশুর বাড়ি থেকে শুল্ক ফাঁকি দেওয়া একটি গাড়ি উদ্ধার করেন শুল্ক গোয়েন্দারা। তারপর প্রিন্স মুসাকে কাকরাইলে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের কার্যালয়ে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ভোলা বিআরটিএ’র কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশে মুসা বিন শমসের ১৭ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ দেখিয়ে ভুয়া বিল অব এন্ট্রি প্রদর্শন করে গাড়িটি বেনামে রেজিস্ট্রেশন করেন। শুল্ক গোয়েন্দার অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওই গাড়িতে ২ কোটি ১৭ লাখ টাকার শুল্ক প্রযোজ্য। শুল্ক গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদে মুসা বিন শমসের লিখিতভাবে জানান, সুইস ব্যাংকে তার ৯৬ হাজার কোটি টাকা গচ্ছিত আছে। তবে তিনি এই টাকার কোনো ব্যাংক হিসাব বা বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি। ওই ঘটনায় তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে প্রিন্স মুসার বিরুদ্ধে মামলা করতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) সুপারিশও করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। পাশাপাশি কর ফাঁকি দেওয়া অর্থপাচারের অভিযোগে মামলার অনুমতি চাওয়া হয় রাজস্ব বিভাগের কাছে। সেই অনুমতি পাওয়ার পর এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

গণমাধ্যমকে মানুষের কল্যাণে অগ্রসর হতে হবে – অধ্যাপক আনিসুজ্জামান

ঢাকা অফিস ॥ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেছেন, গণমাধ্যমকে অগ্রসর হতে হবে মানুষের কল্যাণে। তাহলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতিফলন ঘটবে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সম্মান যে জায়গায় যাওয়া দরকার সেখানে নেই, এখানে গণমাধ্যমের বড় ভূমিকা থাকা দরকার। নানা কারণে আজ মুক্তিযুদ্ধের নামে অনেক কিছু ঘটছে যা আমাদের কাম্য নয়। গণমাধ্যম এসব জায়গা থেকে সরে যাচ্ছে কিনা সেটা দেখতে হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘সাপ্তাহিক নতুন কথা’র ৪০ বছর পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধ এবং গণমাধ্যম’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর কিছু মানুষ তাদের ব্যক্তিস্বার্থ লাভের আশায় ব্যস্ত রয়েছে। মনে রাখতে হবে এটি অকল্যাণ বয়ে আনবে। আজ দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সত্যতার ওপর প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় কর্তৃত্ববাদীরা মাথাচড়া দিয়ে উঠছে। নৃ-গোষ্ঠীর অধিকার কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে, তারা কি তাদের মাতৃভাষায় কথা বলতে পারছেন? রাষ্ট্রের উচিত তাদের মাতৃভাষাকে সংরক্ষণ করা। সমাজের শুধু উন্নয়ন করলেই হবে না, বৈষম্যও কমাতে হবে। প্রবীণ সাংবাদিক কামাল লোহানী বলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা থাকতে হবে। আমরা আইযুব খান, ইয়াহিয়া খানের বিরুদ্ধে কথা বলেছি, মিছিল করেছি, লিখেছি। এখন সাংবাদিকদের ইউনিয়ন আছে তবে তারা কথা বলতে পারেন না। দেশের প্রধানমন্ত্রী আজ সাংবাদিকদের ধমক দেন আর তারা মাথা নিচু করে থাকেন। মনে রাখতে হবে সাংবাদিকতা করতে হলে যেমন চমক থাকবে ঠিক তেমনি ভাষার দিকও থাকতে হবে, ব্যাকরণের ব্যবহার জানতে হবে। রাশেদ খান মেনন বলেন, এখন নানা মাধ্যমে নানা ধরনের লেখালেখি করা হয়। আবার আইসিটি আইন হয়েছে, এর প্রয়োগ নিয়ে বিতর্ক আছে। আমরা দিন দিন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ভুলে যাচ্ছি কিনা। শেষ পর্যন্ত আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক চুক্তি করেছি, এর মাধ্যমে শিয়া-সুন্নী লড়াইয়ে সামিল হলাম কিনা দেখার বিষয়। মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, এরশাদ সরকারের আমলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লেখার কারণে তিনটা পত্রিকা বন্ধ করা হয়েছিল। অথচ স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকলে দুর্ভিক্ষসহ সব সমস্যা দূর করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নতুন কথার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মানিক।

আলমডাঙ্গা উপজেলায় মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা

আলমডাঙ্গা অফিস ॥ আলমডাঙ্গা উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক এ সভায় সভাপতিত্ব করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন, থানার অফিসার ইনচার্জ মুন্সি আসাদুজ্জান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা, উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি হারদী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, নাগদাহ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ডাউকি ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, কুমারী ইউপি চেযারম্যান আবু সাঈদ পিন্টু, খাদিমপুর ইউপি আব্দুল হালিম, উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুর রহমান খান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাসুদ রানা, বিআরডিবি কর্মকর্তা শায়লা শারমিন, মৎস্য কর্মকর্তা কামরুন নাহার আখি, ভিডিবি কর্মকর্তা রওশন আরা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা উম্মে সালমা আক্তার, প্রেসক্লাব সভাপতি খন্দকার শাহ আলম মন্টু সম্পাদক খন্দকার হামিদুল ইসলাম আজম, খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোফাখারুল ইসলাম, মেহেরপুর পল¬ী বিদ্যুতের এজিএম মনির হোসেন, সরকারী ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক  নুরুজ্জামান. মহিলা ডিগ্রী কলেজের আব্দুল কুদ্দুস, উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা খালিদ হোসেন প্রমুখ।

বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণার ৩য় বর্ষ উপলক্ষে গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজের উদ্দ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুর জেলাকে বাল্যবিবাহ মুক্ত ঘোষণার ৩য় বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়েছে। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বুধবার সকালে গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজের উদ্দ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি গাংনী উপজেলা শহরের প্রধান-প্রধান সড়কে প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে নেতৃত্ব প্রদান করেন, কলেজের অধ্যক্ষ খোরশেদ আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের উপাধ্যক্ষ নাসির উদ্দীনসহ প্রভাষক ও শিক্ষার্থীরা। পরে কলেজের সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ খোরশেদ আলী। কলেজের প্রভাষক মহিবুর রহমান মিন্টুর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, কলেজের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, প্রভাষক আমানুল্লাহ আমান, রফিকুল ইসলাম, হারুন-অর-রশীদ রবি, কলেজ স্টাফ সানোয়ার হোসেন বাবলুসহ শিক্ষার্থীরা।

মিরপুরে যুবদলের জরুরী সভা

কুষ্টিয়ার মিরপু উপজেলা যুবদলের এক জরুরী সভা বুধবার বিকেলে উপজেলা বিএনপি’র দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা যুবদলের সভাপতি আজাদুর রহমান (আজাদ) বিশ্বাসের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আতাউল হক ইমদাদ, সহ সভাপতি সেলিম মোল্লা, শাহীন আলী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক, প্রচার সম্পাদক ডালিম খান, দপ্তর সম্পাদক মনোয়ার হোসেন প্রমুখ। উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্র“য়ারী জনৈক রিগান নিজেকে মিরপুর উপজেলা যুবদলের প্রচার সম্পাদক দাবী করে ১০-১২ স্থানীয় অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেদের নিয়ে জাসদে যোগদান করেন। তিনি আদৌ উপজেলা যুবদলের কোন পদে ছিলেন না। তার এ অপপ্রচারের জন্য যুবদলের সকল নেতাকর্মীকে সজাগ থাকার জন্য জরুরী সভায় আহ্বান করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দৌলতপুরে সরকারী কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বেসরকারী সংস্থা মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে সরকারী কর্মকর্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুর প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার। সভায় বক্তব্য রাখেন, দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম, দৌলতপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস, মথুরাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার হাসিম উদ্দিন হাসু, দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মহিউল ইসলাম মহি, হোগলবাড়িয়া ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান সাজদার রহমান এবং মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ঘটনার বর্ননা দেন ৩ নারী। মতবিনিময় সভায় উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, শিক্ষক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। সভার শুরুতে পাওয়া পয়েন্ট প্রদর্শনের মাধ্যমে মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম চিত্র তুলে ধরেন সংস্থার প্রজক্ট কো-অর্ডিনেটর উম্মে সালমা। ১৯৯০ সাল থেকে নারীর সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা, নারীর প্রতি সহিংসতা হ্রাস করার লক্ষ্যে যেসব কাজ করা হয় তা তুলে ধরেন তিনি। মতবিনিময় সভার সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার অর্থ ও প্রশাসন বিভাগের কো-অডিনেটর ফরহাদ আলি খাঁন, প্রকল্প অফিসার আব্দুর রাজ্জাক ও  শবনম মুস্তারী।

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল (ছাত্র) প্রতিযোগিতায় ইবি চ্যাম্পিয়ন

ইবি’র অর্জিত ট্রফি ভাষা শহীদদের প্রতি উৎসর্গ করলাম ঃ ড. সেলিম তোহা   

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেছেন, ১৯৫২ সালে বাংলা ভাষাকে মাতৃভাষা করার আন্দোলনে এদেশের দামাল ছেলেরা শহীদ হয়েছেন। তাঁদের রক্তের বিনিময়ে আজ আমরা মাতৃভাষা বাংলাতে কথা বলতে পারছি। এই মাসটি আমাদের সেই স্মরণীয় ও গৌরবের মাস। এই গৌরবের মাসে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় আমাদের ছাত্ররা চ্যাম্পিয়ন এবং ছাত্রীরা রানার-আপ হওয়ায় আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার আজ গর্বিত। তিনি বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত এই চ্যাম্পিয়ন ও রানার-আপ ট্রফি দু’টি আমি ভাষা শহীদ এবং ভাষা সৈনিকদের প্রতি উৎসর্গ করলাম। তিনি বলেন, যারা এই ট্রফি আমাদেরকে এনে দিয়েছে, সেই সোনার সন্তানদেরকে আমি “হ্যান্ড অব ইবি” উপাধিতে ভূষিত করলাম। তিনি বলেন, আজকের চুড়ান্ত পর্বে দু’টি দলই তাদের ক্রীড়া নৈপূণ্য দেখিয়ে দর্শকদের মন জয় করেছে। এজন্য সকল খেলোয়াড়দের প্রতি রইল আমার আন্তরিক ভালবাসা। তিনি বলেন, ভাইস চ্যান্সেলরের নেতৃত্বে আমরা বর্তমান প্রশাসন বিভিন্ন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মধ্যদিয়ে  ক্যাম্পাসকে সব সময় আনন্দময় করে রাখতে চাই। এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করি। ড.  সেলিম তোহা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন ক্রীড়ানুরাগী। তিনি সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত রাখার জন্য যুব সমাজকে মাঠমুখী করতে সক্ষম হয়েছেন। শিক্ষার্থী সমাজের উদ্দেশ্যে ড. সেলিম তোহা বলেন, আসুন আমরা জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল উন্নয়নকাজে অবদান রেখে এদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করি। তিনি, ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং তাঁর নিজের পক্ষ থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল দলের ম্যানেজার, কোচ, খেলোয়াড়, দর্শকসহ আয়োজনের সাথে সংশি¬ষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। গতকাল বুধবার দুপুরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল (ছাত্র) প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. সেলিম তোহা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক ড. মোহাম্মদ সোহেল। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রক্টর ও সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন, প্রক্টর (ভার:) ড. মোঃ আনিছুর রহমান ও সহকারী প্রক্টর সাহেদ আহমেদ। চুড়ান্ত পর্বের এ খেলায় ৩৯-১৯ গোলের বিশাল ব্যবধানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল (ছাত্র ও ছাত্রী) প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সহ ৯টি দল অংশগ্রহণ করে। ২৩  ফেব্র“য়ারি হতে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

কালুখালী কলেজ সংলগ্ন চন্দনা নদীর উপর আর্চ ব্রিজ নির্মাণ কাজের বেজ ঢালাই উদ্বোধন

ফজলুল হক ॥ গতকাল বুধবার রাজবাড়ী জেলাধীন কালুখালী উপজেলা হেড কোয়ার্টার-মৃগী জিসি ভায়া উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্স সোনাপুর মোড় আরএইচডি বথুনদিয়া বাজার রাস্তায় কালুখালী ডিগ্রী কলেজের নিকট চন্দনা নদীর উপর ৭.১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪০.০০ মিঃ দৈর্ঘ্যরে দৃষ্টি নন্দন আর্চ ব্রীজ নির্মাণ কাজের বেজ ঢালাই শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ (এলবিসি) প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কালুখালী এর বাস্তবায়নে নির্মিত এ সেতু সকাল ১০টায় বেজ ঢালাই উদ্বোধন কাজের প্রত্যক্ষ করেন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এলজিইডি ফরিদপুর অঞ্চল মোঃ আব্দুস ছালাম, কালুখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী রাজবাড়ী এলজিইডি খান এ শামীম,  ঢাকা সদর দপ্তর মনিটরিং টিমের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোনায়েম সরকার অন্যান্যের মধ্যে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ তৌহিদুল হক জোয়াদ্দার, কাজের সার্বিক দায়িত্বকারী কর্মকর্তা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী এছাড়াও ৩জন কার্য্য সহকারী ও নির্মাণাধীন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান রাফিয়া-কামারজানি  (জেভি) এর নিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার ও প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। বেজ ঢালাইকালে তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এলজিইডি ফরিদপুর অঞ্চল মোঃ আব্দুস ছালাম তিনি কাজের কলাকৌশল এবং গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের ভুল স্বীকার করে ব্যাখ্যা দিলেন মান্না

ঢাকা অফিস ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিজেদের ভুলের কথা স্বীকার করে তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। গতকাল বুধবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির স্বাধীনতা হলে নাগরিক অধিকার আন্দোলন ফোরাম আয়োজিত ‘৩০ ডিসেম্বর এবং অতঃপর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় মান্না বলেন, আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। এতে আমাদের অবশ্যই কিছু আচরণ ও উচ্চারণে ভুল ছিল। আমরা শীর্ষ নেতারা কেনো মনে করলাম সামরিক বাহিনী মাঠে নামলে সব ঠিক হয়ে যাবে। সমগ্র জনগোষ্ঠীকে ভোটের জন্য তৈরি করতে বলা হয়েছিল কিন্তু প্রতিরোধ করার জন্য বলা হয়নি। মান্না বলেন, যদি শুধু আওয়ামী লীগ আর পুলিশ নির্বাচন করতে নামতো, বিজিবি চুপচাপ থাকতো, সেনাবাহিনী না থাকতো আন্দোলনের আরেকটা ঢেউ তৈরি হতো, আর এই ঢেউ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়তো। খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল’ এটা নিয়ে বিএনপির তৃণমূল নেতারা ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে যে বক্তব্য দেন তার জবাবে মান্না বলেন, আমরা যে ঐক্যফ্রন্ট করেছি এই ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে খালেদা জিয়ার মুক্তি এক নম্বরে আছে। আজ আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই খালেদা জিয়াকে যদি মুক্ত করতে হয় তাহলে লড়াই করেই মুক্ত করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু সেই লড়াই কি আমরা করতে পেরেছি। সেই লড়াই কি কেবল খালেদা জিয়ার মুক্তির লড়াই? সেই লড়াই তো বাংলাদেশের মুক্তির লড়াই, গণতন্ত্রের মুক্তির লড়াই, এখন পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী জেলে আছেন তাদের মুক্তির লড়াই। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, নেতৃত্বের কথা বলেন আর যাই বলেন, আমি তো মনে করি না আমরা কোনো ভুল করেছি। আমরা লড়াইয়ে রাজনৈতিকভাবে জিতেছি। আয়োজক সংগঠনের উপদেষ্টা সাঈদ আহমেদ আসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম জাহাঙ্গীর আলমের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড আবদুল মঈন খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল¬াহ, বগুড়া থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্ট বিজয়ী প্রার্থী মো. মোশাররফ হোসেন, ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. নেছারুল হক, জাসাসের সহসভাপতি শাহরিয়া ইসলাম শায়লা, ঢাকা মহানগর বিএনপির সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিন, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতাকে যুবলীগ  নেতা জেডএম সম্রাটের শুভেচ্ছা

কুষ্টিয়া শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আতাউর রহমান আতা উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় মনোনয়ন ফরম জমা দেন এবং অন্য কোন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা না দেওয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়  চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। উপজেলা নির্বাচনে আতাউর রহমান আতা কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় শহর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক  জেড এম সম্রাট ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন তৌহিদুল ইসলাম লিংকন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক  জেলা ছাত্রলীগ। ইমরান শুভ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ। দ্বীন ইসলাম রাসেল, সমীর, সরকার, আতাই, তৌশিক, শরীফ, নুরু প্রমুখ। যুবলীগের ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতা জেড এম সম্রাট বলেন এবার কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মানুষ উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ্য ব্যক্তি পেলেন। তিনি আরো বলেন আতা ভাই উপজেলায় চেয়ারম্যান হওয়ায় এবার জননেতা মাহবুবউল-আলম হানিফ ভায়ের হাত আরো শক্তিশালী হলো। দু ভাই এক সাথে উন্নয়নমূলক কাজ করলে কুষ্টিয়ার মানুষ উন্নয়ন করার জায়গা খুজে পাবে না, কুষ্টিয়া হবে আধুনিক জেলা। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

দৌলতপুর উপজেলা নির্বাচন

নৌকার প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রতীক প্রার্থীর প্রতিপক্ষ ৪জন আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন মঙ্গলবার দৌলতপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুনসহ মোট ৭জন চেয়ারম্যান ও ১৬জন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে ১০জন ভাইস চেয়ারম্যান ও ৬জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রয়েছেন। দৌলতপুর নির্বাচন অফিসার মো. গোলাম আজম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে এবারের নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মাঠে না থাকায় দৌলতপুর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থীর অর্থাৎ নৌকার প্রতিপক্ষ হবে মাঠ পর্যায়ের বা উপজেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনের নেতা বা কর্মী। এদের মধ্যে রয়েছেন, আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি আফাজ উদ্দিন আহমেদের কনিষ্ঠ পুত্র এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন। তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তার প্রতিপক্ষ প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান চেয়ারম্যান দৌলতপুর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ফিরোজ আল মামুন, সাবেক এমপি রেজাউল হক চৌধুরীর ছোট ভাই ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বুলবুল আহমেদ টোকেন চৌধুরী ও তার ছেলে এমরান চৌধুরী কলিংস, দৌলতপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদের।

আতাউর রহমান আতা চেয়াম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ব্যবসায়ী ওমর ফারুকের ফুলেল শুভেচ্ছা

নিজ সংবাদ ॥ আতাউর রহমান আতা সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি ওমর ফারুক। তিনি বলেন আতাউর রহমান আতা একজন যোগ্য প্রার্থি। অনেকেই চেয়ারম্যান পদে প্রার্থি হবার আগ্রহ দেখালেও আতা অধিকতর যোগ্য প্রার্থি হওয়ায় তারা প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। ফলে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন আতাউর রহমান আতা। ওমর ফারুক মনে করেন আতাউর রহমান আতা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সদর  জেলায় উন্নয়নকে আরো ত্বরান্বিত হবে। তিনি কুষ্টিয়া-৩(সদর) আসনের সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফের সহযোগি হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হবেন। আতাউর রহমান আতা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বীতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় সাফল্য ও দোয়া কামনা করেন।

 

নেতাকর্মীদের মাঝে ক্ষোভ

কুমারখালীতে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুমারখালীতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে মাঠে নেমেছে দুই বিদ্রোহী প্রার্থী। তৃণমুলের মতামতের ভিত্তিতে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীর বিপক্ষে আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্যদের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে চরম অন্তোষ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। যদিও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নৌকার পক্ষে থাকার আহবান জানিয়ে এবং কঠোর হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেছেন, যারা নৌকার বাহিরে নির্বাচন করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবুও কিছু সংখ্যক নেতা ও জনপ্রতিনিধিরা বিদ্রোহী প্রার্থীদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মন্তব্য প্রকাশ করছেন এবং এলাকায় দৌড়ঝাঁপ অব্যাহত রেখেছেন। এ কারণে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ নেতাদের কেউ কেউ বলেছেন, দলীয় প্রার্থী ও নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থীদের মাঠে নামার পিছনে অবশ্যই কারো ইশারা-ইঙ্গিত রয়েছে। বর্তমানে তারা জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সুবিধাজনক অবস্থান থেকে বঞ্চিত। আর তারাই আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে কোন্দল সৃষ্টি করতে চাইছেন।  গত ২৬ ফেব্র“য়ারী মঙ্গলবার মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান খানের আগেই চেয়ারম্যান পদের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। তারা হলেন- সাবেক কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক জাহিদ হোসেন জাফরের ছোট ভাই জয়নাল আবেদীন ও সাবেক সংসদ সদস্য সুলতানা তরুণের ছোট ছেলে গোলাম জিলানী নজরে মুর্শেদ (পিটার)। মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ দিন সবশেষে আওয়ামী লীগর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মান্নান খানের মনোনয়ন পত্র দাখিল শেষে উপজেলা খাদ্যগুদাম চত্বরে পৌর এলাকাসহ ১১টি ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র মো: সামছুজ্জামান অরুণ বলেছেন, যারা আওয়ামী লীগ করেন তাদেরকে নৌকার পক্ষে নির্বাচন করতে হবে। আর নৌকার বিপক্ষে যারা প্রার্থী হয়েছে এবং তারা যত প্রভাবশালীই হোক, তাদের সঙ্গে কেউ যাবেন না। যারা গিয়েছে তাদেরকে ফিরে আসতে বলুন। আশাকরি ফিরে আসবে, আর যদি না আসে তাহলে তাদের দরকার নেই। তিনি আরো বলেন, মনে রাখবেন আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে আরো বেশি আন্তরিকভাবে এই নির্বাচন করতে হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী আব্দুল মান্নান খান দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছেন, আমি তৃণমুল পর্যায়সহ সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের কাছে ঋণী। আপনারা আমাদের আওয়ামী লীগ ভালোবাসেন এবং আমাকে ভালোবাসেন। এজন্যই হয়তো জননেত্রী আমাকের দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন। নির্বাচনে এখন থেকেই মাঠে নেমে কাজ শুরু করুন। ভয়ের কিছু নেই, আমিসহ জাতীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সার্বক্ষণিক আপনাদের পাশে থাকবো।

 

মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী কামারুল আরেফিনকে নৌকা উপহার

আমলা অফিস ॥ ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের মনোনীত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী কামারুল আরেফিনকে নৌকা উপহার দিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা। গতকাল বুধবার সকালে উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের সদরপুর গ্রামে কামারুল আরেফিনের বাসভবনে এ নৌকা উপহার তুলে দেন ছাতিয়ান ইউনিয়নের শোনদহ গ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম নজু। সকালে নজরুল ইসলাম নজুর নেতৃত্বে শোনদহ এলাকার প্রায় অর্ধ শতাধিক আওয়ামী লীগের কর্মীরা কামারুল আরেফিনের সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন। এসময় তারা এ নৌকা উপহার দেন।

কুমারখালীতে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ মা ও শিশু সহ সমাজের দুর্গম অঞ্চলের অবহেলিত ও দরিদ্র শ্রেণীর মানুষের মধ্যে পুষ্টি সম্পর্কিত সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারে কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভাপতি রাজীবুল ইসলাম খান। সভায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির চলমান কার্যাবলী ও মাল্টিসেক্টরাল নিউট্রিশন প্রকল্পের চলমান কার্যাবলীর উপর আলোচনা করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ডা: আকুল উদ্দিন। এ সময় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সদস্যদের মধ্যে উপজেলা কৃষি অফিসার দেবাশীষ কুমার সরকার, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: প্রকাশ রঞ্জন বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মো: রোকনুজ্জামান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: জালাল উদ্দিন, কেয়ার বাংলাদেশ’র টেকনিক্যাল অফিসার আব্দুর রউফ সহ এনজিও প্রতিনিধি (ব্র্যাক) ও সুর্যের হাসি ক্লিনিকের প্রতিনিধি এবং কমিটির সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় উপজেলার দুর্গম অঞ্চলের অবহেলিত জনগোষ্ঠী ও পরিবারের প্রতিটি মানুষকে পুষ্টির চাহিদা পুরণ বিষয়ে সচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও মায়েদের অবহিতকরণে মা সমাবেশ আয়োজনের উপর গুরুত্বারোপ করেন কমিটির সদস্যরা।