কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ

আজিজ মার্কা নির্বাচন কমিশন বিএনপির পছন্দ

নিজ সংবাদ ॥ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপির কাছে সবচেয়ে যোগ্য নির্বাচন কমিশনার হচ্ছে এম এ আজিজ। যিনি উনাদেরকে ক্ষমতায় আনতে এক কোটি ত্রিশ লক্ষ ভূয়া ভোটার বানিয়েছিলেন, এর বাইরে কোন নির্বাচন কমিশনার উনাদের পছন্দ হওয়ার কথা নয়। এই কমিশন নিয়ে যারা বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়, তারা আসলে নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার জন্য ও নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। গতকাল রোববার বেলা ১২টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ এ সময় আরো বলেন, যে দলের পক্ষে শতকরা ৬৬-৭০ ভাগ মানুষ আছে সেই আওয়ামীলীগের ভরাডুবি হবে এই ধরনের বক্তব্য পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই নয়। বিএনপির অবলম্বন হলো মিডিয়ার মাধ্যমে অযোক্তিক কথাবার্তা বলে জনগনের কাছে তাদের অবস্থান টিকিয়ে রাখা। জনগন কাদের সাথে আছে তা ইতিমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগন আওয়ামীলীগ ও উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। এসময় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারন সম্পাদক আজগর আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী রবিউল ইসলামসহ বিভিন্ন  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

বিপ্লবী বাঘ যতীনের মহাপ্রয়াণ দিবস আজ

সোহেল হাবিব ॥ আজ ১০ সেপ্টেম্বর  ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা বিপ্ল¬বী বাঘা যতীনের ১০৩তম মহাপ্রয়াণ দিবস। তিনি ১৮৭৯ সালের ৮ ডিসেম্বর কুষ্টিয়ার কুমারখালির গড়াই নদীর পাড়ে কয়া গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহনসহ জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় কাটানোর কারনে এখানে রয়েছে তার নানা স্মৃতি। মূলতঃ তাঁর নাম ছিলো জ্যোতিন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। ১৯০৬ সালের এপ্রিল মাসে কয়া গ্রাম হতে দুই কিলোমিটার দূরে রাধারপাড়া মাঠের আখ ক্ষেতে ছুরি দিয়ে বাঘ হত্যা করে নিজেকে রক্ষা করায় তাঁর নাম হয়েছিলো বাঘা যতিন। কয়া থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে কৃষ্ণনগরের অ্যাংলো ভার্নাকুলার হাই স্কুল হতে ১৮৯৮ সালে এন্টাস পাশ করেন। এরপর কলকাতা সেন্টাল কলেজে ছাত্রাবস্থায় বিপ্ল¬বী গুপ্ত সমিতির কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হন। যুগান্তর দলের নেতা হয়ে তিনি দলকে আরও সুসংগঠিত করে বিপ্ল¬বী  অনুশীলন দলের সঙ্গে ঐক্য গড়ে তোলেন। বিপ্ল¬বের এক পর্যায়ে বাংলায় আসা তাঁর জন্য বিপদজনক হয়ে ওঠে। তখন তিনি অবস্থান নেন উড়িষ্যার কাপ্তিগোদায়। ১৯১৫ সালে হ্যারি এন্ড সন্স গঠনের মাধ্যমে জার্মানী থেকে প্রচুর অস্ত্র ও প্রতি অস্ত্রের জন্য একাধিক গুলি সরবরাহের চুক্তি হয়। ১৯১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর চার যুদ্ধসঙ্গীসহ অস্ত্র খালাসের জন্য উড়িষ্যার  বুড়ি বালাম নদীর দিকে রওনা হন বাঘা যতিন। ইতিমধ্যে বালেশ্বরের চাষাখন্দে আশ্রয় নিলে ব্রিটিশ সৈন্য বাঘাযতিন ও তাঁর চার যুদ্ধসঙ্গীকে ঘিরে ফেলে। সেখানে বন্দুক যুদ্ধের একপর্যায়ে বাঘাযতিনের যুদ্ধসঙ্গী বিপ্ল¬বী চিত্তপ্রিয় রায় চৌধুরী ঘটনাস্থলে নিহত হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অপর তিন সঙ্গী নীরেন দাসগুপ্ত, মনোরঞ্জন সেনগুপ্ত ও জ্যোতিষ পালসহ বাঘা যতিন গ্রেফতার হন। মারাতœক আহত অবস্থায় তাদেরকে বালেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিতসাধীন অবস্থায় সেখানেই ১৯১৫ সালের ১০ সেপ্টেম্বর বাঘা যতিন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বাঘা যতিনের বসতভিটা কয়া গ্রামে এখনও বিদ্যমান। তবে তাঁর প্রায় সমস্ত সম্পত্তি এলাকার বিভিন্ন মানুষ জাল দলিলের মাধ্যমে দখল করে নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর বাবা উমেষচন্দ্র মুখোপাধ্যায় এবং মা শরতশশী দেবী। বাবার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত (যতীনের বয়স তখন ৫ বছর) তাঁরা ঝিনাইদহের সাধুহাটি রিষখালি গ্রামে বাবার বাড়িতে থাকতেন।

বাঘা যতিনের ৪ যুদ্ধসঙ্গীর পরিচয় ঃ বালেশ্বর জঙ্গলে বাঘা যতিনের সঙ্গে ছিলেন ৪ যুদ্ধসঙ্গী। তারা হলেন বিপ্ল¬বী চিত্তপ্রিয় রায় চৌধুরী, বিপ্ল¬বী নীরেন দাসগুপ্ত, বিপ্ল¬বী মনোরঞ্জন সেনগুপ্ত বিপ্ল¬বী জ্যোতিষ পাল।

বিপ্ল¬বী  চিত্তপ্রিয় রায় চৌধুরী ঃ ১৮৯৮ সালে মাদারিপুরের খালিয়ার জমিদার বাড়িতে জন্ম হয় বিপ্ল¬বী চিত্তপ্রিয় রায় চৌধুরীর। তার বাবা পঞ্চানন রায় চৌধুরী। আধ্যাতিক পথে সন্ধানী বিপ্ল¬বী চিত্তপ্রিয় রায় চৌধুরীকে বাঘা যতিনের কাছে নিয়ে যান দলের নেতা পূর্ণ দাস। ১৯১৩ সালে পূর্ণ দাসের সঙ্গে একটি মামলায় ধরা পড়ে চিত্তপ্রিয় ৮ মাস কারাবরন করে।

বিপ্ল¬বী নীরেন দাসগুপ্ত ঃ ১৮৯২ সালে মাদারিপুরের খৈয়ারডাঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন বিপ্ল¬বী  নীরেন দাসগুপ্ত। তার বাবা কবিরাজ লালিতমোহন দাসগুপ্ত। ১৯১২ সালে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রাবস্থায় নীরেন বিপ্ল¬বীদের সংস্পর্শে আসে। মাদারীপুরের আলোচিত একটি মামলা থেকে খালাস পেয়ে কলকাতা গিয়ে তিনি দেখা হয় বিপ্ল¬বী অতুল ঘোষের সঙ্গে। নীরেনকে বাঘা যতিনের কাছে পৌছে দেন অতুল ঘোষ। বেলেঘাটার একটি আলোচিত ডাকাতির পর নীরেনের নামে হুলিয়া হয়।

বিপ্ল¬বী মনোরঞ্জন সেনগুপ্ত ঃ বাঘা যতিনের চার যুদ্ধ সঙ্গীর মধ্যে মনোরঞ্জন ছিলেন সবার ছোট। ১৮৯৬ সালে মাদারিপুরে জন্মগ্রহণ করেন বিপ্ল¬বী মনোরঞ্জন সেনগুপ্ত। তার বাবার নাম হলধর সেনগুপ্ত।  ১৯১২ সালে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ার সময় তিনি আলোচিত মাদারিপুর ষড়যন্ত্রে ধরা পড়েন। সেকারনে ৮ মাস কারাবরন করেন তিনি। একবার অল্প কিছু মুড়ি-মুড়কি খেয়ে ৭২ মাইল পথ পায়ে হেটে নির্দ্দিষ্ট স্থানে গিয়েছিলেন তিনি। জেল থেকে বের হয়ে বিপ্ল¬বী  মনোরঞ্জন অতুল ঘোষের সান্নিধ্যে যান। গার্ডেনরীচ ডাকাতির পর বেশ কিছুদিনের জন্য গাঢাকা দেয় বিপ্ল¬বী মনোরঞ্জন সেনগুপ্ত।

বিপ্ল¬বী জ্যোতিষ পাল ঃ ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে উপেক্ষিত বিপ্ল¬বী জ্যোতিষ পাল। কুষ্টিয়ার কমলাপুর গ্রামের মাধবচন্দ্র পালের ছেলে তিনি। বাঘা যতিন আদর করে তাকে ডাকতে চাক্ বলে। খুব অল্প বয়সে গুপ্ত সমিতিতে যোগ দেন তিনি।

 

ভারত সুসময়-দুঃসময়ে বাংলাদশেরে জনগণরে পাশে থাকবে – নযিুক্ত ভারতরে হাইকমশিনার

ঢাকা অফসি ॥ বাংলাদশেে নযিুক্ত ভারতরে হাইকমশিনার র্হষ র্বধন শ্রংিলা বলছেনে, ভারত বাংলাদশেরে অকৃত্রমি বন্ধু। আগওে ছলি, এখনো আছে এবং ভবষ্যিতওে থাকব।ে  গতকাল রোববার সকালে পরিোজপুররে নছোরাবাদ উপজলোর কুড়য়িানা কবগিুরু রবীন্দ্রনাথ ডগ্রিি কলজেে এক সুধী সমাবশেে প্রধান অতথিরি বক্তব্যে তনিি এসব কথা বলনে। শ্রংিলা বলনে, ১৯৭১ সালে বাংলাদশেরে স্বাধীনতাসংগ্রামে ভারত বাংলাদশেরে জনগণরে সঙ্গে ছলি, ভবষ্যিতওে একইভাবে পাশে থাকব।ে মুক্তযিোদ্ধাদরে সঙ্গে ভারতীয় সনৈকিরো একসঙ্গে যুদ্ধ করছেলি। একসঙ্গে প্রাণ দয়িছেনে। র্হষ র্বধন শ্রংিলা বলনে, ‘বঙ্গবন্ধু শখে মুজবিুর রহমান ও ইন্দরিা গান্ধী সুসর্ম্পকরে যে বীজ বপন করছেলিনে, র্বতমানে বাংলাদশেরে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা ও ভারতরে প্রধানমন্ত্রী নরন্দ্রে মোদরি নতেৃত্বে সে সর্ম্পক অটুট রয়ছে।ে ভারত সুসময়-েদুঃসময়ে বাংলাদশেরে জনগণরে পাশে থাকব।ে’ কবগিুরু রবীন্দ্রনাথ ডগ্রিি কলজেরে ব্যবস্থাপনা কমটিরি সভাপতি কানাই লাল বশ্বিাসরে সভাপতত্বিে সমাবশেে বক্তব্য দনে পরিোজপুররে অতরিক্তি জলো প্রশাসক (র্সাবকি) মো. মোস্তাফজিুর রহমান, শরে-ই-বাংলা ফাউন্ডশেনরে সভাপতি ফাইয়াজুল হক, হন্দিু র্ধমীয় কল্যাণ ট্রাস্টরে ট্রাস্টি বপিুল বহিারী হালদার, আটঘর কুড়য়িানা ইউনয়িন পরষিদরে চয়োরম্যান শখের কুমার সকিদার, কলজেরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সঞ্জীব কুমার হালদার প্রমুখ। এ সময় ভারতীয় হাইকমশিনরে প্রথম সচবি রাজশে উকে ও নবনীতা চক্রর্বতী উপস্থতি ছলিনে। হাইকমশিনার র্হষ র্বধন শ্রংিলা কলজেরে দরদ্রি ও মধোবী শক্ষর্িাথীদরে জন্য শক্ষিাবৃত্তি চালুর ঘোষণা দনে। তনিি কলজে পাঠাগারে বশে কছিু বই অনুদান হসিবেে দনে। এর আগে র্হষ র্বধন শ্রংিলা ঝালকাঠরি ভীমরুলরি ভাসমান কৃষি ও সবজি বাজার পরর্দিশন করনে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএসডবিি প্রসেডিন্টেরে সাক্ষাত

ঢাকা অফসি ॥ ইসলামকি ডভেলেপমন্টে ব্যাংকরে প্রসেডিন্টে ড. বন্দর এম. এইচ. হাজ্জার গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেনে। প্রধানমন্ত্রীর প্রসে সচবি ইহসানুল করমি বলনে, হোটলের্ যাডসিনে ইসলামি ডভেলেপমন্টে ব্যাংক’র (আইএসডবি)ি ঢাকাস্থ ‘রজিওিনাল হাব’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানরে পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠতি হয়। প্রসে সচবি বলনে, আইএসডবিি প্রসেডিন্টে প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বাস প্রদান করনে য,ে বাংলাদশেরে উন্নয়নে ব্যাংকরে র্কাযকর ভূমকিা সব সময় অব্যাহত থাকব।ে ড. হাজ্জার বলনে, বভিন্নি দশেে রজিওিনাল হাব প্রতষ্ঠিার বষিয়ে আইএসডবি’ির সদ্ধিান্তরে পর ঢাকাই প্রথম যখোনে রজিওিনাল হাব প্রতষ্ঠিা করা হলো। বাংলাদশেরে র্অথনতৈকি উন্নয়নরে প্রশংসা করে আইএসডবিি প্রসেডিন্টে বলনে, সকল সূচকে বাংলাদশেরে উন্নয়নরে চত্রি অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র বশিষে করে আফ্রকিার দশেগুলোর সামনে তুলে ধরা উচতি। বাংলাদশেরে র্অথনতৈকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতরি প্রশংসা করে ড. হাজ্জার বলনে, দশেরে সামাজকি ক্ষত্রেে উন্নয়নরে সঙ্গে সঙ্গে র্অথনতৈকি উন্নয়নও সাধতি হচ্ছ।ে তনিি বলনে, আইএসডবিি বাংলাদশেরে জনগণরে জীবনমানরে উন্নয়নে তাঁদরে সহযোগতিা অব্যাহত রখেে কাজ করে যতেে প্রতশ্রি“তবিদ্ধ। ইহসানুল করমি বলনে, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদশেকে আইএসডবি’ির সহযোগতিা প্রদানরে তালকিায় ওপররে দকিে রাখায় এবং সহযোগতিা অব্যাহত রাখায় তাঁদরে প্রতি ধন্যবাদ জানয়িে বলনে,বাংলাদশেরে উন্নয়নে আইএসডবি’ির সহযোগতিা খুবই গুরুত্বর্পূণ। তাঁর সরকার তৃণমূল র্পযায় থকেে দশেরে উন্নয়নে গুরুত্বারোপ করছেে উল্লখে করে শখে হাসনিা বলনে, পরকিল্পতিভাবে দশেরে উন্নয়ন করে যাচ্ছে সরকার। তনিি বলনে, আমরা ইতোমধ্যইে খাদ্য নরিাপত্তা নশ্চিতি করছেি এবং দারদ্রিরে হার ২২ শতাংশে কময়িে এনছে,ি যা আরো কময়িে আনার লক্ষ্য সরকাররে রয়ছে।ে  প্রধানমন্ত্রী বলনে, দশেরে র্অথনীতরি ক্ষত্রেে বড় ধরনরে পরর্বিতন সাধন করা হয়ছে,ে তাঁর সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বদ্যিুৎ উৎপাদনে গুরুত্ব দয়িছে।ে প্রধানমন্ত্রী এ সময় দশেরে বভিন্নি খাতে বশিষে করে কৃষি এবং খাদ্য প্রক্রয়িাজাতকরণ শল্পিে আইএসডবি’ির আরো বনিয়িোগ প্রত্যাশা করনে এবং আশাবাদ ব্যক্ত করনে আইএসডবি’ির রজিওিনাল হাব পারস্পরকি সর্ম্পককে শক্তশিালী করতে ভূমকিা রাখব।ে র্অথমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহতি, র্অথ প্রতমিন্ত্রী এম এ মান্নান, মুখ্য সচবি মো. নজবিুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর র্কাযালয়রে এসডজিি বষিয়ক সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, ইআরডি সচবি কাজী শফকিুল আজম এবং প্রধানমন্ত্রীর র্কাযালয়রে সচবি সাজ্জাদুল হাসান এ সময় উপস্থতি ছলিনে। ইন্টারন্যাশনাল ট্রডে এন্ড ফন্যিান্স র্কপাোরশেনরে সইিও ইঞ্জনিয়িার হানসিালমে স্যানবল, আইএসডবিি এশয়িা’র লডি এক্সকিউিটভি কোর্অডনিটের ড. জাফর ইকবাল এবং পরচিালক সআিরএস এশয়িা ইফরান বুখারি আইএসডবিি প্রসেডিন্টেরে সঙ্গে ছলিনে।

রোহঙ্গিাদরে প্রত্যাবাসনে সুনর্দিষ্টি পদক্ষপে গ্রহণে আইএসডবিজি’র প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

ঢাকা অফসি ॥  প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা ময়িানমার থকেে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদশেে আশ্রয় গ্রহণকারী রোহঙ্গিাদরে দশেে ফরিয়িে নয়োর লক্ষে সুনর্দিষ্টি পদক্ষপে গ্রহণরে জন্য ইসলামকি ডভেলেপমন্টে ব্যাংক গ্র“প (আইএসডবিজি)ি-র প্রতি আহ্বান জানয়িছেনে। তনিি বলনে, ‘বাংলাদশে জোরর্পূবক বাস্তুুচ্যুত বপিুল রোহঙ্গিা জনস্রোতরে নজরিবহিীন এক মানবকি সংকটে অত্যন্ত সক্রয়িভাবে সাড়া দয়িে সীমান্ত উন্মুক্ত রখেে এবং তাদরে প্রবশে করতে দয়িছে।ে’ প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘কন্তিু, এখন আমরা তাদরে নজি দশেে ফরেত পাঠাতে চাই। ময়িানমাররে রোহঙ্গিা জনগোষ্ঠী যখন জাতগিত নর্মিূলরে মুখোমুখি তখন আইডবিি নশ্চিুপ থাকতে পারে না।’ রোহঙ্গিরা স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং প্রতবিশেরে ওপর ব্যাপক নতেবিাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে উল্লখে করে শখে হাসনিা বলনে, ‘কাজইে জোরর্পূবক বতিাড়তি রোহঙ্গিাদরে নরিাপদে নজি দশেে ফরিে যাওয়া নশ্চিতি করার জন্য আইডবিকিে আমি দৃঢ়ভাবে তাদরে পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানাচ্ছ।ি’ প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিা গতকাল রোববার সকালে হোটলের্ যাডসিনে ইসসলামী ডভেলেপমন্টে ব্যাংক গ্র“পরে (আইএসডবিজি)ি ঢাকাস্থ ‘রজিওিনাল হাব’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতথিরি ভাষণে একথা বলনে। র্অথমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহতি, ইসলামকি ডভেলেপমন্টে ব্যাংকরে প্রসেডিন্টে ড. বন্দর এম. এইচ. হাজ্জার, র্অথনতৈকি সম্পদ বভিাগরে (ইআরড)ি সচবি কাজী শফকিুল আজম অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করনে। পরবিশে, বন ও জলবায়ু পরর্বিতন সক্টেরে বনিয়িোগরে চাহদিা, র্বতমান অবস্থা ও ঘাটতি র্পযালোচনা করার জন্য কান্ট্রি ইনভস্টেমন্টে প্লান বাস্তবায়নরে ক্ষত্রেওে আইএসডবিজি’ির সহযোগতিা কামনা করনে প্রধানমন্ত্রী।

তনিি বলনে, ‘বনিয়িোগ পরকিল্পনা মতে সর্ম্পূণ ময়োদে মোট ১১ দশমকি ৭ বলিয়িন র্মাকনি ডলাররে প্রয়োজন। দশেীয় ও আর্ন্তজাতকি উৎস হতে এ র্পযন্ত ৪ দশমকি ৭ বলিয়িন র্মাকনি ডলার বনিয়িোগ করা হয়ছে।ে র্অথাৎ আরও ৭ বলিয়িন র্মাকনি ডলাররে ঘাটতি রয়ছে।ে এ ঘাটতি পূরণে আপনাদরে সহযোগতিা প্রয়োজন।’ প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘আমরা ২০২১ সালরে মধ্যে বাংলাদশেকে মধ্যম আয়রে দশে এবং ২০৪১ সালরে মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দশেে পরণিত করতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ। আমি দৃঢ়ভাবে বশ্বিাস কর,ি এ উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আপনাদরে সর্মথন ও সহযোগতিা অব্যাহত রাখবনে।’ ‘সকলে মলিে আমরা নতুন প্রজন্মরে জন্য উজ্জ্বল-সমৃদ্ধ ভবষিৎ গড়ে তুলব’ উল্লখে করে প্রধানমন্ত্রী বলনে, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা র্অজনে আমরা সফল হয়ছে।ি এখন জাতীয় পরকিল্পনা এবং র্কমকৌশলরে মাধ্যমে ২০৩০ সালরে মধ্যইে টকেসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডজি)ি বাস্তবায়নে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছ।ি ঢাকায় আইএসডবিজিি এর রজিওিনাল হাব স্থাপনকে স্বাগত জানয়িে প্রধানমন্ত্রী বলনে, এটি ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকরে ব্যবস্থাপনা র্কাযক্রম সদর-দপ্তর থকেে প্রশাসনকি বকিন্দ্রেীকরণরে অংশ। এরফলে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, বাস্তবায়ন, র্পযবক্ষেণ ও অন্যান্য র্আথকি ও প্রশাসনকি র্কাযক্রমকে আরও দক্ষ, উন্নত ও গতশিীল করব।ে এ উদ্যোগ সদস্য রাষ্ট্ররে উন্নয়ন অগ্রাধকিার, প্রয়োজন ও চ্যালঞ্জেসমূহ আরও ঘনষ্ঠিভাবে বুঝতে আইএসডবিকিে সহায়তা করব,ে বলনে তনি।ি শখে হাসনিা বলনে, আইএসডবিি বাংলাদশেরে অন্যতম বশ্বিস্ত উন্নয়ন-সহযোগী। আমাদরে দশেরে র্আথ-সামাজকি উন্নয়নে বগিত চার দশকে আইএসডবিরি ভূমকিা উল্লখেযোগ্য। তনিি বলনে, আইএসডবিি এ-র্পযন্ত বাংলাদশেকে ২২ বলিয়িন র্মাকনি ডলার উন্নয়ন সহযোগতিা প্রদান করছে।ে ৫৭টি সদস্য রাষ্ট্ররে মধ্যে বাংলাদশে র্সববৃহৎ র্অথনতৈকি সহযোগতিা গ্রহণকারী দশে। ঢাকায় নতুন অফসি স্থাপন বাংলাদশেরে সঙ্গে আইএসডবিরি সর্ম্পক সুসংহত এবং অংশীদারত্বি সুদৃঢ় করার আরও একটি ধাপ বলে আমি মনে কর,ি যোগ করনে প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদশেরে জনগণরে টকেসই র্আথ-সামাজকি উন্নয়নে তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে উল্লখে করে প্রধানমন্ত্রী বলনে, কন্তিু এ অভযিাত্রা কখনোই মসৃন ছলি না। আমাদরে দক্ষ নতেৃত্ব ও জনগণরে বলষ্ঠি প্রচষ্টোয় বাংলাদশে ‘তলাবহিীন ঝুঁড়’ি থকেে আজ উন্নয়নশীল দশেরে র্মযাদা পয়েছে।ে জাতসিংঘরে উন্নয়ন-নীতি বষিয়ক কমটিি (সডিপি)ি-এ স্বীকৃতি দয়িছে।ে স্বল্প সময়রে মধ্যইে উন্নত দশে হবার পথে এ যাত্রা অব্যাহত রখেছে।ি ২০৪১ সালরে মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ-উন্নত রাষ্ট্র হওয়া আমাদরে পরর্বতী লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী বলনে, র্আথ-সামাজকি উন্নয়নে বাংলাদশে বশ্বিব্যাপী ‘উন্নয়নরে বস্মিয়’ যা অন্যদরে জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। জডিপিরি আকারে বাংলাদশে র্বতমানে পৃথবিীর ৪৩তম বড় এবং ক্রয়ক্ষমতা অনুযায়ী ৩২তম বৃহৎ র্অথনীত।ি তনিি বলনে, দারদ্র্যিসীমা র্বতমানে ২২ শতাংশে নমেে এসছে।ে র্কমসংস্থান সৃষ্টরি জন্য আমরা ১০০টি বশিষে র্অথনতৈকি অঞ্চল, হাইটকে র্পাক, সফটওয়্যার প্রযুক্তি র্পাক স্থাপন করার পাশাপাশি বসেরকারি ও বদৈশেকি বনিয়িোগও সহজতর করছ।ি এছাড়াও অবকাঠামোগত চ্যালঞ্জে মোকাবলোয় আমরা বশে কছিু বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করছে।ি আমরা নজিস্ব র্অথায়নে অন্যতম হৃহৎ প্রকল্প পদ্মা সতেু তরৈি করছ,ি বলনে তনি।ি  শখে হাসনিা বলনে, দশেরে সামষ্ঠকি র্অথনীতি ব্যবস্থাপনায় আমরা উন্নয়ন ধরে রাখতে পরেছে।ি ২০১৭-২০১৮ র্অথ বছরে জডিপিি ৭ দশমকি ৭৮ শতাংশে উন্নীত হয়ছে।ে মাথাপছিু আয় ১৭৫২ র্মাকনি ডলারে উন্নীত হয়ছে।ে গত দশ বছরে মুদ্রাস্ফীতি ১২ দশমকি ৩ শতাংশ হতে ৫ দশমকি ৮ শতাংশে নমেে এসছে।ে সরকাররে রাজস্ব-জডিপিরি অনুপাত ১০ দশমকি ৩ শতাংশ। চলতি র্অথবছরে বাজটেরে আকার ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। রফতানি আয় ৩৪ দশমকি ৮ বলিয়িন র্মাকনি ডলার। বাৎসরকি আমদানি ৪৭ বলিয়িন র্মাকনি ডলারে পৌঁছছে।ে বাংলাদশেরে বদৈশেকি মুদ্রার রজর্িাভ ৩২ দশমকি ৯ বলিয়িন র্মাকনি ডলার। প্রবাসীদরে প্ররেতি র্অথ প্রবাহ প্রায় ১৫ বলিয়িন র্মাকনি ডলার। প্রতবিশেী দশেসমূহরে তুলনায় মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদশে এগয়িে রয়ছেে উল্লখে করে তনিি বলনে, আমরা সাধারণ শক্ষিা, পশোগত শক্ষিা, কারগিরি শক্ষিা ও তথ্য-প্রযুক্তি শক্ষিার ওপর গুরুত্ব দচ্ছি।ি প্রধানমন্ত্রী বলনে, আমরা সাড়ে ১৮ হাজার কমউিনটিি ক্লনিকিে ১৩ হাজার ৮৪২ জন স্বাস্থ্য-সবো প্রদানকারী নয়িোগরে মাধ্যমে গ্রামীণ ও প্রান্তকি জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসবো নশ্চিতি করে যাচ্ছ।ি তনিি বলনে, প্রতি হাজারে শশিুমৃত্যু হার ২৮ ও মাতৃমৃত্যুর হার ১ দশমকি ৭৬ -এ নাময়িে আনা হয়ছে।ে র্বতমানে এক বছররে কম শশিুদরে মধ্যে টকিা প্রদানরে হার ৮২ দশমকি ৩ শতাংশ এবং ভটিামনি-এ ক্যাপসুল খাওয়ার হার ৯২ শতাংশ। মানুষরে গড় আয়ু র্বতমানে ৭২ বছররে বশে।ি ২৪ ঘণ্টা জনগণকে বনিামূল্যে চকিৎিসা পরার্মশ দয়োর জন্য “স্বাস্থ্য-জানালা” চালু করা হয়ছে।ে তাঁর সরকার বদ্যিুৎ ও জ্বালানি সক্টেরকে অগ্রাধকিার প্রদান করছেে উল্লখে করে শখে হাসনিা বলনে,  ২০০৯ সালে দশেে বদ্যিুৎ উৎপাদনরে সক্ষমতা ছলি মাত্র ৪ হাজার ৯৪২ মগোওয়াট। যা র্বতমানে চারগুণ বৃদ্ধি পয়েে প্রায় ২০ হাজার মগোওয়াটে উন্নীত হয়ছে।ে তনিি বলনে, র্বতমানে দশেে পাওয়ার প্লান্টরে সংখ্যা ১১৮ট।ি বদ্যিুতরে সঞ্চালন ও বতিরণ ব্যবস্থাও উন্নত করা হয়ছে।ে র্বতমানে শতকরা ৯০ জন বদ্যিুৎ সুবধিা ভোগ করছ।ে আমাদরে লক্ষ্য ২০২১ সালরে মধ্যে ২৪ হাজার মগোওয়াট বদ্যিুৎ উৎপাদনরে মাধ্যমে দশেরে সকল মানুষরে কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে বদ্যিুৎ সরবরাহ করা। এছাড়াও, জ্বালানি নরিাপত্তা নশ্চিতি করতে নতুন তলে ও গ্যাসক্ষত্রে অনুসন্ধানে গুরুত্ব দওেয়া হচ্ছ।ে আমরা তরলীকৃত প্রাকৃতকি গ্যাস (এলএনজ)ি আমদানি শুরু করছে,ি যোগ করনে তনি।ি বাংলাদশে ইতোমধ্যে প্রযুক্ত-িনর্ভির ডজিটিাল বাংলাদশেে পরণিত হয়ছেে উল্লখে করে শখে হাসনিা বলনে, দশেরে প্রান্তকি অঞ্চলকে সংযুক্ত করার জন্য বস্তিৃত তথ্য-প্রযুক্তরি অবকাঠামো তরৈি করা হয়ছে।ে শক্ষিা, স্বাস্থ্য, কৃষ,ি জন্মনবিন্ধন এবং সামাজকি-ভাতাসহ ২০০ প্রকার সরকারি সবো এখন জনসাধারণরে হাতরে নাগাল।ে ১৮ হাজার সরকারি অফসি একটি সমন্বতি নটেওর্য়াকরে সঙ্গে সংযুক্ত হয়ছে।ে তনিি বলনে, দশেে র্বতমানে ৯১ শতাংশ টলেঘিনত্ব এবং ৫০ দশমকি ১ শতাংশ ইন্টারনটে ঘনত্ব রয়ছে।ে দশেে র্বতমানে ১৫ কোটি ৩ লাখ মানুষ মোবাইল ফোন এবং ৮ থকেে ৬ কোটি মানুষ ইন্টারনটে ব্যবহার কর।ে সরকার প্রধান বলনে, সরকারি অফসিে ই-ফাইলংি, ইলকেট্রনকি কনোকাটা (ই-জপি)ি, ই-কর্মাস, স্থানীয় র্পযায়ে ডজিটিাল সন্টোর, মোবাইলরে মাধ্যমে স্বাস্থ্যসবো, ডজিটিাল পরীক্ষাগার ও মাল্টমিডিয়িা শ্রণেকিক্ষ ব্যবহার করা হচ্ছ।ে  দশেরে প্রথম স্যাটলোইট সফলভাবে উৎক্ষপেণরে প্রসঙ্গ উল্লখে করে প্রধানমন্ত্রী বলনে, গত ১১ ম,ে ২০১৮ তারখিে মহাশূন্যে দশেরে প্রথম কৃত্রমি উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটলোইট-১’ উৎক্ষপেণরে মাধ্যমে বাংলাদশে ৫৭তম দশে হসিবেে স্যাটলোইট ক্লাবে যুক্ত হওয়ার গৌরব র্অজন করছে।ে সমাজরে সকল স্তরে নারী পুরুষরে সমান অধকিার নশ্চিতি করার লক্ষ্যে তাঁর সরকার ‘জাতীয় নারী উন্নয়ন নীত-ি২০১১’ ও জন্ডোর বাজটে প্রণয়ন করছেে উল্লখে করে প্রধানমন্ত্রী বলনে, ‘বশ্বৈকি লঙ্গি-বষৈম্য প্রতবিদেন ২০১৭’ অনুযায়ী ১৪৪টি রাষ্ট্ররে মধ্যে বাংলাদশেরে অবস্থান ৪৭ তম। এক্ষত্রেে ভারত, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, নপোল, ভুটান এবং পাকস্তিানরে চয়েে বাংলাদশে এগয়িে রয়ছে।ে তনিি বলনে, আমরা ৩ দশমকি ৫ মলিয়িন নারী পোশাক শ্রমকিদরে নরিাপদ ও সুরক্ষতি র্কমক্ষত্রে তরৈরি জন্য বভিন্নি পদক্ষপে গ্রহণ করছে।িপ্রধানমন্ত্রী দশেরে র্দুযােগ ব্যবস্থাপনার সাফল্য তুলে ধরে বলনে, র্দুযােগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদশে আর্ন্তজাতকিভাবে প্রশংসতি হয়ছে।ে কন্তিু জলবায়ু পরর্বিতনজনতি যে কোন ইস্যুতে বাংলাদশে অন্যতম ক্ষতগ্রিস্ত রাষ্ট্র। জলবায়ুর অভঘিাত মোকাবলোয় তাঁর সরকাররে উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলনে, জলবায়ু পরর্বিতনরে প্রভাব প্রশমন এবং অভযিোজন করার জন্য ‘বাংলাদশে জলবায়ু পরর্বিতন র্কমকৌশল ও র্কমপরকিল্পনা’ এর আওতায় বশে কছিু র্কমসূচি গ্রহণ করা হয়ছে।ে ‘বাংলাদশে নজিস্ব র্অথায়নে বাংলাদশে জলবায়ু পরর্বিতন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করছে’ে, বলনে শখে হাসনিা।

আজ উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী

আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎতে যোগ হচ্ছে ভেড়ামারা উপকেন্দ্রে

নিজ সংবাদ ॥ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার আওতায় ভারত থেকে আরও বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হচ্ছে। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ভারতের বহরপুর থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানীর নব নির্মিত ৫০০ এম ডব্লিউ এইচভিডিসি সেকেন্ড ব্লক আজ ১০ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেল পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।

রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর ৩০০ মেগাওয়াট দিয়ে এই বিদ্যুৎ আমদানি শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে চাহিদা, গ্রিড সমন্বয় (সিনক্রোনাইজেশন) প্রভৃতির ওপর নির্ভর করে পর্যায়ক্রমে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি হবে।

ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধামে উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আসলে দুই দেশের মধ্যকার আন্তসীমান্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য কয়েক দিন আগে থেকেই কিছু কিছু বিদ্যুৎ আনা- নেওয়া শুরু হয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা হচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন করা হবে তার ১০ শতাংশ, অর্থাৎ ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট আমদানি করা হবে। এর পুরোটাই আমদানি হবে ভারত থেকে। আর ২০৪০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে ৯ হাজার  মেগাওয়াট। এর মধ্যে নেপাল ও ভুটান থেকেও আমদানি করা বিদ্যুৎ থাকবে। এ ছাড়া মিয়ানমার আর চীন থেকেও আমদানির চেষ্টা করা হবে। দীর্ঘ মেয়াদে  দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি বহুমুখীকরণের পাশাপাশি আমদানিকে অপেক্ষাকৃত বেশি সুবিধাজনক পন্থা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ এই পন্থায় দেশের জায়গা, জ্বালানি ও এককালীন বিনিয়োগের দরকার হয় না।

ভেড়ামারায় ভারতের বহরপুর থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানীর নব নির্মিত ৫০০ এম ডব্লিউ এইচ ভি ডি সি সেকেন্ড ব্লক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, কুষ্টিয়া সদর  আসনের সংসদ সদস্য মাহবুুবউল আলম হানিফসহ প্রশাসনের পদস্থ কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং সুশিল সমাজের নেতৃবৃন্দ। গত ১২ এপ্রিল ভেড়ামারায় ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভিডিও কনফারেন্সিং’র মাধ্যমে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভেড়ামারা আন্তসংযোগ বিদ্যুৎ প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আলমগীর  হোসেন বলেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। রবিবার রাত সাড়ে ১২টায়  স্টেশনের দ্বিতীয় ব্লকের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আসবে। সোমবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

ভেড়ামারায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহেল মারুফ বলেন, ভেড়ামারায় ভারতের বহরপুর থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানীর নব নির্মিত ৫০০ এম ডব্লিউ এইচ ভি ডি সি সেকেন্ড ব্লক কেন্দ্রটি উদ্বোধনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। উদ্বোধনের পর দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলসহ সারা দেশে বিদ্যুৎ চাহিদা পূরন হবে।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেনও বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন,  সোমবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ভেড়ামারা কেন্দ্রে এক সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সে বক্তব্য দেবেন। সুধী সমাবেশে মন্ত্রী, সাংসদ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ প্রায় ৪০০ জন আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন।

আলমডাঙ্গায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুর্ধ্ব-

১৭ গোল্ডকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় রাউন্ডের দুটি খেলা অনুষ্ঠিত

আলমডাঙ্গা অফিস  ॥ আলমডাঙ্গার পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যলয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্নমেন্টে গতকাল রোববার দ্বিতীয় রাউন্ডের দুটি খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম খেলায় গাংনী ইউনিয়ন ৫-০ গোলে পৌরসভাকে পরাজিত করে। অন্যদিকে অপর খেলায় নাগদাহ ইউনিয়ন ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলে কালিদাসপুর ইউনিয়নকে পরাজিত করেছে। খেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাহাত মান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদুর রহমান অরুন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন থানার ওসি তদন্ত লুৎফুল কবির, নাগদাহ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, গাংনি ইউপি আবু তাহের আবু, মুক্তিযোদ্ধা নুর মোহাম্মদ জকু, আলমডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম মন্টু, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার জিহাদী টুটুল প্রমুখ।

মার্কিন র‌্যাপার মিলারের রহস্যজনক মৃত্যু

বিনোদন বাজার ॥  মার্কিন র‌্যাপার ম্যাক মিলার আকস্মিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমেরিকার সংবাদ সংস্থাগুলোর খবরে বলা হয়েছে, মাত্র ২৬ বছর বয়সী মার্কিন এই তারকা মূলত অতিরিক্ত মদ্যপানের ফলেই মারা গেছেন। ১৯৯২ সালের ১৯ জানুয়ারি প্যাটসবার্গে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। মার্কিন র‌্যাপার ম্যাক মিলার হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত থাকলেও তার আসল নাম ম্যালকম জেমস ম্যাকক্রোমিক। ২০১১ সালে তার প্রথম অ্যালবাম দিয়ে সঙ্গীতে তার যাত্রা শুরু হয়েছিল। জানা গেছে, গত ৭ সেপ্টেম্বর সকালে মিলারের স্টুডিও সিটি হাউজ থেকে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরপর মেডিকেল পরীক্ষা করা হলে চিকিত্সকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বিগবস দিয়ে অভিনয়ে ফিরছেন তনুশ্রী!

বিনোদন বাজার ॥  ‘আশিক বানায়া আপনে’ সিনেমায় অভিনয় করে বলিউড পাড়ায় ঝড় তুলেছিলেন তনুশ্রী দত্ত। হাতেগোনা আরও কয়েকটি ছবি করেছিলেন। এরপরই হুট করে উধাও হন বলিউড অঙ্গন থেকে। সেই তনুশ্রী আবার ফিরছেন, তবে সিনেমায় নয়, টিভি রিয়েলিটি শো বিগবসে।বিগবসের বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, এবার বিগবসের ১২ তম আসরে থাকছেন তনুশ্রী। সঙ্গে তার জুটিতে থাকবে তার বোন ঈশিতা দত্ত।এ ব্যাপারে তনুশ্রী বলেন, মাত্র কয়েকদিন হল দেশের বাইরে থেকে মুম্বাইতে এসেছি। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে আর আড্ডা দিতে আমার আসা।বিগবসের আসরে পারফর্ম করার ব্যাপারে তিনি বলেন, সময় হলে সবকিছু দেখতে ও জানতে পারবেন।তিনি আরও বলেন এটা গুজবও হতে পারে। বিগবসের পক্ষ থেকে আমাকে এখন পর্যন্ত তেমন কিছু জানানো হয়নি। বিগবস-এর ১২তম সিজনের প্রথম জুটির নাম ইতিমধ্যেই নিশ্চিত করেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। আর সেই জুটি হলেন, কমেডিয়ান ভারতী সিংহ এবং তাঁর স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়া। কিন্তু তনুশ্রী কি সত্যি থাকছেন?  উত্তর জানতে উদগ্রীব তাঁর ভক্তকূল।

ইউটিউবে হৃদয় খানের নতুন গান

বিনোদন বাজার ॥  নতুন গান নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী হৃদয় খান। গানের শিরোনাম ‘লুকোচুরি প্রেম’।গানটির কথা লিখেছেন এসএ হক অলিক। সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন হৃদয় খান নিজেই। গানটিতে সহশিল্পী হিসেবে গেয়েছেন তাসনিম আনিকা।গেল কোরবানির ঈদে রেদোয়ান রনি পরিচালিত ‘বিয়ের দাওয়াত রইলো’ নামে একটি টেলিছবিতে গানটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এবার গানটি এককভাবে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বাংলাফ্লিক্স ও বাংলাঢোলের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে।

ছাদে বেদানার চাষ অত্যন্ত সহজ

কৃষি প্রতিবেদক ॥ ছাদে বেদানা বা আনার চাষ অত্যন্ত সহজ। চারা লাগানোর জন্য ২০ ইঞ্চি কালার ড্রাম বা টব সংগ্রহ করতে হবে। ড্রামের তলায় ৩-৫টি ছিদ্র করে নিতে হবে। যাতে গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে। টব বা ড্রামের তলার ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে। টব বা ড্রামের গাছটিকে ছাদের এমন জায়গায় রাখতে হবে যেখানে সবসময় রোদ থাকে। এবার ২ ভাগ বেলে দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ৪০-৫০ গ্রাম টিএসপি সার, ৪০-৫০ গ্রাম পটাশ সার, এবং ২০০ গ্রাম হাড়ের গুড়া একত্রে মিশিয়ে ড্রাম বা টবে পানি দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০-১২ দিন। অতঃপর মাটি কিছুটা খুঁচিয়ে দিয়ে আবার ৪-৫ দিন একইভাবে রেখে দিতে হবে। মাটি যখন ঝুরঝুরে হবে তখন একটি সবল সুস্থ কলমের চারা উক্ত টবে রোপণ করতে হবে। চারা রোপণের সময় খেয়াল রাখতে হবে গাছের গোড়া যেন মাটি থেকে আলাদা না হয়ে যায়। চারা গাছটিকে সোজা করে লাগাতে হবে। সেই সঙ্গে গাছের গোড়ায় মাটি কিছুটা উঁচু করে দিতে হবে এবং মাটি হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। যাতে গাছের গোড়া দিয়ে বেশি পানি না ঢুকতে পারে। একটি সোজা কাঠি দিয়ে গাছটিকে বেঁধে দিতে হবে। চারা লাগানোর পর প্রথমদিকে পানি কম দিতে হবে। আস্তে আস্তে পানি বাড়াতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন গাছের গোড়ায় পানি জমে না থাকে আবার বেশি শুকিয়েও না যায়।
অন্যান্য পরিচর্যা ঃ বেদানা গাছের চারা লাগানোর ৪-৫ মাস পর থেকে নিয়মিত ২৫-৩০ দিন অন্তর অন্তর সরিষার খৈল পচা পানি প্রয়োগ করতে হবে। সরিষার খৈল ১০ দিন পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর সেই পচা খৈলের পানি পাতলা করে গাছের গোড়ায় দিতে হবে। ১ বছর পর টবের আংশিক মাটি পরিবতর্ন করে দিতে হবে। ২ ইঞ্চি প্রস্থে এবং ৬ ইঞ্চি গভীরে শিকরসহ মাটি ফেলে দিয়ে নতুন সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে তা ভরে দিতে হবে। মাটি পরিবর্তনের এই কাজটি সাধারণত বর্ষার শেষ এবং শীতের আগে করলেই ভালো হয়। ১০-১৫ দিন অন্তর অন্তর টব বা ড্রামের মাটি কিছুটা খুঁচিয়ে দিতে হবে। ছাদের আনার গাছের ডাল নিয়মিত ছাঁটাই করতে হবে। আনার বা বেদানা গাছের পুরনো ডালের নতুন শাখায় ফুল আসে। পুরনো ডালে নতুন শাখা বের করার জন্যই ডালপালা ছাঁটাই করা প্রয়োজন। এ ছাড়াও আনার গাছের শিকড় থেকে বের হওয়া সাকারও ছেঁটে দেয়া দরকার।

আবারও ঢাকার ছবিতে কলকাতার ইন্দ্রনীল

বিনোদন বাজার ॥  ঢাকার একটি ছবিতে সম্প্রতি অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন কলকাতার ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত। নতুন এই ছবির নাম ‘নন্দিনী’। ছবিটি পরিচালনা করছেন সোয়াইবুর রহমান রাসেল। বাংলাদেশি লেখক পরিতোষ বাড়ৈর ‘নরক নন্দিনী’ উপন্যাস অবলম্বনে ছবিটি নির্মিত হচ্ছে। এর গল্প ও সংলাপ লিখেছেন লেখক নিজেই। আর চিত্রনাট্য লিখেছেন তামজীদ রহমান। আগামী ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছবি প্রসঙ্গে কলকাতা থেকে মুঠোফোনে ইন্দ্রনীল বলেন, ‘নন্দিনী ছবির গল্পের চিত্রনাট্য ও বাকি সবই আমার পছন্দ হয়েছে। এমন চরিত্রে আমি এর আগে কখনই অভিনয় করিনি। এ ছাড়া সমাজের এমন নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু সম্পর্কের পটভূমিতে নির্মিত সিনেমায় আমি আগে কাজ করিনি। সেই সঙ্গে এটি একটি ভিন্ন রকমের ভালোবাসার গল্প। এটি আমার জন্য খুবই চ্যালেঞ্জিং। আমি এমন ধরনের চরিত্রেই অভিনয় করতে পছন্দ করি যা আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হয়।’ছবির গল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হতে পারে এটি একই শহরের গল্প। কিন্তু শহরে বিভিন্ন রকমের মানুষ ও মানুষের গল্প রয়েছে যা বলা যেতে পারে। তাই এখন আমি খুবই ভিন্নরকম একটি গল্পের অংশ, যা আমি আগে কখনো করিনি। এবং আমি মনে করি না অন্যদের থেকে ব্যতিক্রম কিছু করতে আমার কোন সমস্যা হবে।’এ ছবিতে ইন্দ্রনীলের বিপরীতে অভিনয় করবেন টিভি নাটকের একজন অভিনেত্রী। তবে তার নাম এখনই বলতে নারাজ পরিচালক রাসেল। তিনি বলেন, ‘একটা মেয়ের সংগ্রামী জীবনের গল্প দেখা যাবে নন্দিনী ছবিতে, যার জীবনের পরতে পরতে লুকিয়ে রয়েছে গল্প। ছবিটির মধ্য দিয়ে আমরা সমাজের মানুষের কাছে একটা মেসেজ দিতে চাই।’ প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে ‘চোরাবালি’ দিয়ে ঢাকাই ছবিতে অভিষেক হয়েছিল ইন্দ্রনীলের। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ‘সম্রাট’ ছবিতে।

 

২৯ বছর পর জোছনার উপর প্রতিশোধ নিলেন রাজকুমার সেলিম

বিনোদন বাজার ॥  ২৯ বছর আগে জোছনা সেলিমকে ফাঁকি দিয়েছিল। অপেক্ষায় রেখেছিল প্রতাপশালী বাদশাহ’র আদরের দুলালকে। গতকাল রোববার তার প্রতিশোধ নিলেন রাজকুমার সেলিম।অপূর্ব রূপবতী বেদের মেয়ে জোছনার জন্য পরিবার, সিংহাসন, আভিজাত্য ত্যাগ করে কারাবরণ করেছিলেন রাজকুমার সেলিম।যা ছিল ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া সুপার ডুপার হিট ‘বেদের মেয়ে জোছনা’ ছবির এই গল্প৷ ছবিতে বহুবার রাজকুমার ছুটে গেছেন জোছনার টানে। জোছনাও আসি আসি বলে ফাঁকি দিয়েছিল।কিন্তু বাস্তবের গল্পটা পালটে দিলেন রাজকুমার চরিত্রের ইলিয়াস কাঞ্চন। ২৯ বছর আগে জোছনার জন্য অপেক্ষার মধুর প্রতিশোধ নিলেন তিনি৷ তার অপেক্ষায় বসিয়ে রাখলেন ‘প্রিয়তমা’ জোছনাকে। তবে ফাঁকি দেননি।গতকাল রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) এফডিসিতে আসেন জোছনাখ্যাত এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনয়িকা অঞ্জু ঘোষ। ২৩ বছর পর তার সঙ্গে দেখা করার সময় নির্ধারিত ছিল ইলিয়াস কাঞ্চনের৷ তিনি এলেন। তবে ইচ্ছে করেই দেরি করে এলেন।দেরি প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন সহাস্যে বলেন, ‘বেদের মেয়ে জোছনা’ ছবিতে আমিই তো জোছনার অপেক্ষা করতাম। সে তখন আমাকে ফাঁকি দিত। আমি তো অনেক অপেক্ষাই করেছি তার। আজ ইচ্ছে করেই আমার জন্য তাকে অপেক্ষা করিয়েছি৷ তবে ফাঁকি দেইনি।’দীর্ঘ ২৩ বছর পর দেখা হবার পর দুজনই বেশ আবেগপ্রবন হয়ে পড়েন৷ অনেক স্মৃতিচারণ করেন তারা। সাংবাদিকদের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে মেতে উঠেন মধুর আড্ডায়। এসময় এ বিখ্যাত জুটির সঙ্গে ছিলেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও নায়ক জায়েদ খান ও শক্তিমান অভিনেতা মিশা সওদাগর।

কালুখালীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ ১৭ এর খেলা উদ্বোধন

ফজলুল হক ॥ গতকাল রবিবার রাজবাড়ীর কালুখালীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুর্ধ ১৭ এর খেলা শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার কালুখালী এর আয়োজনে দুপুর ২টায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে খেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী সাইফুল ইসলাম। এসময় উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জিল্লুর রহমান, নির্বাচন অফিসার মোঃ জাহিদ হোসেন, ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম, মদাপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম মৃধা, কোষাধ্যক্ষ সাবেক ফুটবলার লিয়াকত আলী খান, ধারা বিবরণী মঞ্জুরুল ইসলাম জিন্না সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সূধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী খেলায় ৪টি দলের মধ্যে প্রথমে রতনদিয়া ইউনিয়ন বনাম মৃগী ইউনিয়নের মধ্যকার খেলায় ০৫-০১ গোলে রতনদিয়া বিজয় অর্জন করে। পরবর্তি খেলায় কালিকাপুর ইউনিয়ন বনাম মদাপুর ইউনিয়নের খেলা নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় ট্রাইবেকারের মাধ্যমে ০৩-০২ গোলে মদাপুর বিজয় অর্জন করে। উল্লেখ্য উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদসহ মোট ৮টি দল এ খেলায় অংশ গ্রহণ করবে।

পাংশায় গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণীতে ফরিদ হাসান ওদুদ

সন্তানের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায় উতসাহ দিতে হবে

পাংশা প্রতিনিধি ॥ রাজবাড়ী জেলার পাংশা জর্জ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শনিবার ৮ সেপ্টেম্বর উৎসবমূখর পরিবেশে ৪৭তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায়, ২৫টি মাদরাসা ও ৩৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মোট ৬৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে জোন পর্যায়ে খেলা শেষে গত শনিবার উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ শনিবার কাচারীপাড়া স্কুল এন্ড কলেজ ও হাবাসপুর কে.রাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যকার ফুটবল খেলায় টাইব্রেকারে কাচারীপাড়া স্কুল এন্ড কলেজকে ১-০ গোলে পরাজিত করে হাবাসপুর কে.রাজ উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়। সেই সাথে জেলা পর্যায়ে খেলার সুযোগ সৃষ্টি হয় হাবাসপুর কে.রাজ উচ্চ বিদ্যালয়ের। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফরিদ হাসান ওদুদ বক্তব্য বলেন অভিভাবকদের সন্তানের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার উৎসাহ দিতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা আহম্মেদ ও মোস্তফা মাহমুদ (হেনা মুন্সী) বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাংশা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস.এম নাসিম আখতার। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সামসুল আলম ও কাজী আব্দুল মাজেদ একাডেমীর সহকারী শিক্ষক ফিরোজ হোসেন। অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল-মাদরাসার প্রধান ও ক্রীড়া শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জাতীয় স্কুল মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি ৪৭তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

গাংনীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল টুর্ণামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা অনুষ্ঠিত

গাংনী প্রতিনিধি ॥ মেহেরপুরের গাংনীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্ণামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলায় ধানখোলা ইউনিয়ন অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল একাদশ ২-০ গোলে ষোলটাকা ইউনিয়ন অনুর্ধ্ব-১৭ ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। গতকাল রোববার বিকেলে গাংনী মাধ্যমিক স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। গাংনী উপজেলা প্রশাসন টুর্ণামেন্টের আয়োজন করে। খেলার প্রথম অধ্যায়ের ২ মিনিটের মাথায় ধানখোলা ফুটবল একাদশের ১১ নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় মাহফুজ ১টি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। খেলার ১৪ মিনিটের মাথায় একই দলের ১০ নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় আকাশ আরো ১টি গোল করে দলের বিজয়ের পাল্লা ভারী করেন। খেলার দ্বিতীয় অধ্যায়ে কোনো পক্ষই গোল করতে পারেনি। খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হিসাবে ধানখোলা ইউনিয় ফুটবল একাদশের খেলোয়াড় সাগরকে পুরস্কৃত করা হয়।  খেলার প্রধান রেফারী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন,সাবেক ফুটবলার সাজেদুর রহমান সজল। সহকারী রেফারী (নাইচম্যান) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন, সাবেক ফুটবলার আহসান হাবিব ও আব্বাস আলী। খেলায় ধারা বিবরণীতে ছিলেন-গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মহিবুর রহমান মিন্টু, গাংনী মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পারভেজ সাজ্জাদ রাজা, সাবেক ফুটবলার ফিরোজুল ইসলাম মিল্টন, বাওট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রেফারী মাহবুবুর রহমান এবং গাংনী মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মনোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন গাংনী উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষ্ণুপদ পাল। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আখেরুজ্জামান, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব আতর আলী, সাবেক ফুটবলার ও সাংবাদিক আমিরুল ইসলাম অল্ডাম, ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব রফিকুল ইসলাম, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব জহুরুল ইসলাম। দু’টি দলের খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে দর্শকদের উপচে-পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায়। আজ ১০ (সেপ্টেম্বর) সোমবার একই মাঠে বিকেল ৩টার সময় গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশের সাথে মুখোমুখি হবে মটমুড়া ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ।