শতাধিক প্রেক্ষাগৃহে ‘ভাইজান এলো রে’

বিনোদন বাজার ॥ গত সপ্তাহ থেকেই হল মালিকরা ‘ভাইজান এলো রে’ ছবিটি নিতে অধির আগ্রহে বসে আছেন। কিন্তু হুট করে ছবিটির মুক্তির তারিখ পেছানোয় অন্য ছবি চালায় তারা। ছবিটিতে শাকিব খান অভিনয় করায় তার ভক্তরাও মুখ ভাড় করে বসেন। এক সপ্তাহ অপেক্ষা যেন কয়েকমাস অপেক্ষার মতোই মনে হচ্ছি। এমন অনূভূতি ফেসবুকে স্ট্যাটাসের মাধ্যমে অনেক ভক্তরাই জানিয়েছেন। এবার অপেক্ষার বাঁধ ভাঙ্গছে। ২৭ জুলাই মহসমারোহে বাংলাদশে মুক্তি পাচ্ছে কলকাতার শ্রাবন্তী ও পায়েলকে নিয়ে শাকিব খানের ভাইজান এলো রে। কলকাতার ছবি হওয়ায় সাফটা চুক্তির আওতায় মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। কলকাতার পরিচালক জয়দ্বীপ মুখার্জি পরিচালনা করছেন ছবিটি। আমদানি করে বাংলাদেশে ছবিটি মুক্তি দিচ্ছে এন ইউ আহমেদ ট্রেডার্স। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে নির্মাতা অনন্য মামুন বলেন, ‘ভাইজান এলো রে’ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ হল মালিকদের মধ্যে। সারাদেশে ১০০-র মতো সিনেমা হলে ‘ভাইজান এলো রে’ মুক্তি পেতে পারে।তবে আমাদের টার্গেট ছিল প্রথম সপ্তাহে ৮০’র মতো হলে।অনন্য মামুন আরও বলেন, একেক হলে একেক রকম রেন্টালে দিচ্ছি ভাইজন। এই যেমন নারায়ণগঞ্জের নিউ মেট্রো সিনেমা হলে ৫ লাখ টাকায় ছবি দিয়েছি।তবে অন্য ছবি যে পরিমাণ রেন্টালে দেয়া হয় তুলনামূলক অনেক বেশি রেন্টালে দিচ্ছি ‘ভাইজান এলো রে’। আশা করি ভাইজান এবার রেকর্ড গড়বে।কলকাতায় ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেলেও ঈদের প্রায় একমাস পর মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশে। তবুও যেন হল মালিকদের কাছে ঈদের আমেজই লাগছে।শাকিব খানের ভাইজান নিতে সর্বাধিক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে হল মালিকদের মাঝে। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন কলকাতার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে মুভিজ।প্রতষ্ঠানটির কর্ধধার অশোক ধানুকার যুগান্তরকে বলেন, শাকিব খান একজন আসল সুপারস্টার। কলকাতায় ভাইজান এলো রে ভালো চলেছে।এবার মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও আমাদের ইচ্ছে ছিল দুই জায়গায় একই সঙ্গে মুক্তি দেয়ার কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি।ঈদের এতোদিন পর ঈদের ছবি মুক্তি পাচ্ছে। তবুও সেখানে ছবিটির হল মালিকদের আগ্রহ দেখে আমি অবাক। আশা করি ছবিটি বাংলাদেশে ভালো ব্যবসা করবে।ভাইজান এলো রে ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন শাহেদ আলী, দীপা খন্দকার, মনিরা মিঠু, রজতাভ দত্ত (কলকাতা) প্রমুখ।ঢাকার মধ্যে স্টার সিনেপ্লেক্স, ব্লকবাস্টার সিনেমাস, শ্যামলী, বলাকা, মধুমিতা, জোনাকি, সনি, পূরবী এসবগুলোতে চলবে ‘ভাইজান এলো রে’।

 

আরো খবর...