মধুর ক্যানটিনে যা ঘটেছে তা ‘ছোট সাধারণ ঘটনা’ – হানিফ

ঢাকা অফিস ॥ ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর সংঘর্ষের বিষয়ে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে যা ঘটেছে, তা একটি ‘ছোট সাধারণ ঘটনা’। এটি নিয়ে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদকমন্ডলীর সঙ্গে সহযোগী সংগঠনগুলোর যৌথসভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন মাহবুব উল আলম হানিফ। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ একটি বৃহৎ সংগঠন, এখানে হাজার হাজার নেতা-কর্মী রয়েছেন। বয়সে তরুণ হওয়ায় তাঁদের প্রতিক্রিয়াটা একটু ভিন্ন। যোগ্য নেতারা সবাই পদ প্রত্যাশা করেন। সবাইকে তো দেওয়া যায় না। তখন কিছু ব্যক্তি অসন্তুষ্ট হতেই পারে। যে কারণে এ রকম একটু–আধটু ঝামেলা হতেই পারে। আমাদের দেশে এমনটি হয়ে থাকে।’

মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর সম্মেলন বিষয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘সব মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনকে কেন্দ্রীয় কাউন্সিল করতে হবে। যেসব সংগঠনের মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে বা মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে, তাদেরও কেন্দ্রীয় সম্মেলন করার জন্য আমাদের সভা থেকে নির্দেশনা দিয়েছি। তারাও তৃণমূল পর্যন্ত তাদের সংগঠনকে ঢেলে সাজিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্মেলন সম্পন্ন করতে পারবে। সে ব্যাপারে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সম্মেলনের বিষয়ে হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আগামী জাতীয় সম্মেলন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হবে। আমরা আশা করছি, আমাদের সংগঠনকে তৃণমূল পর্যন্ত ঢেলে সাজিয়ে জাতীয় কাউন্সিল করতে পারব। যথাসময়ে অক্টোবরেই আমাদের কাউন্সিল সম্পন্ন হবে।’ ঈদের পর ডিজিটাল ডেটাবেইস নিয়ে আওয়ামী লীগের সারা দেশের সংগঠনের দপ্তর সম্পাদকদের নিয়ে ঢাকায় একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান হানিফ। তিনি বলেন, কর্মশালায় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকবেন। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আগামীকাল সন্ধ্যা ছয়টায় সিঙ্গাপুর থেকে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলে বিমানবন্দরে দলের পক্ষ থেকে তাঁকে অভ্যর্থনা দেওয়া হবে বলে জানান হানিফ। হানিফ আরও বলেন, ১৭ মে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভাসহ মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আবদুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আকতার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মেজবাউল আলমসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরো খবর...