বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির সংস্থানই আগামি দিনের বড় চ্যালেঞ্জ

ঢাকা অফিস ॥ বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রাথমিক জ্বালানির সংস্থানকেই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করা হচ্ছে। কয়লা উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকার নীতির পরিবর্তন করেনি। ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এককভাবে বিদেশি উৎসের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি পাবে। এতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ উভয়ের দাম বৃদ্ধি করা ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. তামিম বলেন, ‘প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আমাদের দেশীয় সরবরাহ। সাগরে ও স্থলভাগে সমানতালে অনুসন্ধান কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে খুব শিগগিরই দরপত্র আহ্বান করা জরুরি। সেই দরপত্রে গ্যাসের দাম অবশ্যই রিজনেবল ও আকর্ষণীয় হতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমাদের নিজেদের কয়লা উত্তোলন করতে হবে। বাকিটা পূরণ করতে এলএনজি আমদানি করতে হবে। এক্ষেত্রে কিছু কয়লাও আমদানি করা যেতে পারে। যদিও কয়লা আমদানি কিছুটা কঠিন।’ তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে সবার আগে সাগরে জরিপ কাজটি করা জরুরি। কাজটা এখন দিয়ে দিলে আগামী নভেম্বরে তারা কাজ শুরু করতে পারবে। বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা পেয়েছি ৪ বছর হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত কোনো কাজে লাগাতে পারেনি।’ দেশে অবশিষ্ট গ্যাস দিয়ে বড় জোর ৭-৮ বছর চলবে- এমন আশঙ্কা করছে পেট্রোবাংলা। গ্যাস দ্রুত ফুরিয়ে আসায় দেশে নতুন গ্যাস চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে গ্যাস চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করতে চাইলে বিদেশ থেকে তাকে এলএনজি (তরল প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি করে আনতে হবে। গত বছর সরকারি-বেসরকারি খাতে এলএনজি চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাষ্ট্রীয় কোম্পানি নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি জার্মানির সিমেন্স, চীনের সিএমসি এবং যুক্তরাজ্যের বিপির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পায়রাতে ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের এলএনজি চালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে।

 

আরো খবর...