বর্তমানে দেশ পরিচালনায় শেখ হাসিনার যে দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন তা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত

কুষ্টিয়াতে বর্তমান বাংলাদেশ : উন্নয়ন ভাবনা শীর্ষক সেমিনারে এমপি হানিফ

নিজ সংবাদ ॥ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, স্বাধীন মানচিত্রের চিত্রাকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাই বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ অভিন্ন একটি নাম। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষের মধ্যে একটি বাঙালি জাতিসত্তা রয়েছে, তারা সবসময় স্বাধীন হতে চায়। আজ বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরের উন্নয়ন পাকিস্তানসহ অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষেরা ছিল সকল ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার, আর সেই বৈষম্য থেকে মুক্তির সনদ ছিল ছয়দফা। যার মধ্যে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন ও মানুষের মুক্তির সনদ। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যার মধ্যদিয়ে এদেশে হত্যা ও বিভাজনের রাজনীতি শুরু হয়। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশ পরিচালনায় জননেত্রী শেখ হাসিনার যে দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছেন তা আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জননেত্রী জানেন কিভাবে সীমিত সম্পদের সবোর্চ্চ ব্যবহার করে দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটানো যায়। প্রধান অতিথি  হানিফ বলেন, যারা এদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সার্বভৌমত্বকে বিশ্বাস করে না, তারা এদেশে বসবাসকারী পাকিস্তানী প্রেতাত্মা। কারণ মহান মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পরেও তারা দেশের এবং দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। তিনি বলেন, বিএনপি ও জামায়াত হচ্ছে একই মুদ্রার এপিট-ওপিট। এজন্য  বিএনপির শাসনামলে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি থেমে গিয়েছিল। দেশ হয়েছিল দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন এবং জঙ্গিবাদের আস্তানা। আর সেই জায়গা থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য তনয়া জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ আজ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, দেশ আজ খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। পদ্মা সেতু, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বড় বড় উন্নয়ণমূলক কাজ চলমান রয়েছে, যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্বেই সম্ভব হচ্ছে। তিনি যুব সমাজের প্রতি আহবান রেখে বলেন, তোমারাই আগামীতে জাতির ভবিষ্যৎ। তোমাদেরকে  যে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র ও মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত না হয়ে সৎ ও নৈতিকতার ভিত্তিতে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। হানিফ বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক সহযোগিতায় আমি অবহেলিত কুষ্টিয়াকে মডেল কুষ্টিয়ায় পরিণত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অবহেলিত কুষ্টিয়ার উন্নয়নে আপনাদের সকলের সহযোগিতায় যে উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে, তাতে আমি তৃপ্ত নয়। কুষ্টিয়ার উন্নয়নে আরও অনেক কিছু করার পরিকল্পনা আছে। আশারাখি সকলের সহযোগিতা পেলে কুষ্টিয়ার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করবো এবং মানুষের সুখ ও শান্তির ব্যবস্থা করার চেষ্ট করবো।

গতকাল সোমবার সকালে কুষ্টিয়া মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী যুবসমাজের আয়োজনে কুষ্টিয়া পৌর অডিটোরিয়ামে “বর্তমান বাংলাদেশ : উন্নয়ন ভাবনা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মাহবুবউল আলম হানিফ এসব কথা বলেন।

সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ পৃথিবীর কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। জননেত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ, বিচক্ষণ ও গতিশীল নেতৃত্বে  আমরা দীর্ঘ আইনী লড়াইয়ের মধ্যদিয়ে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের মতো বড় একটি সমুদ্র সীমানা পেয়েছি। আমরা মহাকাশে আজ নিজস্ব স্যাটেলাইট “বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট” সফলভাবে উৎক্ষেপন করতে সক্ষম হয়েছি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উপচে পড়া ঝুড়িতে পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক একটি সংস্থার জরীপে দেশের ৬৪% মানুষ আজ দল হিসাবে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে পছন্দ করেন এবং ৬৬% মানুষ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে পছন্দ করেন। তাতে প্রমাণিত হয় যে, জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশ পরিচালনার সক্ষমতা ও নেতৃত্ব দানের বিষয়টি আজ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। জননেত্রী শুধু বাংলাদেশেরই নয়, এশিয়ার মধ্যে মাহাথির মোহাম্মদ। ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করার পর প্রতিটি উন্নয়নে হাত দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে এদেশে পরিকল্পনা করে কখনই কোন উন্নয়ন হয়নি। আজ তাঁরই কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পিত পরিবর্তনের সনদ ভিশন ২০২১ এবং ২০৪১ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলে সাফল্য অর্জন করেছে এবং সার্সটেনএবল গোলে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ১৬০০ মার্কিন ডলার। যা উন্নয়নশীল দেশের সূচকের থেকে বেশি। আমরা যেখানে এলডিসি ছিলাম সেখান থেকে আজ উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হয়েছি এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবো। ডেল্টা পরিকল্পনা এবং ব্লু ইকোনমি রয়েছে আমাদের নেত্রীর মেধা মননে । যার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করে চলেছেন। আর এই উন্নয়ন কাজে তিনি পাশে পেয়েছেন জননেতা মাহবুবউল আলম হানিফের মতো একজন যোগ্য নেতাকে। তিনি বলেন, আমরা গর্বিত যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ৫শ কোটি টাকার উন্নয়ন মেগা প্রকল্প পেয়েছি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে। এজন্য তাঁর প্রতি আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার কৃতজ্ঞ।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের বাংলাদেশ দিয়েছেন অথচ ১৫ আগস্ট কিছু কুলাঙ্গার সে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করলো। যুব সমাজের কাছে  প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন কোন মানুষকে তোমরা দেখাতে পারবে কি? যে সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখলো তাঁর পিতা, আদরের ছোট ভাই রাসেলসহ পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। এমন একটি ঘটনা এদেশের আর কারো জীবনে ঘটেনি, শুধুমাত্র ঘটেছে জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, কি পরিমাণ দেশে প্রেম, দেশের প্রতি ভালবাসা এবং  কি পরিমান বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের শক্তি থাকলে সেই শুন্যস্থান থেকে উঠে এসে নেতৃত্ব হাতে নিয়ে বাংলাদেশকে আজ একটি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করেছেন যা আমাদেরকে দেখিয়ে দিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শিক্ষা, কৃষি, বিদ্যুৎ, পোষাক শিল্পসহ সর্বক্ষেত্রে আজ  উন্নয়নের বিপ্লব সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশের উন্নয়ন আজ সুমদ্র থেকে মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত। শুধু তাই নয় আজ বাংলাদেশের মেয়েরা জাতীয় আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলছে, যা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশ আজ এখানেই থেমে নেই। জননেত্রী শেখ হাসিনা শুধু ২০২১ কিংবা ২০৪১ সালের স্বপ্নই দেখেন না, তিনি আগামী একশ বছরের পরিকল্পনার কথা ভাবেন। তিনি যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতপুর্ণ নির্বাচন হতে যাচ্ছে আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষে সপ্তাহে। এই নির্বাচনে নির্ধারিত হবে বাংলাদেশের উন্নয়ন ভাবনা। তোমরা যুব সমাজই পার বাংলাদেশের উন্নয়নকে তরান্বিত করতে। আশারাখি গুরুত্বপূর্ণ এ নির্বাচনে জয়ের ক্ষেত্রে তোমরা  যুব সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

সেমিনারে সভাপতির বক্তৃতায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান যুব সমাজের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে আমারা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। কিন্তু সেই বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে কি কারনে হত্যা করা হলো? কারন পাকিস্তান বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে সহ্য করতে পারেনি। তাই পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের দালালদের গভীর ষড়যন্ত্রে  বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। তাবে এখানে শেষ নয়, তারই ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট জননেত্রী শেখ হাসিনাকেও হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। ষড়ন্ত্রকারীরা চিরতরে বাঙালি জাতীয়তাবাদ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা এবং গণতন্ত্রের চর্চাকে হত্যা করে এদেশকে আবার পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারীরা বুঝতে পেরেছে যে, জননেত্রীকে হত্যা করা ছাড়া এদেশের উন্নয়নকে থামিয়ে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে এক সময় তলাবিহীন ঝুড়ি বলা হতো। যার তলা এখন অটল এবং  অনেক শক্তিশালী যা উন্নয়নে ভরপুর। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের কৃষি খাত থেকে শুরু করে স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছে। প্রতিটি গ্রাম, পাড়া, মহল্লা, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে উন্নয়নের সূচক এখন উর্দ্ধমূখি। প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষ এখন স্বাচ্ছন্দ বোধ করছে। তিনি বলেন, এক সময় মানুষের ঘরে খাবার থাকতো না, এমনকি প্রয়োজনীয় সংখ্যক পোষাকও থাকতো না। এখন মানুষ পর্যাপ্ত পরিমানে পোষাক পরিধান করে এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়েছেন। যার ফলে আজ সারা দেশের মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা আজ পৃথিবীর বুকে সৎ বিশ্বনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। এজন্য আমরা গর্বিত। তিনি বলেন, জননেতা মাহবুবউল আলম হানিফকে তোমরা সবাই জনো এবং চেন। তিনি একজন উন্নয়নয়ে অনুপ্রাণিত সামনে এগিয়ে চলা মানুষ। তিনি কুষ্টিয়ার  শেখ রাসেল সেতু, বাইপাস সড়ক, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ, আধুনিক সুইমিংপুল, ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমি (নির্মানাধীন), আইটি পার্ক (নির্মানাধীন) সহ বহুমুখি উন্নয়ন কাজ অব্যহত রেখেছেন। তিনি বলেন, আইটি পার্কের কাজ শেষে হলে কুষ্টিয়ার হাজার হাজার যুবক-যুবাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। এখনো কুষ্টিয়ার উন্নয়নে জননেতা হানিফের আরও  পরিকল্পনা আছে। আর কুষ্টিয়ার উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রাখতে হলে আমি মনে করি হানিফ এমপির কোন বিকল্প নেই। তাই আগামী নির্বাচনে জননেতা মাহবুবউল আলম হানিফ তথা নৌকাকে জয়যুক্ত করাতে যুবসমাজসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ এক ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবেন এই প্রত্যাশা করি।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক ড. মুস্তাফিজুর রহমান (মিঠুন মুস্তাফিজ) এর সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বিশেষ অতিথি ছিলেন মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি’র সহধর্মীনি কোয়েস্ট গ্র“পের চেয়ারম্যান  মিসেস ফৌজিয়া আলম। সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুর রহমান, সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবুল আরফিন, বর্তমান প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমান ও কুষ্টিয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী যুব সমাজের আহবায়ক ইমতিয়াজ সুলতান। জাতীয় সংগীতের মধ্যদিয়ে সেমিনারের শুভ সূচনা করা হয়।

আরো খবর...