বন্যার্ত কেউই সরকারি ত্রাণ থেকে বঞ্চিত হবে না – ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা অফিস ॥ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান এমপি বলেছেন, সরকারের ত্রাণ ভান্ডারে যথেষ্ট পরিমাণের ত্রাণ সামগ্রী মজুদ রয়েছে। কোনও বন্যার্ত মানুষ সরকারি ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবে না। পর্যায়ক্রমে বন্যার্ত এলাকার সব মানুষই ত্রাণ পাবে। আওয়ামী লীগ সরকার বন্যার্ত মানুষের পাশে অতীতেও ছিল, বর্তমানেও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, গাইবান্ধার বানভাসী মানুষের জন্য ৫০০ বান্ডিল টিন, ১৫ লাখ টাকা, ২০০ মেট্রিক টন চাল ও শিশুখাদ্য, গো-খাদ্যের জন্য আরও ৫ লাখ টাকা, বিশুদ্ধ পানির ২ হাজার জেরিক্যান ও ৫০০ তাবু (ত্রিপল) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নতুন করে আরও চাল, নগদ টাকা বরাদ্দে প্রক্রিয়া চলছে। এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, বন্যা আক্রান্ত এলাকা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে। সেই লক্ষ্যে গাইবান্ধা শহর রক্ষায় একটি বেড়ি বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। ২৫০ কোটি টাকার ব্যয়ে বাঁধটি নির্মাণ কাজ দ্রুতই শুরু করা হবে। এই বাঁধটি নির্মাণ হলে একদিকে যেমন গাইবান্ধা শহর রক্ষা হবে, তেমনি বর্ন্যাত মানুষও ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাঁচবে। সভা শেষে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ফজলুপুরে বর্ন্যাত এলাকা পরির্দশন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারে মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী এমানুর রহমান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী এমপি, হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিণি এমপি, গাইবান্ধা-১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গাইবান্ধা পৌর মেয়র শাহ্ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলন উপস্থিত ছিলেন। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত, রুটিন দায়িত্ব) রোকসানা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, গাইবান্ধার সদর, ফুলছড়ি, সাদুল্যাপুর, পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আরো খবর...