বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়বার জন্য তোমাদের সকলকে এক একজন সোনার মানুষ হতে হবে

ইবি’তে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে ভিসি ড.রাশিদ আসকারী

কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টি.এস.সি.সি’র বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের  ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহনে যথাক্রমে ক,খ, গ ক্যাটাগরিতে  চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস-২০১৯ উদযাপন উপ-কমিটির আহবায়ক ও সাবেক প্রক্টর প্রফেসর ড. মোঃ মাহবুবর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দ্যেশে বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এদেশ স্বাধীন হয়েছিল। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়বার জন্য তোমাদের এখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ও কর্মকে বুকে ধারন ও লালন করে সোনার মানুষ হিসাবে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, আজ এই চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় তোমরা যেই ছবিগুলো আকছো, তা শুধু আকলেই হবে না হৃদয়েও ধারন করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুদের অত্যন্ত ভালোবাসতেন তাই আজকের এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের বলেন, তোমাদেরকে মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে হবে এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদেরকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য তনয়া প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে দেশ পরিচালনা করছে তাতে করে অচিরেই দেশ উন্নতির চরম শিখরে পৌছাবে। অপর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে  ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারনেই আমরা এই দেশটিকে পেয়েছি। তোমরা কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা আজ যারা চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহন করছো, বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আরো জানতে হবে এবং আর্দশকে বুকে ধারন করতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মন, প্রফেসর ড. মোহাঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, প্রক্টর(ভারঃ) ড. আনিচুর রহমান, রেজিস্ট্রার (ভারঃ) এস এম আব্দুল লতিফ ও ইবি ল্যাবরোটরি স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু ছিল “ক” ক্যাটাগরিতে শিশু শ্রেণি হতে ২য় শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের “গ্রাম বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য”, “খ”ক্যাটাগরিতে ৩য় শ্রেণি হতে ৫ম শ্রেণির পর্যন্ত “নদী মাতৃক বাংলাদেশ” এবং “গ” ক্যাটাগরিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত “বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ” এবং রচনা প্রতিযোগিতার বিষয়বস্তু হচ্ছে “ক” ক্যাটাগরিতে ১ম হতে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত “বঙ্গবন্ধুর ছেলে  বেলা” শিরোনামে ২০০ হতে ৩০০ শব্দের মধ্যে, “খ” ক্যাটাগরিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত “ বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন” শিরোনামে ৪০০ হতে ৫০০ শব্দের মধ্যে এবং “গ” ক্যাটাগরিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের “আমাদের বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতা” শিরোনামে ৭০০ থেকে ১০০০ শব্দের মধ্যে লিখিত রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরো খবর...