ফাইনালেও আক্রমণাত্মক মানসিকতা ধরে রাখতে চান আর্চার

ক্রীড়া প্রতিবেদক ॥ সেমি-ফাইনালে জফরা আর্চারের বাউন্সারে রক্তাক্ত হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স কেয়ারি। বিশ্বকাপের ফাইনালেও যে এমনটা হবে না তার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন না ইংলিশ পেসার। জানিয়েছেন, নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক মানসিকতা ধরে রাখবেন। সেমি-ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নতুন বলে আগুন ঝরান আর্চার। ইনিংসের দ্বিতীয় আর নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই শূন্য রানে ফেরান টুর্নামেন্টে পাঁচশর বেশি রান করা অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে। তার দারুণ এক বাউন্সার অ্যালেক্স কেয়ারির হেলমেটের নিচ দিয়ে থুতনিতে ছোবল দেয়। রক্ত মুছে ব্যান্ডেজ বেঁধে খেলতে হয় উইকেট-কিপার ব্যাটসম্যানকে। পরে থুতনিতে দিতে হয় ছয়টা সেলাই। রোববার লর্ডসে শিরোপার লড়াইয়ে কিউইদের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। ব্যাটসম্যানদের আঘাত করার ইচ্ছা না থাকলেও গতি আর বাউন্সে নিজের কাজটা করে যেতে চান আর্চার। “আপনি সবসময় তাদের আঘাত করতে চাইবেন না। এটা হতে পারে একটা উইকেট-নেওয়ার মতো বল বা ডট বল। যখন এটা তাদেরকে আঘাত করে, এমনটা করার জন্য আপনি কিছুটা খারাপ অনুভব করেন। কিন্তু এটাই ক্রিকেট। আর সে আঘাত পাওয়া শেষ ব্যক্তি হবে তেমনটা আমি মনে করি না।” নিয়মিত দারুণ গতিতে বল করে যাওয়ার জন্য পরিচিত আর্চার সেমি-ফাইনালে দারুণ এক স্লোয়ারে ফেরান গে¬ন ম্যাক্সওয়েলকে। অন্যান্য বৈচিত্র্যের পাশাপাশি শর্ট বলকে সবসময় নিজের গুরুত্বপূর্ণ একটা অস্ত্র বলে মনে করেন ২৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। “প্রতিটা ওভারে যে কোনোভাবেই আমি বরাদ্দ দুটো বাউন্সার ব্যবহার করার চেষ্টা করি। এটা শুধু আগে থেকে ঠিক করা কোনো পরিকল্পনা ছিল না। আমি সবসময় এটা করি।” কেয়ারি আহত হওয়ার পর আর্চারের ২০১৩ সালে করা একটি টুইট আলোচনায় আসে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, “সব ব্যাটসম্যান দুটো করে হেলমেট কিনুন কারণ যখন আমাদের দেখা হবে, তখন সেগুলো কাজে লাগবে।” তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে আলোচনাকে খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না আর্চার। “আমি এটা দেখেছি কিন্তু কেন এটা একটা বড় ব্যাপার হওয়া উচিত তা আমি জানি না। এটা শুধুই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।”

আরো খবর...