নেতৃত্ব বাছাইয়ে প্রথম দফা ভোটে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন দল

ঢাকা অফিস ॥ প্রথম দফা ভোটের মাধ্যমে ব্রিটেনের ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদরা তাদের পরবর্তী শীর্ষ নেতা নির্বাচনের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ হাউস অব কমন্সে গোপন ব্যালটে এ ভোট হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। স্থানীয় সময় দুপুর ১টার কিছুক্ষণ পর এ ভোটের ফল জানা যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিনের ভোটে দলটির শীর্ষ পদের ১০ প্রার্থীর মধ্যে যারা ন্যূনতম ১৭ সহকর্মীর সমর্থন পাবেন না, তারা এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বাদ পড়বেন। প্রার্থীদের সবাই ন্যূনতম ভোটের বাধা টপকাতে পারলে তাদের মধ্য থেকে বাদ পড়বেন সবচেয়ে কম ভোট পাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বী। অবশিষ্ট প্রার্থীদের নিয়ে আগামী সপ্তাহে ফের ভোট হবে; এভাবে কয়েক দিনের সিরিজ ভোটের মাধ্যমে টোরি এমপিরা চূড়ান্ত দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্বাচিত করবে। ওই দুই জনের মধ্যে দলের পরবর্তী নেতা কে হবেন, পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে সে সিদ্ধান্ত নিবেন দলের নিবন্ধিত সদস্যরা। জুলাইয়ের শেষদিকে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচিত নেতা ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ পদে বসার পাশাপাশি ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে-র স্থলাভিষিক্ত হবেন। সাংসদদের সমর্থন বিচারে বুধবার থেকে প্রচারাভিযান শুরু করা বরিস জনসনের পাল্লাই সবচেয়ে ভারী বলে জানিয়েছে বিবিসি। সাবেক এ পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার নির্বাচনী প্রচারে অক্টোবরের মধ্যেই যুক্তরাজ্যকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বের করে আনার প্রতিশ্র“তি দিয়েছেন। কী করে এই পদক্ষেপ কার্যকর করবেন, সে সম্বন্ধে বিস্তারিত না জানালেও ‘চুক্তি ছাড়া ব্রেক্সিট’ তার লক্ষ্য নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। বুধবার প্রচার শুরু করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ জনসনকে ‘গতকালের খবর’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। “আজ আমাদের দরকার আগামীর নেতা। দরকার নেই পুরনো ধ্যানধারণার একই লোকগুলোকে, প্রয়োজন নতুন প্রজন্ম, নতুন আলোচ্য বিষয়,” বলেছেন তিনি। বরিসের পাশাপাশি সাংসদের পর্যাপ্ত সমর্থন নিয়ে জাভিদ, গোভ, ডমিনিক রাব ও জেরমি হান্ট সহজেই দ্বিতীয় দফার ভোটে পৌঁছাবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

বাকি ৫ প্রার্থী- ম্যাট হ্যানকক, রোরি স্টুয়ার্ট, আন্দ্রিয়া লিডসম, মার্ক হার্পার ও এস্টার ম্যাকভেইও নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাখা ও সুযোগ কাজে লাগানোর আশা করছেন।

আরো খবর...