দৌলতপুরে দোকান ঘর ভাংচুর ও লুট : জমি দখল

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মন্টু মিয়া নামে এক দরিদ্র ব্যবসায়ীর ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মুদি দোকান ঘর ভাংচুর ও লুট করে জমিখ দখল নিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহল। এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় অভিযোগ করা হলে পুলিশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলাকারী হাবলুকে আটক করার পর অজ্ঞাত কারনে ছেড়ে দিয়েছে। উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের চকঘোগা মোড়ে অবস্থিত একই এলাকার মো. মন্টু মিয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসা মুদি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লক্ষাধিক টাকার সম্পদ লুট শেষে দোকান ঘর উচ্ছেদ করে জমি দখল করে নেয়। গতকাল বুধবার দুপুরে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে মন্টু মিয়া অভিযোগ করে বলেন, সে চকঘোগা মোড়ে ক্ষুদ্র মুদি ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। হঠাৎ করে গত ৬ মে সকাল ৮টার দিকে একই এলাকার প্রভাবশালী হাবলু (৪০), রানা (৩৫), ডলার (৩০) ও সাহাবুদ্দিন (৬৫) সশস্ত্র সংগবদ্ধ হয়ে তার দোকান ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট শেষে দোকান ঘর উচ্ছেদ করে এবং জোরপূর্বক জমি দখল করে নেয়। এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় অভিযোগ করা হলে দৌলতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাবলুকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার পর ছেড়ে দেয়। বর্তমানে অসহায় দরিদ্র মন্টু মিয়া পরিবার পরিজোন নিয়ে অনাহার অর্ধাহারে সুবিচারের আসায় বিভিন্ন জনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। মন্টু মিয়া আরো অভিযোগ করেন, জমি জবরদখলকারী প্রভাবশালী হাবলু গংরা পুলিশের সাথে পরামর্শ করে তার দোকান ঘর ভাংচুর ও লুট শেষে জমি দখল নিয়েছে বলে হামলাকারীরা এলাকাবাসীকে জানিয়েছে। তাই রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তা’হলে আমাদের মত অসহায় মানুষের জায়গা কোথায় বলে মন্তব্য করেন মন্টু মিয়া। দোকান ঘর ভাংচুর ও লুটের বিষয়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আল মামুন বলেন, একজন নিরীহ দরিদ্র ব্যক্তি মন্টু মিয়ার দোকান ঘর ভেঙ্গে উচ্ছেদ করে তার জায়গা দখল নেওয়ার বিষয়টি মগের মূল্লুকের মত অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে মন্টু ওই দোকান দিয়ে কোনমতে সংসার পরিচালনা করে আসছে। পুলিশকে জানানোর পরও তাকে এভাবে জবরদস্তি করে উচ্ছেদ করা অনৈতিক বলে মনে করি। এ বিষয়ে অভিযোগ তদন্তকারী অফিসার দৌলতপুর থানার উপ-পরিদর্শক প্রকাশ কুমার জানান, দোকান ঘর ভাংচুরের খবর পেয়ে তৎক্ষনাত ঘটনাস্থলে গিয়ে একজনকে আটক করা হয়। পরে কি হয়েছে তা আমার জানা নেই।

আরো খবর...