‘জলবায়ু মোকাবেলায় সক্ষমতা না বাড়ালে বিপদ’

ঢাকা অফিস ॥ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তা না হলে বিপদের আশঙ্কা করেছেন তারা। এ ব্যাপারে এখনই উদ্যোগ না নিলে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। জলবায়ুর প্রভাব মোকাবেলায় বাইরের সহযোগিতার দিকে না তাকিয়ে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শও দেন তারা। রোববার ঢাকার পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ ভবনে আয়োজিত ‘এসডিজি ১৩: জলবায়ু কার্যক্রম’ বিষয়ক এক সেমিনারে তারা এই অভিমত দেন।  গণমানুষের কণ্ঠস্বর: বাংলাদেশে ২০৩০ টেকসই উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্লাটফর্ম আয়োজিত এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ। প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন। বক্তব্য দেন পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জসীম উদ্দিন। পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, ‘কাউকে বাদ দিয়ে নয়’ এসডিজির এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় পরিবেশ মন্ত্রণালয় সরাসরি কাজ করছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সব অভীষ্ট অর্জনের লক্ষ্যে সবাইকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কার্যকরভাবে মোকাবেলায় বেসরকরি সংস্থার উদ্যোগসমূহে স্থানীয় সরকারকে সরাসরি সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তিনি। জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় এখনই উদ্যোগ নেয়া না হলে অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন খলীকুজ্জমান আহমদ। তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের জন্য সুপরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণ, অভ্যন্তরীণ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত ও স্থানীয় পর্যায়ে তা সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি এসব কাজের জন্য দক্ষ জনবল গড়ে তোলা, যথাযথ সমন্বয় এবং নিরবচ্ছিন্ন তদারকি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্বাগত বক্তব্যে আবদুল করিম জলবায়ু বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে সরকারের সহায়ক ভূমিকা পালন করছে পিকেএসএফ। পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় পিকেএসএফ-এর বিভিন্ন উদ্যোগের ওপর আলোকপাত করে পিকেএসএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে সাফল্যের সঙ্গে এসডিজি অর্জনে সক্ষম হবে। সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সুলতান আহমেদ। জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় উন্নত বিশ্বের দিকে না তাকিয়ে নিজেদেরকেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে এবং অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।

আরো খবর...