গাংনীর কোদাইলকাটি গ্রামে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের পাল্টা পাল্টি অভিযোগ দায়ের

বিশেষ প্রতিনিধি ॥  মেহেরপুরের গাংনীর কোদাইলকাটি গ্রামে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মান করাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের অভিযোগ দায়ের আপোস মিমাংসা না হতেই এক পক্ষের প্রাচীর নির্মাণ শুরু। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলছেন আগামী জুলাই মাসের ৫ তারিখে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা করার দিন নির্ধারন করা হয়েছে। জানা গেছে, গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়নের কোদাইলকাটি গ্রামের বায়েজউদ্দিনের ছেলে শফিউদ্দিন ও মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে মিজানুর রহমান লালন, রেজাউল হক শরিকানা জমির মালিক। এরা নিজ নিজ অংশে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। সম্প্রতি শফিউদ্দিন তার বাড়ির পুরানো সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে নতুন করে তা নির্মাণ করতে গেলে মিজানুর রহমান লালন তার অংশের জমি ফেলে প্রাচীর নির্মান করতে বলায় ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে শফিউদ্দিন। বিষয়টি স্থানীয় কুমারীডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্প পর্যন্ত গড়ায়। উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে গত শুক্রবার কুমারীডাঙ্গা ক্যাম্প ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান আমিন ডেকে জমির মাপযোগ করার ব্যবস্থা করেন। কিন্তু জমি মাপযোগের শেষে বন্টনকৃত জমির পরিমান কম বেশি হওয়ায় উভয় পক্ষই না মানলে আমিন ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে শফিউদ্দিন জোরপূর্বক সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে চাইলে মিজানুর রহমান লালন গাংনী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরপরই শফিউদ্দিনও পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। গতকাল রবিবার ঘটনাস্থলে তদন্তে যান গাংনী থানার এসআই আশরাফুল ইসলাম। পাল্টাপাল্টি অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, দুই পক্ষের সাথে কথা বলে জমির সামনে (তথা) রাস্তা সংলগ্ন জায়গায় শফিউদ্দিনকে প্রাচীর দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং মিজানুর রহমান লালনকে বাড়ির পিছনের অংশের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আগামী ৫ জুলাই দিন নির্ধারন করা হয়েছে। আমিন দিয়ে জমি পরিমাপ করে সমাধান করা হবে।

মিজানুর রহমান লালন বলেন, আমরা নিজেরাই যদি প্রাচীর ভেঙ্গে দেবে তাহলে বিবাদমান জমিতে প্রাচীর না দেওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ জানাবো কেন ? অথচ প্রতিপক্ষ নিজের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য নিজেরাই প্রাচীরের কয়েকটি ইট খুলে ফেলে উল্টো আমাদের নামে অভিযোগ দিয়েছে। এখানে কিছু বলার নেই।

আরো খবর...