কুষ্টিয়ার শীর্ষ দুই মাদক ব্যবসায়ী মামা-ভাগ্নে নিহত

র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ
র‌্যাবের দুই সদস্য আহত ॥ মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ার মিরপুরে র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ফুটু ওরফে  মোন্না (৩৫) ও রাসেল আহম্মেদ (৩০) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সম্পর্কে তারা মামা-ভাগ্নে। র‌্যাবের দাবি এ ঘটনায় তাদের ২ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার গভীর রাতে মিরপুরের কুর্শা ইউনিয়নের আনান্দ বাজার বালুচর সংলগ্ন জোয়াদ্দারের ইটভাটার কাছে এ ‘বন্দুকযুদ্ধের’  ঘটনা ঘটে। র‌্যাব জানায়, মাদক দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে একদল মাদক ব্যবসায়ী মিরপুর উপজেলার কূর্শা ইউনিয়নের আনান্দ বাজার বালুচর সংলগ্ন জোয়াদ্দারের ইটভাটার কাছে অবস্থান করছে। এমন গোপন সংবাদ পেয়ে র‌্যাবের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা র‌্যাবকে লক্ষ্য কর গুলি ছোড়ে। জবাবে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালালে ‘বন্দুকযুদ্ধের এক পর্যায়ে দুই জন ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকে। আহতবস্থায় দু’জনকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিত্সক তাদের মৃত ঘোষনা করেন। র‌্যাব পরে জানায়, বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই ব্যক্তি সম্পর্কে মামা ও ভাগ্নে । তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত তলিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ২ র‌্যাব সদস্য আহত হলে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশী নাইম এমএম পিস্তল, ১টি দেশী ওয়ান শুটারগান,  ২টি কার্তুজ, ১২ রাউন্ড গুলি, ৪০ লিটার চোলাই মদ, ১ হাজার ৫০০ পিচ ইয়াবা ও ২৩০ বোতল  ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ফুটু ওরফে মোন্না কুষ্টিয়া শহরের রাজারহাট মোড় এলাকার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে ও রাসেল আহম্মেদ একই এলাকার রবিউল ইসলামের ছেলে। র‌্যাব দুই মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করতে কুষ্টিয়া  জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের পরিবার সূত্র জানিয়েছে, এরা মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল, তবে দীর্ঘদিন তাদের কোন খোঁজ ছিল না। গতকাল তারা দুইজনের ক্রসফায়ারে মৃত্যুর সংবাদ পান।

 

আরো খবর...