কুষ্টিয়ার মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

জমে উঠেছে ঈদ বাজার

নিজ সংবাদ ॥ শেষ মুহুর্তে কুষ্টিয়ায় ঈদের বাজার জমে উঠেছে। শহর এবং শহরতলীর বিপনী বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। সকাল ১০টার পর থেকে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে রিকসা, সিএনজি ও অটো রিকসার চাপে অধিকাংশ সড়কে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। শহরের মজমপুর থেকে শুরু হওয়া এনএস রোড কেন্দ্রীক দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় শুরু হয়। প্রচন্ড গরম থেকে রক্ষা পেতে শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত অভিজাত মার্কেটগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শহরের লাভলী টাওয়ারে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত  ক্রেতা সাধারনের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এ মাকের্টের মিরা শাড়ি ঘর ও বেনারসি শাড়ি ঘরে মেয়েদের ভিড় বেশি। মিরা শাড়ি ঘরের মালিক নিশিত বিশ্বাস জানায়-বিক্রি ভাল। সামনের দিনগুলোতে আরো বেশি বিক্রি হবে। বেনারসি শাড়িঘরের মালিক শামসুল হক জানান-বিক্রি  শুরু হয়েছে তবে সামনের দিনগুলো প্রচুর বিক্রির আশা করছি। তিনি জানান-এবার শাড়ি ও কাপড়ের নতুন নতুন কালেকশন আছে। শাড়ি এবং কাপড়ের মূল্য ক্রেতা সাধারনের সামর্থের মধ্য আছে। একই মার্কেটে ফাতেমা ফ্যাশনে শিশু ও নারীদের পাশাপাশি পুরুষের পাঞ্জাবী ও ব্যান্ডের কোম্পানীর গেঞ্জি পাওয়া যায়। একই মালিকের এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি দোকানেই সব বয়সের মানুষের ভিড় লেগেই আছে। ফাতেমা ফ্যাশনের কর্মচারী জানান-বিক্রি ভাল। আমাদের সব ধরনের কালেকশন থাকায় ক্রেতারা একদামে ভাল পন্য ক্রয় করে সন্তুষ্ট। শহরের ইসলামিয়া কলেজ মার্কেটের মৌ ফ্যাশনে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এখানে সব বয়সের মানুষের পোশাকাদির সমারোহ রয়েছে। কেন্দ্রীয় সমবায় মার্কেট, তমিজ উদ্দিন সুপার মার্কেট, কুষ্টিয়া হাইস্কুল মার্কেট, চাঁদ সুলতানা স্কুল মার্কেট, শতাব্দি ভবন মার্কেট, জেলা পরিষদ মার্কেট, বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেট, রজব আলী মাকের্টের দোকান গুলোতেও ক্রেতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। পোশাকের পাশাপাশি থানার সামনে জুতা স্যান্ডেলের দোকানেও ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। পোশাকের পাশাপাশি স্বর্ণের দোকানেও ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করার মত। এছাড়া পোশাধনীর দোকানগুলোতে নানা বয়সের মেয়েদের ভিড় বেশি। ঈদের বাজার করতে আসা ক্রেতা সাধারন জানান-বাজারে সব ধরনের পোশাকাদি এবং জিনিস পত্র পাওয়া গেলেও দাম বেশি বলে মনে হচ্ছে।

আরো খবর...