এক দিনের জন্য হলো না টানা ৯ দিনের ছুটি

ঢাকা অফিস ॥ দুই সরকারি ছুটির মধ্যে এক দিন অফিস খোলা থাকায় ঈদের আগে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ে ছুটির আমেজ নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আনেকেই গতকাল সোমবার অফিস করেই বাড়ির পথ ধরেন বলে জানা গেছে। আর, যারা শেষ কর্মদিবসে ছুটি নিয়ে বাড়ি গেছেন, তাদের ‘জরিমানা’ হিসেবে আগের তিন দিন ছুটির খাতায় যুক্ত হয়েছে। তাই এবার শেষ দিন ছুটি কাটানো চাকরিজীবীর সংখ্যা নিতান্তই কম। এবার ঈদের ছুটির আগে ও পরে সাপ্তাহিক ছুটি, লাইলাতুল কদরের ছুটির মধ্যে পড়েছে একটি কর্মদিবস। ৩ জুনের এই দিনটি ছুটি হলে টানা নয় দিনের ছুটি মিলতো সরকারি চাকরিজীবীদের। শবে কদরের ছুটির আগে ৩১ মে ও ১ জুন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ২ জুন গত রোববার শবে কদরের ছুটি ছিল। কিন্তু, গতকাল সোমবার অফিস করতে হয় চাকুরেদের। রোজা ২৯টি হলে এবার ঈদ হবে আগামীকাল বুধবার (৫ জুন)। আর ৩০টি হলে ঈদ হবে আগামী বৃহস্পতিবার (৬ জুন)। ঈদের ছুটি শুরু হচ্ছে আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) থেকে। ৫ তারিখ ঈদ হলে ছুটি থাকবে ৪, ৫ ও ৬ জুন অর্থাৎ মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতি। এরপর শুক্র ও শনিবার অর্থাৎ ৭ ও ৮ জুন দু’দিন সাপ্তাহিক ছুটি। আর ৬ জুন ঈদ হলে ঈদের ছুটি একদিন বেড়ে ৭ জুন পর্যন্ত হবে। এ ক্ষেত্রে ঈদের ছুটি হবে ৪, ৫, ৬ ও ৭ জুন। অর্থাৎ ৭ জুনের ঈদের ছুটি পড়বে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যেই। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রইছ উদ্দিন বলেন, দুই সরকারি ছুটির মধ্যে যারা ছুটি নেন, তাদের ছুটি আগের বা পরের ছুটির সঙ্গে যুক্ত হবে। তাই এ দফতরের কেউ গতকাল সোমবার ছুটি নেননি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার শেষ কর্মদিবসে ছুটি নেওয়াদের তালিকা একেবারেই কম। তথ্য অধিদফতরের এক কর্মকর্তা বলেন, একদিন ছুটি কাটালে আগের তিন দিনের সঙ্গে যোগ হবে। এজন্য অল্প লোকই ছুটি নিচ্ছেন। তবে, ছুটি না নিলেও অনেকে অফিসে এসে হাজিরা দিয়ে চলে যাবেন। কারণ শেষ দিন কাজ কম। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, দফতরে উপস্থিতির সংখ্যা অন্য দিনের মতোই। শেষ দিন অফিস করছেন তারা। সাধারণত, গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের দিন (প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় হচ্ছে না) দর্শনার্থীদের পাস বন্ধ থাকে। ফলে সচিবালয়েও তেমন ভিড় নেই।

আরো খবর...