অর্জন বিসর্জনের মুখোমুখি বাংলাদেশ

॥ মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী ॥

আর চারদিন পর ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই প্রথম দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সংসদ নির্বাচন দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যদিও তফসিল ঘোষণার আগে দলীয় সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিরোধী দলসমূহ অংশগ্রহণ করবে কি করবে না- এ নিয়ে দেশে ব্যাপক মানুষের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার ঐকান্তিকতা, চেষ্টা এবং দলসমূহের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এক ধরনের সমঝোতা ঘটে।

নির্বাচনের হাওয়া অনেকটাই বইতে শুরু করে, কোনো বিদেশি মহলের তৎপরতা বা মধ্যস্থতার প্রয়োজন পড়েনি। ফলে রাজনীতি সচেতন মহল মনে করছে অতীতের রাজনৈতিক অবিশ্বাসের অবস্থান থেকে দলগুলো কিছুটা হলেও সরে আসার যে নজির স্থাপন করেছে সেটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনকালীন জটিলতার অবসানে মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।

মাঠের বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং এর সহযোগী ২০ দলীয় ঐক্যজোট এবং নবগঠিত ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও তাদের প্রস্তুতিতে বড় ধরনের সংকট ছিল। বিশেষত বিএনপি এবং জামায়াত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে সাংগঠনিকভাবে বড় ধরনের সংকটে পড়ে। এটি আরো গভীরতর হয় ২০১৫ সালের শুরুতে ৯৩ দিনের অবরোধ হরতালের মতো কর্মসূচি প্রদানের ফলে। এরপর থেকে দল দুটো আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারেনি, অনেক নেতাকর্মী নানা ধরনের মামলায় জড়িয়ে পড়ে। দলের মধ্যে নেতৃত্বের আন্দোলন সংগ্রামের কৌশল নিয়ে অনাস্থা তৈরি হয়, সৃষ্টি হয় বিপর্যয়কর অবস্থা।

বিএনপি যদিও ২০১৫ সাল থেকে সংগঠন ও আন্দোলন সংঘটিত করার নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু বিএনপি বা ২০ দলীয় জোট এর কোনোটিই রক্ষা করতে পারেনি। ফলে নির্বাচনের আগে সরকার বা আওয়ামী লীগের ওপর কার্যকর কোনো চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি বিএনপি ও জামায়াত। জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে শীর্ষ নেতাদের কয়েকজনকেই হারিয়ে বড় ধরনের সাংগঠনিক সংকটে পড়ে।

এরই মধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসন এবং দলের দ্বিতীয় নেতা তারেক রহমান মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার ফলে দল নির্বাচনের আগে নেতৃত্বের সংকটে পড়ে। এসব কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি তথা ২০ দলীয় ঐক্যজোট দেশে কার্যত নির্বাচনে যাওয়ার সুবিধাজনক কোনো অবস্থায় ছিল না।

সেই অবস্থাতে গণফোরাম, জাসদ (রব), নাগরিক ঐক্য এবং কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে নির্বাচনে যাওয়ার একটি সুযোগ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। এটি বিএনপির জন্য একটি উত্তরণের সুযোগ হিসেবে আবির্ভূত হয়। বিএনপি সাংগঠনিক নানা অব্যবস্থাপনার মধ্যেও ঐক্যফ্রন্টের জোটগত অবস্থানে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের জামায়াত-বিএনপিকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনীয় ঐক্য নিয়ে দেশে বিরূপ সমালোচনা রয়েছে। তারপরও নাগরিক সমাজের একটি অংশ ঐক্যফ্রন্টের জোটগত অবস্থানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। ঐক্যফ্রন্ট শুরুতে যে ধরনের প্রতিশ্র“তি দিয়েছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের পর অনেক কিছুর সঙ্গেই আপস করতে তাদের দেখা যায়।

বিশেষত স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না এমন প্রতিশ্র“তি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট ধরে রাখতে পারেনি। বিএনপি বরং ঐক্যফ্রন্টকে তাদের ২০ দলীয় জোটের চিন্তাধারার কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছে। এর ফলে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্ট কার্যত জামায়াত ও বিএনপির ক্রিড়নকে পরিণত হয়েছে বলে রাজনীতি সচেতন মহল মনে করছে।

ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ দলীয় ঐক্যজোটের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের বৃহত্তর ঐক্য বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক শক্তির একটি প্লাটফর্ম এবং অন্যদিকে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের আরেকটি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্লাটফর্ম হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে।

এ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনী রাজনীতিতে ঘুরে দাঁড়ানোর সব চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দলের অভ্যন্তরে শুরু থেকে বেশকিছু সংকট তৈরি হয়। এর ফলে দলের অভ্যন্তরে মনোনয়ন পাওয়ার দ্বন্দ্ব ভেতরে ভেতরে ব্যাপক হতে থাকে, আবার নানা মামলায় জড়িয়ে থাকা কিছু নেতা প্রার্থিতা পাওয়ায় নির্বাচনে সক্রিয় হওয়া নিয়ে বেশকিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াতের নিবন্ধন না থাকার পরও ২২ জন জামায়াতের নেতাকে বিএনপির সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেয়া নিয়ে আইনত জটিলতার সম্মুখীন হয়েছে ঐক্যজোট। নির্বাচনের ঠিক প্রাক্কালে এ ধরনের নানামুখী বিপর্যয় বিএনপি, জামায়াত এবং ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী আশাবাদকে বেশ বিপদেই ফেলেছে। বেশকিছু প্রার্থী নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত লড়তে পারছেন না, আবার কেউ কেউ মামলার কারণে নির্বাচনী মাঠে সময় দিতে পারছেন না। কর্মীদের মধ্যেও অনেকেই ২০১৩ ও ১৫ সালের পেট্রলবোমার মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছে। তারাও খুব একটা মাঠে আসতে পারছে না। তারপরেও বেশকিছু আসনে বিএনপির প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত আছেন।

প্রথমদিকে প্রার্থীদের অনেকের মধ্যে আতঙ্ক, অপ্রস্তুতি এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার সংকট ব্যাপকভাবে ছিল। বেশকিছু আসনে কোনো কোনো প্রার্থী তা এসব সমস্যা অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে পেরেছেন বলে মনে হচ্ছে। তবে জামায়াতের প্রার্থীরা অনেকটাই গোপনে তাদের প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ঐক্যফ্রন্টের বাকি দলগুলোর প্রার্থীদের সাংগঠনিক দুর্বলতা এতটাই প্রকট যে বিএনপির সমর্থন ছাড়া প্রচার-প্রচারণায় তাদের খুব একটা দেখা যায় না। এ ধরনের পরিস্থিতিতেও বিএনপি এবং ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ভোটারদের আবেগ, অনুভূতি এবং সহানুভূতি পাওয়ার জন্য নানা কৌশলে কাজ করছেন, প্রচার-প্রচারণায় চালিয়ে যাচ্ছেন। ঐক্যফ্রন্টের নেতারা শুরু থেকেই বেশকিছু অভিযোগ ক্রমাগত করেই যাচ্ছেন।

বিশেষত তাদের কোনো কোনো প্রার্থীর পোস্টার ও লিফলেট না দেখা যাওয়ার কারণ হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাধাদানের কথা বারবার বলে যাচ্ছেন। এমনকি তারা প্রেসে পোস্টার ছাপাতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করছেন। এসব অভিযোগের সত্যাসত্য কেবলমাত্র তদন্তের মাধ্যমেই নিরূপণ করা যেতে পারে।

তবে তাদের এসব দাবির প্রতি কিছু মানুষের হয়তো বিশ্বাস সৃষ্টি হতেও পারে। কিন্তু সব আসনে পরিস্থিত একই কারণে নিরুত্তাপ, প্রচার-প্রচারণাবিহীন এবং পোস্টারবিহীন অবস্থায় চলছে- তা ভাবা কষ্টকর। রাজনৈতিক অভিজ্ঞ মহলের ধারণা বেশকিছু আসনে যেসব প্রার্থীকে মনোনয়ন দান করা হয়েছে তাদের সঙ্গে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সমঝোতা না হওয়ায় অনেকেই সীমিত আকারে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন, ভোটারদের সহানুভূতি পাওয়ার জন্য অভিযোগ করছেন। ফলে বেশকিছু আসনে প্রচার-প্রচারণা সেভাবে না জমলেও বিএনপির মনোনীত কয়েকজন প্রার্থীর আসনে প্রচার-প্রচারণা বেশ তুঙ্গে আছে।

বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে বারবার বলা হচ্ছে যে ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে গেলে দেশে একটি ‘ভোট বিপ্লব’ হয়ে যাবে! তাদের এ ধরনের দাবির বাস্তবতা কতখানি রয়েছে সেটি ৩০ তারিখ বুঝা যাবে। তবে ভোটাররা ভোট দিতে পারবেন না, কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে এমন কথা কেউ প্রমাণ দিয়ে এ পর্যন্ত দেখাতে পারছেন না। ফলে এটি তাদের প্রচারণার একটি কৌশল হিসেবে ধরে নিতে হচ্ছে। ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের ধারণা যে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মাঠে নামার পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণরুপে তাদের ভোটারদের অনুকূলে এসে যাবে- এটি ২/১ দিনের মধ্যেই বুঝা যাবে।

তবে ঐক্যফ্রন্টের প্রচার-প্রচারণা, কথাবার্তা এবং নির্বাচনী কৌশলের কিছু কিছু দিক আঁচ করে কোনো কোনো পর্যবেক্ষক আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, ৩০ তারিখের আগে জামায়াত এবং বিএনপির কোনো কোনো নেতাকর্মী অস্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতি হয়তো সৃষ্টি করতে পারে। এটি আদৌ করা সম্ভব কিনা তাও ২/১ দিনের মধ্যেই বুঝা যেতে পারে। তবে উগ্র জঙ্গিবাদী কোনো কোনো গোষ্ঠী নির্বাচন উপলক্ষে কিছু দুর্ঘটনা ঘটালে আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না। কেননা জঙ্গিবাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী হলি আর্টিজানের হত্যাকান্ডের পর কোণঠাসা অবস্থায় পড়েছে, অনেক জঙ্গি এরই মধ্যে নিহত কিংবা গ্রেপ্তার হয়েছে। ফলে ওইসব শক্তির দৃষ্টিতে বর্তমান সরকার তাদের জন্যে সম্পূর্ণরূপে বৈরী।

সুতরাং সরকারকে বেকায়দায় ফেলার মতো কিছু নাশকতামূলক কর্মকান্ড তারা করতেই পারে। অন্যদিকে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে দেশের প্রচার মাধ্যমের যেসব তথ্য-উপাত্ত প্রকাশিত হয়েছে তার ফলে যে ধারণাটি করা যেতে পারে তা হচ্ছে নির্বাচনের আগে কিংবা পড়ে দেশে ওইসব গোষ্ঠী প্রতিহিংসামূলক কোনো ঘটনা ঘটাতেই পারে। দেশের রাজনীতি এবং নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে আগামী কয়েকটি দিন খুব অনুকূল পরিবেশ নাও থাকতে পারে। এমন আশঙ্কাকে একেবারে উড়িয়ে না দিলেও দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেগুলো মোকাবেলা করতে সচেষ্ট আছেন- এমনটির প্রতি বেশিরভাগ মানুষের আস্থা রয়েছে।

নির্বাচনটি নানা চড়াই-উৎরাই পার হয়ে এ পর্যন্ত  যে পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছে তাতে একেবারে হতাশ হওয়ার মতো পরিস্থিতি বলা যাবে না বরং দুই মাস আগে যে ধরনের হতাশা ও আতঙ্ক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের ব্যবসায়ী, কর্মজীবী, বিদেশি কূটনৈতিক এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছিল সেটি ধাপে ধাপে দূর হয়ে এখন নির্বাচনের একেবারেই ধারপ্রান্তে আমরা উপনীত হয়েছি। ৩০ তারিখ দেশব্যাপী ব্যাপক মানুষের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে- এটি নিয়ে আর কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্ব কারো মধ্যে নেই। নির্বাচন কমিশন নানা সীমাবদ্ধতার পরও এ পর্যন্ত নির্বাচনী কার্যক্রম ঘুরিয়ে আনতে পেরেছে।

যদিও জোটসমূহের পক্ষ থেকে নানা বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, নির্বাচন কমিশন কিছু কিছু ব্যাপারে ত্বরিত সিদ্ধান্ত দিয়েছে আবার অনেক অভিযোগের ব্যাপারে তেমন কিছু করতে পারেনি, অভিযোগের জটলায় নিজেদের আবদ্ধ রাখেনি বরং কমিশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে তাদের মনোযোগকে প্রাধান্য দিয়েছে- সেটি অনেকটা সঙ্গত হয়েছে বলে আমাদের কাছে মনে হয়। একটি কথা না বললেই নয় অতীতের সব ক’টি নির্বাচনের আগে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও হানাহানি ঘটেছে। এই নির্বাচনে এ পর্যন্ত দুজনের মৃত্যু ছাড়া আর তেমন কারো মৃত্যু ঘটেনি। তবে হামলার অভিযোগ ঘটনাবলির খবরাখবর মিডিয়ায় প্রচারিত হয়েছে যা অনাকাঙ্খিত ছিল। আমরা আশা করব বাকি দিনগুলোতে হামলা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি ঘটবে না, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে, ভোটাররা ভোটদান করবেন।

তবে এবারের নির্বাচনে মহাজোট বনাম ঐক্যজোটের মধ্যে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে যাচ্ছে তার ফলে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অর্জনের ধারাবাহিকতার পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক গণতন্ত্রের পথ সুগম হবে নাকি বিপরীত পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে সেটি নির্ভর করবে নির্বাচনে কোনো শক্তির জয় বা পরাজয় ঘটবে তার ওপর। এই রাজনৈতিক বোধ ও বিবেচনাটি সম্পূর্ণরুপেই ভোটারদের একান্ত ব্যাপার।

লেখক ঃ অধ্যাপক, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

আরো খবর...